নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে কুবের। অভাব-অনটনে তার দিন কাটে। বন্যা-ঘূর্ণিঝড়ে তার ছোট্ট ঘর ডুবে গেলে দুর্ভোগ। আরও বেড়ে যায়। তখন তার চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করে এত কষ্ট না দিয়া আমারে লইয়্যা যা নদী।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

সংগ্রামী মানুষ দুই তীরে লাঙল চালায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

বর্ষায় তোমার স্রোতে গেছে ভেসে সাজানো বাগান'- পঙ্ক্তিটির মধ্য দিয়ে বর্ষাকালে পদ্মা নদীর বিরূপ আচরণের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
' পদ্মা' কবিতায় পদ্মা নদীর রুদ্র রূপের কথা বলা হয়েছে। বর্ষায় পদ্মা নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। ফলে জনজীবনে সীমাহীন দুর্ভোগ নেমে আসে। চারপাশ জলে ভেসে যায়। ভেসে যায় মানুষের সাজানো গোছানো সংসার। এখানে সাজানো বাগান বলতে মূলত মানুষের বহু কষ্টে গোছানো সংসারকে নির্দেশ করছে, যা বর্ষায় পদ্মার জলে মুহূর্তেই তলিয়ে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'পদ্মা' কবিতার পদ্মা নদীর প্রাণসংহারী ও দুর্ভোগ সৃষ্টিকারী রূপটি ফুটে উঠেছে।
'পদ্মা' কবিতায় দেখা যায় নদী তীরবর্তী মানুষের অস্তিত্বের সঙ্গে এ নদী নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে। আবার এ নদীই কখনো কখনো অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ হয়ে ওঠে। বর্ষা মৌসুমে এর প্রবল স্রোতে ভেসে যায় মানুষের সাজানো সংসার, জীবন সাজানোর হাজারো উপকরণ। ফলে মানুষ হয়ে পড়ে বাস্তুহারা।
উদ্দীপকে দেখা যায়, কুবের নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। তার দিন কাটে অভাব আর অনটনে। এর মধ্যে বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় দেখা দিলে তাঁর জীবনে নেমে আসে ভয়াবহ বিপর্যয়। তখন বেঁচে থাকাও তার কাছে অর্থহীন মনে হয়। 'পদ্মা' কবিতায়ও আমরা দেখি পদ্মা নদীর ভয়ংকর রূপ। প্রবল স্রোত সবকিছু তছনছ করে দেয়। ভেসে যায় মানুষের গোছানো সংসার। উদ্দীপকে 'পদ্মা' কবিতার এ নেতিবাচক দিকটিই উঠে এসেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিকূলতা জয় করে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করার কথা বলা হয়েছে 'পদ্মা' কবিতায়।
'পদ্মা' কবিতায় পদ্মা নদীর রুদ্র রূপে আবির্ভূত হওয়ার চিত্র অঙ্কিত হয়েছে। বর্ষাকালে পদ্মার স্রোতে ভেসে যায় সাজানো গোছানো সংসার। তীরের ভাঙনে বিপর্যস্ত হয় অসংখ্য মানুষের জীবন। গতিময় পদ্মাই আবার মানুষকে স্বপ্ন দেখায় সংগ্রাম করে দুঃখকে জয় করার জন্য। ফলে সংগ্রামী মানুষ পদ্মার বয়ে আনা পলিতে ফসলের জয়গান গেয়ে ওঠে।
উদ্দীপকে আমরা দেখি, কুবের মাঝি নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। অভাব-অনটনেও তার দিন মোটামুটি কেটে যায়। কিন্তু বিপত্তি দেখা দেয় বন্যা কিংবা ঘূর্ণিঝড়ে। তখন তার দুর্ভোগের সীমা থাকে না। বেঁচে থাকার অর্থটাও তখন তার কাছে পালটে যায়। অন্যদিকে, 'পদ্মা' কবিতায়ও আমরা দেখি পদ্মা নদীর ভয়াল ঘূর্ণি। তীরবর্তী মানুষের জন্য সে কখনো ভয়ংকর বিপর্যয় ডেকে আনে। যারা সংসারের পসরা সাজিয়েছে পদ্মার তীরে তাদের ঘরসংসার ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। নদী নির্মম হলে মানুষের টিকে থাকা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। প্রতি বছর নদীভাঙনের কবলে পড়ে অসংখ্য মানুষ উদ্‌দ্বাস্তু হয়ে যায়। সহায়-সম্বল হারিয়ে মানুষকে পথে বসতে হয়।
উদ্দীপকে আমরা কুবের মাঝিকে সব হারিয়ে নিঃস্ব হতে দেখি নদীর ছোবলে। তার দীর্ঘশ্বাসেই উদ্দীপকের বর্ণনার সমাপ্তি ঘটেছে। তবে 'পদ্মা' কবিতায় এই বাস্তবতা থেকে উত্তরণের কথাও বলা হয়েছে। পদ্মার প্রবল গতি নদীতীরের মানুষদের মনে শক্তি জোগায়। সেই অনুপ্রেরণায় তারা নব উদ্যমে জীবন সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হয়। পদ্মার পরিপূর্ণ আহ্বান তাদের প্রতিকূলতা জয়ে সংকল্পবদ্ধ করে। এ দিকটির চিত্র উদ্দীপকে ফুটে ওঠেনি। প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটিকে তাই যথাযথ বলা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
60

অনেক ঘূর্ণিতে ঘুরে, পেয়ে চের সমুদ্রের স্বাদ, 

জীবনের পথে পথে অভিজ্ঞতা কুড়ায়ে প্রচুর

কেঁপেছে তোমাকে দেখে জলদস্যু- দুরন্ত হার্মাদ 

তোমার তরঙ্গভঙ্গে বর্ণ তার হয়েছে পাণ্ডুর। 

সংগ্রামী মানুষ তবু দুই তীরে চালায়ে লাঙল

কঠিন শ্রমের ফল শস্য দানা পেয়েছে প্রচুর;

উর্বর তোমার চরে ফলায়েছে পর্যাপ্ত ফসল

 জীবন-মৃত্যুর দ্বন্দ্বে নিঃসংশয়, নির্ভীক জওয়ান 

সবুজের সমারোহে জীবনের পেয়েছে সম্বল।

বর্ষায় তোমার স্রোতে গেছে ভেসে সাজানো বাগান, 

অসংখ্য জীবন, আর জীবনের অজস্র সম্ভার, 

হে নদী! জেগেছে তবু পরিপূর্ণ আহ্বান,

মৃত জড়তার বুকে খুলেছে মুক্তির স্বর্ণবার 

তোমার সুতীব্র গতি। তোমার প্রদীপ্ত স্রোতধারা ॥

Related Question

View All
উত্তরঃ

জীবন-মৃত্যুর দ্বন্দ্বে নিঃসংশয় নিভীক জওয়ান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
238
উত্তরঃ

'মৃত জড়তার বুকে খুলেছে মুক্তির স্বর্ণদ্বার'- বলতে মূলত স্থবির জনজীবনে পদ্মার গতি সঞ্চারের দিকটিকে বোঝানো হয়েছে।
পদ্মা তীব্র স্রোতঃস্বিনী নদী, প্রবল তার ঘূর্ণি। অশেষ তার উদ্দামতা। পদ্মার তীব্র বেগ ও গতি জনজীবনেও গতির প্লাবন নিয়ে আসে। জড় সমাজ যেন জেগে ওঠে পদ্মার উচ্ছ্বাসে। পদ্মার তীব্র গতি মানুষের জীবনপ্রবাহের গতিহীন স্তন্দ্বতার বুকে এনে দেয় মুক্তির স্পন্দন। এ বিষয়টি বোঝাতেই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
348
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে 'পদ্মা' কবিতায় বর্ণিত প্রমত্ত পদ্মার বিধ্বংসী আচরণের সামঞ্জস্য লক্ষ করা যায়।
পদ্মা বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী। তীব্র গতিবেগ ও স্রোতের উদ্দাম নৃত্য এ নদীকে ভিন্নমাত্রা দিয়েছে। পদ্মা যেন তার গতিবেগ দিয়ে জনজীবনের গতি নিয়ে আসে। তবে বর্ষা মৌসুমে এ নদীর প্লাবনে মানুষের জানমালের অনেক ক্ষতি হয়। এর সুতীব্র স্রোত ভাসিয়ে নেয় মানুষের সাজানো বাগান, জনজীবন। 'পদ্মা' কবিতায় কবি পদ্মা নদীর এই বিধ্বংসী রূপের পরিচয় দিয়েছেন।
উদ্দীপকে পদ্মা নদীর প্রলয়ংকর রূপটি দারুণভাবে ফুটে উঠেছে। পদ্মার তুফান দেখে তীরবর্তী মানুষের অন্তর কেঁপে ওঠে। পদ্মায় যে সর্বনাশা
ঝড় তৈরি হয় তা প্রাণঘাতী হতে পারে নিমেষেই। উড়িয়ে নিতে পারে ঘরবাড়ি। একইভাবে, 'পদ্মা' কবিতায়ও কবি পদ্মা নদীর এই বিধ্বংসী
রূপের অবতারণা করেছেন। পদ্মার স্রোতে মানুষের সাজানো বাগান ভেসে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে এ কবিতাটিতে। শুধু তাই নয়, জীবনের
অজস্র সম্ভারও হুমকির মুখে পড়ে পদ্মার করাল গ্রাসে। উদ্দীপকে 'পদ্মা' কবিতার এ দিকটিই প্রতিফলিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
116
উত্তরঃ

উদ্দীপকে কেবল পদ্মা নদীর বিধ্বংসী রূপটি ফুটে ওঠায় তা আলোচ্য কবিতার আংশিক রূপায়ণ।
পদ্মা বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ নদী। স্বকীয় ভঙ্গিতে ঢেউ তুলে উদ্দাম গতিতে এ নদী নিরন্তর ছুটে চলে। জনজীবনে সঞ্চার করে গতি। ঝিমিয়ে পড়া জীবনও যেন পদ্মার প্রাণপ্রবাহে জেগে ওঠে। বর্ষাকালে নদীতীরের জনপদের জন্য পদ্মা ভয়ংকর রূপে আবির্ভূত হয়। এভাবে আলোচ্য কবিতাটিতে পদ্মা নদীর বিধ্বংসী ও কল্যাণময়ী দুই রূপই চিত্রিত হয়েছে।
উদ্দীপকে পদ্মা নদীর নেতিবাচক দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। পদ্মার দুরন্ত তুফান দেখে মানুষের প্রাণ আতঙ্কে কেঁপে ওঠে। জীবননাশের আশঙ্কায় আতঙ্কগ্রস্ত মানুষ তটস্থ হয়ে পড়ে। এভাবে উদ্দীপকটিতে কেবল পদ্মার সংহার রূপের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। পক্ষান্তরে, 'পদ্মা' কবিতায় পদ্মা নদীর ইতিবাচক ও নেতিবাচক দুটি দিকই দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।
আলোচ্য কবিতায় পদ্মা যেমন নির্মম ও প্রলয়ংকর রূপে উপস্থিত, তেমনি আশপাশের অঞ্চলে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে মানুষের অন্ন সংস্থানেও পদ্মাকে ভূমিকা রাখতে দেখা যায়। পদ্মা এখানে স্রোতের বেগে মানুষের সাজানো বাগান, জীবনের অজস্র সম্ভার ভাসিয়ে নিয়ে যায়। অন্যদিকে, পদ্মার পলি পড়া চরে চাষাবাদ করে সংগ্রামী মানুষ সোনার ফসল ফলায়। পেয়ে যায় জীবনের সম্বল। উদ্দীপকে পদ্মা নদীকে শুধু প্রলয়ংকর রূপেই চিত্রিত করা হয়েছে। পদ্মার কল্যাণময়ী রূপটি এখানে দৃশ্যমান নয়। অন্যদিকে, 'পদ্মা' কবিতায় পদ্মার নির্মম রূপের পাশাপাশি মমতাময়ী রূপটিও দৃশ্যমান। সে বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত উক্তিটি সঠিক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
112
উত্তরঃ

ফররুখ আহমদ রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি'।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
132
উত্তরঃ

পদ্মা' একটি সার্থক সনেট বা চতুদর্শপদী কবিতা।
'পদ্মা' কবিতায় প্রথম চারটি স্তবক তিন পঙ্ক্তিযুক্ত এবং শেষের স্তবকটি দুই পঙ্ক্তিতে বিন্যস্ত। চৌদ্দ চরণবিশিষ্ট কবিতাটির প্রতিটি পত্তি ১৮ - মাত্রার। কবিতাটির মিল বিন্যাস- কখক খগখ গঘগ ঘঙঘ ঙঙ। পুরো কবিতাটি পদ্মা নদীকে নিয়ে মূলত একটি অখণ্ড ভাবের দ্যোতনা দেয়। কবিতাটিতে বিশেষ ধরনের অন্ত্যমিল রক্ষিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
178
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews