নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ কর:

ক্রমিক নং

পদার্থ শ্রেণি

1

জীবাশ্ম জ্বালানি

II

অজৈব

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

ভূপৃষ্ঠ থেকে এগার কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলকে ট্রপোস্ফিয়ার বলে।

উত্তরঃ

শিলামণ্ডলের প্লেটগুলো একটি আরেকটির সাথে ঘষা বা ধাক্কা খেলে সেখানে প্রচুর তাপ সৃষ্টি হয়। প্লেটগুলোর সংযোগস্থলে উঁচু পর্বত থাকলে এসময় আগ্নেয়গিরির উদগীরণের ঘটনা ঘটে। ফলে তাপে ভূ-অভ্যন্তরের পদার্থ গলে যায় এবং এ গলিত পদার্থ চাপের ফলে নিচ থেকে ভূপৃষ্ঠ ভেদ করে বেরিয়ে আসে। বেরিয়ে আসা এ গলিত তরল পদার্থই ম্যাগমা নামে পরিচিত।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে I নং পদার্থ শ্রেণি অর্থাৎ জীবাশ্ম জ্বালানি সৃষ্টির নিচে প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো-
কয়লা, পেট্রোলিয়াম বা প্রাকৃতিক গ্যাস মাটির নিচে পাওয়া গেলেও এদেরকে খনিজ পদার্থ বলা হয় না। কারণ এরা জীবদেহ থেকে তৈরি। এরা অজৈব নয়। বড় বড় গাছ মাটির নিচে চাপা পড়ে দীর্ঘ সময়ে এরা কয়লা, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসে পরিণত হয়েছে। উদ্ভিদ বা প্রাণীর দেহ কোনো কারণে মাটির নিচে চাপা পড়লে বহু বছরে এদের পরিবর্তন ঘটে। এ পরিবর্তনে ভূ-নিম্নস্থ তাপ, চাপ, জলীয়বাষ্প প্রভৃতি প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। এসবের প্রভাবে বহু বছরের ব্যবধানে জীবদেহ পরিবর্তিত হয়ে জীবাশ্ম জ্বালানিতে পরিণত হয়।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে II নং পদার্থ শ্রেণি হলো খনিজ পদার্থ। নিচে বিভিন্ন খনিজ পদার্থের প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করা হলো-

১. চুনাপাথর: সিমেন্ট তৈরির কাঁচামাল হিসেবে চুনাপাথর ব্যবহৃত হয়।
২. লোহা দালান তৈরির রড, গাড়ি, বাস, লঞ্চ এগুলো তৈরি হয় লোহা থেকে। টিউবওয়েল, লাঙলের ফলা, পেরেক/তারকাঁটা, যন্ত্রপাতি এগুলো তৈরিতেও লোহা ব্যবহৃত হয়।
৩. অ্যালুমিনিয়াম: হাঁড়ি, পাতিল, চামচ ইত্যাদি তৈরি হয় 'অ্যালুমিনিয়াম থেকে।
৪. তামা: বৈদ্যুতিক তারে নিরোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৫. সোনা ও রুপা: গহনা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
৬. দস্তা: ব্যাটারি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, খনিজ শ্রেণির প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

92

হাজার হাজার বছর ধরে মানুষ চিন্তা করেছে কীভাবে পৃথিবী ও মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন সমাজে এ বিষয়ে বিভিন্ন তত্ত্ব ও কাহিনি প্রচলিত রয়েছে। তবে তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে বেশির ভাগ বিজ্ঞানী এখন একটি তত্ত্বকে গ্রহণ করেন। এ তত্ত্বে বলা হয় যে, মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়েছে। এই মহাবিশ্বের একটি গ্রহ পৃথিবী। পৃথিবীর বাইরের দিকটি আমরা দেখতে পাই, কিন্তু পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন সহজে বোঝা যায় না। পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন সম্পর্কে ধারণা করা যায় ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত -এ ধরনের ঘটনা থেকে।

এই অধ্যায় শেষে আমরা

  • পৃথিবীর উৎপত্তির ঘটনা বর্ণনা করতে পারব।
  • পৃথিবীর গঠন ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পৃথিবী, সূর্য ও চন্দ্রের পরিচয় ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • ভূমিকম্পের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

পৃথিবীর উপরিভাগের কঠিন বহিরাবরণই হলো ভূ-ত্বক।

180
উত্তরঃ

পৃথিবীর শিলামণ্ডল কতকগুলো প্লেট দ্বারা গঠিত। প্লেটগুলো কখনো একটি থেকে আরেকটি সরে যায় বা ধাক্কা খায়। প্লেটগুলোর পরস্পরের সাথে ধাক্কার সময় প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়। এ তাপে ভূ-ত্বকের অভ্যন্তরের পদার্থ গলে যায়। এ গলিত পদার্থ ভূ-অভ্যন্তরের চাপের ফলে নিচ থেকে ভূপৃষ্ঠের ফাটল ভেদ করে বেরিয়ে আসে। একেই আগ্নেয়গিরির উদগীরণ বলে।

547
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্রে R হচ্ছে কেন্দ্রমণ্ডল।

বর্ণনা: কেন্দ্রমণ্ডল পৃথিবীর অভ্যন্তরের তিনটি মূল ভাগের একটি। এটি পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকের অংশ। পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দু থেকে প্রায় ৩৫০০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের গোলাকার জায়গা নিয়ে কেন্দ্রমণ্ডলের বিস্তৃতি। পৃথিবী সৃষ্টির সময় কেন্দ্রের দিকের তাপ বের হতে পারেনি। তাই কেন্দ্রমণ্ডল অত্যন্ত উত্তপ্ত। এখানে নিকেল, লোহা, সীসা ইত্যাদি ধাতু আছে। এ ধাতুগুলোও উত্তপ্ত অবস্থায় আছে। কেন্দ্রমণ্ডলের ভেতরের অংশে এরা কঠিন কিন্তু বাইরের দিকে গলিত অবস্থায় আছে। এর অর্থ, ধাতুগুলোর মধ্যে যেগুলো এখনো গলেনি, কঠিন আছে সেসব ভারী পদার্থগুলো কেন্দ্রে আছে। আর যেগুলো গলে গেছে সেসব তরল পদার্থগুলো কিছুটা উপরে চলে এসেছে। এভাবে বিভিন্ন উত্তপ্ত গলিত ও কঠিন পদার্থের সমন্বয়ে পৃথিবীর কেন্দ্রমণ্ডল গঠিত।

350
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্রের P ও Q স্তরের মধ্যে স্তরটি মাটি গঠন করে। এটি পৃথিবীর শিলামণ্ডল।

বিশ্লেষণ: শিলামন্ডল পৃথিবীর অভ্যন্তরের তিনটি মূল ভাগের উপরের স্তর।-এর উপরের দিকের অংশ হচ্ছে ভূ-ত্বক। ভূ-ত্বকের বেশির ভাগই পাথর, নুড়ি, কাঁকড়, বালি ইত্যাদি কঠিন পদার্থ যা শিলা নামে পরিচিত। এ কঠিন শিলা থেকে নরম মাটি তৈরি হয় সাধারণত দুটি পর্যায়ে-

প্রথম পর্যায়: কঠিন শিলা দীর্ঘদিন ধরে রোদ, বৃষ্টি, ঝড়, ভূমিকম্প এগুলোর কারণে ভেঙে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে পরিণত হয়। এছাড়া বায়ু, বরফ বা পানির প্রবাহ, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ইত্যাদি কারণে অন্য জায়গা থেকে ক্ষুদ্র শিলাকণা এসে একটি স্থানে জমা হয়।

দ্বিতীয় পর্যায়: ক্ষুদ্র শিলাকণার সাথে পানি, বায়ু, ক্ষুদ্র জীব যেমন- ব্যাকটেরিয়া, পচা ও মৃত জীবের দেহাবশেষ যোগ হয়। এভাবে মাটি তৈরি হয়। জৈব পদার্থের মিশ্রণে তৈরি হয় বলে মাটি নরম হয়। তবে বিভিন্ন স্থানের মাটি বিভিন্ন রকম হতে পারে। যতই ভিন্ন হোক মাটি গঠন হয় মূলত শিলামন্ডলের কঠিন শিলার সাথে জৈব পদার্থের মিশ্রণে।
অতএব, বুঝা গেল, পৃথিবীর অভ্যন্তরের উপরের শিলামণ্ডল স্তরটি কেবলমাত্র মাটি গঠন করে।

281
উত্তরঃ

পৃথিবী সকল কিছুকে তার নিজের দিকে টানে। সেই টানের ফলে বায়ুমন্ডলের গ্যাসগুলো পৃথিবীর পৃষ্ঠের কাছাকাছি থাকে। তাই ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি বায়ুমণ্ডল ঘন হয়ে থাকে। ভূপৃষ্ঠ থেকে যত উপরের দিকে যাওয়া যায় বায়ুমণ্ডল তত হালকা বা পাতলা হবে। তাই পর্বতারোহীরা পর্বত আরোহণের সময় শ্বাস নেওয়ার জন্য অক্সিজেন সাথে নিয়ে যায়।

178
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews