উদ্দেশ্য হলো চূড়ান্ত গন্তব্যস্থলে পৌঁছানোর সংবিপ্ত ও নির্দিষ্ট পদৰেপসমূহ।
শিৰার্থীর সর্বাঙ্গীণ বিকাশের জন্য শারীরিক শিৰা প্রয়োজন। শিৰার্থীর এই প্রয়োজনকে মাসলো যে তিনটি স্তরে বিন্যস্ত করেছেন তার মধ্যে সামাজিক প্রয়োজন অন্যতম। নিচে শিৰার্থীর
১. প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সহযোগিতার মনোভাব গড়ে তোলা।
২. নেতৃত্বদানের বমতার বিকাশ ঘটানো।
৩. দেশ ও সমাজের সংস্কৃতির সাথে পরিচয় ঘটানো।
ফুটবল খেলার সময় নিয়মকানুন মেনে চলার মাধ্যমে রোহান শারীরিক শিবার চারিত্রিক গুণাবলি অর্জনের উদ্দেশ্যটি পূরণ করেছে। আমরা জানি, শারীরিক শিৰা শিৰার্থীদের বহুবিধ উদ্দেশ্য সাধনের ৰেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এসব উদ্দেশ্যের মধ্যে চারিত্রিক গুণাবলি অর্জনের উদ্দেশ্যটি অন্যতম। শারীরিক শিবার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি চারিত্রিক গুণাবলি সম্পর্কিত নানান বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করে। যেমন খেলাধুলার মাধ্যমে একজন খেলোয়াড় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়। রোহান তার স্কুলের ফুটবল দলের অধিনায়ক। সে ফুটবল খেলার নিয়মকানুন কঠোরভাবে মেনে চলে এবং দলের অন্য সদস্যদের মেনে চলতে নির্দেশ দেয়। এভাবে রোহান সামাজিক এবং দেশের আইনকানুনও মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে। কারণ নিয়মকানুন মেনে চলার বিষয়টি একজন খেলোয়াড় হিসেবে সর্বৰেত্রেই রোহান এর প্রয়োগ ঘটাবে এবং এতে তার চারিত্রিক গুণাবলিরও বিকাশ ঘটবে। তাই বলা যায়, রোহান ফুটবল খেলার নিয়ম মানার মাধ্যমে শারীরিক শিবার চারিত্রিক গুণাবলি অর্জন করছে।
উদ্দীপকে রোহানের স্কুল তার জৈবিক সত্তাকে সামাজিক সত্তায় রূপান্তরে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। স্কুল একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান। তাই সমাজ সংরবণ, সমাজসংস্কার ও ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তনের কাজে শিৰাপ্রতিষ্ঠান সমাজ ও দেশের কাছে দায়বদ্ধ। তাই আজকের শিশুকে আগামী দিনের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিৰাপ্রতিষ্ঠান দ্বিমুখী কাজ সম্পাদন করে। এৰেত্রে শিৰাপ্রতিষ্ঠানের প্রথম কাজ হলো শিশু-শিবার্থীর ব্যক্তিগত বিকাশ সাধন করা। আর দ্বিতীয় কাজটি হলো শিৰার্থীর জৈবিক সত্তাকে সামাজিক সত্তায় রূ পান্তর করা। এ কাজের দ্বারা স্কুল শিবার্থীর চারিত্রিক ও মূল্যবোধের উন্নতি এবং সামাজিক বিকাশ সাধনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। রোহান তার স্কুলের ফুটবল দলের অধিনায়ক। স্কুল কর্তৃপৰ তাকে স্কুলের পড়ালেখার বাইরে খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে। তাই রোহান নানান নিয়মকানুন মেনে চলার শিবাগ্রহণ করতে পারছে। খেলাধুলার মাধ্যমে সে সামাজিক আইনের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে ধারণা লাভ করছে। ফলে তার চারিত্রিক এবং নৈতিক উন্নতি ঘটছে। কারণ সে জীবনের প্রতিটি ৰেত্রে নিয়মকানুন মেনে চলতে আগ্রহী। এভাবে রোহান নিজেকে সামাজিক সত্তায় রূপান্তরে ভূমিকা রাখছে এবং তার স্কুল কর্তৃপৰ তাকে এ সুযোগ প্রদান করছে। তাই বলা যায়, রোহানের জৈবিক সত্তাকে সামাজিক সত্তায় রূপান্তরে তার স্কুল পরোব দায়িত্ব পালন করছে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!