নদী সৃষ্টি হয় পার্বত্য অঞ্চলে এবং তার সমাপ্তি সাগরে বা হ্রদে। পার্বত্য অঞ্চলে নদী খুবই সংকীর্ণ কিন্তু সাগরের কাছাকাছি এলাকায় বিস্তৃত, প্রশস্ত। আবার সৃষ্টির শুরুতে নদী যতটাই দ্রুত বেগে বহমান, শেষভাগে ততটাই ম্রিয়মাণ।

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

অ্যাস্থিনোস্ফিয়ারের উপরের ভাগ পিচ্ছিল বা তৈলাক্ত পদার্থ দ্বারা গঠিত যার উপরে অবস্থিত ভূপৃষ্ঠ ধারণকারী প্লেটগুলো সদা চলমান রয়েছে। প্লেটগুলোর এ চলাচলই পাত সঞ্চালন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্টি হয়েছে।
সমুদ্রগর্ভে বহু আগ্নেয়গিরি আছে। এসব আগ্নেয়গিরির লাভা সমুদ্রের তলদেশে সঞ্চিত হয়ে তথায় পর্বতের মতো উঁচু হয়ে উঠে। এরূপ পর্বতের উঁচু অংশ পানির উপর জেগে উঠে দ্বীপের সৃষ্টি হয় যা অগ্ন্যুৎপাতজনিত দ্বীপ নামে পরিচিত। পৃথিবীর মধ্যে প্রশান্ত মহাসাগরেই অধিক অগ্ন্যুৎপাতজাত দ্বীপ দেখা যায়। এ মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ বৃহত্তম অগ্ন্যুৎপাতজাত দ্বীপ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে নদীর সংকীর্ণতার জন্য পার্বত্য ভূমিরূপ এবং উৎপত্তিস্থলে নদীর কার্যই প্রভাবক হিসেবে কাজ করে।
পার্বত্য অবস্থা নদীর গতির প্রাথমিক পর্যায়। উৎসস্থলে নদীতে পানির পরিমাণ ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত এবং তার চলার পথ বন্ধুর ভূপ্রকৃতির মধ্য দিয়ে প্রবল গতিসম্পন্ন। এ সমস্ত প্রভাবক নদীকে পার্বত্য অবস্থায় সংকীর্ণ করে। উৎস হতে মোহনায় পতিত হওয়া পর্যন্ত নদীর গতিপথকে তিনটি ভাগে বিভক্ত করা হয়। তন্মধ্যে পার্বত্য অবস্থা বা ঊর্ধ্বগতি একটি। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিভাগ খুব ঢালু ও উঁচু-নিচু হয়। সেজন্য নদী উচ্চ স্থান হতে খাড়া পর্বতগাত্র বেয়ে প্রচন্ড গতিতে নেমে আসে। প্রবল স্রোতের আঘাতে পর্বতগাত্রের পার্শ্বভাগের চেয়ে নিম্নভাগ বেশি দূরীভূত হতে থাকে। পার্বত্য প্রবাহে নদী স্থলভাগকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়িত অংশ পরিবহন করে। ফলশ্রুতিতে এ অঞ্চলের নদীগুলোর কিছুটা সংকীর্ণতা পরিলক্ষিত হয়। মূলত পার্বত্য অঞ্চলের মৃত্তিকাগুলো খুবই কঠিন প্রকৃতির। তন্মধ্যে নদীর পার্শ্ববর্তী শিলাগুলো শেল দ্বারা গঠিত। ফলে এগুলো সহজে ক্ষয়ীভূত হতে পারে না। অপরদিকে পার্বত্য নদীর নিম্নভাগের শিলাগুলো নরম প্রকৃতির। যার ফলে প্রচণ্ড স্রোতে উক্ত শিলাগুলো দূরীভূত করে দূরবর্তী অঞ্চলে নিয়ে যায়। এ

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সৃষ্টির শুরুতে নদী যতটা দ্রুত বহমান, শেষভাগ ততটাই ম্রিয়মাণ"। আলোচ্য উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করা হলো-
উৎস হতে মোহনা পর্যন্ত নদীর গতিপথকে পার্বত্য-অবস্থা বা উর্ধ্বগতি, সমভূমি অবস্থা বা মধ্যগতি এবং বদ্বীপ অবস্থা বা নিম্নখাত তিনটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে।  পার্বত্য অবস্থায় ভূমি অনেক বেশি ঢাল ও উঁচু-নিচু হয়। সেজন্য এই। অঞ্চলে নদীর গতিবেগ থাকে সবচেয়ে বেশি। কারণ এ অবস্থায় নদী উপত্যকার পার্শ্বভাগের শিলা অনেক বেশি কঠিন যা ক্ষয়ীভূত হতে পারে না। যার ফলে নদী নিম্নভাগে ক্ষয় করে সামনের দিকে প্রবাহিত হয়। ফলে দেখা যায় নদীর গতিপথের এ অবস্থায় নদীর গতিবেগ থাকে সবচেয়ে বেশি। এরপর নদী প্রবাহিত হয় সমভূমির দিকে। এ অবস্থায় নদীর নিম্নভাগের ক্ষয়ের চেয়ে পার্শ্বভাগ ক্ষয় হয়ে নদী অনেক বেশি প্রশস্ত ও বিস্তৃতি লাভ করে। কারণ এ অবস্থায় ভূমি পাহাড়ি অালের মতো ঢালু না হওয়ায় নদীর গতিবেগ পূর্বের তুলনায় কম থাকে। নদীর গতিপথের তৃতীয় পর্যায় হচ্ছে বদ্বীপ অবস্থা বা নিন্নখাত অবস্থা। সমভূমি অবস্থায় নদীর সাথে বিভিন্ন নুড়ি, পাথর, কর্দম, বালি প্রভৃতি থাকায় এগুলো বাহিত হয়ে আরও সামনের দিকে বদ্বীপ অবস্থায় নিয়ে আসে এবং কিছু কিছু নুড়ি, বালি ও কর্দম নিচের দিকে জমা হতে থাকে। ফলে নদীর গতিবেগ আরও কমে যায়। এ অবস্থায় নদীর পার্শ্বক্ষয় ও নিম্নক্ষয় খুবই কম হয়; বরং এ সময় সঞ্চিত হওয়ার প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়। অর্থাৎ মোহনার নিকট বিভিন্ন ব-দ্বীপ আকারের ভূ-ভাগের সৃষ্টি হয়। নদীর প্রাথমিক অবস্থা অর্থাৎ পাহাড়ি - অঞ্চলে নদীর গতিবেগ থাকে বেশি। অর্থাৎ নদী দ্রুত বহমান। ঠিক বিপরীতভাবে দেখা যায় নদীর গতিপথের শেষ পর্যায়ে নদীর গতিবেগ থাকে খুবই মন্থর। অর্থাৎ নদী ম্রিয়মাণ। তাই বলা যায়, আলোচ্য উক্তিটি যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
75

Related Question

View All
উত্তরঃ

যান্ত্রিক, রাসায়নিক ও জৈবিক প্রক্রিয়ায় ভূপৃষ্ঠের শিলারাশি চূর্ণ-বিচূর্ণ বা বিশ্লিষ্ট হলে তাকে বিচূর্ণীভবন বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
168
উত্তরঃ

সমুদ্রতলদেশের ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস, নভোজাগতিক ঘটনা প্রভৃতি কারণে সুনামির সৃষ্টি হয়।
সাধারণত সমুদ্রতলদেশের ভূমিকম্প আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের

সাধারণত সমুদ্রতলদেশের ভূমিকম্প আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সমুদ্রের তলদেশের বিশাল জলরাশি সরে যায় এবং সমুদ্রের পানিতে প্রচণ্ড ঢেউয়ের সৃষ্টি হয় যা সুনামি নামে পরিচিত। এছাড়া পাত সঞ্চালনের কারণে সৃষ্ট ভূমিকম্পের কারণেও সমুদ্রের বিশাল জলরাশি সরে যায় এবং মাধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা পানি আরও ফুলে ওঠে লক্ষ লক্ষ টনের বিশাল ঢেউ তৈরি করে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসে যা সুনামি নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
161
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বিবিসি এর প্রচারিত দুর্যোগটি হলো ভূমিকম্প।
ভূঅভ্যন্তরে দ্রুত বিপুল শক্তি বিমুক্ত হওয়ায় পৃথিবীপৃষ্ঠে যে ঝাঁকুনি বা কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকল্প বলে। নিচে ভূমিকম্প সংঘটিত হওয়ার কারণ বর্ণনা করা হলো- ভূত্বক তাপ বিকিরণ করে সংকুচিত হলে ভূনিম্নস্থ শিলাস্তরে ভারের সামঞ্জস্য রক্ষার্থে ফাটল ও ভাঁজের সৃষ্টির ফলে ভূকম্পন অনুভূত হয়।
ভূআলোড়নের ফলে ভূত্বকের কোনো স্থানে শিলা ধসে পড়লে বা শিলা চ্যুতি ঘটলে ভূমিকম্প হয়। আবার সমগ্র পৃথিবী ৭টি প্লেটের সমন্বয়ে গঠিত এবং এসব প্লেট সঞ্চরণশীল। যার কারণে একটি প্লেটের সাথে অন্য প্লেটের সংঘর্ষ বা ধাক্কা লাগে এবং শিলাস্তরের মধ্যে কম্পন অনুভূত হয়। জাপানের পূর্ব পার্শ্বে একটি প্লেট থাকায় এখানে ভূমিকম্প বেশি অনুভূত হয়। তবে মূলত প্লেটগুলোর সঞ্চরণশীলতার কারণেই শিলাস্তরের মধ্যে কম্পনের সৃষ্টি হয়, যা ভূমিকম্প নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
141
উত্তরঃ

উদ্দীপকে হারিস সাহেবের পরের দিন দেখা দুর্যোগটি হলো আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত।

আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে লাভা উপরের দিকে ওঠে এবং বহুদূরে লাভার ঢল ছড়িয়ে পড়ে বহু নগর, গ্রাম ইত্যাদি ধ্বংস করে। এর দাহ্য ও বিষাক্ত গ্যাস উদগিরণে নিকটবর্তী এলাকার হাজার হাজার লোকের নিমেষে প্রাণহানি হয়। অনেক সময় আগ্নেয়গিরি থেকে উদগীরিত লাভা, ভস্ম ও ধূলিকণা আকাশের উপরের দিকে স্ট্রাটোমণ্ডলে ওঠে যায় এবং তা দ্রুত পৃথিবীপৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে পৃথিবীপৃষ্ঠে আবার যেসব আগ্নেয়গিরি উঁচু পার্বত্য এলাকায় অবস্থিত সেসব পর্বত বরফে ঢাকা থাকলে অগ্ন্যুৎপাতের সময় তা গলে পাদদেশীয় এলাকায় বন্যার সৃষ্টি করে ও জীবনহানি ঘটে এবং বায়ুদূষণের সৃষ্টি করে।
উদ্দীপকের প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপটিও অগ্ন্যুৎপাতের ফলেই সৃষ্টি হয়েছে। অর্থাৎ শুধু তাই নয়, এর ফলে মালভূমিও সৃষ্টি হয়। লাভার সাথে অত্যন্ত মূল্যবান খনিজ ভূপৃষ্ঠে ওঠে আসে। ফলে উক্ত এলাকা খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
142
উত্তরঃ

ভূগর্ভস্থ গলিত লাভা, বাষ্প, ভস্ম, গ্যাস, ধূম্র প্রভৃতি পদার্থ ভূপৃষ্ঠের ফাটল বা ছিদ্রপথের মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠে নির্গত হলে তা জমাট বেঁধে যে পদার্থ বা গিরির সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয়গিরি বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
167
উত্তরঃ

ভূপৃষ্ঠের পরিবর্তন সৃষ্টিকারী শক্তিসমূহের মধ্যে ধীর পরিবর্তন অন্যতম। ধীরগতির শক্তিসমূহের ভূমিরূপের পরিবর্তন দীর্ঘ সময় ব্যাপি সংঘটিত হয়। ধীর গতির শক্তিসমূহ প্রধানত প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এ প্রাকৃতিক শক্তিসমূহ বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্নভাবে কাজ করে। ধীরগতির শক্তিসমূহ চারটি প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয় যেমন-
১. বিচূর্ণীভবন,
২. অপসারণ,
৩. নগ্নীভবন ও
৪. অবক্ষেপণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
191
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews