আলো সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার বেগে চলে।
একটি ভালো সমতল দর্পণের বৈশিষ্ট্য হলো-
১. দর্পণের পৃষ্ঠ সমতল ও মসৃণ হবে।
২. দর্পণটির পুরুত্ব কম এবং সুষম হবে।
৩. দর্পণের পেছনের প্রলেপ ভালো হবে.।
.৪. দর্পণের কাচ বায়ু বুদবুদ শূন্য হবে।
উদ্দীপকের চিত্র A-তে আলোর সরলপথে গমনের পরীক্ষা দেখানো হয়েছে। এ পরীক্ষা করার জন্য অর্থাৎ আলোর চলার পথকে উপলব্ধি করার জন্য টেবিলের উপর তিনটি বোর্ড রাখি। বোর্ড তিনটি একই আকারের এবং এক সাথে ছিদ্র করে বসাই। বোর্ড তিনটি বসানোর পর লক্ষ করি যে এর ছিদ্রগুলো একই সরলরেখায় আছে কি-না। এবার মোমবাতি জ্বালিয়ে বোর্ডের পেছনে এমনভাবে রাখি যেন মোমবাতির পুরো শিখাটির উচ্চতা বোর্ডের ছিদ্রগুলোর উচ্চতার সমান হয়। অর্থাৎ বোর্ডের ছিদ্রও মোমবাতির শিখা একই সরলরেখায় থাকে। এবার বোর্ডের বিপরীত দিক থেকে মোমবাতির দিকে তাকালে শিখাটি দেখতে পাব অর্থাৎ মোমবাতি থেকে আলো আমাদের চোখে এসে পড়ছে। সুতরাং বলা যায় যে, আলো সোজা পথে চলে বিধায় মোমবাতি থেকে আলো দেখা যায়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র-A ও চিত্র-B এর পরীক্ষণের জন্য একটি টেবিলের উপর তিনটি বোর্ড রাখি। বোর্ড তিনটি একই আকারের একটির পর একটি রাখি যাতে এদের সকল প্রান্ত একসাথে মিলে 'থাকে। এখন একটি পেরেক দিয়ে তিনটিকে একসাথে ছিদ্র করি। এবার বোর্ড তিনটি টেবিলের উপর এমনভাবে খাড়া করে দাঁড় করিয়ে দেই যেন তিনটি বোর্ডের ছিদ্র একই সরলরেখায় থাকে। এখন একটি মোমবাতি জ্বালিয়ে বোর্ডগুলোর পেছনে এমনভাবে টেবিলের উপর বসাই যাতে মোমবাতির শিখাটির উচ্চতা বোর্ডের ছিদ্রগুলোর উচ্চতার সমান হয়। বোর্ডগুলোকে এমনভাবে সাজাই যেন বোর্ডের ছিদ্র ও * মোমবাতির শিখা একই সরলরেখায় থাকে। এবার বোর্ডের বিপরীত দিক থেকে মোমবাতির দিকে তাকালে মোমবাতির শিখা দেখতে পাব (উদ্দীপকের চিত্র-A)। এ থেকে বুঝা যায়, আলো সরল পথে চলে। এবার একটি বোর্ডকে একপাশে সামান্য সরিয়ে নেই। যাতে তিনটি ছিদ্র একই রেখায় না থাকে। এবার মোমবাতির শিখা দেখতে পাচ্ছি না * (উদ্দীপকের চিত্র-B)। এ থেকে বুঝা যায়, আলো বক্ররৈখিক পথে চলতে পারে না। সুতরাং পরীক্ষণ দুটির তুলনামূলক আলোচনা থেকে বলা যায় যে, আলো সরলরৈখিক পথে চলে, বক্ররৈখিক পথে চলে না।
Related Question
View Allকোনো বস্তুতে আলো পড়ে যদি তা বাধা পেয়ে ফিরে আসে, তা হলে তাকে আলোর প্রতিফলন বলে।
কোনো বিন্দু থেকে নিঃসৃত আলোক রশ্মিগুচ্ছ প্রতিফলিত বা প্রতিসরিত হয়ে যদি দ্বিতীয় কোনো বিন্দুতে মিলিত হয় বা দ্বিতীয় কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয়, তাহলে ঐ বিন্দুকে প্রথম বিন্দুর প্রতিবিম্ব বলে।
আমরা জানি, কোনো বস্তু থেকে আলো এসে আমাদের চোখে পড়লে আমরা বস্তুটি দেখতে পাই। আবার কোনো বস্তু থেকে কোনো মসৃণ তলে আলো প্রতিফলিত হয়ে অন্য কোনো মসৃণ বা চকচকে পৃষ্ঠে পড়লে ঐ পৃষ্ঠে বস্তুটির প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয়। এ ঘটনার কারণে আমরা কোনো দর্পণের সামনে দাঁড়ালে আমাদের প্রতিবিম্ব দেখতে পাই। সমতল দর্পণ বা আয়নার ক্ষেত্রে অসদ ও সোজা প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। এক্ষেত্রে দর্পণের যত সামনে বস্তু, থাকে, দর্পণের ঠিক ততটুকু পেছনে বস্তুটির প্রতিবিম্ব দেখা যায় এবং বিম্বের আকার বস্তুর আকারের সমান হয়। এ কারণে সামিন বেসিনের আয়নার সামনের দিকে যেতে থাকলে, আয়নায় তার প্রতিচ্ছবিও সামনের দিকে আসে এবং দূরে যাওয়ার সাথে সাথে প্রতিচ্ছবি দূরে সরে যায়।
সামিনের বাসায় প্রস্তুতকৃত পেরিস্কোপ দিয়ে স্কুলের অনুরূপ বাইরের দৃশ্য দেখা সম্ভব হবে না।
উত্তরের সপক্ষে যুক্তি: পেরিস্কোপে সাধারণত দর্পণ দুটিকে দর্পণের দেয়ালের সাথে ৪৫° কোণ করে রাখা হয়। এতে আলো প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে। দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়লে আমরা বস্তুটি দেখি। পেরিস্কোপের দর্পণদ্বয় সমান্তরালে থাকে এবং ৯০° কোণে আলোর বিসরণ ঘটায়। সামিন যে পেরিস্কোপটি তৈরি করেছে তাতে সে দর্পণকে ৩০° কোণে রেখেছে এতে বস্তু থেকে আলো এসে ১ম দর্পণে পড়লে তাতে আপতন কোণ হবে ৬০°। এর ফলে আলো দ্বিতীয় দর্পণে পৌছাতে পারবে না। কারণ এক্ষেত্রে আপতন কোণ ও প্রতিফলন কোণ সমান হবে না। দ্বিতীয় দর্পণে আলো না পৌছালে তা আর আমাদের চোখে পৌঁছাবে না। তাই সামিনের তৈরি পেরিস্কোপ দিয়ে স্কুলের অনুরূপ বাইরের দৃশ্য দেখা যাবে না।
কোনো মসৃণ পৃষ্ঠে আলো পড়ে বাধা পেয়ে ফিরে আসাকে প্রতিফলন বলে।
আলোর প্রতিফলনের দুটি নিয়ম রয়েছে।'
১. আপতিত রশ্মি, প্রতিফলিত রশ্মি এবং আপতন বিন্দুতে প্রতিফলকের উপর অঙ্কিত অভিলম্ব একই সমতলে থাকে।
২. আপতন কোণ সর্বদা প্রতিফলন কোণের সমান হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
