পানির গলনাঙ্ক শূন্য (০°) ডিগ্রি সেলসিয়াস।
গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্কের মধ্যে ২টি পার্থক্য নিম্নরূপ-
গলনাঙ্ক | স্ফুটনাঙ্ক |
১. যে তাপমাত্রায় কোনো কঠিন পদার্থ গলে তরলে রূপান্তরিত হয়, ঐ তাপমাত্রাই হলো ঐ পদার্থের গলনাঙ্ক। | ১. যে তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট চাপে কোনো তরল পদার্থ ফুটতে থাকে সেই তাপমাত্রাই হলো ঐ পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক। |
২. কঠিন বরফ ০°C তাপমাত্রায় গলে তরলে পরিণত হয়। তাই পানির গলনাঙ্ক 0°C । | ২. পানি 100°C তাপমাত্রায় ফুটতে থাকে। তাই পানির স্ফুটনাঙ্ক 100°C। |
উদ্দীপকের P বস্তুটি হলো তামার তার। এটি সুপরিবাহী হওয়ার কারণ হলো-
১. এটি একটি ধাতু।
২. এর মধ্য দিয়ে সহজেই তাপ ও বিদ্যুৎ চলাচল করতে পারে।
৩. এর ঘনত্ব বেশি তাই সহজেই তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহিত হয়।
৪. এটি উচ্চ গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট তাই তাপ ও 'বিদ্যুৎ প্রবাহিত হওয়ার সময় সহজেই গলে যায় না।
৫. বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য এতে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে যা বিদ্যুৎ পরিবহনে সাহায্য করে।
উপরোক্ত কারণেই P বস্তুটি সুপরিবাহী।
উদ্দীপকের হলো একটি ব্যাটারি এবং R হলো একটি বান্ধ।
এখানে Q অর্থাৎ ব্যাটারি অর্থাৎ বাল্বকে জ্বলতে সাহায্য করে।
বিশ্লেষণ: এখানে ব্যাটারির দুটি প্রান্ত (+) ও (-) রয়েছে। ব্যাটারির (+) প্রান্তের সাথে একটি তামার তার (P) দিয়ে চাবি (K) হয়ে বাল্বের এক প্রান্তে সংযোগ দেওয়া হয়েছে। ব্যাটারির (-) প্রান্ত থেকে তামার তার দিয়ে বাম্বের অপর প্রান্তে সংযোগ দেওয়া হয়েছে। এখন, সুইচ অন করলে ব্যাটারির মধ্যে থাকা বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের বিক্রিয়ায় সৃষ্ট বিদ্যুৎ সুপরিবাহী তামার তারের মধ্য দিয়ে পরিবাহিত হয়ে R অর্থাৎ বাঘে পৌঁছে। অর্থাৎ বাল্বটির মধ্যদিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়। ফলে বাল্বটি জ্বলে ওঠে। অর্থাৎ Q এর সাহায্য ব্যতীত কে জ্বালানো সম্ভব নয়।
Related Question
View Allযা জায়গা দখল করে ও যার ভর আছে তাকেই পদার্থ বলে।
যেসব মৌলিক পদার্থ বিদ্যুৎ ও তাপ সুপরিবাহী নয়, তাদেরকে অধাতু বলে। অধাতুকে আঘাত করলে ঝনঝন শব্দ করে না। এদেরকে সরু তারে ও পাতে পরিণত করা যায় না। এরা নিম্ন গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট। যেমন- কার্বন, নাইট্রোজেন, সালফার প্রভৃতি অধাতু।
ফজলুল হক সাহেবের স্ত্রীর ব্যবহৃত পাত্রটির উপাদান হচ্ছে এলুমিনিয়াম। এটি একটি হালকা নীলাভ সাদা ধাতু। এ ধাতুটির ব্যবহারের দিক থেকে অনেক গুরুত্ব রয়েছে। যেমন-
১. এলুমিনিয়াম ধাতু তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী।
২. ধাতুটি খুব হালকা এবং ভারবহনের ক্ষমতা আছে বলে এর ধাতু সংকরসমূহ উড়োজাহাজ, রেলগাড়ি, মটরগাড়ি, ট্রাম প্রভৃতির অংশ নির্মাণ করতে ব্যবহৃত হয়।
৩. বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং কপারের তুলনায় সস্তা বলে বৈদ্যুতিক কেবল হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়।
৪. হালকা বহনক্ষম সিড়ি নির্মাণে, বাসনপত্র, চেয়ার, বাক্স প্রভৃতি তৈরিতে এ ধাতু প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হয়।
৫. এলুমিনিয়ামের পাতলা পাত দিয়ে সিগারেট, চকলেট ও অনেক খাদ্য দ্রব্যের মোড়ক তৈরি করা হয়।
৬. চকচকে বার্নিশ তৈরিতে এলুমিনিয়াম চূর্ণ ব্যবহৃত হয়।
অতএব উপরোক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি যে, ফজলুল হক সাহেবের স্ত্রীর ব্যবহৃত পাত্রটির উপাদানের গুরুত্ব অপরিসীম।
রান্নার ক্ষেত্রে ফজলুল হক সাহেবের স্ত্রী বেশি সুবিধা পায়।
বিশ্লেষণ: উদ্দীপকে আমরা পাই, ফজলুল হক সাহেবের মা মাটির চুলায় মাটির পাতিলে রান্না করেন। অপরদিকে তার স্ত্রী গ্যাসের চুলায়এলুমিনিয়ামের পাত্রে রান্না করেন। ফজলুল হক সাহেবের মা মাটির চুলায় রান্না করার কারণে তিনি কম সুবিধা পান। কারণ, মাটি তাপ কুপরিবাহী বলে এর মধ্য দিয়ে তাপ চলাচল করে ধীরগতিতে। যার ফলে মাটির চুলায় মাটির পাতিলে রান্না করলে সহজে তাপ পাতিলের জিনিসকে সিদ্ধ করে না। এতে তার অনেক বেশি জ্বালানি খরচ করতে হয়। তাছাড়া মাটির চুলায় তিনি জ্বালানি হিসেবে যে কাঠ খড়ি ব্যবহার করেন আমরা জানি যে, তার প্রায় ৮৫ ভাগ নষ্ট হয়ে যায়। অন্যদিকে এলুমিনিয়ামের তাপ পরিবাহকত্ব মাটির তুলনায় অনেক বেশি। ফলে এলুমিনিয়ামের তৈরি পাত্রে রান্না করলে পাতিলের জিনিস তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয়। তাছাড়া এতে গ্যাস ব্যবহারের কারণে জ্বালানিও বেশি খরচ হয় না। ফজলুল হক সাহেবের স্ত্রী এ সুবিধাগুলো পেয়ে থাকেন, যা তার মা পায় না। তাই বলা যায়, রান্নার ক্ষেত্রে ফজলুল হক সাহেবের স্ত্রী তার মায়ের চেয়ে বেশি সুবিধা পায়।
যে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো তরল পদার্থ ফুটতে শুরু করে এবং বাষ্পে রূপান্তরিত হয়, তাই ঐ তরল পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক।
কোনো বস্তুর তাপ পরিবহনের ক্ষমতাকে ঐ বস্তুর তাপ পরিবাহিতা বলে। যেমন, কাচের চেয়ে লোহা দ্রুত তাপ পরিবহন করে। তাই লোহার তাপ পরিবাহিতা বেশি, কাচের তাপ পরিবাহিতা লোহার চেয়ে কম।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
