মানুষ গড়ার কারিগর হলেন শিক্ষক।
বড়দের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার উপায় হচ্ছে তাদের আদেশ উপদেশ মেনে চলা। শ্রদ্ধা হতেই ভালোবাসার জন্ম। বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান দেখানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমরা যদি বড়দের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হই তাহলে বড়রা আমাদের ভালোবাসবেন এবং আদর করবেন।
চিত্রে নির্দেশিত বালকটির আচরণে মানবীয় গুণাবলি নির্দেশ করা হয়েছে।
মানুষ সৃষ্টিকর্তার সর্বশ্রেষ্ঠ জীব। তাই আমাদের মধ্যে এমন গুণাবলি -থাকতে হবে যাতে শ্রেষ্ঠত্বের পরিচয় পাওয়া যায়। মানুষ হিসেবে যে আচরণ বা গুণাবলি আমরা সবাই একে অপরের কাছে আশা করি, তাই মানবীয় আচরণ বা গুণাবলি। যেমন- সহযোগিতা, সহানুভূতিশীলতা, সহমর্মিতা, ধৈর্যশীলতা, নম্রতা, ভদ্রতা, বিনয় ইতাদি। এসব মানবীয় গুণাবলি পরিবার থেকে অর্জিত হয়। পরিবারে পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবের সাথে মেলামেশার মাধ্যমে মানবীয় গুণগুলো প্রকাশ পায়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত বালকটির শিষ্টাচারমূলক আচরণ সমাজে সুসম্পর্ক তৈরিতে সহায়ক।
অপরের সুবিধা-অসুবিধা দেখা, অপরের মতামত, অনুভূতির প্রতি সম্মান দেখানো এবং রুচিসম্মত ব্যবহারই শিষ্টাচার। আমাদের জীবনকে সুন্দর ও সাফল্যময় করতে হলে, উন্নত জাতি হিসেবে নিজিদের প্রতিষ্ঠিত করতে হলে অবশ্যই শিষ্টাচারী হতে হবে। আমরা যদি ভদ্রতা, শ্রদ্ধাবোধ, সৌন্দর্যবোধ, শালীনতা ও আদবকায়দা বজায় রেখে সমাজে চলি তাহলেই শিষ্টাচার প্রকাশ পাবে। সভ্য, সঠিক ও সুন্দর সমাজ গড়ে ওঠার মধ্যেই রয়েছে দেশ ও জাতির কল্যাণ। সুতরাং বলা যায়, সমাজে সকলের সাথে সুসম্পর্ক তৈরিতে শিষ্টাচার যথেষ্ট ভূমিকা পালন করে।
Related Question
View Allমানুষ হিসেবে যে আচরণগুলো আমরা সবাই একে অপরের কাছে আশা করি তাই মানবীয় আচরণ।
দলগত খেলার মাধ্যমে মানবীয় গুণাবলিসমূহ সহজে বিকাশ লাভকরে। কারণ যখন দলগতভাবে খেলা হয় তখন একে অপরকে। সহযোগিতা করতে হয়। খেলার নিয়মকানুন মেনে সততা ও ন্যায়পরায়ণতার পরিচয় দিতে হয়। মানবীয় গুণাবলি বিকাশের অন্যতম ক্ষেত্র হলো দলগত খেলা। তাই দলগত খেলার মাধ্যমে সহজে মানবীয় গুণাবলি বিকাশ লাভ করে।
কনকের ব্যবহারে মানবীয় গুণাবলির প্রভাব দেখা যায়।
মানুষ হচ্ছে সৃষ্টিকর্তার সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। তাই আমাদের মধ্যে এমন গুণাবলি থাকতে হবে যাতে শ্রেষ্ঠত্বের পরিচয় পাওয়া যায়। কনক সময়মতো ক্লাসে এসেছে এবং যথানিয়মে প্রথম সারিতে বসেছে। 'সাহিদা পরে এসে কনকের ব্যাগ সরিয়ে দিয়েছে এবং তাকে দ্বিতীয় সারিতে যেতে বলেছে। কনক সাহিদার সাথে ঝগড়া না করে দ্বিতীয় সারিতে বসে উদারতার পরিচয় দিয়েছে। এতে কনকের উন্নত মানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিক্ষকের বক্তব্য হলো লেখাপড়ার সাথে সাথে প্রত্যেকের উন্নত মানবীয় গুণাবলির অধিকারী হওয়া উচিত। মানুষ হিসেবে যে আচরণগুলো আমরা সবাই একে অপরের কাছে আশা করি, তাই মানবীয় আচরণ বা গুণাবলি। যেমন- সহযোগিতা, সহমর্মিতা, নম্রতা, ভদ্রতা, বিনয় ইত্যাদি। কিন্তু সাহিদা মানবীয়। গুণাবলির বহির্ভূত ব্যবহার করেছে। তার ব্যবহারটি কারও কাম্য নয়। পরিশেষে বলা যায়, মানবীয় গুণাবলি মানুষের চরিত্রকে উন্নত করে তোলে।
মানুষ গড়ার কারিগর হলেন শিক্ষক।
বড়দের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার উপায় হচ্ছে তাদের আদেশ উপদেশ মেনে চলা। শ্রদ্ধা হতেই ভালোবাসার জন্ম। বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান দেখানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমরা যদি বড়দের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হই তাহলে বড়রা আমাদের ভালোবাসবেন এবং আদর করবেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!