RNA এর পুরো নাম হলো- রাইবো নিউক্লিক এসিড।
গবেষণাগারে বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রাণীর DNA প্রোফাইল তৈরি করাকে DNA টেস্ট বলে। গবেষণাগারে এ টেস্ট করার জন্য পিতামাতা ও সন্তানের মুখের ঝিল্লির পর্দা সংগ্রহ করা হয় এবং রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে এ থেকে পিতামাতা ও সন্তানের DNA এর একটি প্রোফাইল প্রস্তুত করা হয়। এরপর সন্তানের DNA প্রোফাইলের সাথে পিতার DNA প্রোফাইল মেলানো হয়। যদি ৯৯.৯% মিল পাওয়া যায় তাহলে সে ব্যক্তিকে সন্তানের প্রকৃত পিতা হিসেবে গণ্য করা হয়
উদ্দীপকের চিত্রটি একটি নিউক্লিয়াসের। এতে নিউক্লিয়ার রন্দ্র (A), নিউক্লিওলাস (B), নিউক্লিওপ্লাজম ক্রোমাটিম তত্ত্ব (C) বিদ্যমান। সাধারণত প্রকৃত কোষে এ ধরনের নিউক্লিয়াস থাকে। এছাড়া একটি আদর্শ নিউক্লিয়াসের সব কয়টি উপাদান বিদ্যমান থাকায় এটি একটি পরিপূর্ণ নিউক্লিয়াস।
অপরদিকে আদিকোষের নিউক্লিয়াস সুগঠিত নয়। কারণ এতে নিউক্লিয়ার মেমব্রেন ও নিউক্লিওলাস থাকে না। তাই তাকে অসম্পূর্ণ নিউক্লিয়াস বলে।
উদ্দীপকের চিত্রে এ হলো নিউক্লিয়ার রন্দ্র এবং C হলো ক্রোমোজোম। নিউক্লিয়ার রন্দ্র কোষের ভিতরে ও বাইরে বিভিন্ন পদার্থের যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করে।
অপরদিকে ক্রোমোজোম বংশগতির ধারক ও বাহক। মানবদেহে প্রতি কোষে ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে এর মধ্যে ২২ জোড়া একই রকম। একে অটোজোম বলে। আর ১ জোড়া ক্রোমোজোমকে সেক্স বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম বলে। সেক্স ক্রোমোজোমগুলোকে সাধারণত X ও Y নামে নামকরণ করা হয়। যার দেহে ২৩তম ক্রোমোজোম জোড়া XX সে ব্যক্তি নারী। অপরদিকে যার দেহে ২৩তম ক্রোমোজোম জোড়ার একটি X ও অন্যটি Y ক্রোমোজোম অর্থাৎ XY সে ব্যক্তি পুরুষ। উপরোক্ত আলোচনা থেকে দেখা যায় যে, A ও C এর মধ্যে লিঙ্গ নির্ধারণে C এর গুরুত্ব অধিক কেননা সেক্স ক্রোমোজোম ছাড়া লিঙ্গ নির্ধারণ অকল্পনীয়। তাই C এর গুরুত্বই সর্বাধিক।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!