নিচের চিত্রটি লক্ষ কর:

আবির লোহার পাইপটির এক প্রান্তে মুখ দিয়ে চিৎকার করায় অপর প্রান্তে দুবার শব্দ শুনতে পেল।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

প্রতি সেকেন্ডে কোনো বস্তু যতটা কম্পন দেয় তাই ঐ বস্তুর কম্পাঙ্ক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

সকল কম্পাঙ্কের শব্দ আমরা শুনতে পাই না। শব্দের কম্পাঙ্ক ২০ হার্জ থেকে ২০,০০০ হার্জ এর মধ্যে থাকলেই কেবল সেই শব্দ আমরা শুনতে পাই। কম্পাঙ্কের এ সীমাকেই শ্রাব্যতার সীমা বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

এখানে, দূরত্ব = পাইপের দৈর্ঘ্য, ৪০ মিটার

বায়ুতে শব্দের বেগ, ৩৪৩ মিটার/সেকেন্ড

প্রয়োজনীয় সময়, = ?

আমরা জানি,

শব্দের বেগ = দূরত্ব /সময়

বা, সময় = দূরত্ব /শব্দের বেগ

= ৪০ মিটার / ৩৪৩ মিটার/সেকেন্ড

= ০.১১৭ সেকেন্ড।

অতএব, আবির দ্বিতীয় শব্দটি ০.১১৭ সেকেন্ড পর শব্দ শুনতে পাবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

শব্দের বেগের ভিন্নতার কারণে আবির দুইবার শব্দ শুনতে পায়।

ব্যাখ্যা: পাইপের একপ্রান্তে মুখ দিয়ে শব্দ করায় শব্দটি বায়ু ও পাইপে ব্যবহৃত কঠিন পদার্থের মধ্য দিয়ে পাইপের অপর প্রান্তে পৌঁছায়। এখন বায়ু মাধ্যমে শব্দের বেগ ৩৪৩ মিটার/সেকেন্ড। এই বেগে শব্দ পাইপের অপর প্রান্তে পৌঁছতে সময় লাগে ০.১১৭ সেকেন্ড ('গ' নং থেকে প্রাপ্ত)। পাইপটি কঠিন পদার্থের তৈরি। আমরা জানি শব্দের বেগ বায়ু অপেক্ষা কঠিন পদার্থে বেশি। আর বেগ যত বেশি হবে শব্দ ততো তাড়াতাড়ি দূরত্ব অতিক্রম করবে। এক্ষেত্রে শব্দটি পাইপের পদার্থের মধ্য দিয়ে আগে আবিরের কানে পৌঁছে। তারপর বায়ুর মধ্য দিয়ে কিছু সময় পর আবার শব্দটি আবিরের কানে পৌঁছে। এজন্যই আবির দুইবার শব্দ শুনে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
190

তোমার ঘরের দরজায় ঠক্ শব্দ হলে তুমি বুঝতে পার তোমার দরজায় কেউ অপেক্ষা করছে। দরজার কলিংবেল বাজলেও আমরা বুঝতে পারি কেউ এসেছে। কারও পায়ের শব্দ শুনে তুমি বুঝতে পার যে, কেউ আসছে। শব্দ আমাদের জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটা অন্যের সাথে যোগাযোগে সহায়তা করে। আমরা আমাদের চারপাশে নানা রকম শব্দ শুনতে পাই। বাঁশির সুর, গাড়ির হর্ন, কুকুরের ঘেউ ঘেউ, ছাগলের ব্যা ব্যা, মুরগির কুকুরুকু, পাখির কলতান ইত্যাদি। শব্দ এক প্রকার শক্তি, যা আমাদের শুনার অনুভূতি জন্মায়। শব্দ কীভাবে উৎপন্ন হয়, কীভাবে সঞ্চালিত হয়, কীভাবে আমরা বিভিন্ন রকম শব্দ চিনতে পারি ইত্যাদি নিয়ে এই অধ্যায়ে আলোচনা করব।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা

  • শব্দের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে পারব।
  • শব্দ সঞ্চালন ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • কঠিন, তরল ও বায়বীয় মাধ্যমে শব্দের বেগের তুলনা করতে পারব।
  • প্রাণী কীভাবে শব্দ শুনতে পায় ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • শ্রাব্যতার সীমা ও অপ্রীতিকর শব্দ (noise) ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • শব্দ উৎপাদনকারী যন্ত্রে শব্দ সৃষ্টির কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • দৈনন্দিন জীবনে শব্দের ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক (অপ্রীতিকর শব্দ ও দূষণ) সম্পর্কে নিজে সচেতন হব এবং অন্যদের সচেতন করব।
  • দলগত কাজে সহপাঠিদের বক্তব্য শুনব, সক্রিয় অংশগ্রহণ করব এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহযোগিতা করব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

যে শক্তি আমাদের কানে প্রবেশ করে শ্রবণের অনুভূতি জাগায় তাই শব্দ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
570
উত্তরঃ

আমরা জানি, শব্দ মাধ্যম ছাড়া চলাচল করতে পারে না। আবার বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের বেগও বিভিন্ন। যেমন- শব্দ সবচেয়ে দ্রুত চলে কঠিন মাধ্যমে, তারপর তরল মাধ্যমে, এরপর বায়ুমাধ্যমে। রেলপাত লোহার তৈরি অর্থাৎ রেলপাত একটি কঠিন মাধ্যম। সুতরাং রেলপাতের মধ্য দিয়ে শব্দ খুব দ্রুত চলাচল করে। তাই রেলপাতে কান রাখলে দূর থেকে রেলগাড়ি চলার শব্দ রেল পাতের মধ্য দিয়ে খুব দ্রুত কানে পৌছায় বলে ঐ শব্দ শোনা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
763
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত,

বায়ুতে শব্দের বেগ ৩৩০ মি./সে.

শব্দ শোনার সময় = ?

বোমা ফাটার স্থান ও তীরে অবস্থিত লোকটির দূরত্ব ৩৩০০ মিটার

আমরা জানি,

শব্দের বেগ = দূরত্ব / সময়

বা, সময় = দূরত্ব / শব্দের বেগ = ৩৩০০ মিটার / ৩৩০ মি./সে. = ১০ সেকেন্ড

অতএব, বোমা ফাটার স্থান থেকে তীরে অবস্থিত 'লোকটি ১০ সেকেন্ড পর শব্দ শুনবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
484
উত্তরঃ

উদ্দীপক অনুযায়ী, ডুবুরি বোমা ফাটার স্থান থেকে ৩৩০০ মিটার দূরে অবস্থিত।

সমুদ্রের পানিতে শব্দের বেগ ১৫০০ মি./সে.

শব্দ শোনার সময় = ?

আমরা জানি,

শব্দের বেগ = দূরত্ব / সময়

বা, সময় = দূরত্ব / শব্দের বেগ = ৩৩০০ মিটার / ১৫০০ মি./সে. = ২.২ সেকেন্ড

'গ' হতে পাই, তীরে অবস্থিত লোকটি বোমা ফাটার শব্দ শুনে ১০ সেকেন্ড পর।

অতএব, ডুবুরি ও লোকটি একই সময়ে বোমা ফাটার শব্দ শুনতে পাবে না, ডুবুরি আগে শুনতে পাবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
502
উত্তরঃ

যে শব্দ শুনতে ভালো লাগে, সুখকর, মধুর ও আনন্দদায়ক সে শব্দই সুশ্রাব্য শব্দ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
510
উত্তরঃ

শব্দের যে বৈশিষ্ট্য দ্বারা কোন সুর চড়া ও কোন সুর মোটা বুঝা যায় তাকে তীক্ষ্ণতা বলে। শব্দের তীক্ষ্ণতা শব্দ সৃষ্টিকারী বস্তুর কম্পাঙ্ক ও দৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে। দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পেলে তীক্ষ্ণতা কমে এবং দৈর্ঘ্য কমলে তীক্ষ্ণতা বৃদ্ধি পায়। 'কাজেই বাঁশের বাঁশির দৈর্ঘ্য কম হলে শব্দের তীক্ষ্ণতা বৃদ্ধি পাবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
557
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews