৯০° অপেক্ষা ছোটো কোণকে সূক্ষ্মকোণ বলে।
এখানে, ৯০° এর
৬০° কোণ অঙ্কন করি।
১. কখ সরলরেখা আঁকি।

২. ক বিন্দুতে চাঁদার কেন্দ্রবিন্দু স্থাপন করি এবং কখ রেখাকে ০° এর সঙ্গে মিলাই।

৩. ৩০° পরিমাপে একটি বিন্দু গ নিই।

৪. চাঁদা সরিয়ে ফেলি এবং ক থেকে গ পর্যন্ত স্কেলের সাহায্যে একটি রেখা টানি। তাহলে ∠খকগ = ৬০° বা ক = ৬০° অঙ্কিত হলো।

ক-কোণ পরিমাপ করে পাই; ক কোণের পরিমাণ ৪৫°।
∠ক = ৪৫° । যেহেতু কোণটি ৯০° চেয়ে ছোটো সেহেতু ∠ক সূক্ষ্মকোণ।
খ কোণ পরিমাপ করে পাই, খ কোণের পরিমাণ ৯০°।
∠খ = ৯০°। যেহেতু কোণটি ৯০° এর সমান।
∠খ সমকোণ।
আবার, গ কোণ পরিমাপ করে পাই, গ কোণের পরিমাণ ১০৫°।
গ = ১০৫°। যেহেতু কোণটি ৯০° চেয়ে বড়ো এবং ১৮০° চেয়ে ছোটো
∠গ স্থূলকোণ।
১. কখ সরলরেখা আঁকি।

২. ক বিন্দুতে চাঁদার কেন্দ্রবিন্দু স্থাপন করি এবং কখ রেখাকে ০° বরাবর মিলাই।

৩. ৯০° পরিমাপে একটি বিন্দু গ নিই।

৪. চাঁদা সরিয়ে ফেলি এবং ক থেকে গ পর্যন্ত স্কেলের সাহায্যে একটি রেখা টানি। তাহলে, খকগ = ৯০° বা ক = ৯০°।
কোণটির বৈশিষ্ট্য :
১. কোণের রেখাগুলো পরস্পর লম্ব।
২. রেখা দুইটিকে বিপরীতদিকে বর্ধিত করলে যে কোণগুলো তৈরি হয় ঐ কোণগুলোর পরিমাপও হবে ৯০°।
৩. এর রেখাদ্বয় শীর্ষবিন্দুতে মিলিত হয়।
বাহুভেদে ত্রিভুজ তিন প্রকার। যথা: (১) সমবাহু ত্রিভুজ (২) সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ এবং (৩) বিষমবাহু ত্রিভুজ।
(১) সমবাহু ত্রিভুজ :

চিত্রে কখগ একটি সমবাহু ত্রিভুজ।
(২) সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ

চিত্রে, কখগ একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ।
(৩) বিষমবাহু ত্রিভুজ

চিত্রে কখগ একটি বিষমবাহু ত্রিভুজ।
১. একবাহু আঁকি। (কখ : ৪ সেমি)

২. ক বিন্দুতে ৬০° পরিমাপের একটি কোণ আঁকি।

৩. খ বিন্দু থেকে ৬০° কোণ খুঁজে বের করি।

৪. খ থেকে একটি রেখা আঁকি. এবং ক কোণের বাহুর সাথে গ বিন্দুতে মিলাই।

৫. এখন, কখগ একটি ৪ সেমি বাহুবিশিষ্ট সমবাহু ত্রিভুজ হলো।
অঙ্কিত সমবাহু ত্রিভুজের বৈশিষ্ট্য :
১. সমবাহু ত্রিভুজের তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য সমান।
২. এর তিনটি কোণের পরিমাপ সমান।
৩. এর প্রতিটি কোণের পরিমাণ ৬০°।
১. একবাহু কখ আঁকি। (ত্রিভুজের ভূমি : কখ)

২. 'ক বিন্দুতে যেকোনো পরিমাপের (২৯°) একটি কোণ আঁকি।

৩. খ বিন্দু থেকে ৯০° চেয়ে বড়ো কোণ খুঁজে বের করি।

৪. খ. থেকে একটি রেখা আঁকি এবং ক কোণের বাহুর সাথে গ বিন্দুতে মিলাই।

৫. এখন, কখগ একটি স্থূলকোণী ত্রিভুজ হলো।
অঙ্কিত, স্থূলকোণী ত্রিভুজের বৈশিষ্ট্য:
১. স্থূলকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ ৯০° চেয়ে বড়ো।
২. এর অপর দুইটি কোণ ৯০° চেয়ে ছোটো।
৩. স্থূলকোণের বিপরীত বাহুটি এর বৃহত্তর বাহু।
যে চতুর্ভুজের চারটি কোণই সমকোণ তাকে আয়ত বলে। ৪ সেমি দৈর্ঘ্য ও ৩ সেমি প্রস্থবিশিষ্ট একটি আয়ত আঁকা হলো :

অঙ্কিত আয়তের বৈশিষ্ট্য :
১. আয়তের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল।
২. এর প্রত্যেকটি কোণ সমকোণ বা ৯০°।
এখানে, বর্গের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য ৫ সেমি। বর্গটি আঁকা হলো :

অঙ্কনের বিবরণ :
১. একটি স্কেলের সাহায্যে ৫ সেমি দৈর্ঘ্যের একটি রেখা আঁকি।
২. ১ম ধাপে অঙ্কিত রেখার উপর জ্যামিতি বক্সের ত্রিকোণীসেট ব্যবহার করে দুইটি লম্ব আঁকি।
৩. লম্ব দুইটি থেকে ৫ সেমি দৈর্ঘ্যের দুইটি বিন্দু দিয়ে চিহ্নিত করি।
৪. বর্গটি আঁকার জন্য ৩য় ধাপে চিহ্নিত বিন্দুদ্বয় যোগ করি।
তাহলে উদ্দিষ্ট বর্গটি অঙ্কিত হলো।
আয়ত ও বর্গের মধ্যে দুইটি মিল ও অমিল নিম্নরূপ :
| মিল | অমিল |
| ১. আয়তের ও বর্গের প্রতিটির চারটি করে বাহু আছে। | ১. আয়তের বিপরীত বাহুগুলো সমান। কিন্তু বর্গের প্রতিটি বাহু সমান। |
| ২. আয়ত ও বর্গের প্রতিটি কোণের পরিমাণ ৯০° বা এক সমকোণ। | ২. প্রত্যেক বর্গই আয়ত কিন্তু প্রত্যেক আয়ত বর্গ নয়! |
প্যাটার্নের চতুর্থ চিত্রটি হলো :

কাঠির সংখ্যা গুণে পাই,
১ম চিত্রের কাঠির সংখ্যা = ৫
২য় চিত্রের কাঠির সংখ্যা = ৭
৩য় চিত্রের কাঠির সংখ্যা = ৯
৪র্থ চিত্রের কাঠির সংখ্যা = ১১
৫ম চিত্রের কাঠির সংখ্যা = ১৩
গাণিতিক প্যাটার্ন হলো: ৫, ৭, ৯, ১১, ১৩
দেখা যাচ্ছে প্রতিবার কাঠির সংখ্যা ২টি করে বাড়ছে। সুতরাং ৬ষ্ঠ চিত্রের কাঠির সংখ্যা হবে, ১৩ + ২ = ১৫। অর্থাৎ প্যাটার্নটির ৬ষ্ঠ চিত্র তৈরি করতে ১৫টি কাঠি লাগবে।
Related Question
View All
২৫°
১. কখ সরলরেখা আঁকি।
২. ক বিন্দুতে চাঁদার কেন্দ্রবিন্দু স্থাপন করি এবং কখ রেখাকে ০° বরাবর মিলাই।
৩. ২৫° পরিমাপে একটি বিন্দু গ নিই।
৪. চাঁদা সরিয়ে ফেলি এবং ক থেকে গ বিন্দু পর্যন্ত স্কেলের সাহায্যে একটি রেখা টানি।
৫. ∠খকগ = ২৫° < ৯০°। সুতরাং কোণটি সুক্ষ্মকোণ।

৭৫°
১. কখ সরলরেখা আঁকি।
২. ক বিন্দুতে চাঁদার কেন্দ্রবিন্দু স্থাপন করি এবং কখ রেখাকে ০° বরাবর মিলাই।
৩. ৭৫° পরিমাপে একটি বিন্দু গ নিই।
৪. চাঁদা সরিয়ে ফেলি এবং ক থেকে গ বিন্দু পর্যন্ত স্কেলের সাহায্যে একটি রেখা টানি।
৫. ∠খকগ = ৭৫° < ৯০°। সুতরাং কোণটি সুক্ষ্মকোণ।

৯০°
১. কখ সরলরেখা আঁকি।
২. ক বিন্দুতে চাঁদার কেন্দ্রবিন্দু স্থাপন করি এবং কখ রেখাকে ০° বরাবর মিলাই।
৩. ৯০° পরিমাপে একটি বিন্দু গ নিই।
৪. চাঁদা সরিয়ে ফেলি এবং ক থেকে গ বিন্দু পর্যন্ত স্কেলের সাহায্যে একটি রেখা টানি।
৫. ∠খকগ = ৯০° যা একটি সমকোণ।

১২০°
১. কখ সরলরেখা আঁকি।
২. ক বিন্দুতে চাঁদার কেন্দ্রবিন্দু স্থাপন করি এবং কখ রেখাকে ০° বরাবর মিলাই।
৩. ১২০° পরিমাপে একটি বিন্দু গ নিই।
৪. চাঁদা সরিয়ে ফেলি এবং ক থেকে গ বিন্দু পর্যন্ত স্কেলের সাহায্যে একটি রেখা টানি।
৫. খকগ = ১২০° যা ৯০° থেকে বড়ো কিন্তু ১৮০° থেকে ছোটো।
সুতরাং কোণটি স্থূলকোণ।
১. এক বাহু আঁকি। (ত্রিভুজের ভূমি কখ: ৪ সেমি)

(২) ভূমির বামপ্রান্ত ক বিন্দু থেকে ৬ সেমি দৈর্ঘ্য আঁকি।

(৩) ভূমির ডানপ্রান্ত খ বিন্দু থেকে ৬ সেমি দৈর্ঘ্য আঁকি।

(৪) প্রাপ্ত বিন্দুটি ব্যবহার করে ত্রিভুজের বাকি দুই বাহু আঁকি।

(৫) এখন, কখগ প্রদত্ত ত্রিভুজটি হলো।
১. এক বাহু আঁকি। (ত্রিভুজের ভূমি কখ: ৫ সেমি)

(২) ক বিন্দুতে ৬০° পরিমাপের একটি কোণ আঁকি।

(৩) খ বিন্দুতে ৬০° কোণ খুঁজে বের করি।

(৪) খ থেকে একটি রেখা আঁকি এবং ক কোণের সাথে গ বিন্দুতে বিন্দুগুলো মিলাই।

(৫) এখন, কখগ প্রদত্ত ত্রিভুজটি হলো।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!



