নিচের চিত্রটি লক্ষ করো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ইন্টারনেট হলো বিশ্বব্যাপি বিস্তৃত এমন একটি ব্যবস্থা, যার সাথে সংযুক্ত হয়ে কম্পিউটার প্রযুক্তিতে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে নিমেষেই অন্য প্রান্তের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যে সকল ফসল বিস্তীর্ণ মাঠে, নিচু ও মাঝারি নিচু জমিতে বেড়াবিহীন অবস্থায় তুলনামূলক কম পরিচর্যার মাধ্যমে উৎপাদন করা হয় তাদেরকে মাঠ ফসল বলে।

আমরা আমাদের খাদ্যের সিংহভাগ যেমন- চাল, ডাল, গম ইত্যাদি মাঠ ফসল হতে পাই। বস্ত্র তৈরির প্রধান কাঁচামাল পাট, তুলা, রেশম, তিসির আঁশ মাঠ ফসল থেকে আসে। এদেশের গ্রামাঞ্চলের বেশির ভাগ ঘরই কাঁচা। গৃহ নির্মাণে ব্যবহৃত বাঁশ, খড়, শন, গোলপাতা ইত্যাদি কৃষিজ পণ্য মাঠ ফসল হতে আসে। শিক্ষার উপকরণ যেমন- কাগজ, পেন্সিল আসে বাঁশ, আখের ছোবড়া ও ধানের খড় হতে। মাঠ ফসলের উপজাত দ্রব্য খড়, গোখাদ্য, হাঁস-মুরগির খাদ্য ও জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়। তাই বলা যায়, বাংলাদেশের জন্য মাঠ ফসল গুরুত্বপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে চিত্র 'ক' এ প্রদর্শিত সমাবেশটি হলো উঠোন বৈঠক। কৃষকদের কৃষি সংক্রান্ত সমস্যা ও সম্ভাবনাগুলোকে চিহ্নিত করে সে বিষয়ে সেবা দেওয়ার জন্য কৃষকদের নিয়ে ও কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা দ্বারা পরিচালিত বৈঠককে উঠোন বৈঠক বলে। কৃষকদের সমস্যা নিরূপণের পাশাপাশি সমাধানের জন্য উঠোন বৈঠক কৃষি সম্প্রসারণ কর্মধারার একটি কৌশল। উঠোন বৈঠকে ২৫-৩০ জন কৃষক অংশ গ্রহণ করেন। কৃষকদের উদ্ভূত সমস্যাগুলো যাতে তারা একে অপরের সাথে বিনিময় করতে পারেন সেজন্য উঠোন বৈঠক করা হয়। এর ফলে অন্য কৃষকেরা তাদের বিভিন্ন সমস্যা (যেমন- প্রাকৃতিক দূর্যোগ, রোগপোকা দমন ইত্যাদি) সমাধানের উপায় বা সমস্যা এড়ানোর কৌশল জানতে পারেন। এছাড়া অনেক সময় এমন সব সমস্যার উদ্ভব হয়, যা একজন কৃষকের একার পক্ষে সমাধান করা সম্ভব হয় না। কিন্তু সম্মিলিতভাবে কৃষকেরা এ সমস্যার সমাধান করতে পারেন। বিভিন্ন নতুন কৃষিপ্রযুক্তি সংক্রান্ত আলোচনাও উঠোন বৈঠকে হয়ে থাকে। সাধারণত এলাকারই ১-২ জন কৃষক এ বৈঠকের প্রতিনিধি হয়ে থাকেন। উঠোন বৈঠকে সকল ধরনের নারী-পুরুষ কৃষক অংশগ্রহণ করতে পারে যার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি কৃষকদের জ্ঞান ও তথ্য আরও সমৃদ্ধ হয়।

অতএব, উপরোক্ত আলোচনা থেকে কৃষকদের কৃষি তথ্য প্রাপ্তিতে সহায়ক উঠোন বৈঠক সম্পর্কে জানা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্র 'ক' তে উঠোন বৈঠক ও চিত্র 'খ' তে ইন্টারনেট ব্যবহাররত কৃষককে-দেখানো হয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান খাত হচ্ছে কৃষি। তাই কৃষককে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ ও সেবাদানের জন্য বিভিন্ন স্থানীয় প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে ডিজিটাল মাধ্যম যেমন- ইন্টারনেট ব্যবহৃত হচ্ছে।

বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কৃষি বিষয়ক তথ্য-উপাত্ত, টেকসই প্রযুক্তি, চাষাবাদ পদ্ধতি সম্পর্কে জানা যায়। তাছাড়া কৃষি বিষয়ক বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রতিষ্ঠান বা বিষয়ভিত্তিক কৃষি তথ্য, প্রশিক্ষণ, গবেষণাসহ নানা প্রযুক্তির বিবরণ পাওয়া যায়, যা কৃষি উৎপাদনে সহায়ক ভূমিকা রাখে। এভাবে কম সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কৃষি ব্যবস্থার সাথে পরিচিত হওয়া যায়। তবে এ ক্ষেত্রে কম্পিউটার (ইন্টারনেট সংযোগসহ) ও বিদ্যুতের ব্যবস্থা থাকতে হয় যা বাংলাদেশের দরিদ্র কৃষকদের জন্য অত্যন্ত ব্যয়বহুল। অশিক্ষিত কৃষক কিংবা যারা কম্পিউটার ব্যবহার জানেন না তারা এ প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারেন না। তাছাড়া গবেষণালব্ধ ফলাফলের বিবরণ থেকে তাৎক্ষণিক উদ্ভূত সমস্যার সমাধান সবসময় পাওয়া যায় না।

অন্য দিকে উঠোন বৈঠকে ২৫-৩০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন। এখানে কৃষকেরা তাদের কৃষি সংক্রান্ত সমস্যা ও সমাধানের উপায় নিয়ে পরস্পর আলোচনা করেন। উঠোন বৈঠকে কোনো কৃষক যদি তার কৃষি সংক্রান্ত সমস্যা উত্থাপন করেন তবে অন্যান্য কৃষক তৎক্ষণাৎ তাকে সেই সংক্রান্ত সমাধান দিয়ে থাকেন। অনেক সময় এমন সব সমস্যার উদ্ভব হয়, যা এলাকার সব কৃষক একসাথে মিলে সমাধান করেন। যেমন- খরাকালীন সময়ে সেচ সমস্যা, ফসলে রোগ বা পোকার আক্রমণ প্রতিরোধ করা, মূল্যবান কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়, নতুন কৃষি প্রযুক্তি গ্রহণ ও বর্জন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ইত্যাদি। পাশাপাশি উঠোন বৈঠকের মাধ্যমে কৃষি কর্মকর্তা সহজেই কোনো এলাকার কৃষি সংক্রান্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পেয়ে থাকেন। যার মাধ্যমে অল্প সময়ে ও সরাসরি তিনি কৃষকদের কৃষি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান ও নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা দিতে পারেন।

উপরের আলোচনা থেকে জানা যায়, উঠোন বৈঠকে অক্ষরজ্ঞান। কিংবা প্রশিক্ষণের দরকার হয় না। এমনকি কোনো বিদ্যুৎ সংযোগ কিংবা ডিভাইসের দরকার হয় না বলে কৃষকের জন্য তা ব্যয়বহুলও নয়। তাই বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কৃষিক্ষেত্রে উঠোন বৈঠকই অধিক ফলপ্রসূ বলে আমি মনে করি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
266
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

বঙ্গোপসাগরে ও উপকূলীয় এলাকায় অর্থাৎ লোনা পানিতে যেসব মাছ বাস করে সেগুলোকে লোনা পানির মাছ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
563
উত্তরঃ

মাটির গুণগতমান উন্নয়নের জন্য গাছে ফুল আসার পূর্বে লিগিউম জাতীয় উদ্ভিদ চাষ দিয়ে মাটিতে মিশিয়ে যে সার তৈরি করা হয় তাকে সবুজ সার বলে।

ধৈঞ্চা ও শনপাট জমিতে প্রচুর পরিমাণে জৈব পদার্থ যোগ করে। ধৈঞ্চা গাছের শিকড়ে নডিউল সৃষ্টি হয় যা মিথোজীবী প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডল থেকে নাইট্রোজেন সংগ্রহ করে ফসলের গ্রহণোপযোগী করে তোলে। তাই জমির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য ধৈঞ্চা ও শনপাটকে জমিতে সবুজ সার হিসেবে উৎপাদন করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
690
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'ক' চিহ্নিত ফসল হলো মাঠ ফসল। যে সকল ফসল সাধারণত উন্মুক্ত মাঠে বেড়াবিহীন অবস্থায় তুলনামূলক কম পরিচর্যার মাধ্যমে উৎপাদন করা হয় সেগুলোকে মাঠ ফসল বলে। মাঠ ফসলের বৈশিষ্ট্য হলো-

i. সাধারণত বড় জমিতে চাষ করা হয়। 

ii. মাঠের সমস্ত ফসলকে একত্রে বা সমষ্টিগতভাবে যত্ন নেওয়া হয়। 

iii. তুলনামূলকভাবে কম যত্নের প্রয়োজন হয়। 

iv. মাঠের সমস্ত ফসল একত্রে পরিপক্ক হয় বলে একত্রে সংগ্রহ করতে হয় (ব্যতিক্রম- তুলা)। 

v. বেড়া নির্মাণের প্রয়োজন হয় না (ব্যতিক্রম- রাস্তার পাশের জমি)। 

vi. মৌসুমের শুরুতে দাম কম থাকে।

vii. সেচ না দিয়েও অনেক ফসল চাষ করা যায়। 

viii. একবর্ষজীবী ফসল (ব্যতিক্রম- চা)। 

ix. নিচু ও মাঝারি উঁচু জমিতে চাষ করা হয়। 

Χ. ফসলের উৎপাদন খরচ ও ঝুঁকি বেশি। 

xi. ফসল শুকিয়ে মাড়াই করে ব্যবহার করা হয় (ব্যতিক্রম- পাট, আখ ইত্যাদি)। 

xii. আকারে খাটো ও ছোট হয় (ব্যতিক্রম- আখ, পাট, ভুট্টা ইত্যাদি)।

অর্থাৎ মাঠ ফসলের উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যাবলি লক্ষ করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
523
উত্তরঃ

উদ্দীপকে কৃষি শিক্ষকের বর্ণিত বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে রয়েছে মাঠ ফসল, উদ্যান ফসল, গবাদিপশু, পোল্ট্রি, সামাজিক বনায়ন ও মৎস্য।

বাংলাদেশের সিংহভাগ মানুষের জীবন ও জীবিকা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষির সাথে সম্পর্কিত। কৃষি মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প কারখানার প্রসার ঘটিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পথ সুগম করে। নিচে বাংলাদেশের মানুষের সাধারণ জীবনযাত্রায় উপরে বর্ণিত উপাদানসমূহের গুরুত্ব বর্ণনা করা হলো- 

i. খাদ্যের সিংহভাগ আসে কৃষি হতে। যেমন- চাল, ডাল, গম, শাকসবজি, মাছ ইত্যাদি। 

ii. কৃষি হলো বস্ত্র তৈরির প্রধান কাঁচামালের উপাদান যেমন- পাট, তুলা, রেশম ইত্যাদির উৎস। 

iii. গৃহ নির্মাণে ব্যবহৃত উপকরণ যেমন- কাঠ, বাঁশ, খড়, শন, গোলপাতা প্রভৃতির উৎস হলো কৃষি। আসবাব তৈরির মূল উপকরণ আসে বন হতে। 

iv. বিভিন্ন অ্যান্টিবায়োটিক, মরফিন, কোকেন এবং রাসায়নিক দ্রব্য উদ্ভিদ হতে প্রস্তুত করা হয়। 

V. শিক্ষার উপকরণ যেমন- কাগজ, পেন্সিল ইত্যাদি আসে কৃষির উপাদান হতে। 

vi. জ্বালানি হিসেবে বাঁশ, খড়, নাড়া, গবাদিপশুর বিষ্ঠা ইত্যাদি গৃহস্থালির কাজে ও ইটের ভাটায় ব্যবহৃত হয়, যা কৃষি হতে আসে। 

vii. এ দেশের মোট শ্রমশক্তির শতকরা ৪০.৬ ভাগ কৃষি হতে আসে। 

viii. বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার ১১% কৃষিজ পণ্য রপ্তানির ফলে আসে। 

ix. মাছের চর্বি, কাঁটা, হাড় ইত্যাদি বিভিন্ন প্রকার শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবৃহত হয়। 

x. মাছের কাঁটা, আঁইশ, বিষাক্ত মাছ ইত্যাদি শুকিয়ে গুঁড়া করে সার হিসেবে জমিতে ব্যবহার করলে ফসফরাসের অভাব দূর করা যায়।

অতএব, বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাত্রায় উদ্দীপকের উপাদানসমূহের গুরুত্ব অনেক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
382
উত্তরঃ

ই-বুক হলো এক ধরনের ইন্টারএকটিভ ডিজিটাল বই যাতে কোনো বিষয়ে টেক্সট কনটেন্টের সাথে অডিও, ভিডিও, অ্যানিমেশন ইত্যাদিও সমন্বিত আকারে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1k
উত্তরঃ

স্বল্প পরিসরে প্রতিটি উদ্ভিদের আলাদা যত্ন করার মাধ্যমে বাগানে যে ফসলের চাষ করা হয় তাকে উদ্যান ফসল বলে। ফুল, ফল, শাকসবজি ও মসলাজাতীয় ফসল উদ্যান ফসলের অন্তর্ভূক্ত। সাধারণত বসতবাড়ি সংলগ্ন উঁচু জমিতে উদ্যান ফসলের আবাদ করা হয়। আমাদের দেশে উৎপাদিত মোট ফসলের প্রায় ৩০ শতাংশই আসে উদ্যান ফসল থেকে। উদ্যান ফসল কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে, পুষ্টির চাহিদা পূরণে ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
6.5k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews