নিচের চিত্রটি লক্ষ কর-

Updated: 2 weeks ago
উত্তরঃ

মূল ও কাণ্ডের অন্তঃত্বকের নিচে এবং পরিবহন টিস্যুর বাইরে এক বা একাধিক স্তরে বিন্যস্ত টিস্যুকে পেরিসাইকল বা পরিচক্র বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

যপত্ররন্দ্র ও হাইডাথোডের বিশেষত্ব হলো-
পাতায় উর্ধ্ব ও নিম্ন ত্বকে এবং কচি কাণ্ডে অবস্থিত দুটি রক্ষীকোষ দ্বারা পরিবেষ্টিত সূক্ষ্ম রন্দ্রকে পত্ররন্দ্র বলে। পত্ররন্দ্রের মাধ্যমে দেহের অতিরিক্ত পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়। এটি দিনের বেলায় বেশি হয়। অপরদিকে, হাইডাথোড বা পানিপত্ররন্ধ্র হলো পাতার কিনারায় বা শীর্ষে অবস্থিত এক ধরনের সূক্ষ্ম ছিদ্রবিশেষ। যার মাধ্যমে পানি ফোঁটায় ফোঁটায় তরলাকারে দেহ থেকে নির্গত হয়। এটি রাতের বেলায় বেশি হয়। যেমন- কচু, টমেটো, কচুরি পানা, ঘাস ইত্যাদি উদ্ভিদে হাইডাথোড দেখা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'A' হলো কচুর মূল যার ভাস্কুলার বান্ডল অরীয়। অরীয় ভাস্কুলার বান্ডলে জাইলেম ও ফ্লোয়েম ভিন্ন ভিন্ন ব্যাসার্ধে পাশাপাশি অবস্থান করে। অরীয় ভাস্কুলার বান্ডল সাধারণত একবীজপত্রী উদ্ভিদের (কচু) মূলে পাওয়া যায়। নিচে একবীজপত্রী উদ্ভিদের মূল তথা কচুর মূলের প্রচ্ছচ্ছেদ অঙ্কন করে দেখানো হলো-

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'B' চিহ্নিত অংশটি হলো ভাজক টিস্যু। অবস্থান ও কাজের ভিত্তিতে ভাজক টিস্যু আলাদা বা ভিন্ন প্রকৃতির। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
অবস্থানের ভিত্তিতে ভাজক টিস্যুর শ্রেণিবিন্যাস: অবস্থানের ভিত্তিতে ভাজক টিস্যু ৩ প্রকার। যথা- ১. শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যু, ২. নিবেশিত ভাজক টিস্যু ও ৩. পার্শ্বীয় ভাজক টিস্যু। নিচে টিস্যুগুলোর বর্ণনা করা হলো-

১. শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যু: মূল, কাণ্ড বা এদের শাখা-প্রশাখার শীর্ষে অবস্থিত ভাজক টিস্যুকেই শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যু বলে। কতক পাতা ও ফলের শীর্ষেও ভাজক টিস্যু থাকতে পারে। শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যুর বিভাজনের মাধ্যমেই এসব অঙ্গ দৈর্ঘ্যে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়। এরা প্রাথমিক স্থায়ী টিস্যু তৈরি করে থাকে। পুষ্পক উদ্ভিদে শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যু একাধিক কোষ দিয়ে গঠিত। এরা প্রাইমারি টিস্যু।

২. নিবেশিত ভাজক টিস্যু: দুটি স্থায়ী টিস্যুর মাঝখানে অবস্থিত ভাজক টিস্যুকে ইন্টারক্যালারি বা নিবেশিত ভাজক টিস্যু বলে। অঙ্গসমূহের বৃদ্ধির সময় শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যু হতে কিয়দাংশ পৃথক হয়ে এ প্রকার ভাজক টিস্যু সৃষ্টি করে। এরা পত্রমূলে, মধ্যপর্বের গোড়ায় থাকতে পারে।

৩. পার্শ্বীয় ভাজক টিস্যু: মূল বা কান্ডের পার্শ্ব বরাবর লম্বালম্বিভাবে অবস্থিত টিস্যুকে পার্শ্বীয় ভাজক টিস্যু বলে। এ প্রকার টিস্যুও দুটি স্থায়ী টিস্যুর মাঝখানে অবস্থিত। এরা স্থায়ী টিস্যু হতে উৎপন্ন হয়, তাই এরা সেকেন্ডারি ভাজক টিস্যু। এদের বিভাজনের ফলে মূল ও কান্ডের বৃদ্ধি প্রস্থে হয়ে থাকে। কর্ক ক্যাম্বিয়াম, ইন্টারফেসিকুলার ক্যাম্বিয়াম প্রভৃতি পার্শ্বীয় ভাজক টিস্যুর উদাহরণ।

কাজের ভিত্তিতে ভাজক টিস্যুর শ্রেণিবিন্যাস: কাজের ভিত্তিতে ভাজক টিস্যুকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-

১. প্রোটোডার্ম: যে ভাজক টিস্যুর কোষগুলো অরীয়ভাবে বিভাজনের মাধ্যমে উদ্ভিদদেহের ত্বক সৃষ্টি করে তাকে প্রোটোডার্ম বলে। এরা মূল, কাণ্ড ও এদের শাখা-প্রশাখার ত্বক (মূলে এপিরেমা এবং কাণ্ডে এপিডার্মিস) সৃষ্টি করে।

২. প্রোক্যাম্বিয়াম : শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যুর কতিপয় লম্বা ও সুচালো কোষ একত্রিত হয়ে প্রোক্যাম্বিয়াম গঠন করে। ক্যাম্বিয়াম, জাইলেম ও ফ্লোয়েম সৃষ্টিকারী ভাজক টিস্যুকে প্রোক্যাম্বিয়াম বলে। পরিবহন টিস্যু বা ভাস্কুলার বান্ডল সৃষ্টি করাই প্রোক্যাম্বিয়ামের কাজ। দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের কান্ডে প্রোক্যাম্বিয়াম এর গুচ্ছগুলো রিং আকারে সাজানো থাকে। অপরদিকে একবীজপত্রী উদ্ভিদের কান্ডে গ্রাউন্ড টিস্যুতে বিক্ষিপ্তভাবে ছড়ানো থাকে।

৩. গ্রাউন্ড মেরিস্টেম: শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যুর যে অংশ বরাবর বিভাজিত হয়ে কর্টেক্স, মজ্জা, মজ্জারশ্মি সৃষ্টি করে তাকে গ্রাউন্ড মেরিস্টেম বলে। অর্থাৎ প্রোটোডার্ম ও প্রোক্যাম্বিয়াম ব্যতীত প্রাথমিক ভাজক টিস্যুর বাকী অংশকে গ্রাউন্ড মেরিস্টেম বলে। এর কাজ হলো উদ্ভিদদেহের মূল ভিত্তি (কর্টেক্স, মজ্জা, মজ্জারশ্মি, পরিচক্র) সৃষ্টি করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
8

টিস্যু ও টিস্যুতন্ত্রঃ একই উৎস থেকে সৃষ্ট, একই ধরনের কাজ সম্পন্নকারী সমধর্মী একটি অবিচ্ছিন্ন কোষগুচ্ছকে বলা হয় টিস্যু বা কোষকলা বলা হয়। আবার কতকগুলো টিস্যু যখন উদ্ভিদের এক একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে অবস্থান করে নানা ধরনের কাজ সম্পন্ন করে তখন তাদের সমষ্টিকে টিস্যুতন্ত্র বলা হয়। সাধারণত একটি উদ্ভিদে বিভিন্ন ধরনের টিস্যু থাকে। তবে সব রকমের টিস্যুকে, টিস্যু গঠনকারী কোষের বিভাজন অনুযায়ী দুটি ভাগে ভাগ করা যায়; যথা-

ভাজক টিস্যু ও স্থায়ী টিস্যু। 

Related Question

View All
উত্তরঃ

যে ভাজক টিস্যুর কোষসমূহ উদ্ভিদদেহের ত্বক সৃষ্টি করে তাই প্রোটোডার্ম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
15
উত্তরঃ

অন্তঃত্বকের কোষগুলো ঘনসন্নিবেশিত ও পিপার ন্যায় আকৃতিবিশিষ্ট। এদের মধ্যে কোনো আন্তঃকোষীয় অবকাশ থাকে না। দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের কান্ডে অন্তঃত্বক থাকলেও একবীজপত্রী উদ্ভিদের কাণ্ডে তা থাকে না। তবে উভয় ধরনের মূলেই অন্তঃত্বক আছে। মূলের অন্তঃত্বকের প্রাচীরে সুবেরিন ও লিগনিন যুক্ত হয়ে সরু ফিতার ন্যায় স্তর সৃষ্টি হয়। ফিতার ন্যায় এ স্তরটির নাম ক্যাসপেরিয়ান স্ট্রিপ। বিজ্ঞানী ক্যাসপেরি (Caspary) এটি প্রথম শনাক্ত করেন বলেই এর নাম ক্যাসপেরিয়ান স্ট্রিপ বা ফিতা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
17
উত্তরঃ

উদ্দীপকে A হলো পত্ররন্ধ্র। নিচে পত্ররন্দ্রের গঠন বর্ণনা করা হলো-পাতার (এবং কচি কান্ডের) ঊর্ধ্ব ও নিম্নতলের বহিঃত্বকে (এপিডার্মিসে) অবস্থিত দুটি রক্ষীকোষ দিয়ে পরিবেষ্টিত সূক্ষ্ম রন্দ্রকে পত্ররন্দ্র বা স্টোম্যাটা বলে। পত্ররন্দ্র শুধু বিশেষ আকৃতির ছিদ্র নয়, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষুদ্রাঙ্গ। এ অঙ্গের মাধ্যমে কয়েকটি শারীরতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রিত হয়। এর মাধ্যমে প্রস্বেদন ও সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়। এর সাথে পত্ররন্দ্র খোলা বা বন্ধ হওয়ার বিষয়টিও নিয়ন্ত্রিত হয়। পত্ররন্দ্রের রক্ষীকোষে একটি সুস্পষ্ট নিউক্লিয়াস, বহু ক্লোরোপ্লাস্ট ও ঘন সাইটোপ্লাজম থাকে।
রক্ষীকোষে প্রচুর ক্লোরোপ্লাস্ট থাকায় এটি খাদ্য তৈরি করে। রক্ষীকোষের চারদিকে অবস্থিত সাধারণ ত্বকীয় কোষ হতে একটু ভিন্ন আকার-আকৃতির ত্বকীয় সহকারি কোষ থাকে।

স্টোম্যাটার নিচে একটি বড় বায়ুকুঠুরী থাকে। প্রজাতির উপর নির্ভর করে পাতার প্রতি এক বর্গ সেন্টিমিটার এলাকায় ১,০০০ হতে ৬০,০০০ পত্ররন্দ্র থাকতে পারে। অধিকাংশ উদ্ভিদের পত্ররন্দ্র সকাল ১০-১১টা এবং বিকাল ২-৩টায় পূর্ণ খোলা থাকে, অন্যান্য সময় আংশিক খোলা থাকে এবং রাত্রিতে বন্ধ থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
15
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্র-১ এর M এবং N দ্বারা ফ্লোয়েম এবং জাইলেমকে হয়েছে। জাইলেম ও ফ্লোয়েম নিয়ে গঠিত যে টিস্যুতন্ত্রের প্রতিনিধিত্ব করে তা হলো উদ্ভিদের সংবহনে অংশগ্রহণকারী টিস্যুগুচ্ছকে ভাস্কুলার বান্ডল বা পরিবহন টিস্যুগুচ্ছ বলে। জাইলেম ও ফ্লোয়েমের অবস্থানের ভিত্তিতে ভাস্কুলার বান্ডলকে তিন ভাগে ভাগকরা যায়। যথা- ১. সংযুক্ত ২. অরীয় এবং ৩. কেন্দ্রিক। নিচে ভাস্কুলার বান্ডলের শ্রেণিবিন্যাস বর্ণনা করা হলো-

১. সংযুক্ত : জাইলেম এবং ফ্লোয়েম একই ব্যাসার্ধের উপর একই গুচ্ছে যুক্তভাবে অবস্থান করলে তাকে সংযুক্ত ভাস্কুলার বান্ডল বলে। ফ্লোয়েমের সংখ্যা ও অবস্থানের উপর নির্ভর করে সংযুক্তভাস্কুলার বান্ডলকে আবার দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা: i. সমপার্শ্বীয় এবং ii. সমদ্বিপার্শ্বীয়।
i. সমপার্শ্বীয়: যে সংযুক্ত ভাস্কুলার বান্ডলে জাইলেম ও ফ্লোয়েম একত্রে সংযুক্তভাবে একই ব্যাসার্ধে অবস্থান করে এবং ফ্লোয়েম বাইরের দিকে ও জাইলেম ভেতরের দিকে বিন্যস্ত থাকে তাকে সমপার্শ্বীয় ভাস্কুলার বান্ডল বলে। ক্যাম্বিয়ামের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে এই ভাস্কুলার বান্ডলকে আবার নিম্নলিখিত দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

(a) মুক্ত সমপার্শ্বীয়: যে সমপার্শ্বীয় ভাস্কুলার বান্ডলে জাইলেম ও ফ্লোয়েমের মধ্যে যখন ক্যাম্বিয়াম নামক ভাজক টিস্যু উপস্থিত থাকে তখন তাকে মুক্ত সমপার্শ্বীয় ভাস্কুলার বান্ডল বলে। যেমন-দ্বিবীজপত্রী ও নগ্নবীজী উদ্ভিদের কান্ডের ভাস্কুলার বান্ডল (সূর্যমুখী, রক্তদ্রোণ ইত্যাদি)।

(b) বন্ধ সমপার্শ্বীয়: যে সমপার্শ্বীয় ভাস্কুলার বান্ডলের জাইলেম ও ফ্লোয়েমের মধ্যে ক্যাম্বিয়াম অনুপস্থিত থাকে, তাকে বন্ধ সমপার্শ্বীয় ভাস্কুলার বান্ডল বলে। যেমন- একবীজপত্রী উদ্ভিদের কান্ডের ভাস্কুলার বান্ডল।

ii . সমদ্বিপার্শ্বীয়: যে সংযুক্ত ভাস্কুলার বান্ডলে একই ব্যাসার্ধের মাঝখানে জাইলেম এবং তার দু'পাশে (বাইরের ও ভিতরের দিকে) ক্যাম্বিয়াম ও ফ্লোয়েম থাকে, তখন তাকে সমদ্বিপার্শ্বীয় ভাস্কুলার বান্ডল বলে। যেমন- দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের কান্ড (লাউ, কুমড়া ইত্যাদি)।

২. অরীয়: যে ভাস্কুলার বান্ডল জাইলেম এবং ফ্লোয়েম একত্রে একটি বান্ডলের সৃষ্টি না করে পৃথক পৃথকভাবে ভিন্ন ভিন্ন বান্ডলের সৃষ্টি করে এবং জাইলেম বান্ডল ও ফ্লোয়েম বান্ডল ভিন্ন ভিন্ন ব্যাসার্ধে পাশাপাশি অবস্থান করে তাকে অরীয় ভাস্কুলার বান্ডল বলে। পুষ্পক উদ্ভিদের মূলে এ ধরনের ভাস্কুলার বান্ডল দেখা দেয়।

৩.কেন্দ্রিক জাইলেম অথবা ফ্লোয়েম টিস্যুর যেকোনো একটি কেন্দ্রে থাকে এবং অন্যটি তাকে চারদিক থেকে ঘিরে রাখলে তাকে কেন্দ্রিক ভাস্কুলার বান্ডল বলে। কেন্দ্রিক ভাস্কুলার বান্ডলকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা- (i) হ্যাড্রোসেন্ট্রিক এবং (ii) লেন্টোসেন্ট্রিক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
15
উত্তরঃ

মূল ও কাণ্ডের অন্তঃত্বকের নিচে এবং পরিবহন টিস্যুর বাইরে এক বা একাধিক স্তরে বিন্যস্ত টিস্যুকে পেরিসাইকল বা পরিচক্র বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
22
উত্তরঃ

যপত্ররন্দ্র ও হাইডাথোডের বিশেষত্ব হলো-
পাতায় উর্ধ্ব ও নিম্ন ত্বকে এবং কচি কাণ্ডে অবস্থিত দুটি রক্ষীকোষ দ্বারা পরিবেষ্টিত সূক্ষ্ম রন্দ্রকে পত্ররন্দ্র বলে। পত্ররন্দ্রের মাধ্যমে দেহের অতিরিক্ত পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়। এটি দিনের বেলায় বেশি হয়। অপরদিকে, হাইডাথোড বা পানিপত্ররন্ধ্র হলো পাতার কিনারায় বা শীর্ষে অবস্থিত এক ধরনের সূক্ষ্ম ছিদ্রবিশেষ। যার মাধ্যমে পানি ফোঁটায় ফোঁটায় তরলাকারে দেহ থেকে নির্গত হয়। এটি রাতের বেলায় বেশি হয়। যেমন- কচু, টমেটো, কচুরি পানা, ঘাস ইত্যাদি উদ্ভিদে হাইডাথোড দেখা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
13
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews