নাজমুল হাসান সাহেব একজন শিক্ষক। তিনি নিজের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে অত্যন্ত সচেতন। তিনি শান্তিতে বিশ্বাসী। এজন্য তিনি যুদ্ধকে ঘৃণা করেন। তিনি চান জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকারসমূহ পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রই বাস্তবায়ন করতে আন্তরিকভাবে সচেষ্ট হবে। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

অধিকার প্রথমত দু প্রকার। যথা- নৈতিক অধিকার ও আইনগত অধিকার। আইনগত অধিকার আবার তিন প্রকার। যথা- ১. সামাজিক অধিকার, ২. অর্থনৈতিক অধিকার ও ৩. রাজনৈতিক অধিকার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

মানুষ সামাজিক জীব। মানুষ সমাজেই জন্মগ্রহণ করে, লালিত-পালিত হয় এবং সমাজেই মৃত্যুবরণ করে। এ সমাজজীবনকে সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও উন্নত করার জন্য নাগরিকগণ যে সকল কর্তব্য পালন করে তাকে সামাজিক কর্তব্য বলে। যেমন- সামাজিক সম্প্রীতি গড়ে তোলা এবং তা বজায় রাখা, সামাজিক নীতিমালার প্রতি শ্রদ্ধা ও অনুগত্য প্রদর্শন করা, পরস্পরের প্রতি কাম্য ব্যবহার করা ইত্যাদি

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

মৌলিক অধিকার হচ্ছে নাগরিকের ব্যক্তিত্ব বিকাশ ও ব্যাপ্তির জন্য এমন কিছু শর্তাবলি যা সার্বভৌম রাষ্ট্রের সংবিধান হতে প্রাপ্ত এবং যা সরকারের নিকট অলঙ্ঘনীয়। একমাত্র জরুরি অবস্থা ব্যতীত সরকার মৌলিক অধিকার খর্ব করতে পারে না। অন্যদিকে, মানবাধিকার হচ্ছে এমন কিছু অধিকার যা মানুষের ব্যক্তিত্বের পূর্ণ বিকাশের জন্য অপরিহার্য। মানবাধিকার ও মৌলিক অধিকারের মধ্যে বেশকিছু পার্থক্য রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পার্থক্য হচ্ছে-
১. মৌলিক অধিকারের উৎস হচ্ছে রাষ্ট্রের সংবিধান। অন্যদিকে, মানবাধিকারের উৎস হচ্ছে জাতিসংঘ।

২. মৌলিক অধিকারের পরিধি রাষ্ট্রের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। অন্যদিকে, মানবাধিকারের পরিধি বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত।
৩. মৌলিক অধিকার রাষ্ট্রীয় অধিকাব। অন্যদিকে, মানবাধিকার আন্তর্জাতিক অধিকার। মৌলিক অধিকার অনেকটা সহজে কার্যকর করা যায়। কিন্তু মানবাধিকার কার্যকর করা ততটা সহজ নয়।
৪. মৌলিক অধিকার বিকাশ লাভ করে রাষ্ট্রীয় চেতনাবোধ থেকে। অন্যদিকে, মানবাধিকার বিকাশ লাভ করে আন্তর্জাতিক চেতনাবোধ থেকে
৫. মানবাধিকার মৌলিক অধিকার অপেক্ষা অনেকটা সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

অধিকার ও কর্তব্যের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। অধিকার ও কর্তব্য একে অপরের পরিপূরক। ব্যক্তি সামাজিক জীব হিসেবে যে সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে তাই অধিকার। সমাজে বসবাসকারী মানুষেরা নিজ নিজ অধিকারের বিনিময়ে রাষ্ট্রের প্রতি কিছু দায়িত্বও পালন করে থাকে। অধিকার ভোগের বিনিময়ে নাগরিকগণ যেসব দায়িত্ব পালন করে সেগুলোই হচ্ছে কর্তব্য। Prof. Hobhouse কর্তব্য প্রসঙ্গে বলেন, "ধাক্কা না খেয়ে পথ চলার অধিকার যদি আমার থাকে তবে অপরের কর্তব্য হলো আমার পথ ছেড়ে দেওয়া।" অধিকার ও কর্তব্য একই বস্তুর দুটি দিক। কর্তব্য পালনের মধ্য দিয়েই অধিকার সুনিশ্চিত হয়। অধিকার ও কর্তব্য উভয়েরই উৎস এবং সংরক্ষক সমাজ। সমাজ থেকে আমরা অধিকার পাই। আবার সমাজের কল্যাণের জন্য আমরা কর্তব্য পালন করে থাকি। ব্যক্তি তার নিজের স্বার্থেই সমাজের প্রতি তার দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে। সমাজের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথভাবে পালনের মধ্য দিয়ে নির্বিঘ্নে ব্যক্তি তার অধিকার ভোগ করতে পারে। তাছাড়া কর্তব্য পালন ছাড়া অধিকারের মর্যাদাও উপলব্ধি করা যায় না। রাষ্ট্র নাগরিকের অধিকার রক্ষা করে। এজন্য নাগরিকও রাষ্ট্রের প্রতি কর্তব্য পালন করে। নাগরিকের যা অধিকার রাষ্ট্রের তা কর্তব্য। আবার রাষ্ট্রের যা অধিকার, নাগরিকের তা কর্তব্য। অধিকার ও কর্তব্য পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। একটি ছাড়া অন্যটি অর্থহীন হয়ে পড়ে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
87
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রত্যেক রাষ্ট্রই এর প্রদত্ত অধিকারসমূহ দ্বারা পরিচিতি লাভকরে"- উক্তিটি করেছেন অধ্যাপক লাঙ্কি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
337
উত্তরঃ

'মানুষ' হিসেবে প্রতিটি মানুষ যে অধিকার ভোগ করতে জন্মগতভাবে প্রত্যাশী তাই মানবাধিকার। মানুষের মূল্য ও মর্যাদার সাথে সংশ্লিষ্ট এ অধিকারগুলো মানুষ জন্মগতভাবে লাভ করে থাকে। অর্থাৎ আমরা মানুষ হিসেবে বাঁচতে প্রকৃতিগত ও সহজাত যে অধিকার প্রত্যাশা করি, তাই হলো মানবাধিকার। যেমন- জীবন ধারণের অধিকার, নিরাপত্তা লাভের অধিকার, নিষ্ঠুরতার শিকার না হওয়ার অধিকার, ন্যায়বিচার লাভের অধিকার ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
1k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে অধিকার ও কর্তব্যের মধ্যকার সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এগুলোর পারস্পরিক নির্ভরশীলতার কথা বলা হয়েছে।
অধিকার ও কর্তব্য নাগরিকতার দুটি দিক। নাগরিকদের যেমন অধিকার আছে, তেমনি কর্তব্যও পালন করতে হয়। অধিকার ও কর্তব্য পরস্পর পরিপূরক। এ দুটি যেন একই মুদ্রার দুটি দিকের ন্যায়। সামাজিক সচেতনতা থেকে এদের সৃষ্টি এবং সমাজের মধ্যেই এরা অর্থপূর্ণ হয়ে ওঠে। নাগরিকগণ নিজ নিজ অধিকারের বিনিময়ে রাষ্ট্রের প্রতি কর্তব্য পালন করে থাকে। এজন্যই লাস্কি বলেন, "আমার নিরাপদে থাকার অধিকার থাকলে অন্যের কর্তব্য হলো আমাকে অন্যায়ভাবে আক্রমণ না করা।" অধিকার বলতে যেমন কতকগুলো শর্তকে বুঝানো হয়, তেমনি তা পালনও দায়িত্ব। যেমন-ভোটদানের অধিকার বলতে ভোটাধিকার প্রয়োগের দায়িত্বকেও বোঝায়। কারও অধিকার বলতে যেমন তার কর্তব্যকেও বোঝায়, তেননি একজনের অধিকার বলতে অন্যের কর্তব্যকেও বোঝানো হয়। আমার সম্পত্তির ভোগের অধিকার আছে, এর অর্থ অন্যের সম্পত্তিতে অন্যায় হস্তক্ষেপ না করাও আমার দায়িত্ব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
249
উত্তরঃ

কারও অধিকার বলতে যেমন তার কর্তব্যকে বোঝায়, তেমনি একজনের অধিকার বলতে অন্যের কর্তব্যকে বোঝায়। একজনের অধিকার ভোগ করা অন্যের কর্তব্য পালনের ওপর নির্ভরশীল। এজন্যই বলা হয়, অধিকারের মধ্যেই কর্তব্য নিহিত। যেমন- আমার বেঁচে থাকার যদি অধিকার থেকে থাকে, তবে আমার কর্তব্য হলো

অন্যের বেঁচে থাকার পথে কোনো বাধার সৃষ্টি না করা। অনুরূপভাবে অন্যের কর্তব্যও হলো আমাকে হত্যা না করা। অধিকার ও কর্তব্য একটি ছাড়া অন্যটি কল্পনা করা যায় না। সমাজের একজনের অধিকারের পরিধি অন্য সকলের কর্তব্যবোধ দ্বারা সীমাবদ্ধ। কারণ অধিকার যদি অবাধ ও সীমাহীন হয় তবে এ থেকে স্বেচ্ছাচারিতার জন্ম হবে। এতে সবল ব্যক্তি অধিকার ভোগ করবে; কিন্তু দুর্বল তার অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে।
রাষ্ট্র নাগরিকদের অধিকার রক্ষা করবে। বিনিময়ে নাগরিকগণ রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব পালন করবে। নাগরিকের যা দায়িত্ব রাষ্ট্রের তা অধিকার আর রাষ্ট্রের যা দায়িত্ব নাগরিকের তা অধিকার। রাষ্ট্র নাগরিকের অধিকার উপভোগের নিশ্চয়তা দেয়। ফলে রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসতে হয়। অর্থাৎ বলা যায়, অধিকার ও কর্তব্য নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত। কার্ল মার্কস বলেছেন, "কর্তব্য ছাড়া কোনো অধিকার নেই আর অধিকার ছাড়া কোনো কর্তব্য নেই।” সুতরাং বলা যায়, অধিকারের মধ্যেই কর্তব্য নিহিত থাকে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
218
উত্তরঃ

সাধারণভাবে যেকোনো বস্তু বা বিষয় সম্পর্কে জানার জন বিবরণকে তথ্য বলা হয়। তথ্য অধিকার আইনে তথ্যকে সুনির্দিষ্টভাে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কোনো কর্তৃপক্ষের গঠন কাঠামো ও দাপ্তরিক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত যে কোনো স্মারক, বই, নকশ মানচিত্র, চুক্তি, তথ্য- উপাত্ত, আদেশ, বিজ্ঞপ্তি, দলিল, আলোকচিত্র অডিও, ভিডিও, যান্ত্রিকভাবে পঠনযোগ্য দলিলাদি এবং বৈশিষ্ট নির্বিশেষে যেকোনো তথ্যবহ বস্তু ইত্যাদিকে তথ্য বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
332
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews