রক্ত এক ধরনের তরল যোজক কলা বা কানেকটিভ টিস্যু যার মাধ্যমে বিভিন্ন দ্রব্যাদি (অক্সিজেন, খাদ্য, রেচন পদার্থ) দেহের একস্থান থেকে অন্যস্থানে পরিবাহিত হয়।
যে পেশি আমাদের ইচ্ছেমতো সংকুচিত হয় না তাদের অনৈচ্ছিক পেশি বলে। হৃৎপেশি নামে বিশেষ এক ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি আছে। এ পেশি নিজ ছন্দে পর্যায়ক্রমে সংকুচিত ও স্বাভাবিক হয়ে দেহের রক্ত সঞ্চালন করছে। শুধু হৃৎপিণ্ড এ পেশি দ্বারা গঠিত।
উদ্দীপকের এ হলো উদ্ভিদকোষ এবং B হলো প্রাণিকোষ। নিচে উদ্ভিদকোষ ও প্রাণিকোষের পার্থক্য দেওয়া হলো:
| উদ্ভিদকোষ | প্রাণিকোষ |
| ১. উদ্ভিদকোষে পুরু কোষ প্রাচীর থাকে। | ১. প্রাণিকোষে কোষপ্রাচীর নেই। |
| ২. উদ্ভিদকোষে কোষগহ্বর বিদ্যমান। | ২. প্রাণিকোষে কোষগহ্বর নেই। |
| ৩. বিভিন্ন প্রকার প্লাস্টিড থাকে। | ৩. প্লাস্টিড নেই। |
| ৪. সাধারণত উদ্ভিদকোষে সেন্ট্রোসোম থাকে না। | ৪. প্রাণিকোষে সর্বদা সেন্ট্রোসোম থাকে। |
| ৫. অণুবীক্ষণ যন্ত্রে গলজি বস্তুর উপস্থিতি কম দেখা যায়। | ৫. অণুবীক্ষণ যন্ত্রে প্রায়শ গলজি বস্তু দেখা যায়। |
| ৬. উদ্ভিদকোষে সঞ্চিত খাদ্য মূলত শ্বেতসার। | ৬. প্রাণিকোষে সঞ্চিত খাদ্য মূলত গ্লাইকোজেন। |
উদ্দীপকে C চিহ্নিত অঙ্গাণু দ্বারা প্লাস্টিডকে বোঝানো হয়েছে। নিচে প্লাস্টিডের প্রকারভেদ ও কাজ আলোচনা করা হলো-
প্লাস্টিডের প্রকারভেদ: রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে প্লাস্টিডকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-ক্রোমোপ্লাস্টিড বা বর্ণযুক্ত প্লাস্টিড এবং লিউকোপ্লাস্টিড বা বর্ণহীন প্লাস্টিড। ক্রোমোপ্লাস্টিড দুই রকম। যথা- ১. ক্লোরোপ্লাস্ট, ২. ক্রোমোপ্লাস্ট। এদের মধ্যে তিনটি অংশ পরিলক্ষিত হয়। যথা-
১. আবরণী,
২. স্ট্রোমা ও
৩. গ্রানা।
প্লাস্টিডের কাজ: প্লাস্টিডের কাজ নিম্নরূপ –
১. প্লাস্টিড উদ্ভিদের খাদ্য সংশ্লেষ, বর্ণ গঠন এবং খাদ্য সঞ্চয়ে মুখ্য ভূমিকা গ্রহণ করে।
২. প্লাস্টিডের মধ্যে ক্লোরোপ্লাস্ট উদ্ভিদে সবুজ বর্ণের ক্লোরোফিল নামক রঞ্জক পদার্থ ধারণ করে। সালোকসংশ্লেষণে সহায়তা করা এর প্রধান কাজ।
৩. ক্রোমোপ্লাস্ট ফুলের পাপড়ি ও ফলের গায়ে বিভিন্ন বর্ণবৈচিত্র্য সৃষ্টি করে।
৪. লিউকোপ্লাস্ট খাদ্য সঞ্চয় করে।
Related Question
View Allরক্ত এক ধরনের তরল যোজক টিস্যু, যার মাধ্যমে বিভিন্ন দ্রব্যাদি (অক্সিজেন, খাদ্য, রেচন পদার্থ) দেহের একস্থান থেকে অন্যস্থানে পরিবাহিত হয়।
যে টিস্যু দেহের খোলা অংশ ঢেকে রাখে এবং দেহের ভিতরের আবরণ তৈরি করে তাকে আবরণী টিস্যু বলে। আমাদের ত্বকের বাইরের আবরণ, মুখগহ্বরের ভিতরের আবরণ ইত্যাদি আবরণী টিস্যু দিয়ে গঠিত। দেহের বিভিন্ন গ্রন্থিগুলোও আবরণী টিস্যু দিয়ে তৈরি।
উদ্দীপকের P চিত্রটি হলো মানুষের হাত। হাতের জন্য, অস্থির গুরুত্ব নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
১. অস্থি দ্বারাই হাতের কাঠামো গঠিত হয়।
২. অস্থির কারণেই হাত নির্দিষ্ট আকৃতি লাভ করে।
৩. অস্থির মাধ্যমেই হাত দেহের সাথে সংযুক্ত থাকে।
৪. হাতের পেশিগুলো অস্থির সাথে যুক্ত থেকে হাত সঞ্চালনে সহায়তা করে।
৫. অস্থি হাতের ভার বহন করে।
সুতরাং P চিত্রে অর্থাৎ হাতের জন্য অস্থির গুরুত্ব অপরিসীম।
উদ্দীপকে P চিত্র দ্বারা ঐচ্ছিক পেশি এবং Q চিত্র দ্বারা অনৈচ্ছিক পেশিকে বুঝানো হয়েছে। নিচে এদের তুলনামূলক আলোচনা করা হলো-
১. ঐচ্ছিক পেশি আমরা ইচ্ছামতো সংকুচিত ও প্রসারিত করতে পারি। অন্যদিকে অনৈচ্ছিক পেশি আমরা ইচ্ছামতো সংকুচিত করতে পারি না।
২. ঐচ্ছিক পেশির সাহায্যে আমরা দেহের বিভিন্ন অঙ্গ সঞ্চালন করতে পারি। অন্যদিকে অনৈচ্ছিক পেশির সাহায্যে আমরা কোনো অঙ্গ সঞ্চালন করতে পারি না।
৩. ঐচ্ছিক পেশি হাড়ের সাথে লেগে থেকে আমাদের অঙ্গ সঞ্চালনে সাহায্য করে। অন্যদিকে অনৈচ্ছিক পেশি হাড়ের সাথে লেগে থাকে না।
৪. বহিঃত্বক, হাত, পা ইত্যাদি ঐচ্ছিক পেশি দ্বারা গঠিত। অন্যদিকে পাকস্থলী, হৃৎপিন্ড, যকৃৎ ইত্যাদি অনৈচ্ছিক পেশি দ্বারা গঠিত।
উদ্ভিদকোষের ক্ষেত্রে কোষঝিল্লির বাইরে জড় পদার্থ দিয়ে তৈরি একটি পুরু প্রাচীরই হলো কোষপ্রাচীর।
মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের শ্বসন অঙ্গাণু। এখানেই শ্বসনের সকল কাজ সম্পন্ন হয়। আর এ শ্বসনের মাধ্যমেই জীবদেহে শক্তি উৎপন্ন হয়ে থাকে। জীবের যাবতীয় বিপাকীয় কাজের জন্য যে শক্তি প্রয়োজন তার একমাত্র উৎস মাইটোকন্ড্রিয়া। এ জন্য মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তিঘর বলা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!