নবীন ও হামজা দুই বন্ধু। নবীন বলল, আমি বাংলাদেশের যে চলে বাস করি সেই অঞ্চলে শীত ও খরা উভয়েরই প্রকোপ বেশি। হামজা ল, মনুষ্যসৃষ্ট এক ধরনের গ্যাসের কারণে আমাদের পৃথিবী ঝুঁকির দিকে ধৃত হচ্ছে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

আবহাওয়া হলো কোনো একটি অঞ্চলের একদিন বা দিনের কোনো সময়ের বাতাসের তাপ, চাপ, আর্দ্রতা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
উত্তরঃ

প্রচণ্ড উত্তাপের কারণে সৃষ্ট নিম্নচাপের ফলে কালবৈশাখি ঝড় ঘটিত হয়।

গবৈশাখি হলো এক ধরনের ক্ষণস্থায়ী ও স্থানীয়ভাবে সৃষ্ট প্রচন্ড ঝড়। ধারণত বৈশাখ মাসেই এ ঝড় বেশি হয় বলে একে কালবৈশাখি বলা । প্রায় সময় উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে এ ঝড়টা আসে। এ সময় গরমের কারণে বায়ুমণ্ডলে নিম্নচাপ অঞ্চলের সৃষ্টি হয় এবং দবৈশাখি ঝড় আঘাত হানে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
উত্তরঃ

নবীন বাংলাদেশে উত্তরাঞ্চলে বসবাস করে।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এর জলবায়ু সমভাবাপন্ন এবং নাতিশীতোষ্ণ। অর্থাৎ এখানে শীত ও গ্রীষ্মের তীব্রতা সহনীয় এবং সমান। তবে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে এর কিছুটা ব্যতিক্রম দেখা যায়। উত্তরাঞ্চল বঙ্গোপসাগর থেকে দূরে হওয়ায় গ্রীষ্মকালে এ অঞ্চলে অসহনীয় গরম অনুভূত হয়। দেশের উত্তর ও উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে কখনো কখনো তাপমাত্রা ৪০০-৪৫° সেলসিয়াস পর্যন্ত ওঠে। নদী-নালার পানি শুকিয়ে খরার অবস্থা দেখা যায়। আবার শীতকালে এ অঞ্চলে তীব্র শীত অনুভূত হয়। এসব অঞ্চলে তাপমাত্রা কখনো কখনো ৪০-৫° সেলসিয়াসে নেমে আসে।

উদ্দীপকের নবীন বাংলাদেশের যে অঞ্চলে বসবাস করে সেই অঞ্চলে শীত ও খরা উভয়েরই প্রকোপ বেশি। উপরের আলোচনার সাথে তুলনা করে তাই বলা যায়, নবীন উত্তরাঞ্চলে বসবাস করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
উত্তরঃ

হামজা গ্রিনহাউস গ্যাসের কারণে পৃথিবীর সম্ভাব্য ঝুঁকির কথা বলেছে, যার যথার্থতা রয়েছে।

সারা পৃথিবীতেই জলবায়ু পরিবর্তনের মূল কারণ হচ্ছে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন। এর অন্যতম নিয়ামক হলো গ্রিনহাউস গ্যাস। কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন প্রভৃতি গ্যাসকেই একসাথে গ্রিনহাউস গ্যাস বলা হয়। বায়ুমণ্ডলে এ গ্যাসগুলো অতিরিক্ত মাত্রায় সঞ্চিত হয়ে পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়িয়ে তোলে।

উদ্দীপকে নবীনের সাথে আলোচনার সময় হামজা উদ্বেগ প্রকাশ করে যে, মনুষ্যসৃষ্ট এক ধরনের গ্যাসের কারণে আমাদের পৃথিবী ঝুঁকির দিতে ধাবিত হচ্ছে। এ থেকে বোঝা যায়, হামজা মূলত গ্রিনহাউস গ্যাসের কথা বলেছে। এ গ্যাসগুলো বায়ুমণ্ডলে আস্তরণের সৃষ্টি করে যা সূর্য থেকে আসা তাপকে বায়ুমণ্ডল থেকে বের হতে দেয় না। এ কারণে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ঘটে। এর ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলছে। ফলস্বরূপ বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের নিম্নাঞ্চলসহ পৃথিবীর সমুদ্র তীরবর্তী দেশগুলো ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, বন্যা, নদীভাঙন, খরা প্রভৃতির প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

গ্রিন হাউজ গ্যাসের প্রভাবে সৃষ্ট পরিবেশগত ঝুঁকি বিবেচনা করে এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, হামজার উক্তিটি যথার্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
125

'আবহাওয়া' ও 'জলবায়ু' শব্দ দুটি এক বলে মনে হলেও বস্তুত এক নয়। আবহাওয়া হলো কোনো একটি অঞ্চলের এক দিন বা দিনের কোনো বিশেষ সময়ের বাতাসের তাপ, চাপ, আর্দ্রতা। তাপমাত্রা, বায়ুর চাপ ও গতি, বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ হিসাব করে এটা নির্ধারণ করা হয়। আবহাওয়া প্রতিদিন, এমন কি ঘণ্টায় ঘণ্টায় বদলাতে পারে, বদলায়ও। অন্যদিকে কোনো অঞ্চলের ৩০ থেকে ৪০ বছরের গড় আবহাওয়াকে বলা হয় তার জলবায়ু। তবে কোনো দেশ বা অঞ্চলের জলবায়ু বোঝার জন্য ওই উপাদানগুলো ছাড়াও আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক আছে। যেমন দেশটির অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ, সমুদ্র থেকে তার দূরত্ব, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা, বায়ুপ্রবাহ, সমুদ্রস্রোত, ভূমির ঢাল, মৃত্তিকার গঠন, বনভূমির পরিমাণ ও অবস্থান প্রভৃতিও জলবায়ুর প্রকৃতি নির্ণয়ের নিয়ামক।

মানুষের জীবনযাত্রা পরিবর্তন এবং ভোগ-বিলাসিতা অথবা উন্নয়নের কারণে জলবায়ু তার স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য হারায়। যার দরুণ পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পায় এবং গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রভাবকে আমাদের মোকাবেলা করতে হয়। এজন্য বাংলাদেশের জলবায়ু, জলবায়ুগত পরিবর্তন, এর প্রভাবের কারণ, প্রভাব ও পরিস্থিতি মোকাবিলার উপায় সম্পর্কে জানা প্রয়োজন।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-

  • বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রকৃতি ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে বিভিন্ন দুর্যোগ যেমন- ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস, বন্যা, নদীভাঙ্গন,
  • খরা, শৈত্যপ্রবাহ, টর্নেডো, কালবৈশাখি প্রভৃতি ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • জলবায়ু পরিবর্তনজনিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • বাংলাদেশের আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ব্যাখ্যা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বাংলাদেশের জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ, অর্থাৎ এখানে শীত বা গ্রীষ্ম কোনোটিই খুব বেশি তীব্র নয়।

বাংলাদেশের গ্রীষ্মকাল উষ্ণ ও বৃষ্টিবহুল এবং শীতকাল শুষ্ক। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে, বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। তবে সব এলাকায় সমান বৃষ্টিপাত হয় না। সিলেট, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এলাকায় বেশি বৃষ্টিপাত হয়। খৗসুমি বায়ুর প্রভাবে অনেক সময় এদেশে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
724
উত্তরঃ

উদ্দীপকের বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যার কারণে সৃষ্ট দুর্যোগের হুমকির মুখোমুখি।

পৃথিবী আজ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। বিশে করে বাংলাদেশের মতো যেসব দেশ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতার কাছাকাছি অবস্থানে আছে, সেসব দেশে এ সমস্যা বহুগুণ বেশি দেখা দিচ্ছে। জলবায় পরিবর্তন হওয়ায় এখন ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আবহাওয়ার পরিবর্তন লক্ষ করা যায় না। যেমন- বর্ষাকালে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। শীতকালে শীত দেরিতে আসছে এবং স্বল্পসময়ে চলে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরিমাণও বেড়ে যাচ্ছে।

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণ বাংলাদেশের জন্য অদূর ভবিষ্যতে ভয়াবহ হয়ে দাঁড়াবে। কেননা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে মেরু অঞ্চলের বরফগলা পানি সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। এতে দেশের দক্ষিণাংশের নিম্ন অঞ্চল ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হচ্ছে। তাই বলা যায়, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে জলবায়ুর যে পরিবর্তন পরিলক্ষিত হচ্ছে, তাতে বাংলাদেশের মতো দেশগুলো ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের হুমকির মুখে দাঁড়িয়ে আছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
394
উত্তরঃ

উদ্দীপকে পরিবেশের যে বিপর্যয়ের কথা বলা হয়েছে তার জন্য মানুষের কর্মকাণ্ডই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দায়ী।

বর্তমান বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রধান কারণ গ্রিনহাউস গ্যাস। বায়ুমণ্ডলে এ গ্যাস অতিরিক্ত মাত্রায় সঞ্চারিত হয়ে পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়িয়ে তোলে। বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাস বৃদ্ধির জন্য মানুষের কাজকর্মই সবচেয়ে বেশি দায়ী। মানুষের তৈরি গ্রিনহাউস গ্যাসের মধ্যে কার্বন ডাইঅক্সাইডের রিমাণ সবচেয়ে বেশি। যেমন: বিদ্যুৎ উৎপাদন, যানবাহনের তেল-গ্যাসের বায়া, ইটের ভাটা প্রভৃতি থেকে এই কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়। লে বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাস সঞ্চারের পরিমাণ বহুগুণ বেড়ে গেছে। এ বারণে জলবায়ুগত পরিবর্তনের হুমকিও মারাত্মক হচ্ছে।

সতরাং বলা যায় যে, মানুষের অসচেতন কর্মকাণ্ডই দেশকে বিভিন্ন প্রকৃতিক দুর্যোগের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
266
উত্তরঃ

কালবৈশাখি হলো এক ধরনের স্বল্পস্থায়ী ও স্থানীয়ভাবে সৃষ্ট প্রচণ্ড তসম্পন্ন ঘূর্ণিঝড়।

বাংলাদেশে সাধারণত বৈশাখ মাসে 'কালবৈশাখি ঝড়' বেশি হয়। গ্রীষ্মে কানো স্থানের তাপমাত্রা খুব বেড়ে গেলে সেখানকার বাতাস হালকা য় ওপরে উঠে যায়। তখন পাশের অঞ্চলের অপেক্ষাকৃত শীতল বাতাস বল বেগে এই শূন্যস্থানে ধেয়ে আসে ও ঝড়ের সৃষ্টি করে।ন শিরভাগ সময় উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে এ ঝড়টা আসে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
362
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews