শিবা ও শারীরিক শিবা একে অপরের পরিপূরক।
সাধারণভাবে লব্য ও উদ্দেশ্য এই ধারণার মধ্যে আমরা কোনো পার্থক্য করি না। অনেক সময় একের জায়গায় অন্যটিকে ব্যবহার করি। কিন্তু এই দুই ধারণা সমার্থক নয়। এদের মধ্যে পার্থক্য আছে। লব্য হলো চূড়ান্ত গন্তব্যস্থল আর উদ্দেশ্য হলো সেই গন্তব্যস্থলে পৌঁছানোর সংৰিপ্ত ও নির্দিষ্ট পদৰেপসমূহ। যেমন-সিঁড়ি বেড়ে ছাদে ওঠার বেত্রে লব্য হলো ছাদ, আর সিঁড়ির এক একটি ধাপ হলো উদ্দেশ্য।
সুনাগরিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে সিয়ামের প্রচেষ্টাগুলোকে শারীরিক শিৰা বলা যায়। শারীরিক শিবা হলো- সুনির্দিষ্ট শারীরিক কাজকর্মের মাধ্যমে শারীরিক, মানসিক, আবেগিক এবং সামাজিক দিক দিয়ে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা। উদ্দীপকে নবম শ্রেণির ছাত্র সিয়াম সুনাগরিক হতে চায়। এজন্য সে তার স্কুলের শারীরিক শিবার শিবকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিদিন শারীরিক কসরত করে থাকে। এতে তার শারীরিক সুস্থতা অর্জিত হয়। এছাড়াও সিয়াম স্কুলের বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। ফলে তার মানসিক ও সামাজিক বিকাশ সহজ হয়। এসব কাজ তাকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করবে।
পরিশেষে বলা যায়, সিয়ামের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার প্রচেষ্টাগুলোই শারীরিক শিবা নামে পরিচিত।
সিয়ামের কার্যক্রম তার সর্বাত্মক উন্নতিতে সহায়ক হবে- এ ব্যাপারে আমি একমত। কারণ সিয়ামের করা কাজগুলোকে বলা হয় শারীরিক শিবা।
আর শারীরিক শিৰার প্রধান লব্য হলো ব্যক্তির সর্বাত্মক উন্নতি সাধন। সিয়ামের প্রচেষ্টাগুলো তাকে শারীরিকভাবে সুস্থ ও সবল রাখতে সহায়তা করে। তার খেলাধুলায় অংশগ্রহণ বিষয়টি তাকে মানসিক ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে সহায়তা করে। নিয়মিত খেলাধুলার ফলে সিয়ামের মন প্রফুলর থাকে। এতে সে পড়ালেখাতেও মনোযোগী হতে পারে। অর্থাৎ সিয়াম শারীরিক শিৰার মাধ্যমে স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠছে এবং নিজেকে কর্মবম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করছে। অতএব, শারীরিক শিৰার কার্যক্রম সিয়ামের শারীরিক, মানসিক, আবেগিক এবং সামাজিক দিক বিকাশে সহায়ক। তাই আমি মনে করি সিয়াম তার শারীরিক শিবার কার্যক্রম দ্বারা সর্বাত্মক উন্নতি সাধন করতে সৰম হয়েছে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!