নিচের উদ্দীপকটি দেখো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:

Updated: 1 week ago
উত্তরঃ

প্রাণিকোষে বিপাকের ফলে সৃষ্ট নাইট্রোজেনজাত বর্জ্য পদার্থ দেহ থেকে নিষ্কাশিত হওয়ার প্রক্রিয়াই হলো রেচন।

উত্তরঃ

বৃক্কের গ্লোমেরুলার ফিলট্রেট নেফ্রনের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় বিভিন্ন দ্রব্য এর প্রাচীরের কোষে শোষিত হয়ে সংলগ্ন কৈশিকজালিকায় প্রবেশের প্রক্রিয়াকে বলা হয় নির্বাচিত পুনঃশোষণ। বৃক্কের প্রক্সিমাল প্যাঁচানো নালিকার কোষেই অধিকাংশ পুনঃশোষণ সংঘটিত হয়ে থাকে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকের B অকাটি হলো বৃক্কের নেফ্রন এবং 'A' চিহ্নিত অংশটি নেফ্রনের গ্লোমেরুলাস। মূত্র সৃষ্টিতে গ্লোমেরুলাসের ভূমিকা ব্যাপক। কেননা প্রাথমিক মূত্র বা গ্লোমেরুলার ফিলট্রেট গ্লোমেরুলাসেই তৈরি হয়। নিচে মূত্র সৃষ্টিতে গ্লোমেরুলাসের ভূমিকা লেখা হলো-

মালপিজিয়ান বডিতে আলট্রাফিলট্রেশন নেফ্রনের পদ্ধতিতে রক্ত থেকে পানি, রেচন বর্জ্য ও অন্যান্য পদার্থ পরিযুত হয়। এটি মূত্র তৈরির প্রথম ধাপ। বহির্বাহী ধমনির ব্যাস অন্তর্বাহী ধমনির চেয়ে কম হওয়ায় গ্লোমেরুলাসে উচ্চমাত্রার হাইড্রোস্ট্যাটিক চাপ থাকে। এ চাপের ফলে তরল পদার্থ গ্লোমেরুলাস থেকে বের হয়ে বোম্যানস ক্যাপস্যুলে প্রবেশ করে। গ্লোমেরুলাসের কৈশিক জালিকায় হাইড্রোস্ট্যাটিক চাপ ৭০ মিমি/পারদ। এ চাপের বিরুদ্ধে অন্যান্য চাপ হলো ৩৫ মিমি/ পারদ। ফলে প্রকৃত ছাঁকন চাপ ৩৫ মিমি/ পারদ থাকায় গ্লোমেরুলাস হতে প্রোটিন ও রক্তকণিকা ছাড়া প্রায় সমস্ত পানি, লবণ, শর্করা, ইউরিয়া, ইউরিক অ্যাসিড, ক্রিয়েটিনিন, ধাতব আয়ন, হরমোন প্রভৃতি উপাদান পরিষুত হয়ে বোম্যানস ক্যাপস্যুলে জমা হয়। পরিষুত এ তরলকে গ্লোমেরুলার ফিলট্রেট বলে। অতিসূক্ষ্ম হাঁকনের জন্য গ্লোমেরুলাসের কৈশিকজালিকার প্রাচীর এবং বোম্যান ক্যাপসুল্যের প্রাচীর মিলে তিন স্তর বিশিষ্ট একটি ফিল্টার বা ছাঁকনি গঠন করে। এ ছাঁকনিতে বিদ্যমান বিভিন্ন ব্যাসের ছিদ্রপথে, গ্লোমেরুলাস ফিলট্রেট পরিসুত হয়। বোম্যান্স ক্যাপসুলের এন্ডোথেলিয়ামে বিদ্যমান পোভোসাইট কোষ গ্লোমেরুলাস ফিলট্রেট ছাঁকনে বিশেষ ভূমিকা রাখে, যা মূত্র তৈরিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকের B অঙ্গটি হলো বৃক্কের গঠন ও কার্যকরী একক নেফ্রন। অসমোরেগুলেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এ অঙ্গটি অর্থাৎ বৃক্ক দেহে পানিসাম্য নিয়ন্ত্রণ করে। বৃক্ক দুইভাবে এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করে থাকে। প্রথমত, - দেহের অতিরিক্ত পানি অপসারণের মাধ্যমে বৃদ্ধ দেহে পানিসাম্য বজায় রাখে। দেহে পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে রক্তের ঘনত্ব কমে যায় অর্থাৎ রক্তের প্লাজমা বেশি তরল হয়ে যায়। ফলে পিটুইটারী গ্রন্থি থেকে ক্ষরিত অ্যান্টিডাইইউরেটিক হরমোন (ADH) রক্ত প্রবাহ স্বাভাবিকের চেয়ে কম ক্ষরিত হয়। এ ADH হরমোনের প্রভাবে নেফ্রনের দূরবর্তী প্যাঁচানো নালিকা ও সংগ্রাহক নালিকা অভেদ্য হয়ে যায়। এতে এ অংশ দিয়ে পানির পরিস্রাবন বন্ধ হয়ে যায়। ফলে রক্তে পানির আধিক্য কমে যায়। দ্বিতীয়ত, দেহে পানি পুনঃশোষণের মাধ্যমে বৃক্ক দেহে পানিসাম্য নিয়ন্ত্রণ করে। রক্তরসে পানির পরিমাণ কমে গেলে তা মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসকে সংকেত দেয় ও সংগ্রাহক নালিকার ভেদ্যতা বেড়ে যায়। ফলে বৃক্কীয় নালিকা থেকে পরিমিত পানি অপসারিত হয়ে রক্তরসের ঘনত্ব স্বাভাবিক রাখে। এতে দেহের পানি ঘাটতি রোধ হয়। আর এভাবেই উদ্দীপকের অঙ্গটি অর্থাৎ বৃক্ক দেহে পানিসাম্য নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

5

আমিষ জাতীয় খাদ্য বিপাকের ফলে দেহে নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্যপদার্থ সৃষ্টি হয়। যে প্রক্রিয়ায় এসব পদার্থ দেহ থেকে নিষ্কাশিত হয় তাকে রেচন বলে।রেচন প্রক্রিয়ায় নিষ্কাষিত বস্তুগুলোকে বলা হয় রেচন পদার্থ । রেচন পদার্থগুলো সাধারণত ক্ষারীয় হয় । রেচন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী অঙ্গগুলোকে বলা হয় রেচন অঙ্গ ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রাণিকোষে রিপাকের ফলে সৃষ্ট নাইট্রোজেনজাত বর্জ্য পদার্থ দেহ থেকে নিষ্কাশিত হওয়ার প্রক্রিয়াই হলো রেচন।

5
উত্তরঃ

গ্লোমেরুলাস রক্তের হাইড্রোস্ট্যাটিক চাপে। রক্তের প্রোটিন ও রক্তকণিকা ছাড়া সকল পানি, লবণ, শর্করা, ইউরিয়া, ইউরিক অ্যাসিড প্রভৃতি পরিস্রাবণ প্রক্রিয়ায় কৈশিকজালিকার এন্ডোথেলিয়াম ও ভিত্তিঝিল্লি এবং রেনাল ক্যাপসুলের এপিথেলিয়াম ভেদ করে ক্যাপসুলের স্পেসে জমা হয়। এ পরিদ্রুত তরলকে গ্লোমেরুলার ফিলট্রেট বলা হয়।

4
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটি হলো বৃক্ক। বৃক্কের সূক্ষ্ম গাঠনিক একক হলো নেফ্রন। নিচে নেফ্রনের সূক্ষ্ম গঠন বর্ণনা করা হলো-

নেফ্রনের দৈর্ঘ্যে প্রায় ৩ সেন্টিমিটার। নেফ্রন প্রধানত দুটি অংশে বিভক্ত। মালপিজিয়ান করপাসল ও বৃক্কীয় নালিকা। মালপিজিয়ান করপাসল বৃক্কের কর্টেক্সে অবস্থিত। এটি দুটি অংশে বিভক্ত- বোম্যান্স ক্যাপসুল ও গ্লোমেরুলাস। বৃক্কীয় নালিকা 'রেনাল করপাসল, প্রক্সিমাল প্যাঁচানো নালিকা, হেনলির লুপ, ডিস্টাল প্যাঁচানো নালিকা ও সংগ্রাহক নালিকা নিয়ে গঠিত। রেনাল করপাসল নেফ্রনের সম্মুখভাগে থাকে। এটি বোম্যানস ক্যাপসুল এবং গ্লোমেরুলাস সমন্বয়ে গঠিত। রেনাল করপাসলের পরবর্তী প্রায় ১৪ মি.মি. অংশকে প্রক্সিমাল প্যাঁচানো নালিকা বলে যা এক স্তর বিশিষ্ট কিউবয়ডাল এপিথেলিয়াল কোষ দ্বারা গঠিত। কোষগুলোর একপ্রান্তে মাইক্রোভিলাইযুক্ত ব্রাশ বর্ডার এবং অপরপ্রান্তে ব্যাসাল চ্যানেল থাকে। এ নালিকার শেষপ্রান্ত সোজা হয়ে মেডুলা অঞ্চলে প্রবেশ করে এবং একটি 'U' আকৃতির লুপ গঠন করে যা হেনলির লুপ নামে পরিচিত। এ লুপে দুটি অংশ। যথাঃ অবরোহন বাহু এবং আরোহন বাহু। এ লুপের আরোহন বাহুর পরবর্তী ৫ মি.মি. হলো ডিস্টাল প্যাঁচানো নালিকা। এ নালিকার পরবর্তী অংশই সংগ্রাহক নালিকা। কিছু সংগ্রাহক নালিকা একত্রিত হয়ে বেলিনি-র ডাক্ট গঠন করে। অনেকগুলো বেলিনি-র ডাক্ট একত্রে মেডুলাতে প্যাপিলারি ডাক্টের মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত পেলভিসে উন্মুক্ত হয়।

4
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটি হলো বৃক্ক। এটি নাইট্রোজেন ঘটিত তরল বর্জ্য সৃষ্টি করে তা দেহ থেকে অপসারণ করে। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
মূত্রে ইউরিয়া, ইউরিক অ্যাসিড, অ্যামোনিয়া, ক্রিয়েটিনিন ইত্যাদি নাইট্রোজেন ঘটিত পদার্থ থাকে, এগুলো মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এসব অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থ মূত্রের মাধ্যমে অপসারণে বৃক্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বৃক্কস্থিত নেফ্রন একটি জটিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্রমাগতভাবে মূত্র উৎপন্ন করে। উৎপন্ন মূত্র সংগ্রাহী নালিকার মাধ্যমে বৃক্কের পেলভিসে পৌঁছায়। পেলভিস থেকে ইউরেটারের ফানেল আকৃতির প্রশস্ত অংশ বেয়ে ইউরেটারে প্রবেশ করে। ইউরেটার থেকে মূত্র মূত্রথলিতে আসে এবং সাময়িকভাবে জমা থাকে। মূত্রথলি মূত্র দ্বারা পরিপূর্ণ হলে মূত্র ত্যাগের ইচ্ছা জাগে এবং মূত্রথলির নিচের দিকে অবস্থিত ছিদ্রপথে দেহের বাইরে বেরিয়ে আসে। এভাবে বৃক্ক মানবদেহ থেকে ক্ষতিকর নাইট্রোজেন জাতীয় বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করে।

4
উত্তরঃ

প্রাণিকোষে বিপাকের ফলে সৃষ্ট নাইট্রোজেনজাত বর্জ্য পদার্থ দেহ থেকে নিষ্কাশিত হওয়ার প্রক্রিয়াই হলো রেচন।

5
উত্তরঃ

বৃক্কের গ্লোমেরুলার ফিলট্রেট নেফ্রনের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় বিভিন্ন দ্রব্য এর প্রাচীরের কোষে শোষিত হয়ে সংলগ্ন কৈশিকজালিকায় প্রবেশের প্রক্রিয়াকে বলা হয় নির্বাচিত পুনঃশোষণ। বৃক্কের প্রক্সিমাল প্যাঁচানো নালিকার কোষেই অধিকাংশ পুনঃশোষণ সংঘটিত হয়ে থাকে।

4
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews