কোনো দ্রবণের মধ্যে তড়িৎ প্রবাহিত করে এর অণুগুলোকে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক অংশে বিভক্ত করার পদ্ধতিকে তড়িৎ বিশ্লেষণ বলে।
তড়িতের সিস্টেম লস: তড়িৎ উৎপাদন ও সরবরাহের মধ্য পথে। বিদ্যুতের অপচয়ই সিস্টেম লস। অর্থাৎ যে পরিমাণ তড়িৎ উৎপাদন কেন্দ্রে উৎপাদন করা হয় তার পুরোটা গ্রাহক পর্যায়ে না পৌছানোই হলো তড়িতের সিস্টেম লস।
লোডশেডিং: প্রয়োজন বা চাহিদার তুলনায় বিদ্যুতের উৎপাদন অনেক কম হলে, সব এলাকাতেই পর্যায়ক্রমে বিদ্যুতের সরবরাহ কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রাখা হয়। এ ঘটনাকেই বলা হয় লোডশেডিং।
উদ্দীপকের চিত্র-১ এর চিহ্নিত অংশটি হলো ব্যাটারি। নিচে ব্যাটারির গঠন ও কার্যক্রম চিত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যা করা হলো-
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে একটি তড়িৎ কোষকে ব্যাটারি বলে উল্লেখ করলেও প্রকৃতপক্ষে ব্যাটারি হলো একাধিক তড়িৎ কোষের সমন্বয়।। ব্যাটারিতে সাধারণত তিনটি অংশ থাকে। একটি অ্যানোড, একটি ক্যাথোড ও তড়িৎ বিশ্লেষ্য (ইলেকট্রোলাইট)। এ অ্যানোড ও ক্যাথোডকেই তড়িৎ বর্তনীতে সংযুক্ত করা হয়। অ্যানোড হলো। ধনাত্মক এবং ক্যাথোড হলো ঋণাত্মক তড়িদ্বার। ব্যাটারিতে রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে ক্যাথোডে ইলেকট্রন জমা হয়, অ্যানোডে ইলেকট্রন কম হয়। এর ফলে অ্যানোড ও ক্যাথোড়ের মধ্যে তড়িৎ বিভব পার্থক্য তৈরি হয়। এ অবস্থায় অ্যানোড ও ক্যাথোডকে পবিবাহী তার দ্বারা যুক্ত করলে বিদ্যুৎ প্রবাহ শুরু হয়।

উদ্দীপকে উল্লিখিত ১নং চিত্রে একটি সিরিজ বর্তনী এবং ২নং চিত্রে একটি সমান্তরাল বর্তনী দেখানো হয়েছে। বর্তনী দুটির মধ্যে ২নং চিত্রের বর্তনীটি অর্থাৎ সমান্তরাল বর্তনীর ব্যবহার অধিক সুবিধাজনক বলে আমি মনে করি। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
আমরা জানি, সিরিজ সংযোগে একই বিদ্যুৎ প্রবাহ দুটি বান্ধের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হয়। একটি বান্ধ বিদ্যুৎপ্রবাহে যতটুকু বাধা দেয়, দুটি বাল্ব তার চেয়ে বেশি বাধা দেয়। তাই একটি বাল্ব যত উজ্জ্বলভাবে জ্বলে দুটি বাধ তার চেয়ে কম উজ্জ্বলভাবে জ্বলে। ১নং চিত্রে সিরিজ বর্তনীর দুটি বাল্ব এর একটি বাম্ব ফিউজ হয়ে গেলে সমস্ত বর্তনীর মধ্যদিয়েই বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে অপর বাঘটি জ্বলে না। আবার সুইচ অন করলে একই সাথে দুটি বাৰ জ্বলে ওঠে। সুইচ অফ করলে একই সাথে দুটি বাল্ব নিভে যাবে। বাল্ব দুটিকে পৃথকভাবে জ্বালানো বা নিভানো যায় না।
অপরদিকে, ২নং চিত্রের সমান্তরাল বর্তনীটির বাম্বগুলোর সমান্তরাল সংযোগের ফলে প্রত্যেকটি বাম্বের মধ্যদিয়ে ভিন্ন ভিন্ন পথে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়। তাই সমান্তরাল বর্তনীর একটি বাল্ব ফিউজ হলেও অন্য বাঘটি জ্বলে। প্রতিটি বান্ধই পৃথক পৃথকভাবে জ্বালানো ও নেভানো যায়। প্রতিটি বান্ধের প্রান্তদ্বয়ের বিভব পার্থক্য একই থাকে। অর্থাৎ সমান্তরাল বর্তনীর প্রতিটি বাখই বিদ্যুৎ কোষের পূর্ণ বিদ্যুৎ চালকশক্তি পায়। ফলে বর্তনীর দুটি বাখই সমান উজ্জ্বলভাবে জ্বলে।
Related Question
View Allএকাধিক তড়িৎ কোষের সমন্বয়কে ব্যাটারি বলে।
ব্যাটারিতে তিনটি অংশ থাকে।
ব্যাটারিতে অ্যানোড ও ক্যাথোডের মাঝখানে ইলেকট্রোলাইট থাকে।
ব্যাটারি সেলে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অ্যানোড থেকে ইলেক্ট্রন ক্যাথোডে জমা হয়।
দুইটি সাধারণ ব্যাটারি সেলের বিভব পার্থক্য ৩ V।
ভূমির সাথে যুক্ত তারকে জীবন্ত তার বলে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
