কোনো বস্তু বা ব্যবস্থা নির্মাণের জন্য, কোনো প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন, নমুনা বস্তু, পণ্য বা প্রক্রিয়া পূর্ণতা দেওয়ার জন্য পরিকল্পনা বা স্তর নির্দিষ্টকরণকে নকশা বলে। ফুল, পাখি, লতা-পাতা আবার বিভিন্ন জ্যামিতিক আকার যেমন: বৃত্ত, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ ইত্যাদি ব্যবহার করেও নকশা আঁকা যায়।
Related Question
View Allযে সকল জিনিস আমরা প্রতিদিন ব্যবহার করি অর্থাৎ দৈনন্দিন জীবনে যেসকল জিনিসপত্র ছাড়া আমরা চলতে পারি না. যেমন : থালা-বাসন, জগ, গ্লাস, হাঁড়ি-পাতিল, চেয়ার, টেবিল, বইপত্র ইত্যাদিকে দৈনন্দিনের ব্যবহার্য জিনিস বলা হয়।
ছবি আঁকার মূল প্রাণশক্তি বলা হয় রেখাকে। দৈনন্দিনের ব্যবহার্য জিনিস আঁকতে গেলে নানা প্রকার রেখা ব্যবহার করে এর আকার, আকৃতি, গঠন অবয়ন যতখানি সম্ভব নিখুঁত ও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে চেষ্টা করতে হবে।
যে ধরনের দৃশ্য আমরা আঁকতে চাই, সে সম্পর্কে নিজের ধারণাকে স্পষ্ট করে নিতে হবে। যেমন: বিশেষ কোনো ঋতুর ছবি আঁকতে হলে ঐ ঋতু সম্পর্কে প্রথমে ভালোভাবে জেনে তারপর ঐ বিষয়গুলোকে ছবিতে তুলে ধরতে হবে।
কোনো উৎসব; জাতীয় দিবসসমূহ, আমাদের সংস্কৃতির উল্লেখযোগ্য দিনগুলোকে ভিত্তি করে সেসকল ছবি আঁকা যায়, তাকে বিষয়ভিত্তিক ছবি বলা হয়। যেমন: পহেলা বৈশাখে গ্রামীণ মেলার ছবি, একুশ ফেব্রুয়ারির শহিদ মিনারের ছবি প্রভৃতি।
কোনো উৎসব, জাতীয় দিবসসমূহ, আমাদের সংস্কৃতির উল্লেখযোগ্য দিনগুলোকে ভিত্তি করে যে সকল ছবি আঁকা যায়, তাকে আমরা বিষয়ভিত্তিক ছবি বলি। যেমন- ঈদ আমাদের ধর্মীয় উৎসব। বিষয়ভিত্তিক ছবি হিসেবে আমরা ঈদের মাঠে কোলাকুলি অথবা নামাজ পড়ার ছবি আঁকতে পারি। আবার ২১ ফ্রেবুয়ারি আমাদের ভাষা দিবস। এ উপলক্ষে আমরা শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার ছবি আঁকতে পারি।
বৈশাখ মাসের প্রথম দিন বাংলা নববর্ষ পালিত হয়। নববর্ষ উপলক্ষে গ্রামে-গঞ্জে, শহরে বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়। ছেলেরা লাল-সাদা পাঞ্জাবী ধুতি পরে। আর মেয়েরা লাল পাড়ের সাদা শাড়ি পরে বৈশাখী মেলায় ঘুরতে যায়। মেলায় মাটির, বাঁশের, বেতের তৈরি নানা ধরনের খেলনা ও হাঁড়ি-পাতিল পাওয়া যায়। এগুলোতে নকশার প্রাচুর্য লক্ষ করা যায়। বাঁশি, বেলুন, চরকা গাড়িসহ নানা ধরনের ছাচের মিষ্টি পাওয়া যায় বৈশাখী মেলায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!