Related Question
View All
Good question
Give me aanswer
উওর
উত্তর:
মাদার তেরেসা এবং রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য সমান্তরালতা হলো মানবতার প্রতি তাদের গভীর ভালোবাসা এবং নিঃস্বার্থ সেবা। মাদার তেরেসা জাতি, ধর্ম, ও ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতার ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘবের জন্য কাজ করেছেন। তিনি ভালোবাসা ও সেবার মাধ্যমে অসহায়, দরিদ্র, এবং বিপদগ্রস্ত মানুষের জীবনে শান্তি এনে দিয়েছেন। অন্যদিকে, রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন নারীশিক্ষা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে সমাজের অবহেলিত নারীসমাজকে আলোর পথে নিয়ে এসেছেন। তিনি ধর্মীয় ও সামাজিক বাধা অতিক্রম করে নারীদের শিক্ষার সুযোগ তৈরি করেছিলেন।
উভয়ের কাজেই মানবতার কল্যাণের গভীর চেতনা প্রতিফলিত হয়েছে। মাদার তেরেসা শারীরিক অসহায়ত্ব দূর করার জন্য সেবা দিয়েছেন, আর রোকেয়া সমাজের মানসিক দারিদ্র্য ও অবহেলার বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। তাই তাদের এই নিঃস্বার্থ ত্যাগ এবং মানবসেবার মানসিকতা তাদেরকে একই সারিতে দাঁড় করিয়েছে।
অনুচ্ছেদের 'মাদার তেরেসা' ও 'রোকেয়া' দু'জনই ভিন্ন ভিন্ন অনন্য মানুষ- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
অনুচ্ছেদের 'মাদার তেরেসা' ও 'রোকেয়া' দু'জনই ভিন্ন ভিন্ন অনন্য মানুষ- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
উপরেরকবিতাংশে কবি সমাজ থেকেসব খারাপ জিনিস সরিয়ে পৃথিবীকে সুন্দর ও শিশুর জন্যবাসযোগ্য করতে চান। তিনিপ্রতিজ্ঞা করেছেন, যতক্ষণ তিনি বেঁচে থাকবেন, পৃথিবীকে ভালো জায়গা করারজন্য কাজ করবেন। এটি 'বাঁচতে দাও' কবিতার সেইআহ্বানকে মনে করিয়ে দেয়, যেখানে কবি জীবনের জন্যএকটি সুন্দর পরিবেশ তৈরি করার কথাবলেছেন। এই আহ্বান শিশুদেরজন্য একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদএবং সুন্দর পৃথিবী গড়ার অনুরোধ।
ঘ. উদ্দীপকের নাজির সাহেবের আক্ষেপের মধ্যে 'বাঁচতে দাও' কবিতার মূল সুরটি ফুটে উঠেছে। মন্তব্যটি প্রমাণ করো।
উত্তর : উদ্দীপকের নাজির সাহেবের আক্ষেপের মধ্য দিয়ে 'বাঁচতে দাও' কবিতার মূল সুর মানুষের অস্তিত্বকে বিপন্নতার হাত থেকে রক্ষা করার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
উদ্দীপকের নাজির সাহেব ছোটবেলায় গ্রামে যে সাঁতার কাটা শিখেছিলেন, শহরে থেকে ছেলেমেয়েদের তা শেখাতে পারছেন না বলে পরিবেশ বিপর্যয়ের জন্য আক্ষেপ করেছেন।
'বাঁচতে দাও' কবিতার কবিও বিশ্বাস করেন প্রকৃতি ও পরিবেশ মানুষের বেঁচে থাকার প্রধান অবলম্বন। কিন্তু মানুষের হাতেই প্রকৃতির বিভিন্ন সৌন্দর্য বিলীন হচ্ছে। ফলে বিপন্ন হচ্ছে মানুষ ও প্রাণীদের জীবন। অথচ একটি শিশুর স্বাভাবিক বিকাশের সঙ্গে তার চারপাশের পরিবেশের বিভিন্ন নিয়ামকের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। পৃথিবীতে যদি ফুল, পাখি না থাকে, সবুজ শ্যামল প্রকৃতি যদি ধ্বংস হয়ে যায়, তাহলে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হবে, মানুষের অস্তিত্ব হবে হুমকির সম্মুখীন।
তাই বলা যায়, কবিতার উপর্যুক্ত ভাবটি উদ্দীপকের নাজির সাহেবের আক্ষেপের সঙ্গে এক হয়ে গেছে।
হ্যাঁ, উপরের কবিতাংশের মূলভাব এবং 'বাঁচতে দাও' কবিতার মূলভাব সমার্থক বলা যায়। দুইজায়গাতেই পৃথিবীকে বাসযোগ্য করার এবং সুন্দরপরিবেশ তৈরির আহ্বান রয়েছে। উপরের কবিতায় কবি শিশুদের জন্যএকটি ভালো পৃথিবী গড়ারপ্রতিজ্ঞা করেছেন। 'বাঁচতে দাও' কবিতায়ও জীবনেরপ্রতি শ্রদ্ধা রেখে সব খারাপজিনিস দূর করার আহ্বানজানানো হয়েছে। দু'টি কবিতাইসমাজকে সুন্দর, নিরাপদ ও সুখী করারকথা বলে। তাই বলাযায়, এদের ভাব একেঅন্যের সাথে মিলে যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!