নাবিলা তার বোন নাফিসাকে বলল, ইসলামি শাসনব্যবস্থা সকল মানুষের জন্য কল্যাণকর। ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলে সকল ক্ষেত্রে আসবে ইতিবাচক পরিবর্তন। সর্বত্র দীনি পরিবেশ স্থায়িত্ব লাভ করবে। নাফিসা বলল, বুঝলাম, কিন্তু নারীদের কী অবস্থা হবে? গার্মেন্টস শ্রমিকরা কী করে আয় করবে? নাবিলা বলল, তোমার প্রশ্নটা অবান্তর। ইসলামি রাষ্ট্রে নারীরা শালীন পরিবেশে বৈধভাবে আয় করতে পারবে। ইসলামি রাষ্ট্রে নারীদের ইজ্জত-আবরু হেফাজত করা হয় এবং নারীদের সম্মানজক বেতন ও সকল সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ইসলামি রাষ্ট্রের প্রধান উৎস হলো আল কুরআন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ইসলামি রাষ্ট্র বলতে ইসলামি আদর্শের ভিত্তিতে পরিচালিত রাষ্ট্রকে বোঝায়। যে রাষ্ট্রের জনসমষ্টি ইসলামি অনুশাসনের অনুসারী এবং এর ভূখণ্ডগত অবস্থান, সরকার ব্যবস্থা ও সার্বভৌমত্ব ইসলামের বিধি-বিধানের অনুসরণে গড়ে ওঠে তাকে ইসলামি রাষ্ট্র বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

নাবিলার বক্তব্যে ইসলামি রাষ্ট্রের কল্যাণকর দিকগুলোর ইঙ্গিত বহন করে। প্রচলিত রাষ্ট্রব্যবস্থার সাথে ইসলামি রাষ্ট্রের অনেক পার্থক্য রয়েছে। প্রচলিত রাষ্ট্রব্যবস্থায় সার্বভৌম ক্ষমতার উৎস জনগণ, আর ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থায় সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক আল্লাহ। প্রচলিত রাষ্ট্রব্যবস্থার চেয়ে ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা মানুষের জন্য অনেক কল্যাণকর।

উদ্দীপকে দেখা যায়, নাবিলা তার বোন নাফিসাকে বলে, ইসলামি শাসনব্যবস্থা সকল মানুষের জন্য কল্যাণকর। এটি প্রতিষ্ঠিত হলে সকল ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। সর্বত্র দীনি পরিবেশ স্থায়িত্ব লাভ করবে। নাফিসার এ বক্তব্যের আলোকে ইসলামি রাষ্ট্রের ইতিবাচক দিক হলো, বিশ্বভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠা, আদর্শিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা, কল্যাণ রাষ্ট্র ও পরামর্শভিত্তিক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়। জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। সম্ভ্রমের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। সম্পদের নিরাপত্তা লাভ হয়। সুষম অর্থব্যবস্থা বহাল থাকে। রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত হয়, মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত হয়। নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয় ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

নাবিলার বক্তব্যটি ইসলামের দৃষ্টিতে যথার্থ। নাবিলা তার বোন নাফিসাকে বলে ইসলামি শাসনব্যবস্থা সকল মানুষের জন্য কল্যাণকর। ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলে সকল ক্ষেত্রে আসবে ইতিবাচক পরিবর্তন। সর্বত্র দীনি পরিবেশ স্থায়িত্ব লাভ করবে। সে আরও বলল, ইসলামি রাষ্ট্রে নারীরা শালীন পরিবেশে বৈধভাবে আয় করতে পারবে। এ রাষ্ট্রে নারীদের আবরু হেফাজত করা হয় এবং নারীদের সম্মানজনক বেতন ও সকল সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়।

নাবিলার এ বক্তব্য অত্যন্ত যথার্থ ও তাৎপর্যপূর্ণ। কেননা ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলে আল্লাহর আইনকানুন চালু হয়। সকলের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়। সকলের মৌলিক চাহিদা পূরণ হয় এবং সমাজে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। সমাজ থেকে সকল প্রকার অন্যায়-জুলুমের অবসান হয়। এ রাষ্ট্রে সকলের জান, মাল ও সম্ভ্রমের নিরাপত্তা বিধান করা হয়। এ রাষ্ট্রে নারীরা গৃহবন্দি হয় না বরং তারা শরিয়ত অনুসরণ করে সকল প্রকার কাজকর্ম নির্বিঘ্নে করার সুযোগ পায়।

উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে, উদ্দীপকে নাবিলার বক্তব্য ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা ও ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে যথার্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
159
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

দুঃখ-কষ্ট ও বিপদে-আপদে বিচলিত না হয়ে আল্লাহর ওপর ভ ভরসা রেখে দৃঢ়তার সাথে তা সহ্য করাকে সবর বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
262
উত্তরঃ

যারা রাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করে, রাষ্ট্রপ্রদত্ত সুযোগ- সুবিধা ভোগ করে এবং রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে তারাই নাগরিক। উৎপত্তিগত অর্থে নগরের অধিবাসীদেরই নাগরিক বলা হয়। কিন্তু আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গিতে নাগরিক হতে হলে রাষ্ট্র প্রদত্ত অধিকার ভোগের পাশাপাশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন ও কর্তব্য পালন করাও অত্যাবশ্যক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.1k
উত্তরঃ

রিয়াজ সাহেবের মধ্যে তাওয়াক্কুলের অভাব লক্ষণীয়। তাওয়াক্কুল শব্দের অর্থ ভরসা বা নির্ভর করা। কোনোকিছু অর্জনের জন্য চেষ্টা বা সাধনা করার পর সফলতার জন্য মহান আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা বা নির্ভর করাকে তাওয়াক্কুল বলে। আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে, বান্দা আল্লাহর ফয়সালার ওপর সন্তুষ্ট। কিন্তু রিয়াজ সাহেবের ক্ষেত্রে তাওয়াক্কুলের অভাব লক্ষ করা যায়।

উদ্দীপকের রিয়াজ সাহেবের ছেলে অসুস্থ হলে তিনি বিচলিত হয়ে পড়েন। এক্ষেত্রে তার আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে ধৈর্যধারণ করা উচিত ছিল। কিন্তু তিনি তা না করে বলেন, ডাক্তার ছাড়া তার আর কোনো উপায় নেই। রিয়াজ সাহেবের ছেলেকে ভালো করার ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর। যা ডাক্তার সাহেবের কথায় প্রমাণিত হয়েছে। খাঁটি মুমিন হতে হলে জীবনের সবক্ষেত্রে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করতে হবে। যারা আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন। তাওয়াক্কুল করলে আল্লাহর সাহায্য পাওয়া যায়। আল্লাহ তায়ালা বলেন, 'যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে তার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট' (সুরা আত-তালাক: ৩)। রোগ হলে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে এবং ওষুধ খেতে হবে। আর আল্লাহর কাছে ভালো হওয়ার জন্য প্রার্থনা করতে হবে, ধৈর্যধারণ করতে হবে এবং আল্লাহর ওপর ভরসা করতে হবে। কিন্তু রিয়াজ সাহেব তা করেননি। তাই বলা যায়, তার মধ্যে তাওয়াক্কুলের অভাব রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
311
উত্তরঃ

ডাক্তার সাহেবের উক্তিতে ইসলামি রাষ্ট্রে একজন নাগরিকের অধিকারের বিষয়টি যথাযথভাবে ফুটে উঠেছে। ইসলামি রাষ্ট্রের নাগরিকরা যেকোনো বিষয়ে একমাত্র আল্লাহর ওপর ভরসা করবে এবং তাঁর কাছে সাহায্য চাইবে। উদ্দীপকে রিয়াজ সাহেব তার অসুস্থ ছেলেকে নিয়ে বিচলিত হয়ে পড়লে ডাক্তার সাহেব তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল বা ভরসা করুন। আমরা উসিলা মাত্র। আর একজন নাগরিক হিসেবে প্রত্যেক ব্যক্তিরই সুস্থ ও সুন্দর জীবনযাপনের অধিকার আছে। আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করছি মাত্র। এখানে ডাক্তার সাহেব একজন মুমিন ব্যক্তি হিসেবে প্রমাণিত হন। তিনি তার বক্তব্যে আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা করা এবং রিয়াজ সাহেবকে বিচলিত না হওয়ার পরামর্শ দেন। ইসলামি রাষ্ট্রের একজন নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের সুন্দর ও সুস্থভাবে জীবনযাপনের অধিকার আছে। আর এই সুন্দর সুস্থ জীবনযাপনের ক্ষেত্রে তিনি তার দায়িত্ব পালন করছেন। কেননা ডাক্তার হিসেবে তার দায়িত্ব রোগীকে সঠিক চিকিৎসা সেবা দেওয়ার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করা। সুস্থ করার মালিক একমাত্র আল্লাহ। এক্ষেত্রে তার মধ্যে কর্তব্যপরায়ণতার দিকটিও ফুটে ওঠে। তিনি নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছেন।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, ইসলামি রাষ্ট্রে প্রত্যেক নাগরিকের সুষ্ঠু, সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। আর এ অধিকার পূরণে রাষ্ট্রের প্রত্যেক নাগরিক নিজ নিজ অবস্থান থেকে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করবে। ডাক্তার সাহেবের বক্তব্যে এ বিষয়টির প্রতিফলন ঘটেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
265
উত্তরঃ

অমুসলিম নাগরিকদের অধিকার বলতে ইসলামি রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে তাদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধাকে বোঝায়। ইসলামি রাষ্ট্রে অমুসলিম নাগরিকদের জান-মাল ও ইজ্জতের নিরাপত্তা থাকবে। রাষ্ট্র তাদের স্বাধীনভাবে ধর্মকর্ম পালনের সুযোগ-সুবিধা দেবে। ধর্মের ব্যাপারে কোনো জোর-জবরদস্তি করা যাবে না। অমুসলিম নাগরিক যাতে তাদের মৌলিক প্রয়োজন যেমন- অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা এগুলো নিশ্চিত করতে পারে সে ব্যবস্থা নিতে হবে। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদ ছাড়া ইসলামি রাষ্ট্রে অমুসলিম নাগরিকদের চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
314
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews