বৈদ্যুতিক সার্কিটে বিদ্যুৎ এর পরিমাণ কমানো বা বাড়ানোর জন্য কতকগুলো বৈদ্যুতিক কোষকে একত্রে সংযোগ করা হয়, এই একত্রিত কোষ বা সেলগুলোকেই ব্যাটারি বলা হয়।
আমরা জানি, কঠিন পদার্থের অণুগুলো পরস্পরের খুব কাছাকাছি থাকে, এ কারণে কঠিন পদাথের দৃঢ়তা অনেক বেশি এবং এদের নির্দিষ্ট আকার থাকে। এ কারণে কঠিন পদার্থকে চাপ প্রয়োগ করলে দৃঢ়তার কারণে এর আকার পরিবর্তন হয় না।
উদ্দাপক হতে পাহ,
X এর যেহেতু ভর রয়েছে এবং এটি জায়গা দখল করে, সেহেতু X হলো পদার্থ। তাহলে-

সুতরাং, A, B, C পদার্থ তিনটি হলো যথাক্রমে কঠিন, তরল ও বায়বীয় পদার্থ।
এদের দুটি করে বৈশিষ্ট্য নিচে দেওয়া হলো:
কঠিন পদার্থ (A):
১. এর আয়তন ও আকার সহজে
২. এদের দৃঢ়তা রয়েছে।
তরল পদার্থ (B):
১. এর নির্দিষ্ট আকার নেই, আকার পরিবর্তনশীল।
২. এ পদার্থের দৃঢ়তা নেই।
বায়বীয় পদার্থ (B):
১. পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও শায়তন নেই।
২. এর দঢ়তা নেই।
উদ্দীপক থেকে পাই, X হ নর্থ। বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে মৌলিক পদার্থকে দুই শ ভাগ করা হয়েছে। যথা:
'একটি হলো ধ ও অন্যটি হলো অধাতু।
M কে ধাতুম ধাতু ধরে নিচে এদের তুলনামূলক পার্থক্যবিশ্লেষণ করা হলো-
১. M চকচকে কিছু চকচকে নয়।-
২. M বিদ্যুৎ পরিবহন করলেও N বিদ্যুৎ পরিবহন করে না।
৩. M তাপ পরিবহন করলেও N তাপ পরিবহন করে না।
8. M এর দৃঢ়তা বেশি কিন্তু N এর দৃঢ়তা প্রায় নেই বললেই চলে।
৫. M ওজনে ভারী হলেও N ওজনে কিছুটা হালকা।
৬. M ঘাতসহ নমনীয় হলেও N ভঙ্গুর।
Related Question
View Allযা জায়গা দখল করে ও যার ভর আছে তাকেই পদার্থ বলে।
যেসব মৌলিক পদার্থ বিদ্যুৎ ও তাপ সুপরিবাহী নয়, তাদেরকে অধাতু বলে। অধাতুকে আঘাত করলে ঝনঝন শব্দ করে না। এদেরকে সরু তারে ও পাতে পরিণত করা যায় না। এরা নিম্ন গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট। যেমন- কার্বন, নাইট্রোজেন, সালফার প্রভৃতি অধাতু।
ফজলুল হক সাহেবের স্ত্রীর ব্যবহৃত পাত্রটির উপাদান হচ্ছে এলুমিনিয়াম। এটি একটি হালকা নীলাভ সাদা ধাতু। এ ধাতুটির ব্যবহারের দিক থেকে অনেক গুরুত্ব রয়েছে। যেমন-
১. এলুমিনিয়াম ধাতু তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী।
২. ধাতুটি খুব হালকা এবং ভারবহনের ক্ষমতা আছে বলে এর ধাতু সংকরসমূহ উড়োজাহাজ, রেলগাড়ি, মটরগাড়ি, ট্রাম প্রভৃতির অংশ নির্মাণ করতে ব্যবহৃত হয়।
৩. বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং কপারের তুলনায় সস্তা বলে বৈদ্যুতিক কেবল হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়।
৪. হালকা বহনক্ষম সিড়ি নির্মাণে, বাসনপত্র, চেয়ার, বাক্স প্রভৃতি তৈরিতে এ ধাতু প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হয়।
৫. এলুমিনিয়ামের পাতলা পাত দিয়ে সিগারেট, চকলেট ও অনেক খাদ্য দ্রব্যের মোড়ক তৈরি করা হয়।
৬. চকচকে বার্নিশ তৈরিতে এলুমিনিয়াম চূর্ণ ব্যবহৃত হয়।
অতএব উপরোক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি যে, ফজলুল হক সাহেবের স্ত্রীর ব্যবহৃত পাত্রটির উপাদানের গুরুত্ব অপরিসীম।
রান্নার ক্ষেত্রে ফজলুল হক সাহেবের স্ত্রী বেশি সুবিধা পায়।
বিশ্লেষণ: উদ্দীপকে আমরা পাই, ফজলুল হক সাহেবের মা মাটির চুলায় মাটির পাতিলে রান্না করেন। অপরদিকে তার স্ত্রী গ্যাসের চুলায়এলুমিনিয়ামের পাত্রে রান্না করেন। ফজলুল হক সাহেবের মা মাটির চুলায় রান্না করার কারণে তিনি কম সুবিধা পান। কারণ, মাটি তাপ কুপরিবাহী বলে এর মধ্য দিয়ে তাপ চলাচল করে ধীরগতিতে। যার ফলে মাটির চুলায় মাটির পাতিলে রান্না করলে সহজে তাপ পাতিলের জিনিসকে সিদ্ধ করে না। এতে তার অনেক বেশি জ্বালানি খরচ করতে হয়। তাছাড়া মাটির চুলায় তিনি জ্বালানি হিসেবে যে কাঠ খড়ি ব্যবহার করেন আমরা জানি যে, তার প্রায় ৮৫ ভাগ নষ্ট হয়ে যায়। অন্যদিকে এলুমিনিয়ামের তাপ পরিবাহকত্ব মাটির তুলনায় অনেক বেশি। ফলে এলুমিনিয়ামের তৈরি পাত্রে রান্না করলে পাতিলের জিনিস তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয়। তাছাড়া এতে গ্যাস ব্যবহারের কারণে জ্বালানিও বেশি খরচ হয় না। ফজলুল হক সাহেবের স্ত্রী এ সুবিধাগুলো পেয়ে থাকেন, যা তার মা পায় না। তাই বলা যায়, রান্নার ক্ষেত্রে ফজলুল হক সাহেবের স্ত্রী তার মায়ের চেয়ে বেশি সুবিধা পায়।
যে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো তরল পদার্থ ফুটতে শুরু করে এবং বাষ্পে রূপান্তরিত হয়, তাই ঐ তরল পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক।
কোনো বস্তুর তাপ পরিবহনের ক্ষমতাকে ঐ বস্তুর তাপ পরিবাহিতা বলে। যেমন, কাচের চেয়ে লোহা দ্রুত তাপ পরিবহন করে। তাই লোহার তাপ পরিবাহিতা বেশি, কাচের তাপ পরিবাহিতা লোহার চেয়ে কম।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
