জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (UNESCO) কর্তৃক স্বীকৃত বিশ্বের ভাষা নিয়ে গবেষণা এবং অনুসন্ধানকারী প্রতিষ্ঠান। ইথনোলগ : ল্যাঙ্গুয়েজেস অব দ্য ওয়ার্ল্ড - এর ১৭তম সংস্করণ (২০১৩) - এর তথ্য মতে, বর্তমানে বিশ্বে প্রচলিত ৭,১০৫টি ভাষার মধ্যে বাংলা ভাষার অবস্থান সপ্তম। চীনা, স্প্যানিশ, ইংরেজি, হিন্দি, আরবি ও পর্তুগিজ ভাষার পরে বাংলা ভাষার অবস্থান।
শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেওয়া হয় ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯।
১৯৬৯ - ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি লাভ করেন শেখ মুজিবুর রহমান।
কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবের সম্মানে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক সভার আয়োজন করে। লাখো জনতার এই সম্মেলনে শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দেওয়া হয়।
উপাধি ঘোষণা দিয়েছিলেন তোফায়েল আহমেদ। এ সভায় রাখা বক্তৃতায় শেখ মুজিব ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এগার দফা দাবির পক্ষে তার পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন।
জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক থেকে বিশ্বের শীর্ষ দেশ হলো মোনাকো। এটি বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশ, যেখানে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ২৫,৭১৮ জনেরও বেশি মানুষ বাস করে।
ইংরেজি Dictionary এর বাংলা অর্থ অভিধান। অভিধান এর শাব্দিক অর্থ শব্দকোষ। যে গ্রন্থে কোনো ভাষার শব্দের বর্ণানুক্রমিক অবস্থান, বানান, উচ্চারণ, অর্থ, ব্যুৎপত্তি ও ব্যবহার নির্দেশ করা হয় তাকে অভিধান বলে।
শব্দ সংকলন বা সংকলিত শব্দের গ্রন্থকে গ্রিক ভাষায় বলা হয় 'লেক্সিকন' (Lexicon)। ল্যাটিন ভাষায় রোমানরা বলতো 'ডিকশনারি' (Dictionary)। ল্যাটিন ভাষার ডিকশনারি থেকে ইংরেজি ভাষায় Dictionary শব্দটি গৃহীত হয়েছে এবং বাংলা ভাষায় এর পরিভাষা হিসেবে 'অভিধান' শব্দটির প্রচলন ঘটেছে।
বাংলা ভাষার প্রথম অভিধান পর্তুগিজ ভাষায় রচনার প্রচেষ্টা চালান খ্রিষ্টান মিশনারি মনোএল দ্য আসুম্পসাঁউ। তার রচিত 'Vocabulario Em Idioma Bengalla, E Portuguez. Dividido Em Duas Partes' গ্রন্থটি রোমান হরফে পর্তুগিজ ভাষায় ১৭৪৩ সালে লিসবন থেকে প্রকাশিত হয়। ১৮১৭ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষায় (বাংলা থেকে বাংলা) 'বঙ্গভাষাভিধান' নামে প্রথম অভিধান সংকলন করেন রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ। ১৯৯২ সালে বাংলা একাডেমি এটি অখণ্ড পূর্ণাঙ্গ সংস্করণে 'বাংলা একাডেমি ব্যবহারিক বাংলা অভিধান' নামে প্রকাশ করেন। বাংলা ভাষায় প্রথম 'থিসরাস' বা সমার্থক শব্দের 'যথাশব্দ' নামে ১৯৭৪ সালে প্রথম অভিধান সংকলন করেন মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান।
বর্ণানুক্রম:
অভিধানে একটির পর আরেকটি শব্দ সাজানো থাকে সংশ্লিষ্ট ভাষার বর্ণানুক্রমে। বাংলা ভাষায় 'অ' দিয়ে শুরু হয়ে ক্রমান্বয়ে অপর বর্ণগুলো ধারাবাহিকভাবে সাজানো থাকে। নিচে বর্ণানুক্রমের আলোচনা করা হলো-
ং, ঃ, ঁ স্বরবর্ণের পরে এবং ব্যঞ্জনবর্ণের আগে ব্যবহৃত হয়।
শীর্ষ শব্দ:
অভিধানে যে শব্দের অর্থ দেয়া হয়, সেটি বোল্ড টাইপে বা মোটা হরফে মুদ্রিত থাকে। এটিকে বলে শীর্ষ শব্দ। যেমন: অঋণী [অরিনি] বিণ ঋণমুক্ত; ঋণশূন্য। {স. অ+ঋণ+ইন (ইনি); স. অন্ণী}
-এখানে 'অঋণী' শব্দটি হচ্ছে শীর্ষ পদ।
ভুক্তি:
অভিধানে শীর্ষ শব্দের অর্থ, ব্যাখ্যা ও ব্যবহার যেভাবে বিধৃত থাকে, তাকে বলা হয় ভুক্তি। যেমন:
অভিধান
অভিধান
সম্পাদক
Vocabulario Em Idioma Bengalla, E Portuguez (১৭৪৩)