নিচের চিত্রটি লক্ষ কর:

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

নিষিক্তকরণের পূর্বশর্ত হলো জননকোষ সৃষ্টি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

যেসব ফলের ফলত্বক পাতলা এবং পরিপক্ক হলে ত্বক শুকিয়ে ফেটে যায় তাকে নীরস ফল বলে। তেমনিভাবে ঢেঁড়সের ফলত্বক পাতলা এবং ফল পরিপক্ক হলে ত্বক শুকিয়ে ফেটে যায় এজন্য একে নীরস ফল বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে চিহ্নিত A চিত্রটি স্ব-পরাগায়নকে নির্দেশ করে। এক্ষেত্রে একই ফুলের মধ্যে পরাগায়ন সম্পন্ন হয়েছে। একই ফুলে বা একই গাছের ভিন্ন দুটি ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ন ঘটে তখন তাকে স্ব-পরাগায়ন বলে। এক্ষেত্রে কোনো বাহক বা মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না। স্ব-পরাগায়নে সৃষ্ট বীজ থেকে যে গাছ হয় তার বৈশিষ্ট্য হুবহু মাতৃউদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যের অনুরূপ। সরিষা, কুমড়া, ধুতুরা ইত্যাদি উদ্ভিদের ফুলে স্ব-পরাগায়ন ঘটে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত A ও B চিত্র দ্বারা যথাক্রমে স্ব-পরাগায়ন ও পর-পরাগায়নকে বুঝায়। স্ব-পরাগায়ন একই ফুলে বা একই গাছের দুটি ভিন্ন ফুলের মধ্যে সংঘটিত হয়। অপরদিকে পর-পরাগায়ন একই প্রজাতির দুটি ভিন্ন উদ্ভিদের ফুলের মধ্যে ঘটে। যেহেতু দুটি ভিন্ন উদ্ভিদের ফুলের মধ্যে পর-পরাগায়ন ঘটে তাই এখানে মাধ্যম বা বাহকের প্রয়োজন হয়। বাহকই পরাগরেণু বহন করে অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে নিয়ে যায়। বায়ু, পানি, কীটপতঙ্গ, পাখি, বাদুড়, শামুক এমনকি মানুষও পর-পরাগায়নের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে থাকে। মধু খেতে অথবা সুন্দর রঙের আকর্ষণে পতঙ্গ বা পাখি ফুলে ফুলে ঘুরে বেড়ায়। এ সময় পরাগরেণু বাহকের গায়ে লেগে পরবর্তী ফুলের গর্ভমুণ্ডে লেগে যায়। বাহকের অজান্তেই পরাগায়ন কাজটি হয়ে যায়। এভাবে পর-পরাগায়ন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়। তাই বলা যায়, পর-পরাগায়নের জন্য মাধ্যম অত্যাবশ্যক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
86

তোমরা লক্ষ করলে দেখবে একটি উদ্ভিদে বহু বীজ সৃষ্টি হয়। এই বীজগুলো থেকে নতুন উদ্ভিদ উৎপন্ন হয়। এছাড়া উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গ থেকেও নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়। এ সবই উদ্ভিদের প্রজনন বা বংশ বৃদ্ধির উদাহরণ।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
   • যৌন এবং অযৌন প্রজননের মধ্যে পার্থক্য করতে পারব;
   • পরাগায়ন ব্যাখ্যা করতে পারব;
   • বিভিন্ন প্রকার পরাগায়নের মধ্যে পার্থক্য করতে পারব,
   • পরিবেশে সংঘটিত স্ব-পরাগায়ন এবং পর-পরাগায়ন চিহ্নিত করে কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব;
   • নিষিক্তকরণ প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব;
   • পরীক্ষার মাধ্যমে অঙ্কুরোদগম প্রদর্শন করতে পারব;

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রজনন বা জনন প্রধানত দুই প্রকার। যথা-
১. অযৌন জনন ও
২. যৌন জনন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
183
উত্তরঃ

টিউবার এক ধরনের রূপান্তরিত কান্ড। কিছু কিছু উদ্ভিদে মাটির নিচের শাখার অগ্রভাগে খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে স্ফীত হয়ে কন্দের সৃষ্টি করে, এদের টিউবার বলে। ভবিষ্যতে এ কন্দ জননের কাজ করে। কন্দের গায়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গর্ত থাকে। এগুলো দেখতে চোখের মতো তাই এদের চোখ বলা হয়। একটি চোখের মধ্যে একটি কুঁড়ি থাকে। আঁশের মতো অসবুজ পাতার (শঙ্কপত্র) কক্ষে এসব কুঁড়ি জন্মে। প্রতিটি চোখ থেকে একটি স্বাধীন উদ্ভিদের জন্ম হয়, যেমন- আলু।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
562
উত্তরঃ

উদ্দীপকে পুরবী কৃত্রিম অঙ্গজ প্রজননের কলম পদ্ধতির মাধ্যমে উক্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। নিচে প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা হলো-
কলম করার জন্য প্রথমে একটি সুস্থ গাছের কচি ও সতেজ শাখা নির্বাচন করা হয়। উপযুক্ত স্থানে বাকল সামান্য কেটে নিতে হয়। এবার ঐ ক্ষত স্থানটি মাটি ও গোবর মিশিয়ে ভালোভাবে আবৃত করে দিতে হবে। এবার সেলোফেন টেপ অথবা পলিথিন দিয়ে এ স্থানটি মুড়ে দিতে হবে যাতে পানি লেগে মাটি ও গোবরের মিশ্রণ খসে না পড়ে। নিয়মিত পানি দিয়ে এ অংশটি ভিজিয়ে দিতে হবে। এভাবে কিছুদিন রেখে দিলে এ স্থানে মূল গজাবে। এর পরে মূলসহ শাখার এ অংশটি মাতৃউদ্ভিদ থেকে কেটে নিয়ে মাটিতে রোপণ করে দিলে নতুন একটি উদ্ভিদ হিসেবে বেড়ে উঠবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
127
উত্তরঃ

পুরবী তার কুল গাছের ফলন বৃদ্ধির জন্য কৃত্রিম অঙ্গজ প্রজননের কলম পদ্ধতিটি বেছে নেওয়ার যৌক্তিকতা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-
যেহেতু পুরবীর কুল গাছের ফলন কম ছিল। তাই সে তার গাছের ফলন বৃদ্ধির জন্য পাশের বাড়ির রানুদের ভালো জাতের কুল গাছকে নিজের গাছে কৃত্রিম অঙ্গজ প্রজননের কলম পদ্ধতির মাধ্যমে প্রতিস্থাপন করে কৃত্রিম অঙ্গজ প্রজননের মাধ্যমে মাতৃউদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণ করা যায়। অর্থাৎ মাতৃউদ্ভিদের মতো একইরকম গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ উৎপন্ন করা সম্ভব হয়। এ কারণে কৃত্রিম অঙ্গজ প্রজননের মাধ্যমে পুরবী তার কুল গাছে কাঙ্ক্ষিত ফলন লাভ করে। রানুদের কুল গাছের মতো সেও এখন তার গাছ থেকে ভালো জাতের কুল পাচ্ছে। এছাড়াও মাতৃউদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যও সংরক্ষিত হচ্ছে।
তাই বলা যায় যে, ভালো মানের কুল পাওয়া ও ফলন বৃদ্ধির জন্য পুরবী কৃত্রিম অঙ্গজ প্রজননের যে প্রক্রিয়াটি বেছে নিয়েছে তা সম্পূর্ণ যৌক্তিক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
136
উত্তরঃ

দুটি ভিন্ন প্রকৃতির গ্যামিটের মিলনের মাধ্যমে যে জনন ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে যৌন প্রজনন বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
219
উত্তরঃ

কচু গাছের প্রজনন স্টোলনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। স্টোলন হচ্ছে কচু গাছের শাখাকান্ড। এগুলো প্রজননের জন্যই পরিবর্তিত হয়। স্টোলনের মাথায় বা অগ্রভাগে মুকুল উৎপন্ন হয়। উপযুক্ত পরিবেশে এ মুকুল বড় হতে থাকে এবং পূর্ণাঙ্গ কচু গাছ জন্ম লাভ করে। এভাবেই স্টোলনের সাহায্যে কচু গাছের প্রজনন সম্পন্ন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
269
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews