নিচের চিত্রটি লক্ষ কর:

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

একটি গ্রিন হাউজ গ্যাস হচ্ছে কার্বন ডাইঅক্সাইড।

Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়ছে। এতে পৃথিবীর তাপমাত্রাও ধীরে ধীরে বাড়ছে। ফলে পৃথিবী গরম হয়ে উঠছে। পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির এ প্রক্রিয়াটিই হচ্ছে গ্লোবাল ওয়ার্মিং বা বৈশ্বিক উষ্ণায়ন।

Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্রে গ্রিন হাউজ বা কাচের ঘরকে দেখানো হয়েছে।
নিচে বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হলো-শীতপ্রধান দেশে তীব্র শীতে গাছপালা টিকে থাকতে পারে না। তীব্র শীতে শাকসবজি ফলানোর জন্য কাচের ঘর তৈরি করা হয় যাকে গ্রিন হাউজ বলা হয়। শীতকালে অল্প সময় যখন রোদ থাকে, তখন সূর্যের আলো কাচ ভেদ করে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে এবং ঘরের বায়ু, গাছ ও মাটিকে উত্তপ্ত করে। ঘরের উত্তাপ স্বাভাবিকভাবে বিকিরিত হয়ে বাইরে চলে যেতে চায়। কিন্তু তা কাচ ভেদ করে বাইরে যেতে পারে না। ফলে কাচের ঘর রাতের বেলায়ও গরম থাকে এবং ভেতরের শাকসবজি বেঁচে থাকে।

Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

সূর্যের আলো ও তাপ পৃথিবীকে গরম রাখে। এ আলো ও তাপ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ভেতর দিয়ে এসে ভূপৃষ্ঠকে উত্তপ্ত করে। উত্তাপের অনেকটাই আবার বিকিরিত হয়ে ফিরে যায় মহাশূন্যে। এ কারণে পৃথিবী খুব বেশি উত্তপ্ত হয় না। পৃথিবীর চারদিকে বায়ুমণ্ডল কিছুটা তাপ ধরে রাখে বিধায় পৃথিবী তাপ হারিয়ে বেশি ঠান্ডা হতেও পারে না। বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ যদি বেড়ে যায় তাহলে অবস্থা কিন্তু এরকম থাকে না। পৃথিবীর তাপ মহাশূন্যে বিকিরিত হওয়ার পথে বায়ুমন্ডলের কার্বন ডাইঅক্সাইড অধিক তাপ ধরে রাখে। ফলে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বেড়ে যায় বলে পৃথিবীর তাপমাত্রাও তখন বৃদ্ধি পায়।

গ্রিন হাউজের ভেতরের তাপ কাচের ভেতর দিয়ে বাইরে যেতে পারে না বলে ঘর গরম থাকে। পৃথিবীর তাপও একইভাবে বায়ুমণ্ডলের কার্বন ডাইঅক্সাইডের ভেতর দিয়ে মহাশূন্যে যেতে না পারার কারণে পৃথিবী উত্তপ্ত হয়ে পড়ে। গ্রিন হাউজের সাথে মিল রেখেই বিজ্ঞানীরা প্রকৃতির এ ঘটনার নাম দিয়েছেন গ্রিন হাউজ ইফেক্ট বা গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া।

Md Durjoy islam
9 months ago
68

পৃথিবীকে ঘিরে রয়েছে বায়ুমণ্ডল। কোনো স্থানের বায়ুমণ্ডলের স্বল্প সময়ের তাপমাত্রা, চাপ, বায়ুপ্রবাহ, আর্দ্রতা ইত্যাদি অবস্থাগুলো হলো আবহাওয়া। আর কোনো স্থানের অনেক বছরের সামগ্রিক আবহাওয়া হলো জলবায়ু। আবহাওয়া ও জলবায়ু আমাদের জীবনকে নানাভাবে প্রভাবিত করে। স্বাভাবিক আবহাওয়া ও জলবায়ুতে আমরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করি। কিন্তু বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে বিশ্বের জলবায়ু ক্রমশঃ পরিবর্তিত হয়ে যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা

  • বায়ুমন্ডলের বিভিন্ন স্তর বর্ণনা করতে পারব।
  • পরিবেশে পানিচক্র, অক্সিজেনচক্র ও কার্বনচক্রের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • আবহাওয়া ও জলবায়ু ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • উষ্ণতা বৃদ্ধির সাথে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

বৃষ্টির পানি চুইয়ে চুইয়ে মাটির নিচে গিয়ে সঞ্চিত হয়। মাটির নিচের এ সঞ্চিত পানিই ভূগর্ভস্থ পানি।

Md Durjoy islam
9 months ago
288
উত্তরঃ

ট্রপোমণ্ডলের ঠিক ওপরেই শুরু হয়েছে স্ট্রাটোমণ্ডল। এ স্তর ট্রপোমণ্ডল থেকে শুরু হয়ে ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৩৯ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এ স্তরে রয়েছে ওজোন নামের একটি গ্যাস যা সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে আমাদের রক্ষা করে। এ কারণেই স্ট্রাটোমণ্ডল জীবজগতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

Md Durjoy islam
9 months ago
416
উত্তরঃ

উদ্দীপকে হচ্ছে উদ্ভিদ এবং Z হচ্ছে প্রাণী। উদ্ভিদ ও প্রাণী পরিবেশে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও অক্সিজেনের ভারসাম্য রক্ষা করে।
জীব বায়ুমণ্ডল থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে শ্বসনের কাজ চালায়। শ্বসন প্রক্রিয়া শেষে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড ত্যাগ করে। আবার উদ্ভিদ বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণ করে খাদ্য তৈরি করে এবং অক্সিজেন ছেড়ে দেয়। এভাবে বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের পরিমাণে একটা ভারসাম্য বজায় থাকে। প্রথমত, উদ্ভিদ ও প্রাণী শ্বসন প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ ভেঙে শক্তি উৎপাদন
করার সময় বায়ুমণ্ডলের অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড বায়ুমণ্ডলে ছেড়ে দেয়। দ্বিতীয়ত, উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহ পোড়ালে তাতে কার্বন ডাইঅক্সাইড উৎপন্ন হয়ে বায়ুমণ্ডলে মেশে।
তৃতীয়ত, উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহ মাটিতে পচবার সময় ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক কার্বন ডাইঅক্সাইড বায়ুতে ছেড়ে দেয়।

তাহলে দেখা গেল, বায়ুমণ্ডল থেকে উদ্ভিদ কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে গ্লুকোজ তৈরির মাধ্যমে উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহে কার্বন সঞ্চয় করে। উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহের কার্বন তিনভাবে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড হিসেবে ফিরে আসে। এভাবে পরিবেশে অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের ভারসাম্য বজায় থাকে।

Md Durjoy islam
9 months ago
355
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্রে Z থেকে অর্থাৎ প্রাণী থেকে নির্গত গ্যাসটির নাম কার্বন ডাইঅক্সাইড। এ কার্বন ডাইঅক্সাইড আমাদের পরিবেশের বায়ুমণ্ডলে বিরাজ করে। আমাদের পরিবেশে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে গেলে তা প্রাণিকুলের জন্য অত্যন্ত ভয়াবহ পরিণতি
নিয়ে আসবে। এগুলো হলো-

১. পৃথিবীর তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাবে।
২. তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে পর্বতের চূড়া ও মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাবে।
৩. সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে।

৪. তাপমাত্রা বেড়ে সমুদ্রের পানি প্রসারিত হবে।
৫. বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলসহ বিশ্বের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হবে।
৬. বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন খরা, বন্যা, অতিবৃষ্টি, ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি দেখা দিবে।

Md Durjoy islam
9 months ago
232
উত্তরঃ

আবহাওয়ার প্রধান উপাদানগুলো হচ্ছে বায়ুর তাপমাত্রা, চাপ, বায়ুর আর্দ্রতা বা বায়ুতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ, মেঘ, কুয়াশা ও বৃষ্টিপাত।

Md Durjoy islam
9 months ago
472
উত্তরঃ

মার্চ মাসে বাংলাদেশে সাধারণত শীতের শেষ ও ফাল্গুনের শুরুতে বসন্তকাল হয়। এ সময়ে সূর্যতাপ সহনশীলমাত্রায় থাকে। অর্থাৎ তাপমাত্রা খুব বেশিও থাকে না আবার কমও থাকে না। এ আরামদায়ক তাপমাত্রার কারণেই বাংলাদেশে মার্চ মাসে আবহাওয়া বেশ আরামদায়ক থাকে।

Md Durjoy islam
9 months ago
642
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews