নজির মিয়া নড়িয়া উপজেলার একজন দরিদ্র চাষি। পদ্মার তীরে বিভিন্ন ফসলের চাষ করে তার দিন চলে। শৈশব থেকে নজিরের কোনো নির্দিষ্ট স্থানে বাড়ি নেই। নজিরের বাড়ি এর আগে দুইবার পদ্মায় ভেসে গেছে। শুধু বাড়ি নয় তাদের এলাকার স্কুল, কলেজ ও হাসপাতাল সবই পদ্মায় ভেসে গেছে।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

কঠিন শ্রমের ফসল হিসেবে মানুষ প্রচুর শস্যদানা পেয়েছে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

'মৃত জড়তার বুক' বলতে মূঢ় সমাজ ও জড়তায় ভরা জীবনের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
আমাদের সময় ও সমাজ অনেক সময় রুদ্ধ হয়ে পড়ে। জীবনে নেমে আসে জড়তা। সময় ও জীবন হয়ে যায় গতিহীন। তখন পদ্মা নদীর উদ্দামতা ও গতিময়তা জীবনে জাগাতে পারে মুক্তির স্বাদ। মৃত সময়কে সজীব করতে পারে নদীর জোয়ার। নদী তো জীবনেরই প্রতিরূপ। 'মৃত জড়তার বুক' তার ঠিক বিপরীত। অর্থাৎ মৃত বা অসাড় সময়, সমাজ ও জীবনকে নির্দেশ করছে আলোচ্য পঙক্তিটি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'পদ্মা' কবিতায় বর্ণিত পদ্মার-বিধ্বংসী রূপের প্রতিফলন ঘটেছে।.
'পদ্মা' কবিতায় আমরা দেখতে পাই এর স্রোতধারা এত প্রলয়ংকরী যে, বহু সাগর পাড়ি দেওয়া জলদস্যুও এখানে এসে ভয় পেয়ে যায়। পদ্মার স্রোত তার চারপাশে যা আছে সব ভেঙেচুরে নিয়ে চলে। বর্ষায় এ স্রোত অগ্নিমূর্তি ধারণ করে। দুপাড়ের ঘরবাড়ি, সাজানো বাগান, মানুষের জীবনসহ সবই বিলীন হয়ে যায় পদ্মায়।
উদ্দীপকের নজির মিয়া পদ্মাপাড়ের নড়িয়া উপজেলার অধিবাসী। বিভিন্ন ফসল চাষ করে তার দিন চলে। কিন্তু শৈশব থেকেই নজির মিয়ার স্থায়ী বাড়ি নেই। তাদের বাড়ি দুইবার পদ্মার গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। তাই আমাদের বাড়ি যেমন এক জায়গায় আমরা চাইলেই রেখে দিতে পারি নজির মিয়া তা পারে না। নজিরের বাড়ি ছাড়াও সে এলাকার স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল সবই পদ্মায় ভেসে গেছে। 'পদ্মা' কবিতায় মানুষের সাজানো বাগান ভাসিয়ে নেওয়ার সঙ্গে উদ্দীপকের সাদৃশ্য রয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে পদ্মার প্রলয়ংকরী রূপের প্রতিফলন ঘটেছে, যে বর্ণনা 'পদ্মা' কবিতাতেও আমরা দেখতে পাই।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

পদ্মার স্রোতধারা যেমন মানুষের জীবনকে বিপন্ন করে তেমনি পদ্মার বদান্যতায় মানুষ সমৃদ্ধ জীবনেরও অধিকারী হয়।
'পদ্মা' কবিতায় পদ্মা নদীর ভয়াল রূপ দেখে জলদস্যুদেরও ভয় পেতে দেখা যায়। পদ্মার ঢেউ দেখে অদম্য সাহসী মানুষদেরও মুখ ফ্যাকাশে হয়ে যায়। তবুও দেখা যায় দৃঢ়চেতা সাহসী কৃষক পদ্মার পাড়ে চাষ করতে নামে, বিপুল পরিশ্রমে সোনার ফসল ঘরে তোলে। আবারও পদ্মার তাণ্ডবে তারা জীবন হারায়, আবারও পদ্মার টানে জীবনে ফিরে আসে সভ্যতা।
উদ্দীপকে নজির মিয়ার জীবনে পদ্মার প্রভাব দেখানো হয়েছে। নজির মিয়ার বাড়ি বারবার পদ্মায় ভেঙে যায়। তার এলাকার রাস্তা, হাসপাতাল, স্কুল সবই পদ্মা গ্রাস করে নেয়। তবুও নজির মিয়া পদ্মার পাড়ে চাষাবাদ করে বেঁচে থাকে। 'পদ্মা' কবিতাতেও পদ্মার এই দ্বৈত রূপের প্রকাশ ঘটেছে।
'পদ্মা' কবিতায় দেখানো হয়েছে যে, নদী তার আপন বেগে চলে। পদ্মার খরস্রোত দুরন্ত দস্যুদের মনেও ভয়ের উদ্রেক করে। বর্ষায় পদ্মার তাণ্ডবে তীরবর্তী মানুষ তাদের জীবন ও সহায়-সম্বল হারায়। সব হারানোর পরও তবুও জীবনের আহ্বানে তারা আবারও জেগে ওঠে। পদ্মার সুতীব্র গতি মৃত জড়তা ভেঙে মানুষের জীবনেও গতি দেয়, তার পলিসমৃদ্ধ উর্বর এলাকায় চাষাবাদ করে মানুষ সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা লাভকরে। সুতরাং পদ্মার একই সঙ্গে বিধ্বংসী ও মমতাময়ী রূপের বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যুক্তিযুক্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
37

অনেক ঘূর্ণিতে ঘুরে, পেয়ে চের সমুদ্রের স্বাদ, 

জীবনের পথে পথে অভিজ্ঞতা কুড়ায়ে প্রচুর

কেঁপেছে তোমাকে দেখে জলদস্যু- দুরন্ত হার্মাদ 

তোমার তরঙ্গভঙ্গে বর্ণ তার হয়েছে পাণ্ডুর। 

সংগ্রামী মানুষ তবু দুই তীরে চালায়ে লাঙল

কঠিন শ্রমের ফল শস্য দানা পেয়েছে প্রচুর;

উর্বর তোমার চরে ফলায়েছে পর্যাপ্ত ফসল

 জীবন-মৃত্যুর দ্বন্দ্বে নিঃসংশয়, নির্ভীক জওয়ান 

সবুজের সমারোহে জীবনের পেয়েছে সম্বল।

বর্ষায় তোমার স্রোতে গেছে ভেসে সাজানো বাগান, 

অসংখ্য জীবন, আর জীবনের অজস্র সম্ভার, 

হে নদী! জেগেছে তবু পরিপূর্ণ আহ্বান,

মৃত জড়তার বুকে খুলেছে মুক্তির স্বর্ণবার 

তোমার সুতীব্র গতি। তোমার প্রদীপ্ত স্রোতধারা ॥

Related Question

View All
উত্তরঃ

জীবন-মৃত্যুর দ্বন্দ্বে নিঃসংশয় নিভীক জওয়ান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
197
উত্তরঃ

'মৃত জড়তার বুকে খুলেছে মুক্তির স্বর্ণদ্বার'- বলতে মূলত স্থবির জনজীবনে পদ্মার গতি সঞ্চারের দিকটিকে বোঝানো হয়েছে।
পদ্মা তীব্র স্রোতঃস্বিনী নদী, প্রবল তার ঘূর্ণি। অশেষ তার উদ্দামতা। পদ্মার তীব্র বেগ ও গতি জনজীবনেও গতির প্লাবন নিয়ে আসে। জড় সমাজ যেন জেগে ওঠে পদ্মার উচ্ছ্বাসে। পদ্মার তীব্র গতি মানুষের জীবনপ্রবাহের গতিহীন স্তন্দ্বতার বুকে এনে দেয় মুক্তির স্পন্দন। এ বিষয়টি বোঝাতেই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
296
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে 'পদ্মা' কবিতায় বর্ণিত প্রমত্ত পদ্মার বিধ্বংসী আচরণের সামঞ্জস্য লক্ষ করা যায়।
পদ্মা বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী। তীব্র গতিবেগ ও স্রোতের উদ্দাম নৃত্য এ নদীকে ভিন্নমাত্রা দিয়েছে। পদ্মা যেন তার গতিবেগ দিয়ে জনজীবনের গতি নিয়ে আসে। তবে বর্ষা মৌসুমে এ নদীর প্লাবনে মানুষের জানমালের অনেক ক্ষতি হয়। এর সুতীব্র স্রোত ভাসিয়ে নেয় মানুষের সাজানো বাগান, জনজীবন। 'পদ্মা' কবিতায় কবি পদ্মা নদীর এই বিধ্বংসী রূপের পরিচয় দিয়েছেন।
উদ্দীপকে পদ্মা নদীর প্রলয়ংকর রূপটি দারুণভাবে ফুটে উঠেছে। পদ্মার তুফান দেখে তীরবর্তী মানুষের অন্তর কেঁপে ওঠে। পদ্মায় যে সর্বনাশা
ঝড় তৈরি হয় তা প্রাণঘাতী হতে পারে নিমেষেই। উড়িয়ে নিতে পারে ঘরবাড়ি। একইভাবে, 'পদ্মা' কবিতায়ও কবি পদ্মা নদীর এই বিধ্বংসী
রূপের অবতারণা করেছেন। পদ্মার স্রোতে মানুষের সাজানো বাগান ভেসে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে এ কবিতাটিতে। শুধু তাই নয়, জীবনের
অজস্র সম্ভারও হুমকির মুখে পড়ে পদ্মার করাল গ্রাসে। উদ্দীপকে 'পদ্মা' কবিতার এ দিকটিই প্রতিফলিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
101
উত্তরঃ

উদ্দীপকে কেবল পদ্মা নদীর বিধ্বংসী রূপটি ফুটে ওঠায় তা আলোচ্য কবিতার আংশিক রূপায়ণ।
পদ্মা বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ নদী। স্বকীয় ভঙ্গিতে ঢেউ তুলে উদ্দাম গতিতে এ নদী নিরন্তর ছুটে চলে। জনজীবনে সঞ্চার করে গতি। ঝিমিয়ে পড়া জীবনও যেন পদ্মার প্রাণপ্রবাহে জেগে ওঠে। বর্ষাকালে নদীতীরের জনপদের জন্য পদ্মা ভয়ংকর রূপে আবির্ভূত হয়। এভাবে আলোচ্য কবিতাটিতে পদ্মা নদীর বিধ্বংসী ও কল্যাণময়ী দুই রূপই চিত্রিত হয়েছে।
উদ্দীপকে পদ্মা নদীর নেতিবাচক দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। পদ্মার দুরন্ত তুফান দেখে মানুষের প্রাণ আতঙ্কে কেঁপে ওঠে। জীবননাশের আশঙ্কায় আতঙ্কগ্রস্ত মানুষ তটস্থ হয়ে পড়ে। এভাবে উদ্দীপকটিতে কেবল পদ্মার সংহার রূপের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। পক্ষান্তরে, 'পদ্মা' কবিতায় পদ্মা নদীর ইতিবাচক ও নেতিবাচক দুটি দিকই দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।
আলোচ্য কবিতায় পদ্মা যেমন নির্মম ও প্রলয়ংকর রূপে উপস্থিত, তেমনি আশপাশের অঞ্চলে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে মানুষের অন্ন সংস্থানেও পদ্মাকে ভূমিকা রাখতে দেখা যায়। পদ্মা এখানে স্রোতের বেগে মানুষের সাজানো বাগান, জীবনের অজস্র সম্ভার ভাসিয়ে নিয়ে যায়। অন্যদিকে, পদ্মার পলি পড়া চরে চাষাবাদ করে সংগ্রামী মানুষ সোনার ফসল ফলায়। পেয়ে যায় জীবনের সম্বল। উদ্দীপকে পদ্মা নদীকে শুধু প্রলয়ংকর রূপেই চিত্রিত করা হয়েছে। পদ্মার কল্যাণময়ী রূপটি এখানে দৃশ্যমান নয়। অন্যদিকে, 'পদ্মা' কবিতায় পদ্মার নির্মম রূপের পাশাপাশি মমতাময়ী রূপটিও দৃশ্যমান। সে বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত উক্তিটি সঠিক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
94
উত্তরঃ

ফররুখ আহমদ রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি'।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
111
উত্তরঃ

পদ্মা' একটি সার্থক সনেট বা চতুদর্শপদী কবিতা।
'পদ্মা' কবিতায় প্রথম চারটি স্তবক তিন পঙ্ক্তিযুক্ত এবং শেষের স্তবকটি দুই পঙ্ক্তিতে বিন্যস্ত। চৌদ্দ চরণবিশিষ্ট কবিতাটির প্রতিটি পত্তি ১৮ - মাত্রার। কবিতাটির মিল বিন্যাস- কখক খগখ গঘগ ঘঙঘ ঙঙ। পুরো কবিতাটি পদ্মা নদীকে নিয়ে মূলত একটি অখণ্ড ভাবের দ্যোতনা দেয়। কবিতাটিতে বিশেষ ধরনের অন্ত্যমিল রক্ষিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
137
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews