রান্না করা ডাল মিশ্র পদার্থ।
যে সকল পদার্থে একাধিক যৌগিক ও মৌলিক পদার্থ বিদ্যমান তাদেরকে মিশ্র পদার্থ বলে। বায়ুতে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জলীয় বাষ্পসহ বিভিন্ন মৌলিক ও যৌগিক পদার্থ থাকে। অর্থাৎ বায়ুতে নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন ইত্যাদি মৌলিক পদার্থ এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জলীয় বাষ্প ইত্যাদি যৌগিক পদার্থ বিদ্যমান থাকায় একে মিশ্র পদার্থ বলা হয়।
উদ্দীপক হতে পাই, X মৌলটির প্রোটন তথা পারমাণবিক সংখ্যা ১। তাই X মৌলটি হবে হাইড্রোজেন। আর, হাইড্রোজেনের প্রতীক 'H'। নিম্নোক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করে আমি হাইড্রোজেনের প্রতীক হিসেবে ‘H’ লিখবো-
১. মৌলের ল্যাটিন বা ইংরেজি নামের একটি বা দুটি আদ্যক্ষর দ্বারা প্রতীক লেখা হয়। হাইড্রোজেনের ইংরেজি নাম Hydrogen, যার আদ্যক্ষর 'H' থেকে এর প্রতীক নির্ধারণ করা হয়েছে।
২. এক বর্ণ দ্বারা প্রতীক লিখলে সেটি বড় হাতের অক্ষরে লিখতে হয়। এজন্য আমি হাইড্রোজেনের প্রতীক হিসেবে 'h' না লিখে 'H' লিখবো।
উদ্দীপক মতে ১X ও ৮Y মৌলটি যথাক্রমে হাইড্রোজেন (H) ও অক্সিজেন (O)। কেননা H ও O এর প্রোটন সংখ্যা যথাক্রমে ১ ও ৮। H ও O মৌলদ্বয় দ্বারা গঠিত যৌগ যৌগটির তাৎপর্য নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো:
১. দ্বারা একটি নির্দিষ্ট বস্তু পানিকে বোঝায়।
২. সংকেত দ্বারা জানা যায় যে, পানি যৌগটি হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন মৌল দ্বারা গঠিত।
৩. এর সংকেত থেকে বুঝা যায় যে, পানির একটি অণুতে দুই পরমাণু হাইড্রোজেন ও এক পরমাণু অক্সিজেন রয়েছে।
৪. পানির অণু একটি যৌগিক অণু। এর অণুকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে তা আর পানি থাকে না; এর উপাদান হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনে বিভক্ত হয়ে পড়ে।

Related Question
View Allকার্বন একটি মৌলিক পদার্থ। যেহেতু কার্বনকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে কার্বন ব্যতীত অন্য কোনো পদার্থ পাওয়া যায় না, তাই কার্বন একটি মৌলিক পদার্থ।
উদ্দীপকের ১ নং পদার্থটির রাসায়নিক নাম সোডিয়াম ক্লোরাইড। এটি খাবার লবণ নামেও পরিচিত। এর সংকেত: NaCl.
গঠন প্রক্রিয়া: সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) একটি যৌগিক পদার্থ। এটি দুটি মৌলিক পদার্থ সোডিয়াম (Na) ও ক্লোরিন (CI) দ্বারা গঠিত। সংকেত থেকে দেখা যায় যে, সোডিয়াম ক্লোরাইড যৌগটি একটি Na ও একটি CI পরমাণু দ্বারা গঠিত। অর্থাৎ NaCl কে রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করলে একটি সোডিয়াম ও একটি ক্লোরিন পরমাণু পাওয়া যাবে। আবার বলা যায় যে, একটি সোডিয়াম পরমাণু ও একটি ক্লোরিন পরমাণু মিলে একটি সোডিয়াম ক্লোরাইড অণু গঠন করে। অর্থাৎ সোডিয়াম ক্লোরাইডের একটি অণুতে মোট দুটি পরমাণু রয়েছে।

ছকের ২নং পদার্থটি (ফ্লোরিন) মৌলিক অণু। অর্থাৎ ফ্লোরিন মৌলিক পদার্থ। কারণ ফ্লোরিন কে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে ফ্লোরিন ব্যতীত অন্য কোনো পদার্থ পাওয়া যায় না।
এক্ষেত্রে ২টি ফ্লোরিন পরমাণু মিলে ফ্লোরিন অণু গঠিত হয়।

আবার ছকের ৩নং পদার্থটি ১টি C (কার্বন) ও ২টি O (অক্সিজেন) পরমাণু দ্বারা গঠিত একটি যৌগিক পদার্থ (কার্বন ডাইঅক্সাইড)। উৎপন্ন এর ধর্ম C ও O পরমাণু থেকে ভিন্ন। আবার যৌগটিকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে দুটি অক্সিজেন পরমাণু এবং একটি কার্বন পরমাণু পাওয়া যায়। জানা আছে, যে পদার্থকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে একাধিক ভিন্নধর্মী মৌল পাওয়া যায় সেই পদার্থটি যৌগিক পদার্থ। তাই (কার্বন ডাইঅক্সাইড) একটি যৌগিক পদার্থ।
পরমাণু হলো ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন মৌলিক কণিকা দ্বারা গঠিত অতি ক্ষুদ্র কণা।
O এবং O2 এর মধ্যে পার্থক্য নিচে দেখানো হলো-
| O2 | |
| ১. O হচ্ছে অক্সিজেনের একটি পরমাণু। | ১. O2 হচ্ছে অক্সিজেনের একটি অণু, যা দুটি পরমাণুর সমন্বয়ে গঠিত। |
| ২. O সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারে। | ২. O2 সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারে না। |
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
