নিচের চিত্রটি লক্ষ কর-

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

নিষিক্তকরণের পর গর্ভাশয় এককভাবে অথবা ফুলের অন্যান্য অংশসহ পরিপুষ্ট হয়ে যে অঙ্গ গঠন করে তাকে ফল বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

কাণ্ডের শীর্ষমুকুল বা কাক্ষিক মুকুল থেকে উৎপন্ন একটি শাখায় ফুলগুলো বিশেষ একটি নিয়মে সাজানো থাকে। ফুলসহ এই শাখাকে পুষ্পমঞ্জরি বলে। পরাগায়নের জন্য এর গুরুত্ব খুব বেশি। এ শাখার। বৃদ্ধি অসীম হলে অনিয়ত পুষ্পমঞ্জরি ও বৃদ্ধি সসীম হলে তাকে নিয়ত পুষ্পমঞ্জরি বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে প্রদর্শিত চিত্রের, "A" চিহ্নিত অংশটি হলো ডিম্বক। ডিম্বক থেকে ডিম্বাণু সৃষ্টির প্রক্রিয়া নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

ফুলের গর্ভাশয়ের অভ্যন্তরে ডিম্বক থাকে। এ স্থানে স্ত্রীজনন মাতৃকোষ সৃষ্টি হয়। এ কোষটি মিয়োসিস বিভাজনের মাধ্যমে চারটি হ্যাপ্লয়েড স্ত্রীরেণু কোষ সৃষ্টি করে। যার তিনটি নষ্ট হয়ে যায়। জীবিত কোষটির নিউক্লিয়াস মাইটোসিস বিভাজনের মাধ্যমে একটি থেকে দুটি, দুটি থেকে চারটি এবং শেষে চারটি থেকে আটটি নিউক্লিয়াস সৃষ্টি করে। এ আটটি নিউক্লিয়াস একটি থলির ন্যায় অঙ্গের দুই মেরুতে অবস্থান করে। থলির ন্যায় এ অঙ্গকে ভ্রূণথলি বলে।

ভূণথলির দুই মেরু হতে একটি করে নিউক্লিয়াস থলির মাঝখানে চলে আসে এবং পরস্পর মিলিত হয়ে সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াস তৈরি করে। ডিম্বক রন্দ্রের দিকে অবস্থিত মেরুর তিনটি নিউক্লিয়াসকে একত্রে ডিম্বাণু যন্ত্র বলে। ডিম্বাণু যন্ত্রের তিনটি নিউক্লিয়াসের মাঝখানেরটি অপেক্ষাকৃত বড় এবং এটি হলো ডিম্বাণু বা স্ত্রীগ্যামেট।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে B ও C' দ্বারা যথাক্রমে স্ত্রীস্তবক বা গর্ভকেশর ও পুংস্তবক
বা পুংকেশরকে নির্দেশ করে। পরাগায়নের ক্ষেত্রে স্ত্রীস্তবক ও পুংস্তবকের ভূমিকা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-

পুংকেশরের শীর্ষে থলির মতো অংশকে পরাগধানী বলে। পরাগধানীর মধ্যে পরাগরেণু উৎপন্ন হয়। পরাগরেণু থেকে পুংগ্যামেট উৎপন্ন হয়।
আবার গর্ভকেশরে নিচে গর্ভাশয়ের ভিতরে সাজানো ডিম্বকে স্ত্রী জনন কোষ বা স্ত্রীগ্যামেট উৎপন্ন হয়। পরাগায়নের ফলে পরাগধানী থেকে পরাগরেণু ফুলের গর্ভমুণ্ডে পতিত হয়। এখান থেকে নিঃসৃত রস শুষে নিয়ে এটি ফুলে উঠে এবং এ আবরণ ভেদ করে একটি নালি বেরিয়ে আসে। এটি পরাগনালি। পরাগনালি গর্ভদণ্ড ভেদ করে গর্ভাশয়ে ডিম্বকের কাছে গিয়ে পৌছে। ইতোমধ্যে এ পরাগনালিতে দুটি পুংগ্যামেট সৃষ্টি হয়। ডিম্বকের ভেতর পৌছে এ নালিকা ফেটে যায় এবং পুংগ্যামেট দুটি মুক্ত হয়। ডিম্বকের ভেতর ভ্রূণথলি থাকে। এর মধ্যে স্ত্রীগ্যামেট বা ডিম্বাণু উৎপন্ন হয়। একটি পুংগ্যামেট অন্য একটি স্ত্রীগ্যামেটের সঙ্গে মিলিত হয়। এভাবে নিষিক্তকরণ প্রকিয়া শেষ হয়। অন্য পূংগ্যামেটটি গৌণ কেন্দ্রিকার সাথে মিলিত হয় এবং সস্যকণা উৎপন্ন করে। নিষিক্তকরণ প্রক্রিয়া শেষ হলেই ফল গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। নিষিক্তকরণ প্রক্রিয়া গর্ভাশয়ে যে উদ্দীপনার সৃষ্টি করে তার কারণে ধীরে ধীরে গর্ভাশয়টি ফলে পরিণত হয়। এর ডিম্বকগুলো বীজে রূপান্তরিত হয়। এই বীজ থেকে পুনরায় নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়। এভাবেই উদ্ভিদের বংশগতি রক্ষা পায়।
সুতরাং বলা যায়, পরাগধানী ও গর্ভাশয়ের সংযোজন অর্থাৎ পুংগ্যামেট ও স্ত্রীগ্যামেটের সংযোজনের ফলেই বীজ সৃষ্টি হয় যা উদ্ভিদের বংশবিস্তারে সহায়ক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
85

তোমরা লক্ষ করলে দেখবে একটি উদ্ভিদে বহু বীজ সৃষ্টি হয়। এই বীজগুলো থেকে নতুন উদ্ভিদ উৎপন্ন হয়। এছাড়া উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গ থেকেও নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়। এ সবই উদ্ভিদের প্রজনন বা বংশ বৃদ্ধির উদাহরণ।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
   • যৌন এবং অযৌন প্রজননের মধ্যে পার্থক্য করতে পারব;
   • পরাগায়ন ব্যাখ্যা করতে পারব;
   • বিভিন্ন প্রকার পরাগায়নের মধ্যে পার্থক্য করতে পারব,
   • পরিবেশে সংঘটিত স্ব-পরাগায়ন এবং পর-পরাগায়ন চিহ্নিত করে কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব;
   • নিষিক্তকরণ প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব;
   • পরীক্ষার মাধ্যমে অঙ্কুরোদগম প্রদর্শন করতে পারব;

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রজনন বা জনন প্রধানত দুই প্রকার। যথা-
১. অযৌন জনন ও
২. যৌন জনন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
182
উত্তরঃ

টিউবার এক ধরনের রূপান্তরিত কান্ড। কিছু কিছু উদ্ভিদে মাটির নিচের শাখার অগ্রভাগে খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে স্ফীত হয়ে কন্দের সৃষ্টি করে, এদের টিউবার বলে। ভবিষ্যতে এ কন্দ জননের কাজ করে। কন্দের গায়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গর্ত থাকে। এগুলো দেখতে চোখের মতো তাই এদের চোখ বলা হয়। একটি চোখের মধ্যে একটি কুঁড়ি থাকে। আঁশের মতো অসবুজ পাতার (শঙ্কপত্র) কক্ষে এসব কুঁড়ি জন্মে। প্রতিটি চোখ থেকে একটি স্বাধীন উদ্ভিদের জন্ম হয়, যেমন- আলু।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
562
উত্তরঃ

উদ্দীপকে পুরবী কৃত্রিম অঙ্গজ প্রজননের কলম পদ্ধতির মাধ্যমে উক্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। নিচে প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা হলো-
কলম করার জন্য প্রথমে একটি সুস্থ গাছের কচি ও সতেজ শাখা নির্বাচন করা হয়। উপযুক্ত স্থানে বাকল সামান্য কেটে নিতে হয়। এবার ঐ ক্ষত স্থানটি মাটি ও গোবর মিশিয়ে ভালোভাবে আবৃত করে দিতে হবে। এবার সেলোফেন টেপ অথবা পলিথিন দিয়ে এ স্থানটি মুড়ে দিতে হবে যাতে পানি লেগে মাটি ও গোবরের মিশ্রণ খসে না পড়ে। নিয়মিত পানি দিয়ে এ অংশটি ভিজিয়ে দিতে হবে। এভাবে কিছুদিন রেখে দিলে এ স্থানে মূল গজাবে। এর পরে মূলসহ শাখার এ অংশটি মাতৃউদ্ভিদ থেকে কেটে নিয়ে মাটিতে রোপণ করে দিলে নতুন একটি উদ্ভিদ হিসেবে বেড়ে উঠবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
127
উত্তরঃ

পুরবী তার কুল গাছের ফলন বৃদ্ধির জন্য কৃত্রিম অঙ্গজ প্রজননের কলম পদ্ধতিটি বেছে নেওয়ার যৌক্তিকতা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-
যেহেতু পুরবীর কুল গাছের ফলন কম ছিল। তাই সে তার গাছের ফলন বৃদ্ধির জন্য পাশের বাড়ির রানুদের ভালো জাতের কুল গাছকে নিজের গাছে কৃত্রিম অঙ্গজ প্রজননের কলম পদ্ধতির মাধ্যমে প্রতিস্থাপন করে কৃত্রিম অঙ্গজ প্রজননের মাধ্যমে মাতৃউদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণ করা যায়। অর্থাৎ মাতৃউদ্ভিদের মতো একইরকম গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ উৎপন্ন করা সম্ভব হয়। এ কারণে কৃত্রিম অঙ্গজ প্রজননের মাধ্যমে পুরবী তার কুল গাছে কাঙ্ক্ষিত ফলন লাভ করে। রানুদের কুল গাছের মতো সেও এখন তার গাছ থেকে ভালো জাতের কুল পাচ্ছে। এছাড়াও মাতৃউদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যও সংরক্ষিত হচ্ছে।
তাই বলা যায় যে, ভালো মানের কুল পাওয়া ও ফলন বৃদ্ধির জন্য পুরবী কৃত্রিম অঙ্গজ প্রজননের যে প্রক্রিয়াটি বেছে নিয়েছে তা সম্পূর্ণ যৌক্তিক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
136
উত্তরঃ

দুটি ভিন্ন প্রকৃতির গ্যামিটের মিলনের মাধ্যমে যে জনন ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে যৌন প্রজনন বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
218
উত্তরঃ

কচু গাছের প্রজনন স্টোলনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। স্টোলন হচ্ছে কচু গাছের শাখাকান্ড। এগুলো প্রজননের জন্যই পরিবর্তিত হয়। স্টোলনের মাথায় বা অগ্রভাগে মুকুল উৎপন্ন হয়। উপযুক্ত পরিবেশে এ মুকুল বড় হতে থাকে এবং পূর্ণাঙ্গ কচু গাছ জন্ম লাভ করে। এভাবেই স্টোলনের সাহায্যে কচু গাছের প্রজনন সম্পন্ন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
269
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews