নিচের ছকটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

যুক্তিবিদ মিলএর মতে, পূর্ণাঙ্গ আরোহের কোনো বৈজ্ঞানিক মূল্য নেই।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

সাদৃশ্যানুমানের ক্ষেত্রে কার্যকারণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করেই কেবল কিছু জানা সাদৃশ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ জন্য এ অনুমানের সিদ্ধান্ত কখনো নিশ্চিত হয় না, বরং সম্ভাব্য হয়ে থাকে। তবে এ ক্ষেত্রে সব সাদৃশ্যানুমানের সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা সমান নয়। এর সম্ভাব্যতা নির্ধারিত হয় মূল্য ও গুরুত্বের মাধ্যমে। অর্থাৎ যে সাদৃশ্যানুমানের সিদ্ধান্ত অধিক সম্ভাব্য হয়, তার মূল্য ও গুরুত্ব তত অধিক হয়। অন্যদিকে যে সাদৃশ্যানুমানের সিদ্ধান্ত কম সম্ভাব্য হয়, তার মূল্য ও গুরুত্ব তত কম হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ছকচিত্রের '?' চিহ্নিত স্থানে প্রকৃত আরোহ হিসেবে সাদৃশ্যানুমান বসবে। প্রকৃত আরোহ হিসেবে বৈজ্ঞানিক আরোহের সাথে সাদৃশ্যানুমানের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য নিচে আলোচনা করা হলো :

উভয় পদ্ধতিতে কিছু সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়। যথা :

* উভয়ই প্রকৃত বা যথার্থ আরোহ। 

* উভয়ের মধ্যেই আরোহাত্মক লম্ফ বর্তমান। 

* উভয়ের উদ্দেশ্য হচ্ছে সিদ্ধান্তে বস্তুগত সত্যতা স্থাপন করা।

* উভয় পদ্ধতিতেই বাস্তব ঘটনা পর্যবেক্ষণ করা যায়।

উভয় পদ্ধতিতে সাদৃশ্য যেমন রয়েছে, তেমনি বৈসাদৃশ্যও রয়েছে। যথা:

* সাদৃশ্যানুমান সবসময় বৈজ্ঞানিক আরোহের পশ্চাদগামী। কিন্তু বৈজ্ঞানিক আরোহ সবসময় সাদৃশ্যানুমান থেকে অগ্রগামী। 

* আরোহ অনুমানের একটি দুর্বলরূপ হচ্ছে সাদৃশ্যানুমান। কিন্তু বৈজ্ঞানিক আরোহ সবসময়ই অনুমান প্রক্রিয়ার একটি যথার্থ বা প্রকৃতরূপ। 

* সাদৃশ্যানুমান কার্যকারণ নীতির উপর নির্ভরশীল নয়। কিন্তু বৈজ্ঞানিক আরোহ কার্যকারণ নীতির উপর নির্ভরশীল। 

* সাদৃশ্যানুমান পদ্ধতিতে বিশ্লেষণের চেষ্টা নেই বলে এতে অপনয়নের সূত্র প্রয়োগ করা যায় না। কিন্তু বৈজ্ঞানিক আরোহে বিশ্লেষণের মাধ্যমে অপনয়ন সূত্র প্রয়োগ করে থাকে।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ছকচিত্রে উল্লিখিত সাদৃশ্যানুমান হচ্ছে একটি প্রকৃত আরোহ। অথাৎ এ আরোহের মধ্যে আরোহমূলক লম্ফ বিদ্যমান। আর প্রকৃত আরোহের মাথা হিসেবে সাদৃশ্যানুমানেও আরোহমূলক লম্ফ বর্তমান।

দুটি বস্তুর মধ্যে কয়েকটি বিষয়ে সাদৃশ্য লক্ষ করে যদি অনুমান করা হয়, তাদের একটি বিশেষ গুণের অধিকারী বলে অপরটিও ঐ গুণের অধিকারী হবে, তাহলে যে অনুমান করা হয় তার নাম সাদৃশ্যানুমান। উদাহরণস্বরূপ: মানুষ ও গাছপালার মধ্যে কয়েকটি বিষয়ে মিল আছে, অর্থাৎ উভয়ই মাটি, পানি, খাদ্য ছাড়া বাঁচতে পারে না, উভয়ই বংশ বৃদ্ধি করে। মানুষ স্বভাবতই মরণশীল, সুতরাং গাছপালাও মরণশীল। সাদৃশ্যানুমানে আমরা কোনো একটি বিশেষ দৃষ্টান্তে গমন করি। এখানে কয়েকটি অপর্যাপ্ত বিষয়ে দুটি বস্তুর মধ্যে সাদৃশ্য দেখিয়ে একটি সিদ্ধান্ত অনুমান করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুমানের আগে সাদৃশ্যের বিষয়গুলোর সাথে অনুমিত বিষয়ের কোনো কার্যকারণ সম্পর্ক আছে কি না, তা পরীক্ষা করে দেখা হয় না। তাই এর সিদ্ধান্ত সবসময়ই সম্ভাব্য।

যুক্তিবিদ মিল এর মতে, সাদৃশ্যানুমানে আরোহের মূলবৈশিষ্ট্য বা আরোহমূলক লম্ফ উপস্থিত। এতে আমরা জানা থেকে অজানায় গমন করি, তাই তিনি একে প্রকৃত আরোহ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তার মানে সাদৃশ্যানুমান প্রকৃত আরোহের একটি অঙ্গ। প্রকৃত আরোহ তিন প্রকার; যথা : বৈজ্ঞানিক আরোহ, অবৈজ্ঞানিক আরোহ ও সাদৃশ্যানুমান। তাই বলা যায়, সাদৃশ্যানুমান এক প্রকার প্রকৃত আরোহ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
182
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

দুটি বস্তুর মধ্যে কয়েকটি বিষয়ে সাদৃশ্য লক্ষ করে যদি অনুমান করা হয়, তাদের একটি বিশেষ গুণের অধিকারী বলে অপরটিও ওই গুণের অধিকারী হবে, তাহলে যে অনুমান করা হয় তার নাম সাদৃশ্যানুমান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.1k
উত্তরঃ

প্রকৃত আরোহে আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের মাঝে এমন কিছু ফাঁক বা ব্যবধান থাকে, যা অন্ধের মতো ঝুঁকি নিয়ে অতিক্রম করাই হলো প্রকৃত আরোহের প্রধান বৈশিষ্ট্য। প্রকৃত আরোহে এরূপ ব্যবধানে অতিক্রমের প্রক্রিয়াকেই আরোহাত্মক লম্ফ বলে। উদাহরণস্বরূপ, রহিম, করিম, যদু, মধু, জন, ডন প্রমুখ মানুষের মৃত্যুর অভিজ্ঞতা থেকে আমরা এক বিরাট ব্যবধান অতিক্রম করে অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যতের সব মানুষের মরণশীলতা সম্পর্কে যে সার্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি, তা আরোহমূলক লম্ফের উপর নির্ভর করেই সম্ভব হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
724
উত্তরঃ

উদ্দীপকে স্বাগত আরোহ যুক্তিবিদ্যা বইয়ে যে আরোহ সম্পর্কে জেনেছে, তা হচ্ছে বৈজ্ঞানিক আরোহ। কারণ আরোহের যত প্রকারভেদ রয়েছে, তাদের মধ্যে একমাত্র বৈজ্ঞানিক আরোহে আরোহের সব বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান রয়েছে। তাই একে প্রকৃত আরোহ বলা হয়ে থাকে। বৈজ্ঞানিক আরোহের বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে-

◇পরীক্ষণাত্মক পদ্ধতি; 
◇ আরোহমূলক লম্ফ;
◇সার্বিক সংশ্লেষক যুক্তিবাক্য;
◇বাস্তবভিত্তিক অভিজ্ঞতা;
◇প্রকৃতি নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ সম্পর্ক;
◇ আকারগত ও বস্তুগত সত্যতা; ◇ সর্বদা নিশ্চিত সিদ্ধান্ত; 
◇ বিশেষ বিশেষ ঘটনা পর্যবেক্ষণ।

এসব বৈশিষ্ট্য থেকে বলা যায়, এখানে একটি আরোহের যতগুলো বৈশিষ্ট্য থাকলে তাকে প্রকৃত আরোহ বলা যায়, তার সব বৈশিষ্ট্যই বৈজ্ঞানিক আরোহের মধ্যে বিদ্যমান থাকে। এমনকি একমাত্র সঠিকভাবে নিশ্চিত সিদ্ধান্ত কেবল বৈজ্ঞানিক আরোহই দিতে পারে। তাই এটি একটি প্রকৃত আরোহ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
226
উত্তরঃ

উদ্দীপকে স্বাগতের বন্ধু যে জ্যামিতিক চিত্র দেখেছে, তা আরোহ যুক্তিবিদ্যার যুক্তিসাম্যমূলক আরোহের বিষয়বস্তু। কারণ একমাত্র যুক্তিসাম্যমূলক আরোহে জ্যামিতিক চিত্র ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তাই একে জ্যামিতিক আরোহ বলেও আখ্যায়িত করা হয়।

এ প্রকার অনুমানে একটি মাত্র দৃষ্টান্তের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত টানা হলেও এর সিদ্ধান্ত সচরাচর নিশ্চিত। যে যুক্তি দিয়ে একটি সার্বিক বাক্যের অন্তর্গত কোনো একটি বিশেষ ঘটনাকে প্রমাণ করা যায়, সেই একই যুক্তি দিয়ে তার অন্তর্গত সমশ্রেণিভুক্ত অন্যান্য বিশেষ ঘটনাকে প্রমাণ করা যায়- এই নীতির উপর নির্ভর করে একটি সার্বিক সিদ্ধান্ত স্থাপন করার প্রক্রিয়াকে যুক্তিসাম্যমূলক আরোহ বলে। যুক্তিসাম্যমূলক আরোহ জ্যামিতির ক্ষেত্রেই বেশি প্রযোজ্য। এখানে জ্যামিতির সূত্র ব্যবহার করে যুক্তিসাম্যমূলক আরোহ যুক্তি গঠন করে তা নিচে জ্যামিতিক চিত্রে তুলে ধরা হলো-

কোনো জ্যামিতিক প্রমাণে আমরা প্রথমে কোনো প্রদত্ত চিত্রের বৈশিষ্ট্য বা গুণকে প্রমাণ করি এবং তারপর এই সিদ্ধান্তে উপনীত হই যে, প্রদত্ত চিত্রটিতে প্রমাণিত বৈশিষ্ট্য সেই একই শ্রেণির চিত্রের ক্ষেত্রেও সত্য হবে। যেমন: আমরা জানি, ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি দুই সমকোণের সমান; অর্থাৎ ১৮০০। এটি একটি জ্যামিতিক সূত্র। ত্রিভুজের তিনটি কোণ ABC নামক ত্রিভুজ অঙ্কন করে যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করি, ত্রিভুজের তিনটি কোণ মিলে ১৮০° হয়। অনুরূপ যুক্তি দিয়ে আমরা সার্বিককরণ করে বলতে পারি যে X, Y, Z কিংবা A, B, C। অর্থাৎ সব ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি দুই সমকোণের সমান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
230
উত্তরঃ

কার্যকারণ নিয়মের অর্থ হলো, প্রত্যেক কার্য বা ঘটনার একটি কারণ আছে। কোনো ঘটনার আগে যা ঘটে তাকে কারণ বলে। আর সেই ঘটনার পরে যা ঘটে তাকে কার্য বা ফল বলে। কারণ ছাড়া কার্য বা ফল হয় না, বিনাকারণে কোনো ঘটনা ঘটে না, নিছক শূন্য (০) থেকে কোনো কিছুর সৃষ্টি হয় না। শূন্য থেকে শুধু শূন্য পাওয়া যায়। পৃথিবীতে এমন কোনো ঘটনা নেই, যার কোনো কারণ নেই; প্রতিটি ঘটনাই কার্যকারণে আবদ্ধ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews