আধুনিক ব্যবস্থাপনার জনক হেনরি ফেয়ল।
প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পর্যায়ের নির্বাহীদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা ব্যবস্থাপনাকে উচ্চ পর্যায়ের ব্যবস্থাপনা বলে।
কোনো কোম্পানির পরিচালকমণ্ডলী, পরিচালকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান, ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও ক্ষেত্রবিশেষে জেনারেল ম্যানেজার এ পর্যায়ের ব্যবস্থাপনার আওতাভুক্ত। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ও নীতিনির্ধারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য, কৌশল ও পরিকল্পনা প্রণয়নের সঙ্গে ব্যবস্থাপনার যে অংশ বা পর্যায় সম্পৃক্ত থাকে, তাকে উচ্চ পর্যায়ের ব্যবস্থাপনা বলে।
উদ্দীপকে সাইফুর রহমান ব্যবস্থাপনার সংগঠন কার্যের সাথে জড়িত।
পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সকল মানবীয় ও অমানবীয় উপকরণ সমন্বিতকরণ ও কর্মীদের মধ্যে দায়িত্ব ও ক্ষমতা বণ্টনকে সংগঠন বলে। উদ্দীপকে নাইট-স্টার গ্রুপের ব্যবস্থাপক সাইফুর রহমান কার্যের প্রকৃতি অনুযায়ী কার্যবিভাজন করেন। তিনি যোগ্য কর্মী নির্বাচন করে উপযুক্ত কর্মে নিয়োজিত করেন এবং কর্মীদেরকে কেবল দায়িত্বই প্রদান করেন না সাথে সাথে যথাযথ কর্তৃত্বও প্রদান করেন। প্রতিষ্ঠানের বস্তুগত ও অবস্তুগত উপাদানসমূহ একত্রিত করে একেক কর্মীর ওপর অর্পিত দায়িত্বের খোঁজ-খবর নিয়ে তিনি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেন যা ব্যবস্থাপনার সংগঠন কাজের সাথে সম্পর্কিত। এক্ষেত্রে সংগঠনের মাধ্যমে কর্মীরা সহজেই প্রতিষ্ঠানে নিজেদের অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে এবং তদনুযায়ী লক্ষ্য অর্জনে সচেষ্ট হয়। ফলে প্রাতিষ্ঠানিক সফলতা অর্জন সম্ভব হয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের সাইফুর রহমান ব্যবস্থাপনার সংগঠনকার্যের সাথে জড়িত।
উদ্দীপকে নাইট-স্টার গ্রুপের সফলতায় কর্মীদের জবাবদিহিতার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ব্যবস্থাপনা একটি সামাজিক প্রক্রিয়া হিসেবে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, ধর্ম, রাষ্ট্র, প্রতিষ্ঠান তথা সকল ক্ষেত্রেই অতি প্রয়োজনীয় বিষয়ে পরিণত হয়েছে। সুষ্ঠু ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠানই সফলতার মুখ দেখতে পারে না।
উদ্দীপকে সাইফুর রহমান কার্যের প্রকৃতি অনুযায়ী কার্যবিভাজন করেন। তিনি সংগঠনের মাধ্যমে যোগ্য কর্মী নির্বাচন করে উপযুক্ত কর্মে নিয়োজিত করেন। সাইফুর রহমান কর্মীদেরকে কেবল দায়িত্বই প্রদান করেন না সাথে সাথে যথাযথ কর্তৃত্বও প্রদান করেন। তিনি প্রতিষ্ঠানের বস্তুগত ও অবস্তুগত উপাদানসমূহ একত্রিত করেন এবং কর্মীদের ওপর অর্পিত দায়িত্বের খোঁজ-খবর নিয়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেন। অর্থাৎ সাইফুর রহমানের জবাবদিহিতা কাজটি দ্বারা প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা সর্বদা তাদের কাজ সম্পর্কে সজাগ থাকে এবং তারা সর্বোচ্চ দক্ষতা প্রয়োগে সচেষ্ট থাকে। এক্ষেত্রে কার্যের প্রকৃতি অনুযায়ী কার্যবিভাজন, দক্ষতা ও যোগ্যতার আলোকে কর্মী নির্বাচন, তাদের দায়িত্ব ও কর্তৃত্ব, জবাবদিহিতা ইত্যাদি নির্ধারণ এবং ব্যক্তি, অন্যান্য সম্পদ ও উপায়-উপকরণের মধ্যে সম্পর্ক সৃষ্টি ও সমন্বয়সাধন করা হয়। এতে প্রতিষ্ঠানটি সফলতা অর্জনের পথে ধাপে ধাপে এগিয়ে যেতে পারবে এবং সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকের নাইট-স্টার গ্রুপের সফলতায় কর্মীদের জবাবদিহিতার ভূমিকা অত্যন্ত ব্যাপক।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!