নিচের কবিতাংশটি পড়ে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নের উত্তর দাও।

ধন ধান্য পুষ্প ভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা,

তাহার মাঝে আছে দেশ এক সকল দেশের সেরা,

ও সে স্বপ্ন দিয়ে তৈরি সে দেশ স্মৃতি দিয়ে ঘেরা।

এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি,

সকল দেশের রানী সেযে আমার জন্মভূমি,

Updated: 9 months ago
1.5k

Related Question

View All
(১৭)

নিচের গদ্যাংশটি পড়ে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নের উত্তর দাও।

চিন্তার চর্চা মানুষের জীবন দর্শনের প্রধান উপাদান। কিন্তু বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় আমাদের মানবসমাজ চিন্তার রাজ্য থেকে নির্বাসন নিয়ে কেবল যন্ত্রনির্ভরই হচ্ছে, তা নয়, অধিকন্তু আমরা নিজেরাই আজ এক একটি যন্ত্রে পরিণত হয়েছি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নতুন আবিস্কারকে জীবনের প্রয়োজনে ব্যবহার করে জীবনকে উন্নত করার বদলে যন্ত্রের কাছেই আমরা সমর্পণ করেছি জীবনকে, যার ফলে যন্ত্রের উৎকর্ষের সঙ্গে তাল রেখে মানুষের মানবীয় গুণাবলি উৎকর্ষমণ্ডিত হচ্ছে না। মানুষের মানবিকতার বিজয়পতাকা উড্ডীন রাখতে হলে অবশ্যই জীবনের যথার্থ উদ্দেশ্য সম্পর্কে চিন্তা করতে হবে। বিবেচনাহীন ভোগ প্রবণতা মানুষকে পশুর চেয়ে নিকৃষ্ট করে তুলে, যা অবশ্যই আমাদের কাঙ্ক্ষিত নয়। তাই নতুন যে কোনো কিছুকে স্বাগত জানানোর আগে জীবনে তার প্রয়োজন কতটুকু বা জীবনের জন্য ক্ষতিকর কিনা এই প্রশ্নগুলোর উত্তর গভীরভাবে খুঁজতে হবে।

260
264
(১৯)

নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নের উত্তর দাও।

স্বামীর মৃতদেহের সাথে বিধবা স্ত্রীকে জীবন্ত দাহ করার রীতি 'সতীদাহ' নামে পরিচিত। প্রচীনকাল থেকেই ভারতবর্ষের হিন্দুসমাজে এ রীতি চলে আসছিল। যে নারী তার যথাসর্বস্ব দিয়ে স্বামী-সন্তান ও সংসারের জন্য কাজ করে গেল সেই নারীকেই মৃত স্বামীর সাথে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হতো। অথচ কোনো স্ত্রী মারা গেলে তার সাথে স্বামীকে দাহ করা হতো না। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও রাজা রামমোহন রায়ের কাছে বিষয়টি খুবই আপত্তিকর ও বেদনাদায়ক মনে হলো। তারা সতীদাহ প্রথা বন্ধের জন্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সরকারের সাথে দেন-দরবার শুরু করলেন। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ালো। তৎকালীন সমাজপতি ও ব্রাহ্মণসমাজ শক্ত প্রতিপক্ষ। কিন্তু শেষপর্যন্ত বিদ্যাসাগর ও রামমোহন রায়েরই জয় হলো। লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক ১৮২৯ সালে সতীদাহ প্রথা বাতিল ঘোষণা করলেন।

407
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

নিচের গদ্যাংশটি পড়ে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নের উত্তর দাও।

চিন্তার চর্চা মানুষের জীবন দর্শনের প্রধান উপাদান। কিন্তু বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় আমাদের মানবসমাজ চিন্তার রাজ্য থেকে নির্বাসন নিয়ে কেবল যন্ত্রনির্ভরই হচ্ছে, তা নয়, অধিকন্তু আমরা নিজেরাই আজ এক একটি যন্ত্রে পরিণত হয়েছি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নতুন আবিস্কারকে জীবনের প্রয়োজনে ব্যবহার করে জীবনকে উন্নত করার বদলে যন্ত্রের কাছেই আমরা সমর্পণ করেছি জীবনকে, যার ফলে যন্ত্রের উৎকর্ষের সঙ্গে তাল রেখে মানুষের মানবীয় গুণাবলি উৎকর্ষমণ্ডিত হচ্ছে না। মানুষের মানবিকতার বিজয়পতাকা উড্ডীন রাখতে হলে অবশ্যই জীবনের যথার্থ উদ্দেশ্য সম্পর্কে চিন্তা করতে হবে। বিবেচনাহীন ভোগ প্রবণতা মানুষকে পশুর চেয়ে নিকৃষ্ট করে তুলে, যা অবশ্যই আমাদের কাঙ্ক্ষিত নয়। তাই নতুন যে কোনো কিছুকে স্বাগত জানানোর আগে জীবনে তার প্রয়োজন কতটুকু বা জীবনের জন্য ক্ষতিকর কিনা এই প্রশ্নগুলোর উত্তর গভীরভাবে খুঁজতে হবে।

নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নের উত্তর দাও।

স্বামীর মৃতদেহের সাথে বিধবা স্ত্রীকে জীবন্ত দাহ করার রীতি 'সতীদাহ' নামে পরিচিত। প্রচীনকাল থেকেই ভারতবর্ষের হিন্দুসমাজে এ রীতি চলে আসছিল। যে নারী তার যথাসর্বস্ব দিয়ে স্বামী-সন্তান ও সংসারের জন্য কাজ করে গেল সেই নারীকেই মৃত স্বামীর সাথে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হতো। অথচ কোনো স্ত্রী মারা গেলে তার সাথে স্বামীকে দাহ করা হতো না। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও রাজা রামমোহন রায়ের কাছে বিষয়টি খুবই আপত্তিকর ও বেদনাদায়ক মনে হলো। তারা সতীদাহ প্রথা বন্ধের জন্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সরকারের সাথে দেন-দরবার শুরু করলেন। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ালো। তৎকালীন সমাজপতি ও ব্রাহ্মণসমাজ শক্ত প্রতিপক্ষ। কিন্তু শেষপর্যন্ত বিদ্যাসাগর ও রামমোহন রায়েরই জয় হলো। লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক ১৮২৯ সালে সতীদাহ প্রথা বাতিল ঘোষণা করলেন।

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews