নিচের চিত্রটি লক্ষ করো এবং সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

Updated: 1 month ago
উত্তরঃ

জিন নির্ধারিত প্রাণীর স্বতঃস্ফূত আচরণ ধারাই হলো FAP বা
Fixed Action Pattern |

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
উত্তরঃ

একটি মৌচাকে পরিণত রাণী মৌমাছি মিলনের উদ্দেশ্যে চাক থেকে বের হয়ে উড়তে শুরু করে। তখন অনেকগুলো পুরুষ মৌমাছি রাণীর সাথে উড়তে থাকে। পুরুষ মৌমাছিদের মধ্যে যে সবচেয়ে উপরে উঠতে পারে সে রাণীর সাথে মিলিত হতে পারে। রাণী তখন পুরুষের সাথে মিলিত হয়ে শুক্রাণু সংগ্রহ করে রাখে ডিম পাড়ার জন্য। এই প্রক্রিয়াকেই নপসিয়াল উড্ডয়ন বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'ক' চিত্রের পরীক্ষণটি দ্বারা প্রাণীর প্রতিবর্তী ক্রিয়া বিষয়টি নির্দেশ করা হয়েছে। স্বনামধন্য রাশিয়ান শারীরবিজ্ঞানী ও মনোবিজ্ঞানী আইভান পেট্রোডিট প্যাভলভ এর কুকুর ও এর লালা নিঃসরণের পরীক্ষাটি সাপেক্ষ প্রতিবর্তী ক্রিয়ার এক যথোপযুক্ত উদাহরণ। এ মতবাদের মূল কথা হলো- পূর্বে যে প্রতিক্রিয়াটি একটি স্বাভাবিক উদ্দীপক দ্বারা সৃষ্টি হতো, 'স্বাভাবিক উদ্দীপকের সাথে একটি সাপেক্ষ জুড়ে দেওয়ার ফলে সাপেক্ষ উদ্দীপকটিও ওই প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়।

বিজ্ঞানী প্যাভলভ কুকুরের লালার প্রতিবর্তী ক্রিয়ার মাধ্যমে সাপেক্ষ প্রতিবর্তের একটি সুন্দর উদাহরণ ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি একটি কুকুরকে প্রত্যেহ নির্দিষ্ট সময়ে খাবার দিতেন। ওই সময় কুকুরের লালা নিঃসরণ হতো। পরে তিনি খাবার দেওয়ার সময় একটি ঘণ্টা বাজাতেন। কয়েকদিন অনুশীলনের পর তিনি নির্দিষ্ট সময়ে খাবার দেওয়ার পরিবর্তে কেবল ঘণ্টাধ্বনি শুনাতেন তাতেও কুকুরটির লালা নিঃসরণ হতে দেখা গেল। এখানে ঘণ্টাধ্বনি শোনা সত্ত্বেও কুকুরের প্রতিবর্ত ঘটেছে, ফলে লালাক্ষরণ হয়েছে। প্যাভেলভ তার গবেষণার একটি ঘণ্টাকে নিরপেক্ষ উদ্দীপনা হিসেবে ব্যবহার করেছেন। পরীক্ষায় পুনরাবৃত্তির পর কুকুরটি ঘণ্টাধ্বনি ও খাদ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত এক নতুন আচরণে শিক্ষিত হয়েছে। এটিই হচ্ছে সাপেক্ষ সাড়া। এভাবে নিরপেক্ষ উদ্দীপনা ও আপেক্ষ উদ্দীপনা মিলিত হয়ে সাপেক্ষ উদ্দীপনায় পরিণত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে চিত্র খ-তে নির্দেশিত প্রাণীটি হলো মৌমাছি। কর্মী মৌমাছির কর্ম সত্যিকারার্থে পরার্থপরতার উপযুক্ত উদাহরণ। একটি কলোনিতে কর্মী মৌমাছি সংখ্যায় সর্বাধিক থাকে। কলোনির জন্য এরা নিবেদিতপ্রাণ কর্মী। জন্মের পর থেকেই এরা বিভিন্ন ধরনের 'কাজে নিয়োজিত থাকে। চাক পরিষ্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ করা, হুল ফুটিয়ে শত্রু দমন করা, মধু সংগ্রহ করা, মোম উৎপাদন করে মৌচাক তৈরি করা, চাকের সকলের খাবারের ব্যবস্থা করা ও খাওয়ানো এসবই কর্মী মৌমাছির কাজ। ডিম থেকে লার্ভা বেরিয়ে এলে এরা একটি লার্ভাকে তাদের গলগবিলীয় গ্রন্থি নিঃসৃত রয়েল জেলি খাইয়ে পরবর্তী রাণী হিসেবে তৈরি করে থাকে। সুনির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে কর্মী মৌমাছির জীবনাচরণ সম্পূর্ণভাবে কলোনির জন্য নিবেদিত। জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এরা জীবন বিপন্ন করে কলোনির অন্য সদস্যদের রক্ষা করে। যেহেতু কর্মী মৌমাছি বন্ধ্যা তাই প্রজাতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় তাদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কথা নয়, কারণ রাণী ও পুরুষ মৌমাছিরাই প্রজনন ক্ষমতাযুক্ত। তাই রাণী ও পুরুষ মৌমাছিদের কলোনির সমস্ত কাজে বেশি উদ্বিগ্ন হওয়ার কথা। কিন্তু ঘটে থাকে তার উল্টো। এভাবে কর্মী মৌমাছিরা নিজেদেরকে মৃত্যুমুখে ঠেলে দিয়ে কলোনিকে রক্ষা করে যা পরার্থপরতার প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
33

ইথোলজিঃ উদ্দীপকের প্রতি সাড়া দেওয়া প্রতিটি জীবের বৈশিষ্ট্য বিভিন্ন পরিবেশ ও পরিস্থিতির সাপেক্ষে একটি প্রাণীর সাড়া দেওয়া বা প্রতিক্রিয়াকে প্রাণীর আচরণ বলে। সম্পূর্ণ দেহের সঞ্চালন বা অংশবিশেষের সঞ্চালন, দেহভঙ্গি, মুখের ভঙ্গি, স্বর উৎপাদন ভঙ্গি এমনকি বর্ণের পরিবর্তন, গন্ধ সৃষ্টি প্রভৃতি আচরণের অন্তর্গত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় প্রাণীর আচরণ

সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, তাকে আচরণবিদ্যা বা ইথোলজি (Ethology; একি ethos = আচরণ এবং logos=জ্ঞান) বলে। 

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রবাহমান পানির প্রতি প্রাণীর সাড়া প্রদানের প্রক্রিয়াই হলো রিওট্যাক্সিস।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
38
উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ায় কোনো প্রাণী নিজেদের জীবন বিপন্ন করে হলেও তার দলের অন্য সদস্যদেরকে সহায়তা করে তাকে পরার্থপরতা বা অ্যালটুইজম বলে। এ ধরনের আচরণ প্রাণীরা নিজ দায়িত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে করে থাকে। উদাহরণস্বরূপ মানুষের ক্ষেত্রে ভাই বা বোনের জীবন বাঁচাতে পানিতে/আগুনে ঝাঁপ দেওয়া, অঙ্গ প্রদান (চোখ, কিডনি) ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
31
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'A তে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো পাখি। পাখির বিশেষ স্থানান্তর প্রক্রিয়াটি হলো পরিযান। নিচে পরিযান প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা
হলো-

পরিযান বলতে প্রাণীদের একস্থান হতে অন্যস্থানে গমনকে বোঝায়। সাধারণত প্রতিকূল অবস্থা থেকে রক্ষা, খাদ্যপ্রাপ্তি ও প্রজননের জন্য প্রাণীরা পরিযান করে থাকে। পরিযান পাখির একটি সহজাত আচরণ। আবহাওয়ার পরিবর্তন, খাদ্যাভাব, প্রজননগত সমস্যা ইত্যাদি কারণে পাখিরা পরিযানে উদ্দীপিত হয়। পরিযান সাধারণত দু'রকম হয়ে থাকে যথা- অক্ষাংশিক পরিযান ও উলম্বিক পরিযান। উত্তর থেকে, দক্ষিণ ও দক্ষিণ থেকে উত্তর গোলার্ধে পরিযানকে অক্ষাংশিক পরিযান বলে। যেমন- শীতকালে সাইবেরিয়ায় প্রচণ্ড তুষারপাত ঘটে তাই সেখানকার পাখিরা বাংলাদেশে পরিযান করে। আবার নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে পাখিরা আবহাওয়ার পরিবর্তনের সাথে সাথে পাহাড়ের পাদদেশ থেকে পাহাড়ের চূড়ায় পরিযান ঘটায় যাকে উলম্বিক পরিযান বলে। সাধারণত পরিযায়ী পাখিরা তাদের দিক নির্দেশক হিসেবে পৃথিবীর চুম্বকীয় ক্ষেত্র ব্যবহার করে থাকে। প্রায় সকল পরিযায়ী পাখি বছরের পর বছর একই পথ অনুসরণ করে। এসব পাখিরা চেনা যায় এমন স্থান, সূর্য, তারকারাজি, চাঁদ ইত্যাদিকে পথ চেনার কাজে লাগায় এবং পূর্বের বাসস্থানে ফিরে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
40
উত্তরঃ

উদ্দীপকের B-তে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো তিন কাঁটা স্টিকলব্যাক মাছ। স্টিকলব্যাক মাছের অপত্য লালন নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-
সাধারণত তিন-কাঁটা স্টিকলব্যাক ছোট ছোট দলে ঝাঁক বেধে ঘোরে। যৌন পরিপক্কতা এলে পুরুষ মাছ দলহীন হয়ে উপকূলবর্তী অগভীর পানির জলাশয়ে নিজস্ব বিচরণ পরিসীমা নির্ধারণ করে সতর্ক পাহারায় নিযুক্ত থাকে। বিচরণ পরিসীমা প্রতিষ্ঠার পর সেখানে বাসা নির্মাণ শুরু করে। এরপর পুরুষ মাছ জিগ-জ্যাগ নৃত্য প্রদর্শনের মাধ্যমে স্ত্রী মাছকে আকৃষ্ট করে ডিম পাড়তে উদ্বুদ্ধ করে। ডিম পাড়া শেষ হলে পুরুষ মাছ ডিমগুলোকে নিষিক্ত করে এবং ডিমের দেখা শোনা আরম্ভ করে। নীড় ও নীড়ের ভেতর থাকা নিষিক্ত ডিমগুলো থেকে সুস্থ পোনা উৎপাদন, রক্ষা, যত্ন নেওয়া ও সবশেষে নিরাপদে পরিবেশে ফিরে যাওয়া অনুকূলে রাখতে পুরুষ মাছ সদা ব্যস্ত থাকে। এ সময় বাসার কাছে নিজ প্রজাতির সদস্যসহ কোনো মাছ বা ক্ষতিকর প্রাণীর প্রবেশ রোধ করতে মাছ সদা তৎপর থাকে। ডিম ফোটার অনুকূল পরিবেশ বজায় রাখার জন্য স্টিকলব্যাক এক অদ্ভুত আচরণ করে। বাসায় প্রবেশ পথের সামনে মাথা নিচু করে তির্যকভাবে অবস্থান নিয়ে বক্ষপাখনা সামনের দিকে সঞ্চালিত করে। এভাবে অক্সিজেন চাহিদা নিশ্চিত, করতে পানিস্রোত অব্যাহত রাখে। এ প্রক্রিয়ার নাম ফ্যানিং। ৭-৮ দিনের মধ্যে ডিম ফুটে পোনা বের হয়ে আসে। তখন পোনাগুলো পাহারা দেওয়ার জন্য পুরুষ মাছটি আক্রমণাত্মক হয়ে উঠে। পোনার দল থেকে কিছু পোনা দলছুট হলে পুরুষ মাছটি দ্রুত সেগুলোকে মুখে তুলে এনে আবার মূল দলে ছেড়ে দেয়। প্রায় দুই সপ্তাহ পর পোনাগুলো ঝাঁক বেধে চলতে অভ্যস্ত হয়ে পড়লে পুরুষ মাছটি তখন নিজ সঙ্গীদের কাছে ফিরে যায়। এভাবে স্টিকলব্যাক মাছ অপত্যের প্রতি যত্ন নেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
36
উত্তরঃ

দেহের প্রতিরক্ষা তন্ত্র থেকে উৎপন্ন এক ধরনের দ্রবণীয় গ্লাইকোপ্রোটিন যা রোগব্যাধি সৃষ্টিকারী নির্দিষ্ট-অ্যান্টিজেনকে ধ্বংস করে তাই হলো অ্যান্টিবডি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
34
উত্তরঃ

রজঃচক্র হলো বয়োঃপ্রাপ্ত মারীর নির্দিষ্ট সময় পর পর জরায়ু থেকে রক্ত, মিউকাস, এন্ডোমেট্রিয়ামের ভগ্নাংশ ও ধ্বংসপ্রাপ্ত অনিষিক্ত ডিম্বাণুর চক্রীয় নিষ্কাশন। স্ত্রী যৌনচক্রের সময় জরায়ুর প্রাচীরে যেসব ধারাবাহিক ও চক্রাকার পরিবর্তন ঘটে তাকে জরায়ু চক্র বলে। প্রতিবার জরায়ুচক্র শেষে রক্তসহ মিউকাস ও অন্যান্য পদার্থ যোনীপথে বের হয়ে যায়। একে রজঃস্রাব বলে। ২৮ দিন পর পর একটি জরায়ু চক্র শেষে আবার নতুন করে রজঃস্রাব হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
29
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews