নাবিলের বাড়ি ভোলার বদ্বীপ সমভূমিতে। বসতিগুলো যার যার ফসলি জমির পাশে গড়ে উঠেছে। হাবিবের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলে। একটি বড় পুকুরকে কেন্দ্র করে তাদের বাড়িসহ আরও অনেকগুলো বাড়ি গড়ে উঠেছে। এভাবে বাংলাদেশের গ্রামে বিক্ষিপ্ত ও পুঞ্জীভূতভাবে অনেক বসতি গড়ে উঠেছে। শহর থেকে গ্রামের বসতির বৈশিষ্ট্য ভিন্নতর।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানে মানুষ একত্রিত হয়ে স্থায়িভাবে বসবাসের জন্য যে অবয়ব তৈরি করে তাই বসতি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

একটি নগরে বসবাসকারী জনগোষ্ঠী সেই নগরের নাগরিকে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে নগরায়ণ বলে।
নগরায়ণ বলতে নগরের উদ্ভব, বিকাশ ও বৃদ্ধিকে বোঝানো হয়ে থাকে। অর্থাৎ গ্রামীণ কৃষিভিত্তিক কর্মকাণ্ড ব্যতীত কৃষিবিহীন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের পুঞ্জীভবনের বিকাশসাধনই নগরায়ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে নাবিল ও হাবিলদের যথাক্রমে বিক্ষিপ্ত ও পুঞ্জীভূত বসতি দেখা যায়।

যে বসতিতে একটি পরিবার অন্যটি থেকে অনেক দূরে বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান করে তাকে বিক্ষিপ্ত বসতি বলে। এ বসতিতে ২/৩টি ঘরের অবস্থান থাকে যা ১/২টি পরিবারের ৫/৭ জনের আবাসস্থল। ফসলি জমির মাঝখানে এ ধরনের বসতি গড়ে ওঠে। পরিবারের আকার বাড়ার সাথে সাথে বাংলাদেশে বিক্ষিপ্ত বসতির সংখ্যা বাড়ছে। এ দেশের প্লাবন সমভূমির অধিকাংশ এলাকা যেমন- রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, নোয়াখালী, বরিশাল প্রভৃতি অঞ্চলে এ ধরনের বসতি দেখা যায়।

অপরদিকে, কোনো বিশেষ সুবিধাকে (যেমন- পানীয় জল) কেন্দ্র করে যখন কোনো স্থানে অনেকগুলো পরিবার একত্রিত হয়ে বসবাস করে তাকে পুঞ্জীভূত বসতি বলে। এ বসতিগুলো পরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠে। সাধারণত একটি স্থানে ২০০-৪০০ পরিবার একসাথে বসবাস করে। এখানে কৃষিকাজের প্রাধান্য লক্ষ করা যায়। সাধারণত সিলেটের পাহাড়িয়া অঞ্চল, টাঙ্গাইলের মধুপুরে, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রভৃতি অঞ্চলে এ ধরনের বসতি গড়ে উঠেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে নাবিল ও হাবিলদের বসতি হলো গ্রামীণ বসতি। কিছু কিছু বিষয়ের দিক দিয়ে গ্রামীণ বসতি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের অধিকারী।
প্রথম পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের (যেমন, কৃষি) ওপর ভিত্তি করে যে বসতি গড়ে ওঠে তাকে গ্রামীণ বসতি বলে। নিচে বাংলাদেশের গ্রামীণ বসতির বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-

গ্রামীণ বসতি অনেক বেশি জায়গা জুড়ে অবস্থিত। এখানকার মানুষের প্রধান উপজীবিকা হলো কৃষি। এ বসতির সুনির্দিষ্ট আকার ও আয়তন নেই। শহরের তুলনায় যৌথ পরিবারের সংখ্যা বেশি।
বসতির অধিবাসীদের মধ্যে পারস্পরিক হৃদ্যতাও বেশি। এ ধরনের বসতির যোগাযোগ ব্যবস্থা অনুন্নত। অধিকাংশ মানুষ স্বল্প শিক্ষিত বা অশিক্ষিত। এখানে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও বিনোদনের অভাব আছে।
পর্যাপ্ত চিকিৎসা কেন্দ্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নেই, বাল্য বিবাহের হার বেশি। এখানে নানাবিধ কুসংস্কার প্রচলিত আছে। গ্রামীণ ঘরবাড়ির নির্মাণ উপকরণ প্রধানত মাটি, টিন, খড়, ইট, ছন, গোলপাতা, বাঁশ প্রভৃতি। নিরাপদ পানি পর্যাপ্ত সরবরাহের ব্যবস্থা থাকে না। তবে গ্রামীণ বসতিগুলো নানাবিধ প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ।
অতএব বলা যায়, নাবিল ও হাবিলদের এলাকায় যেহেতু অধিকাংশ মানুষ প্রথম পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তাই উপরিউক্ত বৈশিষ্ট্যগুলো তাদের গ্রামীণ বসতিতে দেখা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
88

Settlement

প্রাকৃতিক পরিবেশে অর্থাৎ প্রকৃতির সাথে মানুষের অভিযোজনের প্রথম পদক্ষেপ হলো বসতি স্থাপন। প্রাচীনকালে মানুষেরা খাদ্য সংগ্রহের জন্য প্রতিনিয়ত এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পরিভ্রমণ করতো। অর্থাৎ তারা যাযাবর জীবনযাপন করতো। এ সময় মানুষ গাহাড়ের গুহায়, বড় কোনো গাছের নিচে অথবা উন্মুক্ত স্থানে দলবদ্ধ হয়ে বসবাস করতো। মানুষ প্রথম বসতি স্থাপন করতে শেখে কৃষিকাজ আবিষ্কারের পর। কেবল প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে না থেকে মানুষ যুগে যুগে নিজস্ব উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বের নানা প্রান্তে নানাবিধ বসতি স্থাপন করতে শিখেছে। মানুষ কোন পরিবেশে কতটুকু খাপ খাইয়ে নিতে পারল ঐ পরিবেশে স্থাপিত বসতি তার প্রমাণ।

বসতি (Settlement)-মোহাম্মদ আরিফুর রহমান ও ইকবাল উদ্দিন আহমেদ মিঠু স্যারে লেখা বই

Related Question

View All
উত্তরঃ

৫০ লাখেরও বেশি জনসংখ্যাবিশিষ্ট নগরকে মেগাসিটি বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
173
উত্তরঃ

গ্রামের কোনো নির্দিষ্ট স্থানে, নির্দিষ্ট দিনে, নির্দিষ্ট সময়ে নিজেদের উদ্বৃত্ত পণ্যদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করার জন্য ক্রেতা ও বিক্রেতাদের স্বীকৃত জনজমায়েতকে গ্রামীণ হাট বলে।
গ্রামীণ জীবনযাত্রায় হাটের ভূমিকা অসামান্য। বৃহত্তর অর্থে গ্রামীণ পরিসরে হাট হচ্ছে আর্থসামাজিক স্নায়ুকেন্দ্র। এ হাটের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী ভোগ্যসামগ্রী সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। স্থানীয় মানুষের উদ্বৃত্ত পণ্য বিক্রয় এবং চাহিদাসম্পন্ন পণ্য ক্রয় ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে গ্রামীণ হাটের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
227
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত স্থানটি হলো ঢাকা, যা বাংলাদেশের প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু।

ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী। সব ধরনের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড ঢাকাকে কেন্দ্র করে সম্পন্ন হয়। ঢাকায় বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান, স্কুল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল প্রভৃতি গড়ে উঠেছে। সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সদরদপ্তরও ঢাকায় অবস্থিত। শুধু তাই নয় বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টও ঢাকায় অবস্থিত।

এক কথায় বাংলাদেশের যাবতীয় রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, প্রশাসনিক ও বিচার বিভাগীয় কর্মকাণ্ড ঢাকাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। তাই ঢাকাকে বাংলাদেশের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
127
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো ঢাকা অঞ্চল এবং 'খ' চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো রাজশাহী অঞ্চল। এ উভয় অঞ্চলের মধ্যে জনসংখ্যা ঘনত্বের তারতম্য পরিলক্ষিত হয়।

ঢাকা হলো সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা অধ্যুষিত অঞ্চল। বাংলাদেশের মূল প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু হলো ঢাকায়। এর আয়তন ৩১,১২০ বর্গ কি.মি. এবং জনসংখ্যা ৪,৯৩,২১,৬৮৮ জন। জনসংখ্যার ঘনত্ব। ১,৫১২ জন। মোট নগর সংখ্যা ৪০টি। ঢাকায় প্রাকৃতিক ও অর্থনৈতিক সুবিধা ব্যাপক আকারে থাকায় এ অঞ্চলে জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি। উচ্চ শিক্ষার ব্যবস্থা, কর্মসংস্থান, যাতায়াত সুবিধা সরকারি বেসরকারি অফিসের অবস্থান; বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সদর দপ্তরের অবস্থান, বড় বড় হাসপাতাল, স্কুল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রভৃতি ব্যাপক আকারে থাকায় সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা বিদ্যমান। তাই ঢাকার জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি।

অন্যদিকে রাজশাহী হলো বাংলাদেশের তৃতীয় জনসংখ্যা অধ্যুষিত অঞ্চল। এ অঞ্চলের আয়তন ১৮,১৯০ বর্গ কি.মি.। মোট জনসংখ্যা ১,৯২,২৫,৯০৯ জন এবং ঘনত্ব ১,০১৮ জন। এ অঞ্চলে ৮টি নগর রয়েছে। রাজশাহী অঞ্চল প্রাকৃতিক ও অর্থনৈতিক বিবেচনায় বসবাসের অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করলেও ঢাকার মতো এত ব্যাপক সুযোগ-সুবিধা নেই। তাই প্রাকৃতিক ও অর্থনৈতিক কিছু নিয়ামকের তারতম্যের জন্য ঢাকা ও রাজশাহীতে জনসংখ্যার ঘনত্বের তারতম্য হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
243
উত্তরঃ

যে বসতিতে একটি পরিবার অন্যান্য পরিবার থেকে বহু দূরে বিচ্ছিন্নভাবে বসবাস করে তাকে বিক্ষিপ্ত বসতি বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
178
উত্তরঃ

বাংলাদেশের গ্রামীণ হাটগুলো গড়ে ওঠার পেছনে কারণগুলো হলো স্থানীয় চাহিদার উদ্বৃত্ত চালান, দূরবর্তী পরিব্রাজক সেবা প্রদান, অনুকূল যোগাযোগ ব্যবস্থা, নদনদীর অবস্থান, চাহিদার তারতম্য প্রভৃতি l

যে অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি উর্বর, রাস্তাঘাট কাঁচাপাকা বা আধাপাকা এবং কয়েকটি অঞ্চলের সাথে সড়ক ও নদীপথে ভালো যোগাযোগব্যবস্থা থাকে সেসব অঞ্চলে হাটগুলো গড়ে উঠেছে। বেশিরভাগ হাট গড়ে উঠে বাজারসংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোর মধ্যে উদ্বৃত্ত পণ্যসামগ্রী ও সেবাকর্মের মধ্যে তারতম্য হলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
267
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews