নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

আয়ন হলো এক ধরণের চার্জিত কণা যা কোনো পরমাণু বা পরমাণুসমষ্টি থেকে ইলেকট্রন হারানোর বা গ্রহণ করার ফলে গঠিত হয়। যখন কোনো পরমাণু ইলেকট্রন হারায়, তখন এটি ধনাত্মক আয়নে (যাকে কেশন বলা হয়) পরিণত হয় এবং যখন কোনো পরমাণু ইলেকট্রন গ্রহণ করে, তখন এটি ঋণাত্মক আয়নে (যাকে অ্যানিয়ন বলা হয়) পরিণত হয়। আয়নগুলো বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং তারা বিদ্যুৎ পরিবাহী।

উত্তরঃ

আধুনিক উন্নত সমাজ ব্যবস্থার প্রতিটি ক্ষেত্রে বিদ্যুতের ব্যবহার অনস্বীকার্য। শিক্ষা, শিল্প, কৃষি, চিকিৎসা, যোগাযোগ থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবনের প্রায় সকল চাহিদা পূরণে বিদ্যুৎ অপরিহার্য। এটি আধুনিক সভ্যতার চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।

বিদ্যুৎ ছাড়া শিল্পকারখানা অচল, আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা যেমন সেচ পাম্প অকার্যকর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালগুলো ব্যাহত, এবং ডিজিটাল যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ অসম্ভব। তাই, বিদ্যুৎ একটি জাতির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে মৌলিক ভূমিকা পালন করে, যা ছাড়া উন্নত সমাজ কল্পনা করা যায় না।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
উত্তরঃ

চিত্র Q তে M ও N বাল্ব দুটির মোট ক্ষমতা নির্ণয় করা প্রয়োজন। M বাল্বের ক্ষমতা 60W এবং N বাল্বের ক্ষমতা 100W। যেহেতু বাল্ব দুটি সমান্তরাল (parallel) সংযোগে যুক্ত, তাদের মোট ক্ষমতা হবে তাদের পৃথক ক্ষমতার যোগফল। সুতরাং, মোট ক্ষমতা \(P = P_M + P_N = 60W + 100W = 160W\)। এই ক্ষমতাকে কিলোওয়াটে (kW) রূপান্তর করলে পাওয়া যায় \(160 \text{ W} = 0.16 \text{ kW}\)।

বাল্ব দুটি দৈনিক ৬ ঘণ্টা ব্যবহৃত হলে একদিনে মোট ব্যয়িত বিদ্যুৎ শক্তি হিসাব করতে হবে। আমরা জানি, বিদ্যুৎ শক্তি \((E) = \text{ক্ষমতা } (P) \times \text{সময় } (t)\)। এখানে, মোট ক্ষমতা \(P = 0.16 \text{ kW}\) এবং দৈনিক সময় \(t = 6 \text{ ঘণ্টা}\)। অতএব, একদিনে ব্যয়িত বিদ্যুৎ শক্তি \(E_{\text{দৈনিক}} = 0.16 \text{ kW} \times 6 \text{ ঘণ্টা} = 0.96 \text{ kWh}\)।

এবার এক মাসে (৩০ দিনে) মোট কত ইউনিট বিদ্যুৎ শক্তি ব্যয়িত হবে তা নির্ণয় করতে হবে। এক মাসে মোট ব্যয়িত বিদ্যুৎ শক্তি \(E_{\text{মাসিক}} = E_{\text{দৈনিক}} \times 30\) দিন। সুতরাং, \(E_{\text{মাসিক}} = 0.96 \text{ kWh} \times 30 = 28.8 \text{ kWh}\)। যেহেতু \(1 \text{ kWh} = 1\) ইউনিট, তাই Q চিত্রের M ও N বাল্ব দুটি দৈনিক ৬ ঘণ্টা ব্যবহৃত হলে মাসে মোট 28.8 ইউনিট বিদ্যুৎ শক্তি ব্যয়িত হবে।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্র P এবং Q দুটি ভিন্ন প্রকারের বৈদ্যুতিক বর্তনী নির্দেশ করে। চিত্র P একটি শ্রেণি বর্তনী (series circuit) এবং চিত্র Q একটি সমান্তরাল বর্তনী (parallel circuit)। এই দুটি বর্তনীর মধ্যে ব্যবহারিক সুবিধার দিক থেকে সমান্তরাল বর্তনী অধিক সুবিধাজনক।

চিত্র P-তে বাল্ব দুটি শ্রেণি সমবায়ে সংযুক্ত। শ্রেণি সমবায়ে প্রতিটি উপাদানের মধ্য দিয়ে একই পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, কিন্তু বিভব পার্থক্য প্রতিটি উপাদানের রোধের অনুপাতে ভাগ হয়ে যায়। ফলে প্রতিটি বাল্ব পূর্ণ উজ্জ্বলতায় জ্বলে না এবং একটি বাল্ব নষ্ট হলে সম্পূর্ণ বর্তনী বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। অপরদিকে, চিত্র Q-তে বাল্ব M (60W) এবং বাল্ব N (100W) সমান্তরাল সমবায়ে সংযুক্ত। সমান্তরাল সমবায়ে প্রতিটি উপাদানের বিভব পার্থক্য একই থাকে এবং উৎসের বিভব পার্থক্যের সমান হয়। এক্ষেত্রে প্রতিটি বাল্ব স্বাধীনভাবে কাজ করে এবং তাদের ক্ষমতা অনুযায়ী বিদ্যুৎ গ্রহণ করে।

সমান্তরাল বর্তনী (চিত্র Q) শ্রেণি বর্তনী (চিত্র P) অপেক্ষা অনেক বেশি সুবিধাজনক। সমান্তরাল বর্তনীতে প্রতিটি বাল্ব বা যন্ত্রাংশ স্বাধীনভাবে কাজ করে। যদি একটি বাল্ব নষ্ট হয়ে যায়, তবে অন্য বাল্বগুলো জ্বলতে থাকে কারণ তাদের মধ্য দিয়ে বিদ্যুতের প্রবাহ অব্যাহত থাকে। এছাড়া, সমান্তরাল বর্তনীতে প্রতিটি যন্ত্রাংশ উৎসের পূর্ণ বিভব পার্থক্য পায়, ফলে তারা তাদের নির্ধারিত ক্ষমতানুযায়ী উজ্জ্বল আলো দেয় বা কার্যকর থাকে, যেমন চিত্র Q-তে 60W এবং 100W বাল্ব দুটি নিজ নিজ ক্ষমতা অনুযায়ী আলো দেবে। কিন্তু শ্রেণি বর্তনীতে (চিত্র P) একটি বাল্ব নষ্ট হলে সম্পূর্ণ বর্তনী অকার্যকর হয়ে যায় এবং প্রতিটি বাল্ব উৎসের সম্পূর্ণ বিভব পার্থক্য না পাওয়ায় অনুজ্জ্বলভাবে জ্বলে।

বাসাবাড়িতে এবং অধিকাংশ ব্যবহারিক ক্ষেত্রে সমান্তরাল বর্তনী (চিত্র Q) ব্যবহার করা হয়, কারণ এটি যন্ত্রাংশের স্বাধীনতা, পূর্ণ কার্যকারিতা এবং সহজে ত্রুটি শনাক্তকরণের সুবিধা প্রদান করে। শ্রেণি বর্তনীর সীমাবদ্ধতা এবং ব্যবহারিক অসুবিধাগুলোর কারণে এটি তুলনামূলকভাবে কম সুবিধাজনক। তাই উদ্দীপকের চিত্র Q অর্থাৎ সমান্তরাল বর্তনীটি চিত্র P অর্থাৎ শ্রেণি বর্তনীর চেয়ে বেশি সুবিধাজনক।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
464

Related Question

View All
উত্তরঃ

হৃদপিন্ডের সংকোচন উপসরনের ফলে হৃদপিণ্ড থেকে রক্ত ধমনির মধ্য দিয়ে প্রবাহকালে ধমনি প্রাচীরে যে পার্শ্বচাপ সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তচাপ বলে।

4.1k
উত্তরঃ

সিস্টোলিক রক্তচাপ হল হৃদযন্ত্র সংকোচনের (সিস্টোল) সময় ধমনীগুলিতে সৃষ্ট সর্বোচ্চ চাপ। যখন হৃদপিণ্ড সংকুচিত হয়ে রক্তকে ধমনীগুলির মধ্য দিয়ে পাম্প করে, তখন ধমনীর দেয়ালে যে চাপের সৃষ্টি হয় তাকে সিস্টোলিক রক্তচাপ বলা হয়। রক্তচাপ পরিমাপের সময় এটি উপরের সংখ্যা হিসাবে প্রকাশিত হয় (যেমন, 120/80 mmHg হলে 120 হলো সিস্টোলিক রক্তচাপ)। এটি হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক এবং স্বাস্থ্যের অবস্থা পর্যবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ।

3.5k
উত্তরঃ

রাফিনের আব্বার উপসর্গগুলির ভিত্তিতে বলা যায় যে তিনি সম্ভবত ডায়াবেটিস (বহুমূত্র রোগ) রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।

ব্যাখ্যা:

ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘমেয়াদী (ক্রনিক) রোগ যেখানে দেহে ইনসুলিন নামক হরমোনের কার্যকারিতা কমে যায় বা দেহ পর্যাপ্ত পরিমাণে ইনসুলিন উৎপাদন করতে পারে না। এর ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়। ডায়াবেটিসের সাধারণ লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে:

  1. ক্ষত শুকাতে দেরি হওয়া: ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে রক্তে উচ্চ গ্লুকোজের মাত্রা ক্ষত নিরাময়ে বাধা সৃষ্টি করে, ফলে ক্ষত শুকাতে বেশি সময় লাগে।
  2. চামড়া শুকিয়ে যাওয়া: ডায়াবেটিসের কারণে শরীরের পানি ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যায়, ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।
  3. সহজেই ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে পড়া: রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অনিয়ন্ত্রিত থাকলে শরীর পর্যাপ্ত শক্তি পায় না, ফলে সহজেই ক্লান্তি ও দুর্বলতা অনুভূত হয়।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন অপরিহার্য। ডাক্তার সাধারণত রোগীদের জীবনধারা ও খাদ্যাভ্যাসের ব্যাপারে বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে থাকেন যাতে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

2.9k
উত্তরঃ

রক্ত (Blood) কী ?
সাধারণত শরীরের কোন অংশে কেটে গেলে লাল রঙের যে তরল পদার্থ বের হয়ে আসে, তাই রক্ত। 
▪︎রক্ত হচ্ছে প্লাজমা ও প্লাজমায় ভাসমান বিভিন্ন কোষীয় উপাদানে গঠিত জটিল তরল টিস্যু। 
▪︎রক্ত (Blood) হল মানুষের দেহের এক প্রকার 
তরল যোজক কলা (Liquid Connective Tissue)
যা কোষবহুল, বহু জৈব ও অজৈব পদার্থের সমন্বয়ে গঠিত সামান্য লবণাক্ত, আঠালো, ক্ষারধর্মী লালবর্ণের ঘন তরল পদার্থ এবং হৃৎপিন্ড, ধমনী, শিরা ও কৈশিক জালিকার মধ্য দিয়ে নিয়মিত প্রবাহিত হয়ে দেহে অক্সিজেন, কার্বন ডাই অক্সাইড ও অন্যান্য বর্জ্য পদার্থ পরিবাহিত করে। 
 

6.7k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews