যে সকল ভৌত ডিভাইস দিয়ে কম্পিউটার তৈরি তাদের বলা হয় হার্ডওয়্যার।
মাইক্রোফোনের ডায়াফ্রাম শব্দের কম্পনকে তড়িতে রূপান্তরের জন্য ডিজাইন করা থাকে। এই কম্পনকে মাইক্রোফোন পরিবর্তনশীল তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে। একে বলা হয় অডিও সংকেত। অডিও সংকেতের কম্পাঙ্ক বা শক্তি খুব কম বলে একে দূর-দূরান্তে প্রেরণ করা যায় না।
নজরুল ইসলামের প্রথম যোগাযোগের মাধ্যমটি হলো ইন্টারনেট।
নিম্নে এর কার্যকারিতা ব্যাখ্যা করা হলো-
ইন্টারনেট হলো তথ্যের এক বিশাল মহাসমুদ্র। এই মহাসমুদ্র থেকে যে কেউ যেকোনো জায়গা থেকে যে কোনো উন্মুক্ত তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীর বিভিন্ন বিখ্যাত লাইব্রেরীর বই এবং বিভিন্ন লেখকের বই পাওয়া যায় যা যে কোনো সময় যে কোনো স্থানে বসে পড়া যায়। ইন্টারনেটের মাধ্যমে টিভি দেখা, রেডিও শোনা, পত্রিকা পড়া ইত্যাদি কাজ করা যায় যে কোনো স্থান থেকে। এর মাধ্যমে সহপাঠিদের সাথে অনলাইনে চ্যাট, সার্বক্ষণিক যোগাযোগ, সহকর্মীদের সাথে কোনো ডকুমেন্ট আদান প্রদান করা যায় সহজেই। এর মাধ্যমে ঘরে বসে আয় করা যায়, এবং করা যায় ই-ব্যাংকিং। ঘরে বসে কেনা কাটাও করা যায় ইন্টারনেটের মাধ্যমে। ইন্টারনেটের বদৌলতে বাস, ট্রেন, বিমানের টিকেট করা যায় যার ফলে সময়, শ্রম ও শক্তির সাশ্রয় হয়। অর্থাৎ ইন্টারনেট আমাদর দৈনন্দিন জীবনে অনেক কার্যকর
নজরুল ইসলাম প্রয়োজনীয় কাগজপত্রগুলো ইন্টারনেটের পরিবর্তে | ফ্যাক্স-এর মাধ্যমে পাঠালেন।
ফ্যাক্স হলো তার বা রেডিওর সাহায্যে গ্রাফিক্যাল তথ্য বা যেকোনো লিখিত ডকুমেন্ট হুবহু কপি করে প্রেরণ ও গ্রহণের একটি ইলেকট্রনিক ব্যবস্থা। আধুনিক ফ্যাক্স মেশিনে কোনো ডকুমেন্ট ইলেকট্রনিক উপায়ে স্ক্যানিং করা হয় এবং স্ক্যানকৃত সংকেতকে বাইনারি সংকেতে রূপান্তর
করা হয়। এরপর স্ট্যান্ডার্ড মোডেম কৌশল ব্যবহার করে টেলিফোনের মাধ্যমে প্রেরণ হয়। গ্রাহক ফ্যাক্স মেশিনে প্রেরিত ইলেকট্রনিক মাইকেত গ্রহণ করো মোডেমের সাহায্যে মূল ডকুমেন্টে পরিণত করে। এরপর একে একটি প্রিন্টারে প্রেরণ করে যা ডকুমেন্টটিকে হুবহু ছেপে বের করেকে একটি বিচারে বেরন করে
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!