শিৰাপ্রতিষ্ঠানের প্রথম কাজ হলো শিশু-শিবার্থীর ব্যক্তিগত বিকাশ সাধন।
শারীরিক শিবা দেহ ও মনের সামঞ্জস্য উন্নয়ন সাধন করে। শারীরিক শিবা ছাড়া শিৰার পূর্ণতা আসে না। যেসব গুণ থাকলে দেহের প্রতিটি নাগরিক সুস্থ, সবল ও দায়িত্বজ্ঞানসম্পন্ন হয়ে গড়ে ওঠে এবং নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণে সবম হয়, শারীরিক শিবা সেই গুণাবলি অর্জনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। তাই শিৰার্থীদের শারীরিক শিবা জ্ঞান অর্জন করা প্রয়োজন।
জনাব শফিক শিৰার্থীদের মানসিক ও আত্মিক প্রয়োজনের কথা বলেছেন। শারীরিক শিৰা শিৰার্থীদের সর্বাঙ্গীণ বিকাশ সাধনের লব্যে তাদের যেসব প্রয়োজন পূরণ করে তাদের মধ্যে মানসিক ও আত্মিক পরিপূর্ণতার প্রয়োজন অন্যতম। এই স্তরের প্রয়োজন পূরণে শারীরিক শিবা শিশুর মানসিক ও বুদ্ধিমত্তার ভিত গড়ে তোলে। পড়াশোনার একঘেয়েমি দূর করে। শিৰার্থীর চারিত্রিক গুণাবলির বিকাশ ঘটায়। আত্মসচেতনতা, আত্মনির্ভরতা, আত্মোপলব্ধি ও আত্মসম্মান বাড়িয়ে তোলে। পরিবেশের সাথে মানিয়ে চলতে সাহায্য করে। শিৰার্থীর মনে সৃজনশীলতার অনুভূতি জাগ্রত করে। বতিকর নেশা থেকে দূরে রাখে। চিত্তবিনোদন ও অবসর সময় কাটানোর উপায় নির্বাচনে সাহায্য করে। উদ্দীপকে জনাব শফিক শিৰার্থীদের বলেছেন খেলাধুলা করলে পড়াশোনার একঘেয়ামি দূর হয়, সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটে, নেশা থেকে দূরে থাকা যায়। খেলাধুলার এসব ইতিবাচক দিক শিৰার্থীদের মানসিক ও আত্মিক প্রয়োজন পূরণ করবে। তাই বলা যায়, জনাব শফিক শিৰার্থীদের মানসিক ও আত্মিক পরিপূর্ণতার প্রয়োজনে কথা বলেছেন।
উদ্দীপকের আলোকে আমি মনে করি খেলাধুলা মিরনকে ৰতিকর নেশা হতে দূরে রাখবে। কারণ নিয়মিত খেলাধুলা করলে শরীর ভালো থাকে। আর শরীর ভালো থাকলে মনও ভালো থাকে। তখন মানুষ নিজেকে বিভিন্ন ধরনের সৃজনশীল কাজে জড়িত করে। নিজের জীবনকে তার কাছে অধিক মূল্যবান মনে হয়। এ অবস্থায় সে নিজের কোনো বতি করতে চায়। তাই জীবনের জন্য বতিকর কোনো অভ্যাসেও সে অভ্যস্ত হয় না। উদ্দীপকে মিরন নবম শ্রেণির ছাত্র। তাই তার পড়াশোনার চাপ খুব বেশি। এ অবস্থায় সে যদি তার শারীরিক শিবার শিৰক জনাব শফিকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত একটি নির্দিষ্ট সময় খেলাধুলা করে তবে সেটি তার স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ভালো হবে। কারণ পড়ালেখায় একঘেয়ামিভাব আসলে বা পড়ালেখার মধ্যে কোনো বিরতি পেলে তার মনে নানান খারাপ চিন্তার উদ্রেক হতে পারে। এসব খারাপ চিন্তার মধ্যে প্রধান হলো নেশা করা। মিরন নিয়মিত খেলাধুলা করলে তার শরীর সুস্থ থাকার পাশাপাশি মনও ভালো থাকবে। আর সুস্থ দেহ ও মন নিয়ে সে কখনই নেশার প্রতি আসক্ত হবে না। তাই আমি মনে করি, খেলাধুলা মিরনকে বতিকর নেশা হতে দূরে রাখবে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!