নিচের গ্রাফে ঢাকার কোনো এক বছরের (জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর) সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দেখানো হলো:

 

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

আবহাওয়ার প্রধান উপাদানগুলো হচ্ছে বায়ুর তাপমাত্রা, চাপ, বায়ুর আর্দ্রতা বা বায়ুতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ, মেঘ, কুয়াশা ও বৃষ্টিপাত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

মার্চ মাসে বাংলাদেশে সাধারণত শীতের শেষ ও ফাল্গুনের শুরুতে বসন্তকাল হয়। এ সময়ে সূর্যতাপ সহনশীলমাত্রায় থাকে। অর্থাৎ তাপমাত্রা খুব বেশিও থাকে না আবার কমও থাকে না। এ আরামদায়ক তাপমাত্রার কারণেই বাংলাদেশে মার্চ মাসে আবহাওয়া বেশ আরামদায়ক থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত লেখচিত্রটিতে ঢাকার কোনো এক বছরের (জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর) সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রকাশ করা হয়েছে। এ লেখচিত্রটি থেকে সহজেই বায়ুর চাপের পরিবর্তন ব্যাখ্যা করা যায়। আমরা জানি কোনো অঞ্চলের তাপমাত্রার উপর ঐ অঞ্চলের বায়ুর চাপ নির্ভর করে। কারণ কোনো অঞ্চলে যদি সূর্যতাপ বেশি হয় তবে সে অঞ্চলের বায়ুমণ্ডলে অবস্থিত গ্যাস, ধূলিকণা, জলীয়বাষ্প তাপ গ্রহণ করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তখন সেখানের বাতাস তাপে উত্তপ্ত হয়ে হালকা হয়ে যায় এবং উপরের দিকে ওঠে যায়। তখন সেই এলাকায় বায়ুচাপ কমে যাওয়ার কারণে নিম্নচাপ তৈরি হয়। তখন আশপাশ এলাকার বায়ু নিম্নচাপ অঞ্চলে এসে বায়ুর চাহিদা পূরণ করে। তেমনিভাবে যে অঞ্চলে তাপমাত্রা কম থাকে সেই অঞ্চলে বায়ুর উচ্চচাপ তৈরি হয়। লেখচিত্রে দেখা যাচ্ছে ডিসেম্বর মাসে ঢাকার তাপমাত্রা ছিল সর্বনিম্ন। তাই বলা যায় ডিসেম্বর মাসে ঢাকায় বায়ুর চাপ বেশি ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের লেখচিত্রটি অনুযায়ী ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল মার্চ মাসে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ডিসেম্বর মাসে। আমরা জানি, কোনো অঞ্চলের বায়ুপ্রবাহ, বায়ুচাপ ঐ অঞ্চলের সৌরতাপের উপর নির্ভর করে। যে অআলে সৌরতাপ বেশি সেই অঞ্চলে বায়ুর নিম্নচাপ এবং যে অঞ্চলে সৌরতাপ কম, সে অঞ্চলে বায়ুর উচ্চচাপ থাকে। বায়ুর চাপের তারতম্যের দরুন বায়ুরপ্রবাহের সৃষ্টি হয়। বায়ু উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়। কোনো অঞ্চলের তাপমাত্রা বেশি হলে সে অঞ্চলের বায়ু উত্তপ্ত হয়ে হালকা হয়ে যায় এবং দ্রুত উপরে উঠে যায়। ফলে ঐ অঞ্চলে বায়ু পাতলা বা ফাঁকা হয়ে যায়। অর্থাৎ বায়ুর চাপ কমে যায়। তখন আশেপাশে যেখানে বায়ুর চাপ বেশি সেখান থেকে বায়ু এসে ফাঁকা স্থান পূরণ করে। এভাবে বায়ু প্রবাহের সৃষ্টি হয়। বাতাসের এ প্রবল বেগে ধেয়ে আসার জন্য কালবৈশাখী, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাসসহ বিভিন্ন ঝড় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা যায়। যেহেতু লেখচিত্রে দেখা যাচ্ছে মার্চ মাসে ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৩৭° সেলসিয়াস। অর্থাৎ ঐ সময়ে অত্যধিক তাপমাত্রার দরুন ঢাকায় নিম্নচাপসহ ঝড়ের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
307

পৃথিবীকে ঘিরে রয়েছে বায়ুমণ্ডল। কোনো স্থানের বায়ুমণ্ডলের স্বল্প সময়ের তাপমাত্রা, চাপ, বায়ুপ্রবাহ, আর্দ্রতা ইত্যাদি অবস্থাগুলো হলো আবহাওয়া। আর কোনো স্থানের অনেক বছরের সামগ্রিক আবহাওয়া হলো জলবায়ু। আবহাওয়া ও জলবায়ু আমাদের জীবনকে নানাভাবে প্রভাবিত করে। স্বাভাবিক আবহাওয়া ও জলবায়ুতে আমরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করি। কিন্তু বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে বিশ্বের জলবায়ু ক্রমশঃ পরিবর্তিত হয়ে যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা

  • বায়ুমন্ডলের বিভিন্ন স্তর বর্ণনা করতে পারব।
  • পরিবেশে পানিচক্র, অক্সিজেনচক্র ও কার্বনচক্রের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • আবহাওয়া ও জলবায়ু ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • উষ্ণতা বৃদ্ধির সাথে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

বৃষ্টির পানি চুইয়ে চুইয়ে মাটির নিচে গিয়ে সঞ্চিত হয়। মাটির নিচের এ সঞ্চিত পানিই ভূগর্ভস্থ পানি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
363
উত্তরঃ

ট্রপোমণ্ডলের ঠিক ওপরেই শুরু হয়েছে স্ট্রাটোমণ্ডল। এ স্তর ট্রপোমণ্ডল থেকে শুরু হয়ে ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৩৯ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এ স্তরে রয়েছে ওজোন নামের একটি গ্যাস যা সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে আমাদের রক্ষা করে। এ কারণেই স্ট্রাটোমণ্ডল জীবজগতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
491
উত্তরঃ

উদ্দীপকে হচ্ছে উদ্ভিদ এবং Z হচ্ছে প্রাণী। উদ্ভিদ ও প্রাণী পরিবেশে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও অক্সিজেনের ভারসাম্য রক্ষা করে।
জীব বায়ুমণ্ডল থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে শ্বসনের কাজ চালায়। শ্বসন প্রক্রিয়া শেষে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড ত্যাগ করে। আবার উদ্ভিদ বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণ করে খাদ্য তৈরি করে এবং অক্সিজেন ছেড়ে দেয়। এভাবে বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের পরিমাণে একটা ভারসাম্য বজায় থাকে। প্রথমত, উদ্ভিদ ও প্রাণী শ্বসন প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ ভেঙে শক্তি উৎপাদন
করার সময় বায়ুমণ্ডলের অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড বায়ুমণ্ডলে ছেড়ে দেয়। দ্বিতীয়ত, উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহ পোড়ালে তাতে কার্বন ডাইঅক্সাইড উৎপন্ন হয়ে বায়ুমণ্ডলে মেশে।
তৃতীয়ত, উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহ মাটিতে পচবার সময় ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক কার্বন ডাইঅক্সাইড বায়ুতে ছেড়ে দেয়।

তাহলে দেখা গেল, বায়ুমণ্ডল থেকে উদ্ভিদ কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে গ্লুকোজ তৈরির মাধ্যমে উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহে কার্বন সঞ্চয় করে। উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহের কার্বন তিনভাবে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড হিসেবে ফিরে আসে। এভাবে পরিবেশে অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের ভারসাম্য বজায় থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
420
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্রে Z থেকে অর্থাৎ প্রাণী থেকে নির্গত গ্যাসটির নাম কার্বন ডাইঅক্সাইড। এ কার্বন ডাইঅক্সাইড আমাদের পরিবেশের বায়ুমণ্ডলে বিরাজ করে। আমাদের পরিবেশে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে গেলে তা প্রাণিকুলের জন্য অত্যন্ত ভয়াবহ পরিণতি
নিয়ে আসবে। এগুলো হলো-

১. পৃথিবীর তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাবে।
২. তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে পর্বতের চূড়া ও মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাবে।
৩. সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে।

৪. তাপমাত্রা বেড়ে সমুদ্রের পানি প্রসারিত হবে।
৫. বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলসহ বিশ্বের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হবে।
৬. বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন খরা, বন্যা, অতিবৃষ্টি, ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি দেখা দিবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
263
উত্তরঃ

আবহাওয়ার প্রধান উপাদানগুলো হচ্ছে বায়ুর তাপমাত্রা, চাপ, বায়ুর আর্দ্রতা বা বায়ুতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ, মেঘ, কুয়াশা ও বৃষ্টিপাত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
545
উত্তরঃ

মার্চ মাসে বাংলাদেশে সাধারণত শীতের শেষ ও ফাল্গুনের শুরুতে বসন্তকাল হয়। এ সময়ে সূর্যতাপ সহনশীলমাত্রায় থাকে। অর্থাৎ তাপমাত্রা খুব বেশিও থাকে না আবার কমও থাকে না। এ আরামদায়ক তাপমাত্রার কারণেই বাংলাদেশে মার্চ মাসে আবহাওয়া বেশ আরামদায়ক থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
702
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews