নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :

ক স্থানখ স্থানগ স্থান
৭০° পূর্ব, সময় – সকাল ১১টা ৯০° পূর্ব৪০° পূর্ব, সময় সকাল ৯টা

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

Geographic Information System


GIS-এর পূর্ণরূপ হলো Geographic Information System বা ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা। এটি এমন একটি কম্পিউটার-ভিত্তিক ব্যবস্থা যা ভৌগোলিকভাবে তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ, ব্যবস্থাপনা এবং প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে পৃথিবীর উপরিভাগের বিভিন্ন তথ্য যেমন – রাস্তা, ভবন, বনভূমি, নদী, জনসংখ্যা ইত্যাদি উপাত্ত ম্যাপিং ও বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহার করা যায়। GIS মূলত স্থানের উপর ভিত্তি করে ডেটা বিশ্লেষণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে। এটি নগর পরিকল্পনা, পরিবেশ ব্যবস্থাপনা, দুর্যোগ মোকাবেলা, সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং আরও অনেক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

প্রতিভূ অনুপাত মানচিত্রের স্কেল প্রকাশের একটি আন্তর্জাতিক গাণিতিক পদ্ধতি। এটি মানচিত্রে দুটি বিন্দুর দূরত্বের সঙ্গে ভূমিতে ঐ দুটি বিন্দুর প্রকৃত দূরত্বের অনুপাত নির্দেশ করে। এর প্রধান উপযোগিতা হলো, এর সাহায্যে মানচিত্র থেকে কোনো স্থানের প্রকৃত দূরত্ব সহজে পরিমাপ করা যায় এবং মানচিত্রটি ভূমির তুলনায় কত গুণ ছোট করে আঁকা হয়েছে তা বোঝা যায়।

এই অনুপাতটি একক-নিরপেক্ষ, অর্থাৎ এতে কোনো নির্দিষ্ট একক উল্লেখ করা থাকে না (যেমন, ১:৫০,০০০)। এর অর্থ হলো, মানচিত্রে ১ একক দূরত্ব ভূমিতে ৫০,০০০ একক দূরত্বকে নির্দেশ করে। ফলে পৃথিবীর যেকোনো স্থানের ব্যবহারকারী তার নিজস্ব পছন্দসই একক (যেমন, সেন্টিমিটার, মিটার, ইঞ্চি, মাইল) ব্যবহার করে স্কেলটি বুঝতে পারে এবং দূরত্ব নির্ণয় করতে পারে। এটি মানচিত্রকে বিশ্বব্যাপী ব্যবহারযোগ্য করে তোলে এবং বিভিন্ন এককে রূপান্তরের প্রয়োজনীয়তা দূর করে, যা ব্যবহারকারীদের জন্য খুবই সুবিধাজনক।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

দ্রাঘিমার পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে কোনো স্থানের স্থানীয় সময় নির্ণয় করা হয়। পৃথিবী নিজ অক্ষের ওপর পশ্চিম থেকে পূর্বে আবর্তন করে বলে পূর্ব দিকের স্থানের সময় পশ্চিম দিকের স্থানের সময় অপেক্ষা এগিয়ে থাকে। প্রতি ১° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট।

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' স্থানটির দ্রাঘিমা ৭০° পূর্ব এবং এর সময় সকাল ১১টা। 'খ' স্থানটির দ্রাঘিমা ৯০° পূর্ব। অতএব, 'ক' ও 'খ' স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য হলো ৯০° - ৭০° = ২০°।

আমরা জানি, প্রতি ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট। সুতরাং, ২০° দ্রাঘিমার পার্থক্যে সময়ের পার্থক্য হবে ২০ × ৪ = ৮০ মিনিট বা ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট। যেহেতু 'খ' স্থান 'ক' স্থানের পূর্বে অবস্থিত, তাই 'খ' স্থানের সময় 'ক' স্থানের সময় অপেক্ষা ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট এগিয়ে থাকবে।
'ক' স্থানের সময় = সকাল ১১টা ০ মিনিট
সময় পার্থক্য = + ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট
-------------------------------
'খ' স্থানের স্থানীয় সময় = সকাল ১২টা ২০ মিনিট।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর আহ্নিক গতি ও গোলাকার আকৃতির কারণে ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন স্থানের দ্রাঘিমাগত অবস্থানের ভিন্নতা সৃষ্টি হয়। এই দ্রাঘিমাগত ভিন্নতাই নির্দিষ্ট দুটি স্থানের স্থানীয় সময়ের পার্থক্যের প্রধান কারণ। পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বে আবর্তন করায় সূর্যের আলো বিভিন্ন দ্রাঘিমা রেখায় ভিন্ন ভিন্ন সময়ে পড়ে, ফলে প্রতিটি দ্রাঘিমায় স্থানীয় সময় আলাদা হয়।

উদ্দীপকে 'ক' স্থানের দ্রাঘিমা ৭০° পূর্ব এবং 'খ' স্থানের দ্রাঘিমা ৯০° পূর্ব উল্লেখ করা হয়েছে। এই দুটি স্থানের মধ্যে দ্রাঘিমার পার্থক্য হলো ৯০° - ৭০° = ২০°। আমরা জানি, পৃথিবী প্রতি ১° দ্রাঘিমা অতিক্রম করতে ৪ মিনিট সময় নেয়। সুতরাং, 'ক' ও 'খ' স্থানের মধ্যে মোট সময়ের পার্থক্য হবে ২০° × ৪ মিনিট = ৮০ মিনিট বা ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট। যেহেতু 'খ' স্থানটি 'ক' স্থানের পূর্বে অবস্থিত, তাই 'খ' স্থানে 'ক' স্থান থেকে ৮০ মিনিট সময় এগিয়ে থাকবে।

পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সূর্যের আলো যে স্থান যত পূর্বে থাকে, সে স্থানে তত আগে পড়ে এবং সেখানে দিন শুরু হয়। এর মানে হলো, পূর্বের স্থানগুলোর স্থানীয় সময় পশ্চিমের স্থানগুলোর চেয়ে এগিয়ে থাকে। 'ক' ও 'খ' স্থান দুটির মধ্যে দ্রাঘিমাগত ব্যবধান ২০° হওয়ায়, 'খ' স্থানটি 'ক' স্থানের চেয়ে পূর্বে অবস্থিত হওয়ায় 'খ' স্থানে 'ক' স্থানের তুলনায় ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট আগে সকাল হয় এবং সূর্যোদয় ঘটে। এই নির্দিষ্ট দ্রাঘিমাগত অবস্থানের ভিন্নতাই উদ্দীপকের 'ক' ও 'খ' স্থান দুটির মধ্যে সময়ের ভিন্নতার মূল কারণ হিসেবে কাজ করে।

সুতরাং, 'ক' ও 'খ' স্থান দুটির দ্রাঘিমাংশের পার্থক্য এবং পৃথিবীর আহ্নিক গতির কারণে তাদের স্থানীয় সময়ে ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। এই বিশ্লেষণ থেকে প্রমাণিত হয় যে, দ্রাঘিমার ভিন্নতাই সময়ের ভিন্নতার নিয়ামক শক্তি।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
231

Related Question

View All
উত্তরঃ

ভূগল শব্দটি খ্রিস্টপূর্ব ২য় শতকে গ্রিক জ্ঞানবেত্তা এরাটোসথেনিস (২৭৬–১৯৪ খ্রিস্টপূর্ব) প্রথম ব্যবহার করেন।

Tamanna
Tamanna
3 years ago
12.8k
উত্তরঃ সমুদ্রবিজ্ঞান

সমুদ্রবিজ্ঞান বা ওশানোগ্রাফি (Oceanography) হলো ভূগোলের একটি বিশেষ শাখা যেখানে সমুদ্রের সমস্ত দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এর বিষয়বস্তুর মধ্যে রয়েছে সমুদ্রের ভৌত (physical) বৈশিষ্ট্য যেমন—জলরাশির তাপমাত্রা, লবণাক্ততা, ঘনত্ব, সমুদ্রস্রোত ও জোয়ার-ভাটা। এছাড়া সমুদ্রের রাসায়নিক (chemical) উপাদান, জৈবিক (biological) দিক যেমন—সামুদ্রিক উদ্ভিদ ও প্রাণী এবং ভূতাত্ত্বিক (geological) দিক যেমন—সমুদ্রের তলদেশের ভূ-গঠন, পলির বিন্যাস ইত্যাদি এর অন্তর্ভুক্ত। এটি সমুদ্রের পরিবেশ, সম্পদ এবং মানব জীবনে সমুদ্রের প্রভাব নিয়েও গবেষণা করে থাকে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
5.7k
উত্তরঃ

গ্রুপ ‘A’-এর উপাদানগুলো সামগ্রিকভাবে 'পরিবেশের' অন্তর্গত।


পরিবেশ বলতে আমাদের চারপাশে বিদ্যমান সকল সজীব ও নির্জীব উপাদানকে বোঝায়, যা আমাদের জীবনচক্রকে প্রভাবিত করে। এটি প্রাকৃতিক উপাদান যেমন—ভূমি, জল, বায়ু, মাটি, গাছপালা, প্রাণী এবং মানবসৃষ্ট উপাদান যেমন—ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, সমাজ, সংস্কৃতি ইত্যাদির সমন্বয়ে গঠিত। পরিবেশের বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে অবিরাম মিথস্ক্রিয়া ঘটে, যা জীবজগতের অস্তিত্ব ও বিকাশে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।

উদ্দীপকের গ্রুপ ‘A’-তে উল্লিখিত পাহাড়-পর্বত, জলবায়ু ও গাছপালা হলো প্রাকৃতিক পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা পৃথিবীর ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য ও জীববৈচিত্র্যকে নির্ধারণ করে। অন্যদিকে, ‘মানুষ’ প্রাকৃতিক পরিবেশের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে এর সাথে মিথস্ক্রিয়া করে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশের সৃষ্টি করে। তাই, গ্রুপ ‘A’-এর সকল উপাদান সম্মিলিতভাবে পরিবেশের প্রাকৃতিক ও মানবিক উভয় দিককেই নির্দেশ করে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
4.2k
উত্তরঃ

মানব-জীবন ও পরিবেশের মধ্যে এক অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক বিদ্যমান। উদ্দীপকের 'গ্রুপ-A' মানব-জীবনের উপর সরাসরি প্রভাব বিস্তারকারী বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও মানবিক উপাদানকে নির্দেশ করে, আর 'গ্রুপ-B' হচ্ছে ভূগোলের সেই শাখাগুলো যা এই প্রভাবগুলোর কারণ, প্রকৃতি ও ফলাফল নিয়ে বিশদ আলোচনা করে। মানুষের অস্তিত্ব ও অগ্রগতি এই দুই গ্রুপের উপাদানের পারস্পরিক ক্রিয়ার উপর নির্ভরশীল।

উদ্দীপকের 'গ্রুপ-A'-এর উপাদানগুলো সরাসরি মানব-জীবনকে প্রভাবিত করে। পাহাড়-পর্বত মানব বসতি, কৃষি, যোগাযোগ ও জলবায়ুর উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। পার্বত্য অঞ্চলে ভিন্ন জীবনযাপন প্রণালী, বিশেষ ধরনের কৃষি (যেমন ধাপ চাষ) এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটে। মানুষ নিজেই ভূগোলের একটি কেন্দ্রীয় উপাদান, যার জনসংখ্যা বৃদ্ধি, বন্টন, মাইগ্রেশন, সংস্কৃতি এবং অর্থনৈতিক কার্যকলাপ পরিবেশের সাথে অবিচ্ছিন্নভাবে জড়িত। জলবায়ু কৃষি উৎপাদন, পোশাক-পরিচ্ছেদ, বাসস্থান নির্মাণ, স্বাস্থ্য এবং মানুষের দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি দিককে নিয়ন্ত্রণ করে। যেমন, উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু এক ধরণের ফসল ও জীবনাচার দেয়, আবার শীতল জলবায়ু ভিন্ন ধরণের। গাছপালা বা উদ্ভিদকুল মানুষের খাদ্য, অক্সিজেন, ঔষধ, জ্বালানি ও বিভিন্ন কাঁচামালের প্রধান উৎস। বনভূমি জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ ও বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা মানব-জীবনের জন্য অপরিহার্য।

অন্যদিকে, উদ্দীপকের 'গ্রুপ-B'-এর উপাদানগুলো অর্থাৎ ভূগোলের বিভিন্ন শাখা 'গ্রুপ-A'-এর প্রভাবগুলো বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা করে মানব-জীবনকে আরও ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করে। জীবভূগোল পৃথিবীর জীববৈচিত্র্য ও তার বন্টন নিয়ে আলোচনা করে, যা মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা, ঔষধ এবং বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য বোঝার জন্য অত্যাবশ্যক। প্রাকৃতিক ভূগোল ভূ-পৃষ্ঠের গঠন (যেমন পাহাড়-পর্বত), জলবায়ু এবং গাছপালাসহ প্রাকৃতিক পরিবেশের বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে, যা মানুষের প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে অভিযোজন ও সম্পদ ব্যবস্থাপনার জ্ঞান দেয়। মানব ভূগোল সরাসরি মানুষের উৎপত্তি, বন্টন, সংস্কৃতি, অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপ এবং পরিবেশের সাথে মানুষের মিথস্ক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করে, যা 'মানুষ' উপাদানটির গভীর প্রভাব উন্মোচন করে। অর্থনৈতিক ভূগোল ভৌগোলিক পরিবেশের (গ্রুপ-A-এর উপাদানগুলি) সাথে অর্থনৈতিক কার্যকলাপের সম্পর্ক বিশ্লেষণ করে, যেমন কৃষি, শিল্প, বাণিজ্য কিভাবে ভৌগোলিক অবস্থানের উপর নির্ভরশীল, যা মানব-জীবনের অর্থনৈতিক ভিত্তি নির্মাণ করে।

সুতরাং, 'গ্রুপ-A'-এর প্রাকৃতিক ও মানবিক উপাদানগুলো মানব-জীবনকে সরাসরি প্রভাবিত করে এবং এই প্রভাবগুলোকে সামগ্রিকভাবে বোঝার জন্য 'গ্রুপ-B'-এর ভূগোলের শাখাগুলো বিশ্লেষণাত্মক কাঠামো প্রদান করে। এই দুটি গ্রুপের সমন্বিত প্রভাব মানব-সভ্যতাকে আকৃতি দেয় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করার জ্ঞান ও দিকনির্দেশনা প্রদান করে। মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং পরিবেশ সংরক্ষণে এই জ্ঞান অপরিহার্য।

Satt AI
Satt AI
2 days ago
2.4k
উত্তরঃ

আকাশে সূর্যের অবস্থান থেকে যে সময় স্থির করা হয় তাকে স্থানীয় সময় বলে। 

7.7k
উত্তরঃ

সাধারণত কোনো একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলা হয়। সময়ের বিভ্রাট থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেক দেশে একটি প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়। দেশের আয়তনের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ সময় একাধিক হতে পারে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি এবং কানাডাতে ৬টি প্রমাণ সময় রয়েছে।

3.5k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews