নিচের চিত্রগুলো দেখ এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

সমাজ বিকাশের যে স্তরে মানুষ লাঙল উদ্ভাবন করে সে স্তরকে কৃষিভিত্তিক সমাজ বলা হয়।

উত্তরঃ

শিল্পবিপ্লব-পরবর্তী সমাজে সমাজ শিল্পনির্ভর হয়ে পড়ে। শিল্পবিপ্লব-পরবর্তী সমাজের ভিত্তি হচ্ছে জ্ঞান ও তথ্য। শিল্পের বদলে তথ্য -প্রক্রিয়াজাত করাই হচ্ছে অর্থনীতির মূল বৈশিষ্ট্য। সম্পত্তির মালিকদের বদলে পেশাজীবী, চাকরিজীবী, বিজ্ঞানী, তথ্য প্রকৌশলী এবং সেবা ও বিনোদন খাতের সাথে যুক্ত মানুষেরাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

উত্তরঃ

দৃশ্যমান ১নং চিত্রটিতে কৃষিভিত্তিক সমাজব্যবস্থার চিত্র ফুটে উঠেছে।
সমাজ বিকাশের যে স্তরে মানুষ লাঙল উদ্ভাবন করে সে স্তরকে কৃষিভিত্তিক সমাজ বলা হয়। প্রথমে তারা নিজের কাঁধে জোয়াল নিয়ে জমি চাষ শুরু করে। ধীরে ধীরে কৃষিতে হালের বলদ ব্যবহার শুরু হয়। এর ফলে খাদ্যের উৎপাদন বাড়ে। কৃষির শুরুতে লাঙলের ফলা - ছিল কাঠের। পরে পাথরের ফলা জুড়ে উন্নত চাষ শুরু হয়। এভাবে - কৃষিকাজ সমাজ ও সভ্যতার বিকাশকে গতিশীল করেছে।
উদ্দীপকে ১নং চিত্রে দেখা যায়, একজন মানুষ দুটি গরু দিয়ে হালচাষ করছে। এ দৃশ্যপট আমাদের কৃষিভিত্তিক সমাজকে মনে করিয়ে দেয়। সুতরাং নিঃসন্দেহে বলা যায়, ১নং চিত্রটি কৃষিভিত্তিক সমাজব্যবস্থাকেই নির্দেশ করে।

উত্তরঃ

আঠারো শতকে ইংল্যান্ডের শিল্পকারখানাগুলোতে শিল্পক্ষেত্রে বিপ্লব সৃষ্টির আশায় শ্রমিকদের মাঝে যে জাতীয় চেতনার স্ফুরণ ঘটেছিল তা দৃশ্যমান ২নং চিত্রে ফুটে উঠেছে।
আঠারো শতকে ইংল্যান্ডে বাষ্পচালিত ইঞ্জিন আবিষ্কৃত হলে উৎপাদন ব্যবস্থায় বিপ্লবের সূচনা হয়। এ বাষ্পীয় ইঞ্জিনের ধারণা কাজে লাগিয়ে বিজ্ঞানিগণ আবিষ্কার করেন সুতা কাটার মাকু বা স্পিনিং মেশিন, যান্ত্রিক তাঁত, বাষ্পচালিত জাহাজ, ও রেলের ইঞ্জিন.। এসময় বিদ্যুৎ আবিষ্কৃত হয়। আর স্টিম টারবাইন নামে বিশেষ ধরনের বাষ্পীয় ইঞ্জিন দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়। এভাবে একদিকে বড় বড় শিল্পকারখানায় উৎপাদন শুরু হয় আর অন্যদিকে দ্রুতগামী জাহাজ ও রেলে ব্যবসায় বাণিজ্য ও যোগাযোগের বিস্তার ঘটে। এভাবেই সূচনা হয় শিল্প বিপ্লবের। উদ্দীপকে ২নং চিত্রে যন্ত্র দ্বারা উৎপাদন করার চিত্র ফুটে উঠেছে। আমরা জানি, আঠারো শতকে এ যন্ত্রচালিত উৎপাদনের মাধ্যমে শিল্প বিপ্লব হয়। অতএব বলা যায়, দৃশ্যমান ২নং চিত্রটিতে আঠারো শতকের শিল্পবিপ্লব সৃষ্টির চেতনা পরিস্ফুটিত হয়েছে।

210

সমাজ বিবর্তনের ইতিহাস
আমরা যে পৃথিবীতে বাস করি তা জুড়ে রয়েছে মানুষ, আর নানা প্রজাতির গাছপালা, জীবজন্তু ও সামুদ্রিক প্রাণী। আদিমকালে জীবজন্তুর আক্রমণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা বিপদের সামনে মানুষ ছিল অসহায়। অস্তিত্ব রক্ষা আর জীবনযাপনের চাহিদা পূরণের জন্য তারা একে অন্যকে সহযোগিতা করার প্রয়োজন অনুভব করে। এভাবে পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করতে গিয়ে মানুষ গড়ে তুলেছে সমাজ। শুধু মানুষই নয়, পশুপাখি এবং কীটপতঙ্গের মাঝেও আমরা দলবদ্ধ জীবনধারা লক্ষ করি। যেমন- হাতি দল বেঁধে একসঙ্গে চলাফেরা করতে ভালোবাসে। কোনো কাক বিপদে পড়লে দল বেঁধে সব কাক তাকে বাঁচাতে ছুটে আসে। মৌমাছিরা মৌচাক এবং উইপোকা ঢিপি তৈরি করে তার মাঝে সবাই মিলেমিশে থাকে। বাংলাদেশের সমাজ ও সভ্যতার ধারাকে বুঝতে সমাজ কী ও কীভাবে তা গড়ে উঠেছে- এ অধ্যায়ের পাঠগুলোতে আমরা সে সম্পর্কে জানব।
এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

  • সমাজের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • সমাজজীবনে প্রাকৃতিক ও ভৌগোলিক পরিবেশের প্রভাব বর্ণনা করতে পারব;
  • সমাজ বিকাশের বিভিন্ন স্তর যেমন-শিকার ও খাদ্য সংগ্রহভিত্তিক, উদ্যানকৃষি, পশুপালন, কৃষিভিত্তিক, শিল্পভিত্তিক ও শিল্পবিপ্লব-পরবর্তী সমাজের আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অবস্থা বর্ণনা করতে পারব;
  • বিবর্তনের বৈশিষ্ট্যগত দিক থেকে বাংলাদেশের সমাজের প্রকৃতি বিশ্লেষণ করতে পারব;
  • কৃষিভিত্তিক সমাজ ও আধুনিক সমাজের উৎপাদন পদ্ধতির তুলনা করতে পারব;
  • সমাজ বিকাশে বিবর্তনের গুরুত্ব উপলব্ধি করব

Related Question

View All
উত্তরঃ

আদিমকালে জীবজন্তুর আক্রমণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা বিপদের সামনে মানুষ ছিল অসহায়। অস্তিত্ব রক্ষা আর জীবনযাপনের চাহিদা পূরণের জন্য তারা একে অন্যকে সহযোগিতা করার প্রয়োজন অনুভব করে। তাই খাদ্য সংগ্রহ ও হিংস্র প্রাণীর আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য আদিম মানুষ দলবদ্ধ হয়ে বাস করত।

1.8k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ১নং চিত্রটি শিকার ও খাদ্য সংগ্রহভিত্তিক সমাজকে ইঙ্গিত করছে।
শিকার ও খাদ্য সংগ্রহভিত্তিক সমাজ হচ্ছে মানব সমাজের আদিমতম রূপ। তখন স্থায়ী কোনো ঘরবাড়ি ছিল না। মানুষ গুহায় ও বনজঙ্গলে বাস করত। প্রাকৃতিক সম্পদ ছিল প্রচুর। কিন্তু এ সম্পদকে ব্যবহার করে খাদ্য উৎপাদন করতে শেখেনি। বনজঙ্গল থেকে তারা খাবার খুঁজে নিত আর শিকার করত। খাবারের খোঁজে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ঘুরে বেড়াত। এ সময় মানুষ শীত ও রোদ-বৃষ্টি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মানুষ গাছের ছাল ও লতাপাতা এবং পশুর চামড়া ব্যবহার করত।

উদ্দীপকে ১নং চিত্রে দেখা যায়, একজন মানুষ অস্ত্র (বর্শা) হাতে শিকার করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। লোকটির পরনে রয়েছে পশুর চামড়ার তৈরি বস্ত্র। এসব বৈশিষ্ট্য শিকার ও খাদ্য সংগ্রহভিত্তিক সমাজকে নির্দেশ করে।

1k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ২নং চিত্রে ইঙ্গিতকারী সমাজটি হচ্ছে উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজ।
সমাজবিজ্ঞানীরা বলেন, মেয়েরাই প্রথম কৃষিকাজের উদ্ভাবন করেছে। আদিম সমাজে পুরুষেরা যেত শিকারের সন্ধানে। আর ফলমূল সংগ্রহের ভার ছিল মেয়েদের ওপর। খাবার সংগ্রহ করতে গিয়ে মেয়েরা নিয়ে আসত বুনো গম, বার্লির মেটে আলু, কচুর মূল ও কন্দ।. তাদের থাকার জায়গার পাশে গম ও বার্লি দানা পড়ে গজিয়ে উঠত চারা গাছ। চারা গাছে পরে দেখা দিত শিষ ও দানা। এ ঘটনা দেখেই মেয়েদের মনে বীজ ছিটিয়ে শস্য পাওয়ার ধারণা সৃষ্টি হয়। কৃষিকাজের এ পর্যায়কে বলা হয় উদ্যান চাষ।
উদ্দীপকের ২নং চিত্রে দেখা যায়, মেয়েরা কৃষিকাজ করছে।  সুতরাং বলা যায়, ২নং চিত্রে মূলত উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজের কথা বলা হয়েছে। আর এ সমাজের উদ্ভাবক মেয়েরাই। সুতরাং প্রশ্নে উল্লিখিত বক্তব্যটি যথার্থ।

854
উত্তরঃ

সমাজের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো- ১. বহু লোকের সংঘবদ্ধভাবে রসবাস করা; ২. সংঘবদ্ধতার পিছনে কোনো উদ্দেশ্য থাকা।

576
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews