নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর লিখুনঃ

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করা হলে আলাদা অর্থবোধক শব্দ পাওয়া যায় সেগুলোকে শাড়িতে শব্দ বলে। 

সাধিত শব্দ গঠনের নিয়ম:

ক. উপসর্গযোগে -যেমন: অ+ বেলা= অবেলা 

খ. প্রত্যয় যোগে– যেমন: চাষ+আ =চাষা 

গ. সন্ধি যোগে –যেমন: পরি+ ইক্ষা= পরীক্ষা 

ঘ. সমাসযোগে– যেমন: বনের সদৃশ= উপবন 

Abdul Ahad
Abdul Ahad
10 months ago
উত্তরঃ ফের আসিলে সিঁধকাঠি সঙ্গেই আসিব।

সরল বাক্য হলো এমন একটি বাক্য যেখানে একটি মাত্র কর্তা (subject) এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (finite verb) থাকে। এটি একটি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে এবং এর মধ্যে কোনো অপ্রধান বা নির্ভরশীল খণ্ডবাক্য থাকে না।

প্রদত্ত বাক্যটি ছিল, "ফের যদি আসে তবে সিঁধকাঠি সঙ্গে করিয়াই আসিব।" এটি একটি জটিল বাক্য (complex sentence) কারণ এখানে দুটি খণ্ডবাক্য রয়েছে: "ফের যদি আসে" (অপ্রধান খণ্ডবাক্য) এবং "সিঁধকাঠি সঙ্গে করিয়াই আসিব" (প্রধান খণ্ডবাক্য)। "যদি...তবে" দ্বারা এর জটিল গঠন বোঝা যায়।

এই বাক্যটিকে সরল বাক্যে রূপান্তর করার জন্য, অপ্রধান খণ্ডবাক্যটিকে অসমাপিকা ক্রিয়া বা ক্রিয়াবিশেষণে পরিণত করতে হয়। এক্ষেত্রে, "যদি আসে" অংশটিকে অসমাপিকা ক্রিয়া "আসিলে" ব্যবহার করে একটি একক বাক্যে রূপান্তর করা হয়েছে। ফলে, "ফের আসিলে সিঁধকাঠি সঙ্গেই আসিব" বাক্যে "আসিব" হলো একমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া এবং "আসিলে" একটি অসমাপিকা ক্রিয়া, যা বাক্যটিকে সরল বাক্যে পরিণত করেছে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ তাকে সদয় মনে হয়।

বাক্য রূপান্তর বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে বাক্যের অর্থ পরিবর্তন না করে তার গঠনগত পরিবর্তন করা হয়। এখানে প্রশ্নটি ছিল একটি নেতিবাচক বাক্যকে (নেতিবাচক বাক্য) অস্তিবাচক বাক্যে (হ্যাঁ-বাচক বাক্য) রূপান্তর করা।

        
  • মূল বাক্য: তাকে নির্দয় মনে হয় না। (এখানে 'না' শব্দটি দ্বারা বাক্যটির নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ পেয়েছে এবং 'নির্দয়' বিশেষণটি ব্যবহৃত হয়েছে)।
  •     
  • রূপান্তরের নিয়ম: নেতিবাচক বাক্যকে অস্তিবাচক বাক্যে রূপান্তর করার সময় মূল অর্থ অক্ষুণ্ণ রাখতে হয়। এর জন্য সাধারণত নেতিবাচক শব্দ বা ক্রিয়ার বিপরীত শব্দ ব্যবহার করা হয় এবং 'না' বর্জন করা হয়।
  •     
  • উদাহরণ:         
                  
    • 'নির্দয়' (cruel) এর বিপরীত শব্দ হলো 'সদয়' (kind/merciful)।
    •             
    • 'মনে হয় না' (doesn't seem) এর পরিবর্তে 'মনে হয়' (seems) ব্যবহার করে নেতিবাচক ভাব দূর করা হয়েছে।
    •         
        
  •     
  • রূপান্তরিত বাক্য: তাকে সদয় মনে হয়। (এই বাক্যটিতে কোনো নেতিবাচক শব্দ নেই এবং মূল বাক্যের অর্থও অপরিবর্তিত আছে - অর্থাৎ, সে নির্দয় নয় = সে সদয়)।
Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
উত্তরঃ

যা ছাত্রদের তপস্যা, তাই অধ্যয়ন।


বাক্য রূপান্তর বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এখানে একটি সরল বাক্যকে জটিল বাক্যে রূপান্তর করা হয়েছে।

        
  • সরল বাক্য: যে বাক্যে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (Finite Verb) থাকে এবং একটি উদ্দেশ্য ও একটি বিধেয় থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। প্রদত্ত বাক্য "অধ্যয়নই ছাত্রদের তপস্যা" একটি সরল বাক্য, যেখানে 'হয়' ক্রিয়াটি উহ্য আছে। 'অধ্যয়নই' অংশটি বিশেষ জোর প্রদান করেছে।
  •     
  • জটিল বাক্য: যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য (Independent Clause) এবং এক বা একাধিক অপ্রধান খণ্ডবাক্য (Dependent Clause) সাপেক্ষ সর্বনাম (যেমন: যে-সে, যা-তা, যিনি-তিনি) বা সাপেক্ষ যোজক (যেমন: যখন-তখন, যেহেতু-সেহেতু, যদি-তবে) দ্বারা যুক্ত থাকে, তাকে জটিল বাক্য বলে। অপ্রধান খণ্ডবাক্য সাধারণত প্রধান খণ্ডবাক্যের উপর অর্থগতভাবে নির্ভরশীল হয়।
  •     
  • রূপান্তর প্রক্রিয়া: "অধ্যয়নই ছাত্রদের তপস্যা" বাক্যটিকে জটিল বাক্যে রূপান্তর করার জন্য একটি সাপেক্ষ সর্বনাম 'যা' ব্যবহার করে অপ্রধান খণ্ডবাক্য "যা ছাত্রদের তপস্যা" গঠন করা হয়েছে। এরপর "তাই অধ্যয়ন" অংশটি প্রধান খণ্ডবাক্য হিসেবে যুক্ত হয়ে একটি জটিল বাক্য তৈরি করেছে। এই রূপান্তরে মূল বাক্যের অর্থ এবং জোর (অধ্যয়নই) অক্ষুণ্ণ থাকে।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ জামিল বাড়িতে অনুপস্থিত নয়।

বাক্য রূপান্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বাক্যের অর্থের পরিবর্তন না করে এক প্রকার বাক্যকে অন্য প্রকার বাক্যে রূপান্তরিত করা। এক্ষেত্রে, হাবাচক (affirmative) বাক্যকে না-বাচক (negative) বাক্যে রূপান্তরের সময় নিম্নলিখিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়:

        
  • মূল ক্রিয়াপদের বা বিশেষণের বিপরীতার্থক শব্দ (antonym) ব্যবহার করে এবং তার সাথে 'না' বা 'নয়' যুক্ত করে বাক্যটিকে না-বাচক করা যায়। যেমন: 'আছে' এর বিপরীতার্থক শব্দ 'অনুপস্থিত', তাই 'জামিল বাড়িতে আছে' বাক্যটিকে 'জামিল বাড়িতে অনুপস্থিত নয়' রূপে পরিবর্তন করা হয়েছে।
  •     
  • অনেক সময় দ্বৈত না-বাচক (double negative) শব্দ ব্যবহার করেও অর্থের পরিবর্তন না ঘটিয়ে না-বাচক বাক্যে রূপান্তর করা যায়। যেমন: 'সে যাবে' - 'সে না গিয়ে পারবে না'।
  •     
  • কিছু ক্ষেত্রে 'ছাড়া', 'ব্যতীত' ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করেও না-বাচক করা হয়। যেমন: 'তুমি কেবল ছবি আঁকো' - 'তুমি ছবি ছাড়া আর কিছু আঁকো না'।

প্রদত্ত বাক্যে "জামিল বাড়িতে আছে" (জামিল বাড়িতে উপস্থিত) এর বিপরীতার্থক শব্দ "অনুপস্থিত" ব্যবহার করে এবং তার সাথে "নয়" যুক্ত করে না-বাচক বাক্যটি তৈরি করা হয়েছে, যা মূল অর্থ অক্ষুণ্ণ রেখেছে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ তার ধনসম্পদ আছে, তাই সে গর্বিত।

বাক্য রূপান্তর বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে তার গঠনগত পরিবর্তন করা হয়। প্রদত্ত বাক্যটি ছিল একটি জটিল বাক্য (Complex Sentence)

জটিল বাক্য (Complex Sentence) হলো এমন বাক্য যেখানে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য (Main Clause) এবং এক বা একাধিক অপ্রধান বা নির্ভরশীল খণ্ডবাক্য (Subordinate Clause) থাকে। এই খণ্ডবাক্যগুলো সাধারণত ‘যেহেতু...তাই’, ‘যদি...তবে’, ‘যখন...তখন’, ‘যে...সে’ ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে। যেমন: "যেহেতু তার ধনসম্পদ আছে, তাই সে গর্বিত।"

অন্যদিকে, যৌগিক বাক্য (Compound Sentence) হলো এমন বাক্য যেখানে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বা নিরপেক্ষ খণ্ডবাক্য কোনো সংযোজক অব্যয় (Coordinating Conjunction) যেমন: 'এবং', 'ও', 'আর', 'অথবা', 'কিন্তু', 'অথচ', 'বরং', 'তাই', 'নতুবা', 'তবুও' ইত্যাদি দ্বারা যুক্ত থাকে। যৌগিক বাক্যের প্রতিটি খণ্ডবাক্যই নিজস্বভাবে একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য হিসেবে অর্থ প্রকাশ করতে সক্ষম।

প্রদত্ত জটিল বাক্যটিকে যৌগিক বাক্যে রূপান্তরের জন্য, এর নির্ভরশীল খণ্ডবাক্য "যেহেতু তার ধনসম্পদ আছে" কে একটি স্বাধীন খণ্ডবাক্যে ("তার ধনসম্পদ আছে") পরিণত করা হয়েছে। এরপর মূল বাক্যের দ্বিতীয় অংশ "সে গর্বিত" কে একটি উপযুক্ত সংযোজক অব্যয় 'তাই' (যা পরিণতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়) দ্বারা প্রথম স্বাধীন খণ্ডবাক্যের সাথে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে উভয় অংশই স্বাধীন খণ্ডবাক্য হিসেবে তাদের অর্থ বজায় রেখে একটি যৌগিক বাক্য তৈরি করেছে: "তার ধনসম্পদ আছে, তাই সে গর্বিত।" এখানে 'তাই' অব্যয়টি দুটি স্বাধীন বাক্যকে সংযুক্ত করেছে এবং ফলস্বরূপ অর্থ প্রকাশ করেছে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
307

Related Question

View All
(ক)
মহাসমুদ্রের শত বৎসরের কল্লোল কেহ যদি এমন করিয়া বাঁধিয়া রাখিতে পারি যে, সে ঘুমন্ত শিশুটির মত চুপ করিয়া থাকিত, তবে সেই নীরব মহাশব্দের সহিত এই পুস্তকাগারের তুলনা হইত। এখানে ভাষা চুপ করিয়া আছে, প্রবাহ স্থির হইয়া আছে, মানবতাত্মার অমর অগ্নি কালাে অক্ষরের শৃঙ্খলে কালাে চামড়ার কারাগারে বাঁধা পড়িয়া আছে। ইহারা সহসা যদি বিদ্রোহী হইয়া উঠে, নিস্তব্ধতা ভাঙ্গিয়া ফেলে, অক্ষরের বেড়া দগ্ধ করিয়া একবার বাহির হইয়া আসে, কালের শখ-রন্ধ্রে এই নীরব সহস্র বৎসর যদি এককালে ফুঙ্কার দিয়া উঠে, তবে সে বন্ধনমুক্ত উচ্ছ্বসিত শব্দের স্রোতে দেশ-বিদেশ ভাসিয়া যাইত। হিমালয়ের মাথার উপরে কঠিন তুষারের মধ্যে যেমন শত শত বন্যা বাঁধা পড়িয়া আছে, তেমনি এই পুস্তকাগারের মধ্যে মানব হৃদয়ের বন্যাকে বাঁধিয়া রাখা হইয়াছে। বিদ্যুৎকে মানুষ লােহার তার দিয়া বাধিয়াছে। কিন্তু কে জানিত মানুষ শব্দকে নিঃশব্দের মধ্যে আকাশের দৈববাণীকে সে কাগজে পুরিয়া রাখিবে, অতলস্পর্শ কাল সমুদ্রের উপর কেবল একখানা বই দিয়া সাঁকো বাঁধিয়া দিবে । (সারমর্ম লিখুন)
2k
(খ)
মহাসমুদ্রের শত বৎসরের কল্লোল কেহ যদি এমন করিয়া বাঁধিয়া রাখিতে পারি যে, সে ঘুমন্ত শিশুটির মত চুপ করিয়া থাকিত, তবে সেই নীরব মহাশব্দের সহিত এই পুস্তকাগারের তুলনা হইত। এখানে ভাষা চুপ করিয়া আছে, প্রবাহ স্থির হইয়া আছে, মানবতাত্মার অমর অগ্নি কালাে অক্ষরের শৃঙ্খলে কালাে চামড়ার কারাগারে বাঁধা পড়িয়া আছে। ইহারা সহসা যদি বিদ্রোহী হইয়া উঠে, নিস্তব্ধতা ভাঙ্গিয়া ফেলে, অক্ষরের বেড়া দগ্ধ করিয়া একবার বাহির হইয়া আসে, কালের শখ-রন্ধ্রে এই নীরব সহস্র বৎসর যদি এককালে ফুঙ্কার দিয়া উঠে, তবে সে বন্ধনমুক্ত উচ্ছ্বসিত শব্দের স্রোতে দেশ-বিদেশ ভাসিয়া যাইত। হিমালয়ের মাথার উপরে কঠিন তুষারের মধ্যে যেমন শত শত বন্যা বাঁধা পড়িয়া আছে, তেমনি এই পুস্তকাগারের মধ্যে মানব হৃদয়ের বন্যাকে বাঁধিয়া রাখা হইয়াছে। বিদ্যুৎকে মানুষ লােহার তার দিয়া বাধিয়াছে। কিন্তু কে জানিত মানুষ শব্দকে নিঃশব্দের মধ্যে আকাশের দৈববাণীকে সে কাগজে পুরিয়া রাখিবে, অতলস্পর্শ কাল সমুদ্রের উপর কেবল একখানা বই দিয়া সাঁকো বাঁধিয়া দিবে । (সারমর্ম লিখুন)
উত্তরঃ

সারাংশ: গ্রন্থাগার হলো জ্ঞানের এক নীরব মহাসমুদ্র। হাজার বছরের জ্ঞান ও মানবহৃদয়ের আবেগ, উচ্ছ্বাস বিভিন্ন গ্রন্থে লিপিবদ্ধ হয়ে গ্রন্থাগারে রক্ষিত হয়।

Abdullah Khan
Abdullah Khan
2 years ago
5.4k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মহাসমুদ্রের শত বৎসরের কল্লোল কেহ যদি এমন করিয়া বাঁধিয়া রাখিতে পারি যে, সে ঘুমন্ত শিশুটির মত চুপ করিয়া থাকিত, তবে সেই নীরব মহাশব্দের সহিত এই পুস্তকাগারের তুলনা হইত। এখানে ভাষা চুপ করিয়া আছে, প্রবাহ স্থির হইয়া আছে, মানবতাত্মার অমর অগ্নি কালাে অক্ষরের শৃঙ্খলে কালাে চামড়ার কারাগারে বাঁধা পড়িয়া আছে। ইহারা সহসা যদি বিদ্রোহী হইয়া উঠে, নিস্তব্ধতা ভাঙ্গিয়া ফেলে, অক্ষরের বেড়া দগ্ধ করিয়া একবার বাহির হইয়া আসে, কালের শখ-রন্ধ্রে এই নীরব সহস্র বৎসর যদি এককালে ফুঙ্কার দিয়া উঠে, তবে সে বন্ধনমুক্ত উচ্ছ্বসিত শব্দের স্রোতে দেশ-বিদেশ ভাসিয়া যাইত। হিমালয়ের মাথার উপরে কঠিন তুষারের মধ্যে যেমন শত শত বন্যা বাঁধা পড়িয়া আছে, তেমনি এই পুস্তকাগারের মধ্যে মানব হৃদয়ের বন্যাকে বাঁধিয়া রাখা হইয়াছে। বিদ্যুৎকে মানুষ লােহার তার দিয়া বাধিয়াছে। কিন্তু কে জানিত মানুষ শব্দকে নিঃশব্দের মধ্যে আকাশের দৈববাণীকে সে কাগজে পুরিয়া রাখিবে, অতলস্পর্শ কাল সমুদ্রের উপর কেবল একখানা বই দিয়া সাঁকো বাঁধিয়া দিবে । (সারমর্ম লিখুন)
মহাসমুদ্রের শত বৎসরের কল্লোল কেহ যদি এমন করিয়া বাঁধিয়া রাখিতে পারি যে, সে ঘুমন্ত শিশুটির মত চুপ করিয়া থাকিত, তবে সেই নীরব মহাশব্দের সহিত এই পুস্তকাগারের তুলনা হইত। এখানে ভাষা চুপ করিয়া আছে, প্রবাহ স্থির হইয়া আছে, মানবতাত্মার অমর অগ্নি কালাে অক্ষরের শৃঙ্খলে কালাে চামড়ার কারাগারে বাঁধা পড়িয়া আছে। ইহারা সহসা যদি বিদ্রোহী হইয়া উঠে, নিস্তব্ধতা ভাঙ্গিয়া ফেলে, অক্ষরের বেড়া দগ্ধ করিয়া একবার বাহির হইয়া আসে, কালের শখ-রন্ধ্রে এই নীরব সহস্র বৎসর যদি এককালে ফুঙ্কার দিয়া উঠে, তবে সে বন্ধনমুক্ত উচ্ছ্বসিত শব্দের স্রোতে দেশ-বিদেশ ভাসিয়া যাইত। হিমালয়ের মাথার উপরে কঠিন তুষারের মধ্যে যেমন শত শত বন্যা বাঁধা পড়িয়া আছে, তেমনি এই পুস্তকাগারের মধ্যে মানব হৃদয়ের বন্যাকে বাঁধিয়া রাখা হইয়াছে। বিদ্যুৎকে মানুষ লােহার তার দিয়া বাধিয়াছে। কিন্তু কে জানিত মানুষ শব্দকে নিঃশব্দের মধ্যে আকাশের দৈববাণীকে সে কাগজে পুরিয়া রাখিবে, অতলস্পর্শ কাল সমুদ্রের উপর কেবল একখানা বই দিয়া সাঁকো বাঁধিয়া দিবে । (সারমর্ম লিখুন)
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews