যে সকল পরমাণুগুচ্ছ মৌলিক পদার্থের পরমাণুর মতো যৌগ গঠনে অংশ নেয় তাদেরকে র্যাডিকেল বলে।
সংকেত ও প্রতীকের মধ্যে দুটি পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো-
সংকেত | প্রতীক |
১. কোনো মৌল বা যৌগের অণুর সংক্ষিপ্ত রূপকে সংকেত বলা হয়। | ১. মৌলের ইংরেজি বা ল্যাটিন পুরো নামের সংক্ষিপ্ত রূপকে প্রতীক বলা হয়। |
২. সংকেতের সংখ্যা অসংখ্য। | ২. প্রতীকের সংখ্যা ১১৮টি। |
(i) নং বিক্রিয়াটিকে সম্পূর্ণ করে পাই,
এই বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক এবং উৎপাদ MgO
বিক্রিয়কের মোট পরমাণুর সংখ্যা
=২+২= 8
উৎপাদের মোট পরমাণুর সংখ্যা
অর্থাৎ, বিক্রিয়কের মোট পরমাণুর সংখ্যা = উৎপাদের মোট পরমাণু সংখ্যা।
ii) নং বিক্রিয়াটি হলো-
বিক্রিয়াটি প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া। ব্যাখ্যা: বিক্রিয়াটিতে Fe এবং , বিক্রিয়ক এবং উৎপাদ। বিক্রিয়া হতে দেখা যায়, Fe মৌলটি, যৌগ এর Cu কে প্রতিস্থাপন করে সম্পূর্ণ নতুন যৌগ গঠন করেছে। একটি মৌল যখন কোনো যৌগ থেকে অপর একটি মৌলকে সরিয়ে নিজে ঐ স্থান দখল করে নতুন যৌগ তৈরি করে তখন তাকে প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া বলে। এজন্য উদ্দীপকের (ii) নং বিক্রিয়াটি প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া।
Related Question
View Allঅণু গঠনকালে কোনো মৌলের একটি পরমাণু কয়টি হাইড্রোজেন পরমাণুর সাথে যুক্ত হয় তার সংখ্যাকে যোজনী বলে।
গ্যাসের চুলার পাইপ লাইন দিয়ে সরবরাহকৃত জ্বালানি গ্যাস হলো মিথেন । চুলা জ্বালালে মিথেন গ্যাস বাতাসের অক্সিজেন এর সাথে দহন বিক্রিয়ায় কার্বন ডাই-অক্সাইড ও সামান্য পানি উৎপন্ন করে। এছাড়াও এই বিক্রিয়ায় প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়। উৎপন্ন তাপের কারণে খাবার সিদ্ধ বা রান্না হয়। বিক্রিয়াটি হলো- তাপ
এ কারণে রান্নার জন্য গ্যাসের চুলা জ্বালাতে হয়।
উদ্দীপকের (i) নং বিক্রিয়াটি-
Zn + + Cu
জিঙ্ক কপার সালফেট জিঙ্ক সালফেট কপার
বিক্রিয়াটি একটি প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
জানা আছে, যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় একটি মৌল কোনো যৌগ থেকে অপর মৌলকে প্রতিস্থাপন করে নিজে ঐ স্থান দখল করে তাকে প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া বলে। (i) নং বিক্রিয়া হতে দেখা যায় যে, Zn (জিংক), (কপার সালফেট) এর Cu (কপার) কে প্রতিস্থাপিত করে , (জিংক সালফেট) লবণ ও Cu ধাতু তৈরি করে। অর্থাৎ প্রতিস্থাপন বিক্রিয়ার সংজ্ঞানুসারে, (i) নং বিক্রিয়াটি প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া।
উদ্দীপকের (ii) নং বিক্রিয়াটি হলো
এবং (iii) নং বিক্রিয়াটি হলো: এখানে (ii) নং বিক্রিয়া হলো সংযোজন বিক্রিয়া ও (iii) নং বিক্রিয়া হলো বিয়োজন বিক্রিয়া। অর্থাৎ বিক্রিয়া দুটি ভিন্নধর্মী। নিচে এদের ভিন্নধর্মিতা বিশ্লেষণ করা হলো- ii) নং বিক্রিয়ায় একাধিক মৌল K ও CI পরস্পরের সাথে সংযুক্ত হয়ে একটি মাত্র যৌগ KCI গঠন করে। অর্থাৎ এ বিক্রিয়ায় একাধিক বিক্রিয়ক থেকে একটি মাত্র উৎপাদ উৎপন্ন হয়। অপরদিকে, (iii) নং বিক্রিয়ায় একটি যৌগ ভেঙে দুটি ভিন্ন যৌগ ও HCI উৎপন্ন হয়েছে। অর্থাৎ এ বিক্রিয়ায় একটি মাত্র বিক্রিয়ক থেকে একাধিক উৎপাদ উৎপন্ন হয়েছে।
সুতরাং বলা যায়, (ii) ও (iii) নং বিক্রিয়ান্বয় পরস্পর ভিন্নধর্মী।
পানিতে ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডবা স্ল্যাকড লাইম এর সম্পৃক্ত দ্রবণকে লাইম ওয়াটার বলে।
এবং একে অপরের থেকে ভিন্নতর। কারণ হলো একটি যৌগ, যাকে কার্বন ডাইঅক্সাইড বলা হয়। হলো চার্জ নিরপেক্ষ।
কিন্তু হলো একটি যৌগমূলক বা পরমাণুগুচ্ছ যা।টি পরমাণুর ন্যায় আচরণ করে যাকে কার্বনেট মূলক বলা হয়। হলো ঋণাত্মক চার্জযুক্ত মূলক; যার যোজনী 2 ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!