আলুর বিলম্বিত ধ্বসা রোগের জীবাণুর নাম Phytophthora infestans.
মাশরুম বিভিন্ন ভিটামিন সমৃদ্ধ হওয়ায় পৃথিবীর বহুদেশে এটি সুপ্রিয় খাদ্য হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশের বড় বড় হোটেলগুলোতে খাদ্য হিসেবে, বিশেষ করে স্যুপ তৈরিতে মাশরুম ব্যবহৃত হচ্ছে। খাদ্য হিসেবে বাংলাদেশে Volvariella ও Pleurotus গণভুক্ত কয়েকটি মাশরুম প্রজাতির চাষ হচ্ছে এবং আমেরিকা ও ইউরোপে Agaricus brunnescens মাশরুম প্রজাতির ব্যাপক চাষ হচ্ছে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত A ও B জীব দুটির বৈশিষ্ট্য থেকে সহজেই বোঝা যায়, এরা যথাক্রমে সবুজ শৈবাল- Ulothrix এবং ছত্রাক Agaricus। এদের পুষ্টি প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ করলে স্পষ্টভাবে বোঝা যায়, A অর্থাৎ Ulothrix এর পুষ্টি প্রক্রিয়া Agaricus অপেক্ষা অধিক উন্নত।
নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
Ulothrix শৈবালটিতে ক্লোরোফিল উপস্থিত। ক্লোরোফিল থাকায় শৈবালটি সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে। উদ্ভিদের পুষ্টি প্রক্রিয়ায় সালোকসংশ্লেষণ উন্নত বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে। পুষ্টির জন্য শৈবালটিকে অন্যের উপর নির্ভর করতে হয় না। অন্যদিকে Agaricus ছত্রাকটিতে কোনো ক্লোরোফিল না থাকায় নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না। খাদ্যের জন্য বা পুষ্টির জন্য অন্যের উপর নির্ভর করতে হয়। এরা সাধারণত শোষণ প্রক্রিয়ায় পুষ্টি গ্রহণ করে থাকে। পুষ্টির ক্ষেত্রে এটি অনুন্নত বৈশিষ্ট্য।
উপরের এ সংক্ষিপ্ত আলোচনা থেকে এ মতামত প্রকাশ করা যায় যে, A ও ও জীব দুটির পুষ্টি প্রক্রিয়ায় A জীবটি B অপেক্ষা অধিকতর উন্নত।
উদ্দীপকের সালোকসংশ্লেষণে অংশগ্রহণকারী জীবটি হলো শৈবাল। নিচে শৈবালের উপকারিতা আলোচনা করা হলো-
i.বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন যোগ: শৈবালের সবচেয়ে উপকারি দিক হলো বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন সংযোগ।
ii. পরিবেশ দূষণ রোধ: সমুদ্রের বিপুল পরিমাণ শৈবাল সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে বায়ুমণ্ডল থেকে গ্রহণ করে এবং বায়ুমণ্ডলে ত্যাগ করে।
iii.উৎপাদক হিসেবে: বিভিন্ন জলাশয়ে শৈবাল ফুড চেইন-এর প্রধান উৎপাদক হিসেবে কাজ করে।
iv.বায়োফুয়েল তৈরি: Biofuel বা Biodiesel তৈরির জন্য বর্তমানে শৈবালকে বেছে নেয়া হয়েছে। তাই শৈবালকে 'second generation biofuel নামে অভিহিত করা হয়েছে।
v. গোয়েন্দা সাবমেরিন এর অবস্থান নির্ণয়: নীলাভ সবুজ শৈবালে অবস্থিত phycobilin protein পানির নিচে গোয়েন্দা সাবমেরিন হতে বিকরিত বিভিন্ন রশ্মি শোষণ করে নেয় এবং এই শোষিত রশ্মির পরিমাণ থেকে আশপাশে গোয়েন্দা সাবমেরিন-এর অবস্থান জানা যায়।
Related Question
View Allমিথোজীবিতা হচ্ছে দুটি ভিন্ন জীবের মধ্যে এমন একটি সহবস্থান যেখানে উভয়েই উপকৃত হয়।
বাহ্যিক আকার-আকৃতি ও প্রকৃতিগত সাদৃশ্যপূর্ণ দুটি গ্যামিটের মিলনকে আইসোগ্যামী বলে। এই ধরনের গ্যামিট একই খ্যালাসে অথবা ভিন্ন ভিন্ন থ্যালাসে উৎপন্ন হতে পারে। কখনও কখনও ফিলামেন্ট বিশিষ্ট শৈবালের একই ফিলামেন্টের ভিন্ন ভিন্ন কোষে এগুলো উৎপন্ন হয়।
যেমন- Ulothrix |
উদ্দীপকে উল্লিখিত এ জীবটি শৈবাল। শৈবালের দৈহিক গঠন বিভিন্ন রকম হতে পারে। নিচে শৈবালের দৈহিক গঠনের পরিসর ব্যাখ্যা করা হলো-শৈবাল এককোষী বা বহুকোষী হতে পারে। এককোষী শৈবাল সচল (ফ্লাজেলা থাকায়, যেমন- Chlamydomonas) বা নিশ্চল ফ্লাজেলাবিহীন, (যেমন- Chlorella) হতে পারে। অনেক প্রজাতি আছে যাদের অনেকগুলো কোষ একসাথে কলোনি হিসেবে অবস্থা করে (যেমন-Volvox)। বহু শৈবাল প্রজাতি আছে যাদের দেহ ফিলামেন্টাস। ফিলামেন্ট অশাখ হতে পারে (যেমন- Spirogyra, Ulothrix) আবার শাখান্বিত হতে পারে (যেমন- Chaetophora), কোনো কোনো শৈবালে বিশেষ জননাঙ্গ সৃষ্টি হয়। অনেক সামুদ্রিক শৈবালের দেহকে বাহ্যিকভাবে মূল, কাণ্ড ও পাতার ন্যায় অংশে বিভক্ত দেখায়। যেমন- Sargassum। সমুদ্রে কিছু শৈবাল এতো লম্বা হয় যা স্থলভাগের কোনো কোনো উঁচু বৃক্ষের সমান বা তারও বেশি। কোনো কোনো শৈবাল দেখতে পর্ব-মধ্যপর্ব বিশিষ্ট মনে হয় যেমন- Chara। অনেক শৈবালের দেহ লম্বা পাতার ন্যায়, যেমন- Ulva।
উদ্দীপকে 'A' ও 'B' দ্বারা যথাক্রমে শৈবাল ও ছত্রাককে নির্দেশ করা হয়েছে। শৈবাল ও ছত্রাকের পাশাপাশি সহাবস্থানের মাধ্যমে সৃষ্টি হয় লাইকেন নামক উদ্ভিদের। লাইকেনে শৈবাল ও ছত্রাক উভয়েই একে অন্যের দ্বারা উপকৃত হয়। এ ধরনের সহাবস্থানকে মিথোজীবিতা বলা হয়। সুতরাং লাইকেনে শৈবাল ও ছত্রাক একে অন্যের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। লাইকেন উদ্ভিদে ছত্রাক চারিদিক থেকে শৈবালকে ঘিরে রেখে বাসস্থান প্রদান করে। ছত্রাক পরিবেশ থেকে পানি, খনিজ লবণ ও জলীয় বাষ্প ইত্যাদি শোষণ করে শৈবালকে প্রদান করে। আর শৈবাল মধ্যখানে বসে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত করে। প্রস্তুতকৃত খাদ্য শৈবাল ও ছত্রাক উভয়েই ভাগ করে গ্রহণ করে। এভাবে শৈবাল ও ছত্রাকের সহাবস্থানের মাধ্যমে সৃষ্ট লাইকেন উদ্ভিদে তারা উভয়ই একে অপরের দ্বারা উপকৃত হয়।
সুতরাং উদ্দীপকের A ও B দ্বারা গঠিত জীবের পারস্পরিক মিথোজীবিতা একে অন্যকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে সর্বদাই উপকার করে।
একটি জীবের এক সেট ক্রোমোসোমে অবস্থিত সকল জিনসহ পূর্ণাজা DNA-ই হলো জিনোম।
এক জোড়া সমসংস্থ ক্রোমোসোমের দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিড এর মধ্যে যে অংশের বিনিময় ঘটে, তাকে ক্রসিংওভার বলে। মায়োসিস কোষ বিভাজনের গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ হলো ক্রসিংওভার, যার ফলে জিনগত পরিবর্তন সাধিত হয়। জিনগত পরিবর্তন সাধনের ফলে সৃষ্ট জীবে বৈশিষ্ট্যগত পরিবর্তন ঘটে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
