Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allতিব্বতের মানস সরোবরে ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি হয়ে আসাম হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলায় এটি প্রবেশ করেছে। ১৭৮৭ সালের পূর্বে ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারাটি ময়মনসিংহের মধ্য দিয়ে উত্তর- পশ্চিম দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্বদিকে আড়াআড়িভাবে প্রবাহিত হতো। কিন্তু ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতার বাইরে চলে যায় এবং নতুন স্রোতধারার শাখা নদীর সৃষ্টি হয়। আর এ শাখা নদীটি যমুনা নামে পরিচিতি।
অনুচ্ছেদে বর্ণিত বনভূমিটি হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশের ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমি এলাকা।
সাধারণ উষ্ণ ও আর্দ্র ভূমির কিছু এলাকা জুড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা, তরুলতা, ঝোপঝাড় ও গুল্ম জন্ম নেয়। এসব গাছের পাতা একত্রে ফোটেও না, ঝরেও না। ফলে সারা বছর বনগুলো সবুজ থাকে। অবশ্য সে কারণেই এসব বনকে চিরহরিৎ বা চিরসবুজ বনভূমি বলা হয়। চাপালিশ, ময়না, তেলসুর, মেহগনি, জারুল, সেগুন, গর্জন এ বনভূমির উল্লেখযোগ্য গাছ। তবে বর্তমানে এসব বনভূমি রাবার চাষও হচ্ছে। তাছাড়া এ বনগুলো অনেক সৌন্দর্যের রূপ পরিগ্রহ করে।
উদ্দীপকের জাহিদ তার বিদেশি বন্ধুদের সাথে নিয়ে এই চিরহরিৎ বনভূমিতে বেড়াতে গিয়ে বনের সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়। প্রায় প্রতিনিয়তই সেখানে দেশি-বিদেশি পর্যটকেরা যাওয়া-আসা করে থাকেন।
উদ্দীপকে জাহিদের করা মন্তব্যটি যথার্থ।
উদ্দীপকে বর্ণিত নদীটির নাম কর্ণফুলী। কর্ণফুলি নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী। এ নদীর উৎপত্তিস্থল লুসাই নামক পাহাড়ে। ৩২০ কি.মি. দৈর্ঘ্যের এ নদীটি চট্টগ্রাম শহরের খুব নিকট দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত। পানি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য এ নদীর গুরুত্ব অপরিসীম। তাছাড়া এ নদীটি আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। উদ্দীপকে জাহিদ ছুটিতে তার বিদেশি সহপাঠীদের নিয়ে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশের পাহাড়ি অঞ্চলে ফেরার পথে বেড়াতে গিয়ে সে অঞ্চলের প্রধান নদীটি সম্পর্কে যে মন্তব্যটি করে তা কর্ণফুলি নদীকেই বুঝিয়েছে যা আলোচনায় স্পষ্ট।
তাই আমরা নিঃসন্দেহে বলতে পারি, উদ্দীপকে জাহিদের মন্তব্যটি যথার্থ।
বঙ্গোপসাগরের তলদেশে গ্যাস আবিষ্কৃত হয়েছে।
নিরক্ষীয় নিম্ন অক্ষাংশ অঞ্চলে সূর্য বছরের প্রায় সব সময়ই লম্বভাবে কিরণ দেয়। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অপরাপর দেশগুলো নিরক্ষীয় বা ক্রান্তীয় অঞ্চলে অবস্থিত। আর তাই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে প্রচুর সৌরশক্তি পাওয়া যায়।
আজমল মিয়ার বসবাসকৃত অঞ্চলটির নদীর রূপ পরিবর্তিত হওয়ার নানা কারণ বিদ্যমান।
উদ্দীপকের আজমল মিয়া মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। কিন্তু বর্তমানে নদীটির রূপ পরিবর্তিত হওয়ায় অর্থাৎ নদীটি অনেক শুকিয়ে যাওয়ায় সেখানে মাছ শিকার অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই তাকে জীবিকা পরিবর্তন করতে হয়েছে এবং ভিটামাটি হারিয়ে তিনি এখন নিঃস্ব।
বাংলাদেশের নদীসমূহে উজান থেকে পানি আসে। এ পানিতে প্রচুর পলি থাকে। এসব পলি নদীর তলদেশে জমা পড়ে। ফলে নদীগুলোতে চর পড়ে যাওয়ায় পানির প্রবাহ কমে গেছে। এভাবে অনেক নদনদী বিলুপ্ত হয়ে গেছে। উত্তরবঙ্গের জেলাসমূহে এভাবে অনেক নদী আজ বিলুপ্ত। বাংলাদেশের অনেক নদীর উৎসস্থল ভারতে। ভারতের বেশকিছু নদীতে বাঁধ দেওয়ায় বাংলাদেশের নদীগুলোতে পানির প্রবাহ কমে গেছে। বিশেষ করে ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের ফলে দেশের উত্তর- পশ্চিমাঞ্চল ভয়াবহ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। আর এভাবে আজমলের অঞ্চলের নদীটির রূপ পরিবর্তিত হয়েছে।
উদ্দীপকে আজমল মিয়ার মতো উত্তরাঞ্চলের নদী পাড়ের বাসিন্দাদের দুর্ভোগের দ্বারা নদীগুলোর বর্তমান অবস্থার চিত্রই প্রকাশ পেয়েছে। পরিশেষে আমি মনে করি, যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করে নদীগুলোর নাব্যতা সৃষ্টি করলে পুনরায় আজমল মিয়ার মতো নদীপাড়ের বাসিন্দারা তাদের অতীত জীবনে ফিরে পেতে পারবে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!