নিচের ছকটি লক্ষ করো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

যে সকল পাখিকে ডিম ও মাংস উৎপাদনের মাধ্যমে খাবার ও পুষ্টি চাহিদা মেটানোসহ অর্থোপার্জনের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত উপায়ে লালন- পালন করা হয় সেগুলোই পোল্ট্রি।

Tamanna
Tamanna
2 years ago
উত্তরঃ

পানি থেকে মাছ আহরণের ৪-৫ ঘণ্টার মধ্যেই পচন ক্রিয়া শুরু হয়। মাছের দেহে যে ব্যাকটেরিয়া থাকে তা রক্তনালির মাধ্যমে প্রবেশ করে মাংসপেশী নরম করে মাছকে পচায়। মাছের শরীরের এনজাইম মাছের আমিষ ও চর্বি ভাঙে। ফলে মাছের কোষ ভেঙে গিয়ে মাছ পচতে শুরু করে। আবার তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে মাছের দেহের ভিতর এনজাইমের ক্রিয়া ও রাসায়নিক ক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। ফলে মাছ দ্রুত পচে। এছাড়া তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র নষ্ট হলে, বিদ্যুতের কোনো সমস্যা হলে, অল্প জায়গায় অধিক মাছ রাখলে বা পরিবহনের সময় বরফ গলে গেলে মাছ পচে যায়।

Tamanna
Tamanna
2 years ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ও শ্রেণি হলো ভূ-মধ্যসাগরীয় এবং C শ্রেণি হলো এশিয়াটিক। নিচে এদের মধ্যকার তুলনামূলক পার্থক্যসমূহ তুলে ধরা হলো-

১. ভূ-মধ্যসাগরীয় শ্রেণির মুরগি তুলনামূলকভাবে আকারে ছোট ও ওজনে হালকা হয়। অন্যদিকে এশিয়াটিক শ্রেণির মুরগি আকারে বড় ও ওজনে ভারী হয়।

২. ভূ-মধ্যসাগরীয় শ্রেণির মুরগির গায়ের রং হলুদ অথবা সাদা এবং কানের লতির রং সাদা আর এশিয়াটিক শ্রেণির মুরগির গায়ের রং হলুদ এবং কানের লতির রং লাল হয়।

৩. ভূ-মধ্যসাগরীয় শ্রেণির মুরগিতে পায়ের নালা পালকবিহীন থাকে অন্যদিকে এশিয়াটিক শ্রেণির মুরগিতে পায়ের নালায় পালক থাকতে পারে। 

৪. ভূ-মধ্যসাগরীয় শ্রেণির মুরগি ডিম উৎপাদনের জন্য আর এশিয়াটিক শ্রেণির মুরগি মাংস উৎপাদনের জন্য অধিক উপযোগী।

৫. ভূ-মধ্যসাগরীয় শ্রেণির মুরগি অপেক্ষাকৃত কম বয়সে ডিম দেয় এবং ডিমের খোসা সাদা রঙের আর এশিয়াটিক শ্রেণির মুরগি তুলনামূলক বেশি বয়সে ডিম দেয় এবং ডিমের খোসা বাদামি রঙের হয়।

৬. ভূ-মধ্যসাগরীয় শ্রেণির মুরগির কুঁচে হওয়া প্রবণতা একেবারেই নেই। অন্যদিকে এশিয়াটিক শ্রেণির মুরগির কুঁচে হওয়ার প্রবণতা অধিক। 

Tamanna
Tamanna
2 years ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে B শ্রেণিটি হলো ভূ-মধ্যসাগরীয় শ্রেণি এবং C শ্রেণিটি হলো এশিয়াটিক শ্রেণি।

B শ্রেণিটি অর্থাৎ ভূ-মধ্যসাগরীয় শ্রেণি ডিম উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত। ভূ-মধ্যসাগরীয় শ্রেণির জাতগুলো হলো- লেগহর্ণ, মিনকা, ফাওমি, অ্যানকোনা। ডিম উৎপাদনকারী জাতের বৈশিষ্ট্যগুলো ভূ-মধ্যসাগরীয় শ্রেণির জাতগুলোতে পরিলক্ষিত হয়।

ডিম উৎপাদনকারী জাতের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-
১. ওজনে হালকা।
২. ডিম উৎপাদনক্ষমতা বেশি। বছরে প্রায় ৩০০টি ডিম দেয়।
৩. তাড়াতাড়ি প্রজননে সক্ষম এবং পাঁচ-ছয় মাসেই ডিম দেয়। ডিমে 'তা' দেওয়ার প্রবণতা নেই।
৪. শরীরে চর্বি কম থাকে।

এ সকল বৈশিষ্ট্যগুলো ভূ-মধ্যসাগরীয় শ্রেণির জাতের মধ্যে দেখা যায়। এ শ্রেণির জাতগুলো ওজনে হালকা হয়। ওজনে গড়ে ২-৩ কেজি হয়ে থাকে। এরা প্রায় ২৫০-৩০০টির মতো ডিম দেয়, শরীরে চর্বি কম থাকে এবং তা দেওয়ার প্রবণতা নেই। অন্যদিকে এশিয়াটিক শ্রেণির জাতগুলো হলো মাংস উৎপাদনের জন্য জনপ্রিয়, কেননা মাংস উৎপাদনকারী জাতগুলোর বৈশিষ্ট্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
অতএব, উক্ত বৈশিষ্ট্যগুলো থাকার জন্যই ভূ-মধ্যসাগরীয় শ্রেণিটি ডিম উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত। 

Tamanna
Tamanna
2 years ago
239

Related Question

View All
উত্তরঃ

পুলেট হলো প্রজনন ক্ষমতাসম্পন্ন ২০/২২ সপ্তাহ বয়সের মুরগি যাকে এখনো মোরগের সংস্পর্শে দেওয়া হয়নি।

Tamanna
Tamanna
2 years ago
919
উত্তরঃ

বাংলাদেশে হাঁস পালন লাভজনক কারণ হাঁস পালনের জন্য জায়গা কম লাগে। হাঁস বছরে প্রায় ৩০০টি পর্যন্ত ডিম দিতে পারে। মুরগির তুলনায় হাঁস ৪০-৪৫টি ডিম বেশি পাড়ে। অধিকাংশ হাঁস নিজের খাবার নিজে সংগ্রহ করে খেতে পারে বিধায় হাঁস পালনে যত্ন, পরিচর্যা ও খরচ কম লাগে। দ্রুত চলাফেরা করতে পারে। এসব কারণে বাংলাদেশে হাঁস পালন লাভজনক।

Tamanna
Tamanna
2 years ago
2.1k
উত্তরঃ

সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাকপ্লেগ রোগে আক্রান্ত। এটি হাঁসের ডাকপ্লেগ ভাইরাস দ্বরা সংক্রমিত মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ। হাঁসের এই রোগ ডাক হারপেস ভাইরাস-১ (DHV-1) এর সংক্রমণে হয়ে থাকে।

এ রোগে হাঁস আলো দেখলে ভয় পায়। সাঁতার কাটতে চায় না। পানি পিপাসা বৃদ্ধি পায় এবং খাদ্য গ্রহণে অনীহা দেখায়। নাক দিয়ে তরল পদার্থ বের হয়। সবুজ ও হলুদ রঙের পাতলা মলত্যাগ করে। পালক এলোমেলো হয়ে ঝুলে পড়ে। মাথা, ঘাড় ও শরীরে কাঁপুনি দেখা দেয়। পা এবং পাখা অবশ হয়ে যায়। চোখ হতে অনবরত পানি ঝরে এবং চোখের ভিতরে সাদা রঙের আবরণ পড়ে চোখ বন্ধ হয়ে যায়। এ রোগে হাঁস খুঁড়িয়ে হাঁটে, ডিম পাড়া হাঁস ডিম পাড়া কমিয়ে দেয় এবং হঠাৎ মারা যায়।

সাবিনার খামারের হাঁসগুলোতে উল্লিখিত লক্ষণগুলো দেখা দেয়। অর্থাৎ সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাকপ্লেগ রোগে আক্রান্ত।

Tamanna
Tamanna
2 years ago
586
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রাণী চিকিৎসক সাবিনাকে তার খামারে ডাক প্লেগ রোগের প্রতিকার ও প্রতিরোধের জন্য করণীয় সম্পর্কে জানান।
সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাক প্লেগ নামক ভাইরাসজনিত একটি মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগে আক্রান্ত হয়েছে। উক্ত রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উপায় বিশ্লেষণ করা হলো-

i. খামারের জৈব নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

ii. আক্রান্ত হাঁস অন্যত্র সরিয়ে ফেলা।

iii. মৃত হাঁস মাটিতে পুঁতে ফেলা।

iv. খামারে বহিরাগতদের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করা।

V. বাসস্থান নিয়মিত জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করা।

vi. পরিষ্কার পানি সরবরাহ করা।

vii. হাঁসের ঘর ফিউমিগেশন করা।

viii. বাসস্থানে ঢোকার মুখে ফুটবাথের ব্যবস্থা করা।

ix. প্রতিষেধক হিসেবে খামারে নিয়মিত ডাক প্লেগ টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা। হাঁসের বাচ্চাকে জন্মের ১৫-২০ দিন পর ১ম মাত্রা, ১ম মাত্রার ২৫ দিন পর বুস্টার বা ২য় মাত্রা এবং ২য় মাত্রার পর প্রতি ৫-৬ মাস অন্তর অন্তর এ টিকা দিতে হয়।

পরিশেষে বলা যায়, উল্লিখিত পদক্ষেপ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ডাক প্লেগ রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকার করা সম্ভব।

Tamanna
Tamanna
2 years ago
659
উত্তরঃ

যে সকল ডিম থেকে বাচ্চা জন্ম নেয় না সেগুলোই অনুর্বর ডিম।

Tamanna
Tamanna
2 years ago
803
উত্তরঃ

কবুতর খুব অল্প জায়গায়, কম খরচে, উঁচুতে দেয়ালের পাশে বা ছাদের উপর বাসা তৈরি করে পালন করা যায়।

কবুতরের রোগবালাই কম হয় এবং খাদ্য খরচও কম লাগে। ৪ সপ্তাহের মধ্যেই কবুতরের বাচ্চা খাওয়ার উপযোগী হয়। এরা ৫-৬ মাস বয়সে ডিম দেয় এবং মাত্র ১৮ দিনে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়। কাজের অবসরে পালন করা যায় বলে অতিরিক্ত শ্রমিকের প্রয়োজন হয় না। সময়, শ্রম ও অর্থ কম লাগে বলেই কবুতর পালন অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক।

Tamanna
Tamanna
2 years ago
793
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews