এসিড হলো ঐ সকল রাসায়নিক পদার্থ যাদের মধ্যে এক বা একাধিক প্রতিস্থাপনযোগ্য হাইড্রোজেন পরমাণু থাকে এবং যারা পানিতে আয়ন উৎপন্ন করে।
আমরা জানি, যে সকল পদার্থ জলীয় দ্রবণে প্রোটন অর্থাৎ ' আয়ন দেয় তারা এসিড এবং যে সকল পদার্থ 'জলীয় দ্রবণে আয়ন দেয় তারা ক্ষারক।
, পানিতে দ্রবীভূত হয়ে উৎপন্ন করে, যা বিয়োজিত হয়ে ও আয়ন দেয়।

উদ্দীপক হতে, B যৌগটি হতে উৎপন্ন হয়।নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
এর অণুতে একাধিক প্রতিস্থাপনযোগ্য H. পরমাণু বিদ্যমান এটি জলীয় দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়ন (') তৈরি করে।
জানা আছে, জলীয় দ্রবণে এসিড ও ক্ষার বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি এটি জলীয় দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়ন তৈরি করে। উৎপন্ন করে। ক্ষার ও এসিডের বিক্রিয়ার মাধ্যমে পানি উৎপন্ন করার প্রক্রিয়ার নাম প্রশমন বিক্রিয়া। এই বিক্রিয়ায় মূলত এসিডের হাইড্রোজেন আয়ন এবং 'ক্ষারের হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH) এর বিক্রিয়ার পানি ) উৎপন্ন হয়। যেমন-
বা
সুতরাং বলা যায়, এ হাইড্রোজেন আয়ন উপস্থিত।
উদ্দীপকের A ও D যৌগদ্বয় যথাক্রমে চুন (CaO) এবং পানি । CaO ও মিশ্রিত করলে পরস্পরের সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় চুনের পানি অর্থাৎ যৌগ উৎপন্ন হয়।
চুনের পানি
উৎপন্ন এর মধ্যে গ্যাস চালনা করলে চুনের পানি প্রথমে ঘোলা হয়। সংশ্লিষ্ট বিক্রিয়াটি-
উক্ত বিক্রিয়ায়, বিক্রিয়ক এর বিক্রিয়ায় অদ্রবণীয় উৎপন্ন হওয়ায় চুনের পানি ঘোলা দেখায়। এক্ষেত্রে হচ্ছে ক্ষার এবং অম্লধর্মী, যা পরস্পরের সাথে প্রশমন বিক্রিয়ায় নিরপেক্ষ যৌগ লবণ ও পানি উৎপন্ন করেছে। বিক্রিয়াটিতে উৎপন্ন পদার্থগুলো মূলত নিরপেক্ষ প্রকৃতির। সাধারণত এসিড নীল লিটমাস পেপারকে লাল করে এবং ক্ষারক লাল লিটমাসকে নীল করে। আর নিরপেক্ষ পদার্থ লিটমাসের বর্ণের কোনো পরিবর্তন করবে না। যেহেতু উৎপন্ন পদার্থগুলো নিরপেক্ষ আকৃতির, তাই লিটমাসের বর্ণের কোনো পরিবর্তন হবে না।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
