নিচের চিত্রটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

ফসলের জিনগত বিন্যাস বদলানো অর্থাৎ বংশগতিতে পরিবর্তন এনে যে ফসল উৎপাদন করা হয় তাকে জেনেটিক্যাল মডিফাইড ক্রপ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

যেসব জাত অভিজ্ঞ কৃষকের পর্যবেক্ষণ চয়ন ও নিরীক্ষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মৌসুম নির্ভরতা এড়িয়ে বিশুদ্ধ-লাইন শনাক্ত ও উন্নয়ন করে তৈরি করা হয় তাদের কালটিভার বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

চিত্রের পদ্ধতিটি হলো গ্রিন হাউজ, যেখানে ফসলের জীবতাত্ত্বিক গুণাগুণ পরিবর্তন না করেই ফসল উৎপাদন করা হয়। এ ক্ষেত্রে উন্মুক্ত মাঠে বা উদ্যানে কাঙ্ক্ষিত ফসল উৎপাদন না করে গ্রিন হাউজে তা উৎপাদন করা হয়। অর্থাৎ বদ্ধ ঘরে কৃত্রিম উপায়ে ঐ ফসলের উপযুক্ত দিবস, দৈর্ঘ্য, পর্যাপ্ত আলো, উত্তাপ, বায়ুর আর্দ্রতাসহ পরিবেশগত যাবতীয় উপাদান সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়। অপরদিকে প্রত্যেক উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় সুষম পুষ্টি সরবরাহ করার যথাযথ ব্যবস্থা করা হয়। এই কৌশল বাস্তবায়নের প্রাথমিক পূর্বশর্ত হলো ফসলের পরিবেশ ও পুষ্টি সম্পর্কে বিস্তারিত এবং পরীক্ষিত তথ্যাদি। দ্বিতীয় শর্ত হলো প্রয়োজনীয় পরিবেশ সৃষ্টি ও পুষ্টি সরবরাহের নিখুঁত যান্ত্রিক ব্যবস্থা স্থাপন ও পরিচালনা। তৃতীয়, গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো নিরবচ্ছিন্ন শক্তির (বিদ্যুৎ) নিশ্চিত প্রবাহ। নিখুঁত আয়োজন. ও পরিচালনা নিশ্চিত করতে পারলে প্রায় যে কোনো উদ্যান ফসল এই কৌশল অবলম্বন সম্ভব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

চিত্রের গ্রিন হাউজ পদ্ধতিতে পরিবেশগত যাবতীয় উপাদান নিয়ন্ত্রণ করে এবং প্রয়োজনীয় সুষম পুষ্টি সরবরাহ করে বিশেষ করে উদ্যান ফসল উৎপাদন করা হয়। তবে যে কোনো উদ্যান ফসল এ পদ্ধতিতে চাষ করা গেলেও এর উৎপাদন খরচ অনেক বেশি পড়ে। কারণ এ প্রযুক্তিটি অতি মাত্রায় যন্ত্র নির্ভর। তাছাড়া এ বিশেষ কৌশলে উৎপাদন আয়োজন সম্পন্ন করে এ আয়োজন অলস বসিয়ে রাখার অর্থনৈতিক ঝুঁকি রয়ে যায়। অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে এ প্রযুক্তিটি স্বল্প পরিসরে চাহিদা সম্পন্ন ফসলের উৎপাদনের জন্য উপযোগী। বাংলাদেশের কৃষকরা বেশিরভাগই দরিদ্র এবং লেখাপড়ায় অজ্ঞ। তাদের এ প্রযুক্তি ব্যবহার করার আর্থিক সামর্থ্য যেমন নেই, তেমন নেই এর কারিগরী জ্ঞান। এমনকি বাংলাদেশে সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়েও এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসল উৎপাদনের পুরোপুরি সামর্থ্য ও সুবিধা বিদ্যমান নেই। তাই বিপুল পরিমাণে ফসল উৎপাদনে চিত্রের পদ্ধতিটি বাংলাদেশের জন্য সবক্ষেত্রে উপযোগী নয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
115

কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। এই শিল্পায়নের যুগেও বাংলাদেশ কৃষির উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল। আন্তর্জাতিক কৃষির সাথে তুলনা করলে অনেক ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে। বাংলাদেশ যেমন কৃষিপ্রধান দেশ আর আমরা মাছে-ভাতে বাঙালি তবুও ধান উৎপাদনে আমরা ভিয়েতনাম, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান প্রভৃতি দেশ হতে অনেক পিছিয়ে আছি। আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের কৃষিবিজ্ঞানীরা প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে যাচ্ছেন। একসময় বাংলাদেশে বিশ্বের ৭৫ ভাগ পাট উৎপাদন হতো। কিন্তু খানের চাহিদা ও কৃত্রিম আঁশের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার কারণে পাটের উৎপাদন কৃষকরা কমিয়ে দিয়েছেন। তবুও জাতীর আর বৃদ্ধিতে পার্ট অনেক অবদান রাখছে। পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে।

বাংলাদেশের বাজারে শুধু যে বাংলাদেশের পণ্যই পাওয়া যায় তা নয়, প্রতিবেশী দেশের পণ্যও বাজারে প্রবেশ করেছে। এতে বাংলাদেশের সাথে অন্য দেশের একটি প্রতিযোগিতামূলক বাজার সৃষ্টি হয়েছে।

বাংলাদেশের কৃষি ও বিশ্বের অন্যান্য দেশের কৃষির অবস্থা এ অধ্যায়ে পর্যালোচনা করা হয়েছে

 

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

  • কৃষিতে বিজ্ঞানীদের অবদান ব্যাখ্যা করতে পারব।
  •  আধুনিক কৃষি ফলন এবং আমাদের জীবনধারার পরিবর্তনের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারব। 
  • বাংলাদেশের সাথে বিশ্বের কয়েকটি নির্বাচিত দেশের কৃষির অগ্রগতির সম্পর্ক বর্ণনা করতে পারব।
  • বাংলাদেশের কৃষির সাথে কয়েকটি নির্বাচিত দেশের কৃষির তুলনা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

কৃষিতে বিজ্ঞানীদের দুটি অবদান নিম্নরূপ
১. নিরলস গবেষণার মাধ্যমে নতুন নতুন প্রযুক্তি সংযোজন করেছেন।
২. মাটির ধরন বিবেচনা করে কোন অঞ্চলে কোন ফসলে কী মাত্রায় সার প্রয়োগ করা হবে সে বিষয়ে কৃষকদের নির্দেশনা প্রদান করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
244
উত্তরঃ

কৃষিতে প্রতিনিয়ত যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন প্রযুক্তি। আর এসব প্রযুক্তি উদ্ভাবনে প্রতিনিয়ত কাজ করে চলছে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষকরা। তারা জলবায়ু, পরিবেশ, মাটি, পানি উৎপাদন পদ্ধতি এসব বিষয় বিবেচনায় এনে উচ্চতর গবেষণা করছেন। তাদের নিরলস গবেষণার ফলেই কৃষিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন প্রযুক্তি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
310
উত্তরঃ

বন্যা প্রতিরোধী ৪টি ধানের জাতের নাম হলো-
১. ব্রি ধান ২২,
৩. ব্রি ধান ৩৭,
২. ব্রি ধান ২৩,
৪. ব্রি ধান ৩৮।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
235
উত্তরঃ

গ্রামীণ সাংস্কৃতিক কাঠামোতে কৃষির ব্যাপক প্রভাব লক্ষ করা যায়। কৃষকের সাংস্কৃতিক জীবন ও জনমানুষের সাংস্কৃতিক ভাবনায় চমৎকার মেলবন্ধন লক্ষ করা যায়। যেমন- কৃষি সংক্রান্ত নানা বিষয়ে চারণ কবি খনার নানা মন্তব্য 'খনার বচন' নামে খ্যাত যা আমাদের সংস্কৃতিকে আরো সমৃদ্ধ করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
151
উত্তরঃ

ফসলের জন্য সারের মাত্রা নির্ধারণের শর্ত হলো-
১. পূর্ববর্তী ফসলে কোন মাত্রায় সার দেওয়া হয়েছে।
২. প্রয়োগকৃত সারের কোনগুলো নিঃশেষ হয়ে যায়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
192
উত্তরঃ

কৃত্রিম রাসায়নিক সারের উপর নির্ভরশীলতা কমানোর একটি উপায় হলো অণুজীব সার প্রয়োগ। এ ধরনের সার প্রয়োগে মাটির উর্বরতা বাড়ে, মাটিদ্ধ ফসফেট দ্রবীভূত হয়ে ফসলের গ্রহণোপযোগী হয়। সর্বোপরি ফসলের ফলন ও গুণগতমান বৃদ্ধি পায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
147
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews