উত্তরঃ

বাংলা কাব্যে 'ভোরের পাখি' বলা হয় বিহারীলাল চক্রবর্তীকে

উত্তরঃ

যুগ সন্ধিক্ষণের কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত

উত্তরঃ

ইতি হতে আদি = ইত্যাদি (পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস)।

উত্তরঃ

আমি কি ডরাই সখি ভিখারি রাঘবে।  = অপাদানে ৭মী

উত্তরঃ

'দ্বিপ' শব্দের অর্থ হাতি

126

বিহারীলাল চক্রবর্তী (১৮৩৫-১৮৯৪)

আধুনিক গীতিকবিতার কবি বিহারীলাল চক্রবর্তী। কবির ব্যক্তিগত অনুভূতি ও গীতোচ্ছ্বাস বিশুদ্ধভাবে তাঁর কবিতায় প্রকাশিত হয়েছে। সৌন্দর্যপিয়াসী প্রকৃতি প্রেমিক কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর কবিতায় সমাজ-সমকাল ও সমকালীন সমস্যাবলি প্রাধান্য পায়নি। মনের মাধুরী মিশিয়ে প্রকৃতির রস আস্বাদন করেছেন যেভাবে, সেই মুগ্ধতার প্রকাশ ঘটেছে তাঁর কবিতায়। তাঁর কবিতার চরণে চরণে ঢেউ তুলেছে নূপুর-নিক্বণ। রবীন্দ্রনাথের মতে, 'বাংলা ভাষার একমাত্র কবি বিহারীলালই প্রথম নিভৃতে বসে নিজের ছন্দে নিজের মনের কথা লিখেছেন।'

  • বিহারীলাল চক্রবর্তী ২১ মে, ১৮৩৫ সালে কলকাতার জোড়াবাগান অঞ্চলের নিমতলায় জন্মগ্রহণ করেন। আদি নিবাস- ফরাসডাঙ্গায়।
  • তাঁর পারিবারিক পদবি- চট্টোপাধ্যায়।
  • গীতিকবিতার ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের গুরু- বিহারীলাল চক্রবর্তী।
  • তিনি বাংলা সাহিত্যে আধুনিক গীতিকবিতার স্রষ্টা। এ জন্য রবীন্দ্রনাথ তাকে 'ভোরের পাখি' হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন
  • তিনি 'পূর্ণিমা' (১৮৫৯), 'সাহিত্য সংক্রান্তি' (১৮৬৩), 'অবোধ বন্ধু' (১৮৬৮) পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।
  • তিনি ২৪ মে, ১৮৯৪ সালে কলকাতায় মারা যান।

যে কবিতায় কবির একান্ত ব্যক্তিগত কামনা-বাসনা ও আনন্দবেদনা প্রাণের অন্তঃস্থল থেকে আবেগকম্পিত সুরে অখণ্ড ভাবমূর্তিতে আত্মপ্রকাশ করে তাকে 'গীতিকবিতা' বলে। আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার সূত্রপাত টপ্পাগান থেকে। বিহারীলালই প্রথম বাংলায় ব্যক্তির আত্মলীনতা, ব্যক্তিগত আবেগ-অনুভূতি ও গীতোচ্ছ্বাস সহযোগে গীতিকবিতা রচনা করে নতুন এক ধারা সৃষ্টি করেন বলেই তাকে 'ভোরের পাখি' বলা হয়।

বিহারীলাল রচিত কাব্যগ্রন্থসমূহঃ

'বঙ্গসুন্দরী' (১৮৭০): এটি তাঁর প্রথম সার্থক গীতিকবিতার গ্রন্থ।

'সাধের আসন' (১৮৮৯): 'সারদামঙ্গল' কাব্যের পরিশিষ্ট 'সাধের আসন'। বিহারীলালের 'সারদামঙ্গল' কাব্য পড়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বৌদি কাদম্বরী দেবী নিজের হাতে একটা আসন বুনে কবিকে উপহার দিয়েছিলেন। আসনের উপর প্রশ্নচ্ছলে কার্পেটের অক্ষরে লেখা ছিল 'সারদামঙ্গল' কাব্যের কয়েকটা লাইন। এর উত্তরে কবি রচনা করেন একটি কাব্য। কাদম্বরী দেবীর উপহারের কথা স্মরণ করেই বিহারীলাল এ কাব্যের নামকরণ করেন 'সাধের আসন'।

'স্বপ্নদর্শন' (১৮৫৮), 'সঙ্গীত শতক' (১৮৬২), নিসর্গ সন্দর্শন' (১৮৭০), 'বন্ধু বিয়োগ' (১৮৭০), 'প্রেম প্রবাহিণী' (১৮৭০), 'সারদামঙ্গল' (১৮৭৯), 'নিসর্গ সঙ্গীত' (১৮৮১), 'মায়াদেবী' (১৮৮২), 'দেবরাণী' (১৮৮২), 'বাউলবিংশতি' (১৮৮৭), 'ধূমকেতু' (১৮৯৯)।

সারদামঙ্গল

বিহারীলালের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'সারদামঙ্গল' (১৮৭৯)। এটি পাঁচ খণ্ডে স্তবকময় মাধুর্যপূর্ণ ভাষায় রচিত। এ কাব্যে দেখা যায়, শুরুতে কবির মনোজগতে এক কাব্যলক্ষ্মীর আবির্ভাব, লক্ষ্মীর উদ্দেশ্যে কবির মানসভ্রমণ, কবিচিত্তের দ্বন্দ্ব এবং হিমালয়ের উদার প্রকৃতির মধ্যে প্রশান্তি লাভ এবং সবশেষে হিমালয়ের পূর্ণভূমিতে কবির আনন্দ উপলব্ধির চিত্র। শেলির মতো বিহারীলালও তাঁর প্রিয়তমার মধ্যে সারদাকে অন্বেষণ করেছেন এবং দীর্ঘ বিরহের পর হিমাদ্রি শিখরে ভাব-সম্মিলনের চিত্র অংকন করে কবি কাব্যের পরিসমাপ্তি টেনেছেন।

Related Question

View All
উত্তরঃ

অন্নদামঙ্গল কাব্য। কাব্যে আরবি-ফারসি শব্দ ব্যবহার প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন যে, জনসাধারণের কাছে সহজবোধ্য ও রসগ্রাহী করে তোলার জন্য আরবি ও ফারসি শব্দ ব্যবহার অত্যাবশ্যক। তাঁর মতে, ভাষার সৌন্দর্য ও মাধুর্য রক্ষায় প্রচলিত বিদেশি শব্দ ব্যবহার অপ্রাসঙ্গিক নয়, বরং তা কাব্যকে আরও সমৃদ্ধ করে।


ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ছিলেন অষ্টাদশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি। তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ ও অমর কাব্যগ্রন্থ হলো অন্নদামঙ্গল কাব্য। এটি তিনটি খণ্ডে বিভক্ত—১. অন্নদামঙ্গল, ২. বিদ্যাসুন্দর বা কালিকামঙ্গল এবং ৩. মানসিংহ বা মানসিংহ ভবানন্দ উপাখ্যান।

ভারতচন্দ্র ফারসি ও আরবি ভাষায় সুপণ্ডিত ছিলেন। তাঁর কাব্যে তিনি সচেতনভাবে আরবি ও ফারসি শব্দ ব্যবহার করেছেন। এই প্রসঙ্গে তাঁর বিখ্যাত উক্তি হলো: "নগর পুড়িলে কি দেবালয় এড়ায়? আরবি ফারসি কিবা জানে বেনে গায়?" এর মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, ভাষার বিশুদ্ধতা নিয়ে অতিমাত্রায় রক্ষণশীল না হয়ে জনসাধারণের মধ্যে প্রচলিত ও পরিচিত শব্দ ব্যবহার করাই শ্রেয়। তিনি বিশ্বাস করতেন, আরবি-ফারসি শব্দ বাংলা ভাষার সঙ্গে মিশে গিয়ে তার শ্রুতিমাধুর্য ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। তৎকালীন সময়ে ফারসি ছিল রাজদরবারের ভাষা এবং সাধারণ মানুষের মুখেও অনেক আরবি-ফারসি শব্দ প্রচলিত ছিল। তাই তিনি কাব্যের গ্রহণযোগ্যতা ও পাঠকপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্য এসব শব্দ ব্যবহারে কুণ্ঠাবোধ করেননি। তাঁর মতে, যে শব্দ শ্রুতিমধুর ও মনোহর, তা বিদেশি হলেও কাব্যে তার স্থান করে নেওয়া উচিত। এই দৃষ্টিভঙ্গি ভারতচন্দ্রকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক আধুনিক ও প্রগতিশীল ভাষাচিন্তক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
334
উত্তরঃ

অন্নদামঙ্গল রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র রচিত একটি মঙ্গলকাব্য।

badol
badol
1 year ago
391
উত্তরঃ

জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকারক রশ্মি গামা রশ্নি।

222
উত্তরঃ

জিজ্ঞাসিব জনে জনে = কর্মে ৭মী। 

উত্তরঃ

তার ধর্মে মতি আছে = অধিকরণে ৭মী।

223
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews