সোডিয়ামের ল্যাটিন নাম হলো ন্যাট্রিয়াম (Natrium)।
নিচে H ও এর মধ্যে পার্থক্য দেওয়া হলো-
| H | |
| ১. H দ্বারা হাইড্রোজেনের প্রতীক বুঝায়। | ১. দ্বারা হাইড্রোজেনের সংকেত বুঝায়। |
| ২. H প্রতীক একটি পরমাণু নির্দেশ করে। | ২. সংকেত একটি অণু নির্দেশ করে। |
| ৩. Η রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সরাসরি অংশগ্রহণ করতে পারে। | ৩. সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারে না। |
প্রতীক সাধারণত মৌলের ইংরেজি বা ল্যাটিন নামের একটি বা দুটি আদ্যক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। একটি অক্ষর দিয়ে প্রকাশিত প্রতীকের ক্ষেত্রে বড় হাতের অক্ষর দিয়ে লিখতে হয়। দুটি অক্ষরের ক্ষেত্রে প্রথমটি বড় হাতের অক্ষর এবং পরেরটি ছোট হাতের অক্ষর দিয়ে লিখতে হয়। (i) নং এর পদার্থগুলোর মধ্যে হাইড্রোজেনের (Hydrogen) ইংরেজি নামের প্রথম অক্ষর 'H' দিয়ে এর প্রতীক লেখা হয়। বেরিলিয়াম (Beryllium) এর ইংরেজি নামের আদি অক্ষর এবং পরবর্তী অক্ষর নিয়ে এর প্রতীক Be লেখা হয়। আবার ফেরাম (Ferrum) হলো আয়রন এর ল্যাটিন নাম। এর আদি অক্ষর এবং এর পরবর্তী অক্ষর নিয়ে প্রতীক Fe লেখা হয়।
সুতরাং (i) নং এর পদার্থগুলোর প্রতীক যথাক্রমে H, Be ও Fe ।
উদ্দীপকের (ii) নং এর তথ্যমতে, আয়রন রডকে কয়েকদিন পরিত্যক্ত অবস্থায় রেখে দিলে এটি জলীয়বাষ্প ও অক্সিজেনের সংস্পর্শে এসে আয়রন (III) অক্সাইড গঠন করে। সুতরাং, উদ্দীপকের X যৌগটি আয়রন (III) অক্সাইড। আয়রন (III) অক্সাইড হলো মরিচা। অর্থাৎ X যৌগটিকে মরিচা নামে অভিহিত করা যায়। এর সংকেত হলো (Fe2O3, nH2O)। এই সংকেত থেকে দেখা যাচ্ছে, এর মধ্যে আয়রন (Fe), অক্সিজেন (O) ও হাইড্রোজেন (H) রয়েছে। সুতরাং, X কে ভাঙলে এই মৌলগুলো পাওয়া যাবে, যাদের ধর্ম X এর ধর্ম থেকে আলাদা। আবার জানা আছে, যেসব পদার্থকে, ভাঙলে একাধিক ভিন্ন মৌল বা যৌগ পাওয়া যায় তাদেরকে যৌগিক পদার্থ বলে। সুতরাং X একটি যৌগ, কারণ এটি যৌগিক পদার্থের শর্তকে সমর্থন করে।
Related Question
View Allকার্বন একটি মৌলিক পদার্থ। যেহেতু কার্বনকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে কার্বন ব্যতীত অন্য কোনো পদার্থ পাওয়া যায় না, তাই কার্বন একটি মৌলিক পদার্থ।
উদ্দীপকের ১ নং পদার্থটির রাসায়নিক নাম সোডিয়াম ক্লোরাইড। এটি খাবার লবণ নামেও পরিচিত। এর সংকেত: NaCl.
গঠন প্রক্রিয়া: সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) একটি যৌগিক পদার্থ। এটি দুটি মৌলিক পদার্থ সোডিয়াম (Na) ও ক্লোরিন (CI) দ্বারা গঠিত। সংকেত থেকে দেখা যায় যে, সোডিয়াম ক্লোরাইড যৌগটি একটি Na ও একটি CI পরমাণু দ্বারা গঠিত। অর্থাৎ NaCl কে রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করলে একটি সোডিয়াম ও একটি ক্লোরিন পরমাণু পাওয়া যাবে। আবার বলা যায় যে, একটি সোডিয়াম পরমাণু ও একটি ক্লোরিন পরমাণু মিলে একটি সোডিয়াম ক্লোরাইড অণু গঠন করে। অর্থাৎ সোডিয়াম ক্লোরাইডের একটি অণুতে মোট দুটি পরমাণু রয়েছে।

ছকের ২নং পদার্থটি (ফ্লোরিন) মৌলিক অণু। অর্থাৎ ফ্লোরিন মৌলিক পদার্থ। কারণ ফ্লোরিন কে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে ফ্লোরিন ব্যতীত অন্য কোনো পদার্থ পাওয়া যায় না।
এক্ষেত্রে ২টি ফ্লোরিন পরমাণু মিলে ফ্লোরিন অণু গঠিত হয়।

আবার ছকের ৩নং পদার্থটি ১টি C (কার্বন) ও ২টি O (অক্সিজেন) পরমাণু দ্বারা গঠিত একটি যৌগিক পদার্থ (কার্বন ডাইঅক্সাইড)। উৎপন্ন এর ধর্ম C ও O পরমাণু থেকে ভিন্ন। আবার যৌগটিকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে দুটি অক্সিজেন পরমাণু এবং একটি কার্বন পরমাণু পাওয়া যায়। জানা আছে, যে পদার্থকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে একাধিক ভিন্নধর্মী মৌল পাওয়া যায় সেই পদার্থটি যৌগিক পদার্থ। তাই (কার্বন ডাইঅক্সাইড) একটি যৌগিক পদার্থ।
পরমাণু হলো ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন মৌলিক কণিকা দ্বারা গঠিত অতি ক্ষুদ্র কণা।
O এবং O2 এর মধ্যে পার্থক্য নিচে দেখানো হলো-
| O2 | |
| ১. O হচ্ছে অক্সিজেনের একটি পরমাণু। | ১. O2 হচ্ছে অক্সিজেনের একটি অণু, যা দুটি পরমাণুর সমন্বয়ে গঠিত। |
| ২. O সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারে। | ২. O2 সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারে না। |
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
