কোনো দ্রবণের মধ্যে তড়িৎ প্রবাহিত করে এর অণুগুলোকে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক অংশে বিভক্ত করার পদ্ধতিকে তড়িৎ বিশ্লেষণ বলে।
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহের দরুন ইলেকট্রিক যন্ত্রপাতি নষ্ট হয় বর্তনীতে ফিউজ না থাকলে প্রয়োজনের বেশি বিদ্যুৎ প্রবাহমাত্রায় এটি ঘটে থাকে। ফিউজ না থাকলে প্রয়োজনের বেশি বিদ্যুৎ প্রবাহমাত্রা থাকলে ফিউজটি কেটে যায় এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। এ কারণেই ফিউজে কম গলনাঙ্কের ধাতু ব্যবহার করা হয়।
সচিত্র-১ এর তিনটি বাম্বের ক্ষমতা হচ্ছে যথাক্রমে 40W, 40 W 8
60W। তাহলে, তিনটি বাম্বের মোট ক্ষমতা (40+40+60)W
= 140 W
জানুয়ারি মাসে তিনটি বাম্ব দৈনিক ৫ ঘণ্টা ব্যবহৃত হলে মোট সময়
= (৫ ৩১) ঘণ্টা [ জানুয়ারি মাস = ৩১ দিন। ]

কিলোওয়াট-ঘণ্টা
= ২১.৭ কিলোওয়াট-ঘণ্টা
= ২১.৭ ইউনিট
সুতরাং চিত্র-১ এর উপকরণগুলো দৈনিক ৫ ঘণ্টা ব্যবহৃত হলে জানুয়ারি মাসে ২১.৭ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যয়িত হবে।
চিত্র-১ এর বর্তনীটি হলো সমান্তরাল বর্তনী এবং চিত্র-২ হলো সিরিজ বর্তনী। বিদ্যালয়ে সংযোগের ক্ষেত্রে সিরিজ বর্তনীটি সুবিধাজনক নয়। নিচে তা যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করা হলো-
চিত্র-১ এর সমান্তরাল বর্তনীটিতে বাম্ব দুইটির সমান্তরাল সংযোগের ফলে প্রত্যেকটি বাম্বের মধ্য দিয়ে ভিন্ন ভিন্ন পথে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়। তাই সমান্তরাল বর্তনীর একটি বাম্ব ফিউজ হলেও অন্য বান্ধটি জ্বলে।
প্রতিটি বাশ্বই পৃথক পৃথকভাবে জ্বালানো ও নেভানো যায়। প্রতিটি বাশ্বের প্রান্তদ্বয়ের বিভব পার্থক্য একই থাকে। অর্থাৎ সমান্তরাল বর্তনীর প্রতিটি বাল্বই বিদ্যুৎ কোষের পূর্ণ বিদ্যুৎ চালকশক্তি পায়। ফলে বর্তনীর দুটি বাল্বই সমান উজ্জ্বলভাবে জ্বলে।
অন্যদিকে, চিত্র-২ এর সিরিজ সংযোগে একই বিদ্যুৎ প্রবাহ তিনটি বাল্বের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। একটি বাল্ব বিদ্যুৎ প্রবাহে যতটুকু বাধা দেয়, তিনটি বাল্ব তার চেয়ে বেশি বাধা দেয়। তাই একটি বান্ধ যত উজ্জ্বললভাবে জ্বলে তিনটি বাম্ব তার চেয়ে কম উজ্জ্বলভাবে জ্বলে। চিত্র-২-এর সিরিজ বর্তনীর তিনটি বাল্ব এর একটি বাম্ব ফিউজ হয়ে গেলে সমস্ত বর্তনীর মধ্য দিয়েই বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে অপর বাল্বটি জ্বলে না। আবার সুইচ অন করলে একই সাথে তিনটি বাল্ব জ্বলে ওঠে। সুইচ অফ করলে একই সাথে তিনটি বাল্ব নিভে যাবে। বাম্ব তিনটিকে পৃথকভাবে জ্বালানো বা নিভানো যায় না।
সুতরাং সার্বিক বিবেচনায় বিদ্যালয়ে সংযোগের ক্ষেত্রে সিরিজ বর্তনী সুবিধাজনক নয় বরং সমান্তরাল বর্তনী সুবিধাজনক একটি বিদ্যুৎ সংযোগ পদ্ধতি।
Related Question
View Allএকাধিক তড়িৎ কোষের সমন্বয়কে ব্যাটারি বলে।
ব্যাটারিতে তিনটি অংশ থাকে।
ব্যাটারিতে অ্যানোড ও ক্যাথোডের মাঝখানে ইলেকট্রোলাইট থাকে।
ব্যাটারি সেলে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অ্যানোড থেকে ইলেক্ট্রন ক্যাথোডে জমা হয়।
দুইটি সাধারণ ব্যাটারি সেলের বিভব পার্থক্য ৩ V।
ভূমির সাথে যুক্ত তারকে জীবন্ত তার বলে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
