নিচের ছকটি লক্ষ করো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

বোরো ধান চাষ পদ্ধতি

A. প্রতি গোছায় একটি করে কম বয়সী চারা বর্গাকারে রোপণ

B. প্রতি গোছায় ৩০-৪০ দিনের চারা ৩-৪টি করে রোপণ

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

ভূমিক্ষয় হলো বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক শক্তি যেমন- বৃষ্টিপাত, পানি, বায়ু, বরফ, তাপ, মধ্যাকর্ষণ শক্তি, ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া এবং পানি চলাচলের প্রভাবে মৃত্তিকা কণার এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অপসারণ হওয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ফসলের ফলন বৃদ্ধি ও গাছের জীবনচক্র সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণে ও উপযুক্ত সময়ে কৃত্রিমভাবে জমিতে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করাকে সেচ বলে।

ফসলের জমিতে সেচ দিলে ফসলের ফলন বাড়ে, গাছের দৈহিক বৃদ্ধি দ্রুত হয়। গাছ রসালো, সবুজ ও সতেজ হয়। গাছ মাটি থেকে সহজে পুষ্টি উপাদান সংগ্রহ করতে পারে। রোগ, পোকা ও আগাছার প্রকোপ কমে। মাটিস্থ অণুজীবের কার্যাবলি বৃদ্ধি পেয়ে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। এসকল কারণে ফসল উৎপাদনে পানি সেচ বিশেষভাবে প্রয়োজন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'A' হলো ধান চাষের SRI পদ্ধতি।

ধান চাষের এ পদ্ধতিটি নিম্নে ব্যাখ্যা করা হলো-

  •  এ পদ্ধতিতে যেকোনো জাতের ধান চাষ করা যায়। নির্বাচিত জাতের ধানের বীজ বিশুদ্ধ হতে হয় এবং কম ঘনত্বে বীজতলায় বপন করতে হয়। 
  • এ পদ্ধতিতে প্রচলিত পদ্ধতির চেয়ে ৭৫-৮০% বীজ কম লাগে। হেক্টর প্রতি ৬-৭ কেজি বীজ প্রয়োজন হয়। 
  •  কম বয়সের চারা (৭-১০ দিন) রোপণ করতে হয়। এ সময় চারায় ২টি পাতা জন্মায়। এতে চারা শক্ত থাকে, মারা যায় না, আগাম থোড় বের হয় না ও পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হয়। 
  • বর্গাকার পদ্ধতিতে চারা রোপণ করতে হয়। চারা থেকে চারার দূরত্ব ও সারি থেকে সারির দূরত্ব ২৫-৩০ সেমি হতে হয়। প্রতি গোছায় ১টি করে চারা রোপণ করতে হয়। 
  • সাধারণত রোপা আমন মৌসুমে মধ্য জুলাই থেকে মধ্য আগস্ট মাসে এবং বোরো মৌসুমে জানুয়ারির প্রথম দিকে জমিতে চারা রোপণ করা হয়। 
  •  SRI পদ্ধতিতে ভালো ফলন পেতে হলে পর্যাপ্ত সারের ব্যবস্থা রাখতে হয়। জমিতে জৈব সার প্রয়োগের পাশাপাশি রাসায়নিক সারও প্রয়োগ করতে হয়। তাহলে ধান গাছের বৃদ্ধি নিশ্চিত হয়।
  • একান্তর ভেজা ও শুকনো পদ্ধতিতে সেচ দিতে হয়।
  • দানা গঠন শুরু হওয়ার পর সেচ দেওয়ার দরকার নেই।
  • AWD পদ্ধতিতে সেচের জন্য জমিতে প্রচুর আগাছা জন্মায়। কারণ জমিতে দাঁড়ানো পানি থাকে না। ভালো ফলন লাভের জন্য চারা রোপণের ১০-১২ দিন পর থেকে কাইচ থোড় আসা পর্যন্ত ২/৩ বার আগাছা দমন করতে হয়।
  • ৮০% ধান পরিপক্ক হলে কেটে সংগ্রহ করতে হয়। SRI পদ্ধতিতে ফসলের জীবনকাল ১০ দিন পর্যন্ত কমে যায়।

 

উল্লিখিত আলোচনার মাধ্যমে, SRI পদ্ধতিতে ধান চাষের কলাকৌশল বর্ণনা করা হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্র 'ক' তে এস আর আই ও চিত্র 'খ' তে গতানুগতিক বা প্রচলিত পদ্ধতিতে ধানের চাষ দেখানো হয়েছে। নিম্নে পদ্ধতি দু'টির তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো-

গতানুগতিক বা প্রচলিত পদ্ধতিতে জমিতে বীজের পরিমাণ বেশি লাগে এবং প্রতি গোছায় ৩-৪টি করে চারা রোপণ করা হয়। অপরদিকে এস আর আই পদ্ধতিতে বীজের পরিমাণ (৭৫- ৮০%) কম লাগে এবং প্রতি গোছায় ১টি করে চারা রোপণ করা হয়। গতানুগতিক পদ্ধতিতে চারার রোপণ দূরত্ব কম হয় বলে গাছের বৃদ্ধি তেমন ভালো হয় না। এস আর আই পদ্ধতিতে বর্গাকারে রোপণের কারণে চারা প্রচুর সূর্যালোক ও মূলের বৃদ্ধির জন্য প্রচুর জায়গা পায়। গতানুগতিক পদ্ধতিতে পানি সেচ বেশি লাগে। কিন্তু এস আর আই পদ্ধতিতে সেচ কম লাগে বলে ৩০- ৩৫% পানি সাশ্রয় হয়। গতানুগতিক পদ্ধতির তুলনায় এস আর আই পদ্ধতিতে ২৫-৩০% সার কম লাগে। প্রচলিত পদ্ধতিতে ধানের অঙ্গজ বৃদ্ধি পর্যায়ে জমিতে যেমন দাঁড়ানো পানি থাকে সেখানে এস আর আই এর ক্ষেত্রে জমি শুধু ভেজা থাকলেই চলে। ফলে মাটিতে বায়ু চলাচলের সুযোগ থাকায় এস আর আই পদ্ধতিতে মিথেন গ্যাস কম নির্গত হয়। গতানুগতিক পদ্ধতিতে প্রতি গোছায় কুশির সংখ্যা কম হয়। অপরদিকে এস আর আই পদ্ধতিতে প্রতি গোছায় কুশির সংখ্যা বেশি হয়। পাশাপাশি এস আর আই পদ্ধতিতে প্রচলিত ধানের চেয়ে ২০ দিন আগে ফসল কাটা যায় বলে কৃষক ধানের বেশি বাজারমূল্য পায়। এস আর আই পদ্ধতিতে বোরো ও আমন মৌসুমে প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় ধানের ফলন ২০% এর অধিক বৃদ্ধি পায়।

উপরের আলোচনা হতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ ও সঠিক মাত্রায় সেচ প্রয়োগের মাধ্যমে ধানের অধিক ফলন পেতে এস আর আই এবং গতানুগতিক পদ্ধতি সম্পর্কে তুলনামূলক ধারণা পাওয়া যায়।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
240

Related Question

View All
উত্তরঃ

যেসব ফসল সাধারণত বিস্তীর্ণ মাঠে বেড়াবিহীন অবস্থায় সমষ্টিগতভাবে পরিচর্যার মাধ্যমে চাষ এবং প্রক্রিয়াজাত করে খাওয়া হয় সেগুলোকে মাঠ ফসল বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.4k
উত্তরঃ

উঠোন বৈঠকের মাধ্যমে কৃষকদের মধ্যে অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও তথ্য নিয়ে মতবিনিময় হয়।

কৃষি কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণের ফলে কৃষকদের জ্ঞান ও তথ্য আরো সমৃদ্ধ হয়। মতবিনিময়ের ফলে কৃষকদের জ্ঞান এবং কাজের স্পৃহা বাড়ে। এ ছাড়া হঠাৎ সমস্যা হলে তাৎক্ষণিক উঠোন বৈঠকের মাধ্যমে সমস্যার প্রতিকার ব্যবস্থা জানা যায়। তাই কৃষিতে উঠোন বৈঠকের প্রয়োজন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
800
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত আফসার আলীর জমির মাটি কাদাযুক্ত এবং প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এজন্য বলা যায়, জমির মাটি এঁটেল প্রকৃতির।

নিচে এঁটেল মাটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো-

i. এঁটেল মাটি ভারী মাটি নামে অভিহিত। 

ii. এ মাটিতে কমপক্ষে ৩৫% বা তার বেশি কর্দম বা এঁটেল কণা থাকে। 

iii. এ মাটিতে সূক্ষ্ম রন্দ্রের সংখ্যা খুব বেশি, তাই এর পানি ধারণ ক্ষমতা খুব বেশি, কিন্তু নিষ্কাশন ক্ষমতা কম। 

iv. এ মাটির বায়ু ও পানি চলাচল ক্ষমতা কম। 

V. এঁটেল মাটি আঙুলে ঘষলে ট্যালকম পাউডারের মতো পিচ্ছিল মনে হয়। 

vi. এ মাটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর সংযুক্তি (cohesion) খুব বেশি। 

vii. আর্দ্র এঁটেল মাটি আঠালো ও চটচটে হয়, কিন্তু শুষ্ক অবস্থায় খুব শক্ত হয়। ফলে সহজে কর্ষণ করা যায় না। 

viii. এ প্রকার মাটির ধনাত্মক আয়ন বিনিময় ক্ষমতা খুব বেশি। উপরোক্ত বৈশিষ্ট্যাবলী থেকে এঁটেল মাটির প্রকৃতি জানা যায়।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
348
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি হলো বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট যা গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উচ্চ ফলনশীল এবং হাইব্রিড জাতের ধান উদ্ভাবন করে। এছাড়াও মৃত্তিকা, সার ও সেচ ব্যবস্থাপনা, চাষাবাদ পদ্ধতি, পোকা-মাকড় ও রোগ দমন ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মূল্যবান প্রযুক্তি ও কৃষি যন্ত্রপাতি উদ্ভাবন করে। এদের উদ্ভাবিত জাতগুলো তুলনামূলকভাবে রোগ ও পোকামাকড় প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন। আবার এসকল জাতের ফলন স্থানীয় জাতের ফলনের তুলনায় অনেক বেশি। উদ্ভাবিত জাতের মধ্যে বন্যা, খরা ও লবণাক্ততা সহনশীল, সুগন্ধি ও বিদেশে রপ্তানি উপযোগী জাতও রয়েছে। এসকল জাতসমূহ কৃষকদের কাছে সহজলভ্য করে তোলার জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে তাদের আঞ্চলিক গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে, রয়েছে প্রদর্শনী প্লট ও মডেল কৃষক। এছাড়াও কৃষি তথ্য সেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে পুস্তিকা, ম্যানুয়াল, প্রতিবেদন, জার্নাল প্রভৃতি প্রকাশ করে। এ প্রতিষ্ঠানটি কৃষকদের উন্নত প্রযুক্তি প্রদর্শনের জন্য মাঠ দিবসের আয়োজন এবং কৃষি উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে। এসকল কার্যক্রমের ফলে কৃষকগণ সহজেই কৃষি সংশ্লিষ্ট তথ্য ও জ্ঞান লাভ করতে পারে। ফলে কৃষক মাঠ পর্যায়ে এসব জ্ঞান কাজে লাগিয়ে অল্প খরচে ফসল উৎপাদন করে লাভবান হয়। সর্বোপরি ধানের উৎপাদন বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উল্লিখিত কার্যক্রমসমূহ পরিচালনা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
465
উত্তরঃ

অভিজ্ঞ 'কৃষক হলো একজন স্থানীয় নেতা ও কৃষকদের পরামর্শদাতা যিনি নিজ উৎসাহে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করেন ও নতুন নতুন কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে খোঁজখবর রাখেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.4k
উত্তরঃ

কোনো মাটিতে হাইড্রোজেন আয়ন (H') ও হাইড্রোক্সিল আয়নের (OH) পরিমাণ সমান থাকলে তাকে নিরপেক্ষ মাটি বলে। নিরপেক্ষ বা প্রশম মাটির অম্লমান ৭। এই ধরনের মাটিতে সব ধরনের পুষ্টি উপাদান সহজলভ্য থাকে বিধায় ফসল চাষে সর্বাধিক উপযোগী। নিরপেক্ষ মাটিতে জৈব পদার্থ সহজে বিয়োজিত হয়। নিরপেক্ষ মাটিতে বীজের অঙ্কুরোদগম ভালো হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
700
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews